শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৫

সন্ত্রাস, সহিংসতা চাই না; সমস্যার সমাধান চাই

মাহমুদুর রহমান মান্না
অনলাইন ভার্সন
সন্ত্রাস, সহিংসতা চাই না; সমস্যার সমাধান চাই

মাঘের শুরুতে কনকনে শীতের মধ্যেও রাজনীতির উত্তাপ একটুও কমছে না। সহিংসতার আগুনে জ্বলছে যানবাহন, দগ্ধ হচ্ছে মানুষ। নারী-শিশুরাও বাদ যাচ্ছে না। বিএনপির টানা অবরোধ শান্তিপূর্ণ বলা হলেও বাস্তবে সহিংসতার আগুন ছড়িয়ে পড়েছে দেশজুড়ে।

রাজধানীতে চলন্ত বাসে পেট্রলবোমা হামলায় দগ্ধ হয়েছেন ইডেন কলেজের দুই ছাত্রী। বরিশালে পুড়ে কয়লা ট্রাক হেলপার। নারায়ণগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসের আগুনে মা-শিশু দগ্ধ হয়েছে। চট্টগ্রামে বরযাত্রী বাসে বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর আগে রাজধানীতে পুলিশের গাড়িতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এবার রাজশাহীতে র্যাবের গাড়িতে ককটেল হামলা হয়েছে। সহিংসতা থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এর মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নেতা-কর্মীরাও আক্রান্ত হতে শুরু করেছেন। রাজধানীতে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা রিয়াজ রহমানের গাড়িতে আগুন দেওয়া ও গুলিবিদ্ধ করার ঘটনা নিয়েও কথা উঠেছে। এখন জানা যাচ্ছে, দেশের বাইরে থেকে এই ঘটনার ভিডিও সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতারও করা যায়নি। ফলে এ নিয়ে ধোয়াশা অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ভাড়াটে বোমাবাজ চক্র আর পেট্রলবোমা যেন হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক সহিংসতার প্রধান হাতিয়ার।

পুলিশের ধরপাকড় এড়াতে কেন্দ্রীয় নেতারা দূরে থাক, মাঠ পর্যায়ের দলীয় নেতা-কর্মীদের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে রাস্তায় এমনকি খণ্ড মিছিলও হচ্ছে না। যারা বোমাবাজি করছে তারা কারা সে প্রশ্ন বড় হয়ে উঠেছে। বিএনপি নেতারা শান্তিপূর্ণ অবরোধের কথা বলেছেন কিন্তু শান্তি যে থাকছে না সেটা দেখাই যাচ্ছে। তাহলে কি ভাড়াটে সন্ত্রাসীরাই বোমাবাজি চালাচ্ছে? নাকি অন্য কোনো নাটক? রাজনীতিতে নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যেও চোরাগোপ্তা, জ্বালাও-পোড়াও, বোমাবাজি চলছে। মানুষের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় কেউ কান দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করছে বলে মনে হয় না।

রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান রাজনৈতিকভাবে করার আহ্বানও উপেক্ষিত হচ্ছে। সহিংসতা দমনে শুরু হয়েছে যৌথবাহিনীর অভিযান। শুরুতেই চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে যা হয়েছে তাকে কেউ কেউ একাত্তরের সঙ্গে তুলনা করেছেন। দৈনিক পত্রিকার প্রথম পাতায় প্রকাশিত সচিত্র রিপোর্টে মানুষের গ্রাম ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে চলার ছবির সঙ্গে আর কিসের তুলনা হতে পারে? দেশ কি একই ভয়াবহ অবস্থার মুখে এসে দাঁড়িয়েছে?

