শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১৫

বেগম জিয়ার গেট খোলা থাকলে কী এমন ক্ষতি হতো

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
বেগম জিয়ার গেট খোলা থাকলে কী এমন ক্ষতি হতো

এ ক'দিনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় বিরোধী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর আকস্মিক অকাল মৃত্যু। স্বাধীনতার বছরখানেক আগে কোকোর জন্ম। নিশ্চয়ই মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের খুব কষ্ট করতে হয়েছে। রণাঙ্গনে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে ওঠায় স্বাধীনতার পর অনেকবার তার বাড়ি গেছি, তিনিও আমার বাড়ি এসেছেন। আসলে মুক্তিযুদ্ধ ঝট করেই আমাকে বড় বানিয়ে দিয়েছিল। তাই তখন অনেকের সান্নিধ্য পেয়েছি, পেয়েছি বন্ধুত্ব। এখন মুক্তিযুদ্ধ নেই, মুখে বললেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাও তেমন নেই। চারদিকে নীতিহীন কেমন যেন এক থমথমে হতাশা ভাব। মানুষের প্রতি মানুষের সহানুভূতি, মমত্ব কেমন যেন শূন্যের কোঠায় চলে গেছে। গত শনিবার সারা দিন ছিলাম বাইরে বাইরে, বনে-বাদাড়ে। সভ্য জগতের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না। তাই কোকোর মৃত্যু সংবাদ কয়েক ঘণ্টা পরে পেয়েছি। বহুদিন পর সখীপুরের কালিয়ায় একটা জনসভা ছিল। শীতের মৌসুমে বেশ লোক হয়েছিল। কিন্তু সভায় বক্তৃতা করতে পারিনি। কোকোর মৃত্যু আমাকে বড় বেশি নাড়া দিয়েছে। স্বাধীনতার পর কোকোকে অনেকবার কোলে পিঠে নিয়েছি। সেই ছেলে আমাকে পিছে ফেলে চলে গেল। কতবার কত জায়গায় কতভাবে বলার চেষ্টা করেছি, আসার একটা নিয়ম থাকলেও কার আগে কে যাবে তার কোনো নিয়ম নেই। আরাফাত রহমান কোকোর ক্ষেত্রেও তাই হলো। খুবই বেদনাহত ভারাক্রান্ত বুকে সভায় গিয়েছিলাম। দু'কথা না বললে লোকজন বিরক্ত হবে, ব্যথা পাবে তাই প্রথমেই বিএনপির নেতা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর আত্দার শান্তি কামনায় সবাইকে এক মিনিট নীরবতা পালনের আহ্বান জানিয়েছিলাম। সখীপুরের মানুষ আগাগোড়াই আমাকে ভালোবাসে। তাই একটি মানুষও ছিল না যে, দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেনি। আমি বিএনপি করি না, বিএনপি জোটেরও কেউ নই। তাই বিএনপির নেতার ছেলের মৃত্যুতে প্রকাশ্য জনসভায় শোক প্রকাশে দু'চারজন আবার অবাক বিস্মিতও হয়েছে। কিন্তু আমাদের মনে হয়েছে, দলাদলি হানাহানির বাইরেও মানবতা মনুষ্যত্ব বলে একটা কিছু থাকে। আমরা তারই প্রমাণ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এটা আমরা কাউকে দেখাতে করিনি বরং আত্দিক তাগিদে করেছি। সভায় বলেছিলাম, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা পুত্রহারা শোকাতুর একজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে না হোক একজন মা হিসেবে সমবেদনা জানাতে এখনই তার বাড়ি যান। সঙ্গে সঙ্গে এও বলেছিলাম, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার অনুরোধ রাখবেন কিনা জানি না। কিন্তু তার বাবা বেঁচে থাকলে তিনি অবশ্যই আমার অনুরোধ রক্ষা করতেন। সভা শেষে ফেরার পথে হঠাৎই শুনলাম, তিনি বিরোধী দলের নেত্রীর বাড়ি যাচ্ছেন। ঘরে ফিরে টিভিতে দেখলাম, গুলশানে বেগম খালেদা জিয়ার বাড়ির আশপাশে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা রক্ষীতে সয়লাব হয়ে গেছে। রাত সাড়ে ৮টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পৌঁছলেন বিরোধী দলের নেত্রীর গেটে। অবাক কাণ্ড, গেট বন্ধ। এতদিন সরকার বন্ধ করেছিল বাইরে থেকে, এবার বিএনপি বন্ধ করেছে ভিতর থেকে। ‘Tit for tat’- ইটকা জবাব পাত্থরছে দে দিয়া। কী অবাক বিস্ময়ের ব্যাপার! পৃথিবীর আর কোনো দেশে এমন সভ্যতা-ভব্যতার অভাব হবে কিনা জানি না। কিন্তু লাখ লাখ মানুষের রক্তে অর্জিত দেশে আমাদের এসব মুখ বুজে সহ্য করতে হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুত্রহারা এক মাকে সান্ত্বনা দিতে গিয়েছিলেন, এ জন্য অবশ্যই তিনি জাতির কাছে এর মূল্য পাবেন। কিন্তু গেট বন্ধ রেখে যে অসৌজন্যতার পরিচয় প্রধান বিরোধী দল দিয়েছে তার মাশুলও তাদের গুনতে হবে। শান্ত স্বভাবের শিমুল বিশ্বাসকেও সেদিন উত্তেজিত দেখেছি? তিনি বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছিল। তাই তার অনুমতি নিতে পারেননি বলে গেট খোলা যায়নি। কোনো ভদ্রলোকের বাড়িতে কেউ গেলে অতিথিকে সম্মান করে বাড়িতে নিয়ে বসানো হয়। সে কাজটি তারা অনায়াসে করতে পারতেন। বেগম খালেদা জিয়া ঘুমিয়ে ছিলেন, ঘুমন্ত খালেদা জিয়াকেই এক ঝলক দেখিয়ে দিতে পারতেন, সেটাই যথার্থ যুক্তিযুক্ত হতো। আমরা হাসপাতালের I.C.U. তে কত মুমূর্ষু রোগীকে কাচের পর্দার আড়াল থেকে দেখে থাকি। একটা দেশের পোড়খাওয়া প্রধানমন্ত্রী, তিনি অবশ্যই বুঝতে পারতেন পুত্রহারা মায়ের কী অবস্থা। শুনেছি, পিতার কাঁধে পুত্রের লাশ হিমালয়ের চেয়েও ভারী। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়, বিধবা মায়ের কাছে সন্তানের শোক তার চেয়েও ভয়াবহ ভারী। সারা দুনিয়ার ভর বুকে চেপে বসলেও মা অত ব্যথা পান না, যতটা পুত্র শোকে কাতর মা পান। তাই ঘুমন্ত খালেদা জিয়াকে দেখিয়ে দিলে কারও কোনো ক্ষতি হতো না। আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও তো একজন মা, বেগম খালেদা জিয়ার মতোই একজন মহিলা।