অন্য একটি পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, ১৮ জানুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত থেকে দেশের ১৯টি জেলায় একযোগে র্যাব, পুলিশ, বিজিবির যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে আসতে যৌথবাহিনীর এই বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। এ রকম অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা আগেও দেখা গেছে। এবার কি হয় সেটা দেখার জন্য অন্তত সপ্তাহখানেক অপেক্ষা করতেই হবে। এদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে অর্থবহ সংলাপের মাধ্যমে চলমান সংকট নিরসন না হলে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করার কথা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। অন্যদিকে সহিংসতা বন্ধ না হলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আটক করা হবে সরকারের সিদ্ধান্তের কথাও প্রকাশিত হয়েছে। যদি তেমনটি হয় বিএনপি কি তাদের চেইন অব কমান্ড ধরে রাখতে পারবে?

আওয়ামী লীগ নেতারা অবশ্য আগে থেকে বলে আসছিলেন বিএনপি ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে অংশ না নিয়ে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তাদের পক্ষে কোনো আন্দোলন করা সম্ভব নয়। তবে এখন তারা বিএনপির অবরোধ-হরতালের নিন্দা করে জঙ্গিবাদের বিরোধিতায় মাঠ গরম করছেন। যদিও এ ধরনের জঙ্গিপনা আমাদের রাজনীতিতে নতুন নয়। স্বাধীনতার পর বিশেষ করে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে এবং পরবর্তীকালে প্রায় প্রতিটি নির্বাচিত সরকারের আমলে বিরোধী দল যে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়েছে সেগুলো ছিল এমনই 'জঙ্গি' কর্মকাণ্ড। বোমাবাজি, গাড়ি পোড়ানো এমনকি গান পাউডার দিয়ে গাড়ি পুড়িয়ে দগ্ধ করার মতো ঘটনাও সবাই দেখেছে। শেষ পর্যন্ত এসবের সমাপ্তি ঘটেছে সরকার পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে। যদিও এই পরিবর্তন পরিস্থিতির গুণগত পরিবর্তন ঘটায়নি। ফলে আবারও ফিরে এসেছে সেই জঙ্গিপনা। যে কোনো সময়ে, যে কোনো কারণেই হোক, আমরা সন্ত্রাসের বিপক্ষে। এর ফলে গণতন্ত্রের আন্দোলন বিজয়ী হয় না, বিধ্বস্ত হয়। তবে এবারের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। ক্ষমতাসীনরা মুখে যাই বলুন না কেন তাদের কাছ থেকেই সেটা বোঝা যায়। ইন্টারনেটে জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম ভাইবার ও ট্যাঙ্গো বন্ধের ঘটনাই তার প্রমাণ। যৌথবাহিনীর অভিযানেও সেটা দেখা গেছে।

সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতে বড় দল দুটির ক্ষমতার লড়াই থেকেই এ অবস্থার সৃষ্টি। গত বছরের ৫ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনে শেখ হাসিনার ক্ষমতা গ্রহণ থেকে যার শুরু। সে সময় সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কথা বলা হয়েছিল। আরও বলা হয়েছিল দশম নির্বাচন হয়ে যাক তারপর একাদশ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হবে। কিন্তু পরবর্তীতে ক্ষমতা হাতে পেয়ে সেটা ভুলে যাওয়া হয়েছে। এক বছর সময়ে সরকার নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার দিকে নজর দিয়েছে। তারা উন্নয়ন দিয়ে রাজনৈতিক বিরোধ চাপা দিতে চেয়েছে। কিন্তু এক বছরের মাথায় দেখা গেল সব কিছু গ্রাস করে রাজনৈতিক বিরোধই সহিংসভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। বিরোধী দলের দোষ তুলে ধরার বদলে যদি সমঝোতার পথ ধরা হতো তাহলে কি পরিস্থিতি ভিন্ন কিছু হতো? এ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন চিন্তার কথা কে না জানে? স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষের কথা বলে সংলাপকে যতই অস্বীকার করার চেষ্টা হোক না কেন সবাই জানে বিরোধের আসল কারণ কি? সেটা যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব কেউ কি তা অস্বীকার করতে পারেন। এ অবস্থায় দুই দলের মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ মীমাংসার গ্রহণযোগ্য কোনো পথ খুঁজে বের করা মোটেই অসম্ভব নয়। তবে যদি রাজনীতির ঊর্ধ্বে অরাজনৈতিক কোনো বিষয় থেকে থাকে তবে ভিন্ন কথা।