তাহলে এখানেও কি রাজনীতি? আর যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে কিসের রাজনীতি? কার স্বার্থে এমন রাজনীতি? দুজন মহীয়সী নারী একত্রিত হলে, তারা যদি দেশের কল্যাণে এক হন তাহলে যারা তাদের এমন জঘন্যভাবে বিভক্ত রেখে ফায়দা লুটছে তারা সর্বস্বান্ত হয়ে যাবেন সে জন্য এত ষড়যন্ত্র? হতেও পারে। আমরা সাদা চোখে তো আর সব কিছু দেখতে পাই না। দুরবিনে যা দেখা যায় তা তো বিশেষজ্ঞরা দেখেন। সাধারণ মানুষ সেখানে লাচার। কালিয়ার সভাতেই বেগম খালেদা জিয়াকে বলেছিলাম, পুত্রের মৃত্যুর ব্যথা স্মরণ করে সাধারণ মানুষের ব্যথা, জাতীয় ব্যথা উপলব্ধি করে অবরোধ প্রত্যাহার করুন। সাধারণ মানুষ জ্বলে-পুড়ে খাক হয়ে যাচ্ছে। দিন এনে যারা দিন খায় তারা শেষ হয়ে যাচ্ছে। বহির বাণিজ্যে ধস নেমেছে। পণ্যমূল্যের চেয়ে পরিবহন মূল্য বেশি, কোথায় মানুষ দাঁড়াবে? দয়া করুন, দয়া করুন, আল্লাহর ওয়াস্তে দয়া করুন। কেউ শুনে না, সবাই ক্ষমতার নেশায় উন্মাদ। দেশটা যে শুধু দুই নেত্রীর নয়, কিংবা আওয়ামী লীগ-বিএনপির নয়, দেশটা যে ১৬ কোটি মানুষের কেন যেন নেতানেত্রীরা একবারও ভাবতে চান না। বিরোধী দলের নেত্রীর ছোট ছেলের আকস্মিক মৃত্যুর দিনেও গুলশানের কার্যালয় থেকে আন্দোলনের কথা না বলে বিএনপি থাকতে পারেনি, এটা কেমন কথা? অন্তত শনিবারের দিনটা তো আন্দোলন-সংগ্রামের কথা না বলেও বিএনপির নেতা-কর্মীরা চোখের পানি ফেলতে পারতেন। তাতে আর কিছু না হোক ঝাপসা চোখ কিছুটা পরিষ্কার হতো, তাতে বিবেকও জাগ্রত হতে পারত। কারও বাড়ি কিংবা অফিসের সামনে ইট-পাথর-বালিভর্তি ট্রাক ফেলে অবরোধ করে রাখা যেমন যুক্তিযুক্ত নয়, ঠিক তেমনি কাউকে শোক জানাতে গেলে তাকে বাড়িতে ঢুকতে না দেওয়াও খুব একটা সম্মানের কাজ নয়। আবার এক নির্বোধ পুলিশ ওই একই দিনে বেগম জিয়ার নামে মামলা দিয়েছে। বুদ্ধিমান একদিন পরে দিতে পারত না?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বামী, প্রিয় দুলাভাই ড. ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুতে সমবেদনা জানাতে আমরা স্বামী-স্ত্রী হেয়ার রোডে গিয়েছিলাম। সেদিনও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে আমরা ঢুকতে পারিনি, অনুমতি মেলেনি। অথচ যারা এক সময় আমার বোসকা বোসকি টানত তাদের যে ক'জন এখনো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে আছে তারা নির্বিবাদে আসা-যাওয়া করছিল। হেয়ার রোড থেকে গিয়েছিলাম সুধা সদনে। অনেকের ধারণা সুধা সদন তার মায়ের নামে। আসল সত্য তা নয়। দুলাভাই ড. ওয়াজেদ মিয়ারই আরেক নাম সুধা মিয়া। সুধা সদনের গেটও বন্ধ ছিল। চলে এসেছিলাম। ঘণ্টাখানেক পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভবন থেকে ফোন আসে, আপনি শোকবইয়ে স্বাক্ষর করতে সুধা সদনে গিয়েছিলেন। কেউ ছিল না তাই স্বাক্ষর করতে পারেননি। এখন থেকে যে কোনো সময় সুধা সদনের শোকবইয়ে আপনি স্বাক্ষর করতে পারেন। মন ভালো ছিল না, বিক্ষোভ ভরা মন নিয়ে আর যেতে ইচ্ছা করেনি। কিন্তু আমার সাদামাটা স্ত্রী বাধ্য করেছিল সুধা সদনে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করতে। মনে হয় সেদিন আমাদের সঙ্গেও অমন করা ভালো হয়নি।