ইতিহাসে রাজনৈতিক বিরোধ মীমাংসার ভূরি ভূরি উদাহরণ আছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের জটিল বিরোধের মীমাংসায় শেখ হাসিনা নিজের সাফল্যের কথা বলতে কি কখনো ভুল করেন? সেটা তো আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়েই এসেছিল। যদিও শেষ ফল ভালো হয়েছে বলা যাবে না। প্রতিবেশী দেশ ভারতেও মাওবাদী, ঝাড়খণ্ডের আদিবাসীদের সঙ্গে বিরোধ মীমাংসার কথাও বলা যায়। সর্বত্রই সংলাপ, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়েছে। রাজনীতিকে সমঝোতার খেলা বলা হয়। শত্রুর সঙ্গে সমঝোতা করে নিজের লক্ষ্যে এগিয়ে চলার মধ্যেই শ্রেষ্ঠত্ব। আমাদের স্বাধীনতার আন্দোলনেও এমন কৌশলের ফল কী হয়েছে তা কি নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে? গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করতে সংলাপ-সমঝোতার ঊর্ধ্বে আর কিছু আছে কি?

শেষ পর্যন্ত অবশ্য জনগণের মতামতই শেষ ভরসা। নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে জনমতের প্রতিফলন নিশ্চিত করা না গেলে অবশ্য সব কিছুই ভেস্তে যায়। তারপরও যে সব কিছু উল্টে যায় তেমন উদাহরণও আছে। '৭০-এর নির্বাচনে জনগণের রায় অস্বীকার করাতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নিতে হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন তাই বাঙালিদের শ্রেষ্ঠ অর্জন। সংবিধানে সব কিছুর মালিক বলা হলেও জনগণকে বঞ্চিত করার অপচেষ্টার শেষ নেই। সে জন্যই গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থা গড়ে তোলা অসম্ভব হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের ৪৩ বছরে রাজনৈতিক পরিস্থিতির চরম অবনতির পেছনে এই কারণটির ভূমিকা কি অস্বীকার করা যায়? সে যাই হোক, উদ্ভূত পরিস্থিতির অবসানই এখন সবার কাম্য। চলমান সহিংসতা বন্ধ করার কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে সর্বত্রই আলোচনা হচ্ছে। শুধু বিবদমান দুই পক্ষের সমঝোতার মধ্যেই যে স্থায়ী সমাধান পাওয়া যাবে না সেটাও সবার জানা। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার সে সমাধান এখন অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ক্ষমতাসীনরা সংবিধান থেকেই এ ব্যবস্থা মুছে ফেলেছে। তাই যারা চলমান সন্ত্রাস-সহিংসতার অবসান চাইবেন তাদের অবশ্যই জাতীয় সংলাপের মধ্য দিয়েই সামগ্রিক বিষয় নিয়ে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। সব রাজনৈতিক দল, নাগরিক সংগঠন, সামাজিক আন্দোলন, শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের নিয়ে সৃষ্ট সংকট সমাধানের উদ্যোগ নিলে পরিস্থিতির চাপেই হরতাল-অবরোধ ছাড়তে হবে বিএনপিকে। ইতিমধ্যে তারাও সংলাপের প্রস্তাব জানিয়ে দিয়েছে। প্রতিপক্ষকে দমন-পীড়ন বা নিশ্চিহ্ন করার প্রচেষ্টা কখনো কোনো দেশে রাজনৈতিক বিরোধের সমাধান দিয়েছে বলে জানা নেই।

লেখক : রাজনীতিক, আহ্বায়ক নাগরিক ঐক্য।

ই-মেইল :[email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়