'৭২ সালের কোনো একদিনের কথা। নতুন দেশ, নতুন স্বপ্ন। সবার মধ্যেই এক অনাবিল সৃষ্টির আনন্দ। ঠিক সেই সময় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুুল হামিদ খান ভাসানী মতিঝিলের ন্যাপ অফিসে অনশন করেছিলেন। এখনকার মতো তখন নেতানেত্রীরা হৃদয়হীন ছিলেন না। জনগণের মধ্যেও ন্যায়-অন্যায়ের বাছ-বিচার ছিল। হুজুর মওলানা ভাসানী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাকে একই রকম স্নেহ এবং বিশ্বাস করতেন। পত্রিকায় খবর দেখেই ছুটে গিয়েছিলাম হুজুরের কাছে ন্যাপ অফিসে। তখন কাজী জাফর আহমেদ ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক। কেবল দেশ স্বাধীন হয়েছে, আমাকে নিয়ে চারদিকে এক দারুণ আগ্রহ। দোতলা বা তিন তলায় উঠতেই শত শত লোকের মধ্যে 'কাদের সিদ্দিকী, কাদের সিদ্দিকী' একটা সাড়া পড়েছিল। হুজুরের কান পর্যন্ত যেতে বেশি সময় লাগেনি। কাদরি এসেছে শুনে আশরাফ গিরানীকে দরজার মুখ থেকে আমাকে নিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। ঘরে ঢুকেই হুমড়ি খেয়ে পড়েছিলাম। কান্নায় বুক ভেসে গিয়েছিল। সে কান্নার জন্য চোখে গ্লিসারিন মাখতে হয়নি, চোখের পানির জন্য বুকের ব্যথাই যথেষ্ট ছিল। সত্যিই নিজেকে ধরে রাখতে পারছিলাম না। তাকে বারবার অনশন ভাঙতে অনুরোধ করেছিলাম। অনশনে তিনি মারা গেলে দেশের সর্বনাশ হয়ে যাবে। ওই অবস্থাতেও আমার মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন। ন্যাপ অফিস থেকে গিয়েছিলাম গণভবনে। নেতাকে বলেছিলাম, আপনি গেলেই হুজুরের অনশন ভাঙা সম্ভব। তিনি কিছুটা উত্তেজিত হয়ে বলছিলেন, 'আমি গিয়েছিলাম, আমাকে বসতে পর্যন্ত দেয়নি। কাজী জাফর আমার বসার চেয়ারটা পর্যন্ত সরিয়ে নিয়েছে।' আমি জানতাম না, আমার আগে বঙ্গবন্ধু গিয়েছিলেন। কাজী জাফর আহমেদ বঙ্গবন্ধুর সামনে থেকে চেয়ার সরিয়ে নিয়েছিলেন এ কথা নিয়ে অনেকবার আলোচনা হয়েছে। জাফর ভাই একজন প্রবীণ সংগ্রামী নেতা। এক সময় তাকে টুঙ্গির মুকুটহীন সম্রাট হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তিনি চেয়ার নিয়েছিলেন কি নেননি আমি দেখিনি, বঙ্গবন্ধু উত্তেজিত হয়ে যা বলেছিলেন তাই আমি ব্যক্ত করেছি। জাফর ভাই এ নিয়ে আমাকে বুঝাতে চেয়েছেন। আমি নিজেও জানি, সেই আমলের রাজনীতিতে বিরোধিতা ছিল, কিন্তু কোনো বেয়াদবি ছিল না। বেগম খালেদা জিয়ার অফিসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ঢুকতে না দেওয়া রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না। যে যতই বলাবলি করুন, এক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীই জয়ী হয়েছেন। ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে নিদারুণ পরাজয়ের পর মা হিসেবে, রাজনৈতিক নেতা হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এটাই প্রথম বিজয়। দেশের মানুষ আশা করেছিল, দুই মায়ের সাক্ষাতে দেশ যে জ্বলে-পুড়ে খাক হচ্ছে তা কিছুটা কমবে। কিন্তু তা না হয়ে তুষের আগুন আরও জ্বলে উঠেছে।

ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি। ২ তারিখ থেকে এসএসসি পরীক্ষা। আমরা যখন মেট্রিক দিয়েছিলাম তখন পরীক্ষার সময় দেশময় একটা সাড়া পড়ে যেত। কিন্তু এখন এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষা কবে আসে কবে যায় অনেকেই খবর রাখে না। কিন্তু তবু এসএসসি, এইচএসসি ছাত্রজীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। সবাই চিন্তিত ছেলেমেয়েরা ঠিকভাবে পরীক্ষা দিতে পারবে কিনা, নাকি তখনো অবরোধ থাকবে। মাছের মায়ের যেমন পুত্র শোক নেই, আজকালকার নেতানেত্রীদেরও দেশের মানুষের প্রতি কোনো মায়া-মমতা নেই। বিরোধী দলের নেত্রী তার পুত্র শোকে মুহ্যমান। তার এই শোক থেকেও তো দেশের পুত্রহারা মায়েদের ব্যথা অনুভব করতে পারেন। দুজন বসে আমাদের এ জ্বলন্ত আগুন থেকে মুক্তি দিতে পারেন। দেশের আপামর জনসাধারণ চায়, দুই দল বা দুই নেত্রী আর দেরি না করে মুখোমুখি বসুন। দেশবাসীকে এই চরম দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা করুন। আমি আবারও আরাফাত রহমান কোকোর আকস্মিক অকাল মৃত্যুতে গভীর মর্মবেদনা ব্যক্ত করছি এবং পরম করুণাময় আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের কাছে তার আত্দার মাগফিরাত এবং বেগম খালেদা জিয়াসহ তার পরিবার-পরিজনকে এই শোক সইবার শক্তি কামনা করছি।

লেখক : রাজনীতিক।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়