শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১৩ জুন, ২০১৫

ছিটমহল, বাজেট বরাদ্দ ও কতিপয় ইস্যু

রোবায়েত ফেরদৌস
অনলাইন ভার্সন
ছিটমহল, বাজেট বরাদ্দ ও কতিপয় ইস্যু

ভারতীয় সংসদে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন বিল পাস হলো, নরেন্দ্র মোদির সফরের সময় দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী এ-সংক্রান্ত দলিলাদির হস্তান্তর প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হলো। সবই দারুণ ইতিবাচক; কিন্তু ছিটমহল বিনিময়ের ক্ষেত্রে ভারতের দিক থেকে পুনর্বাসনের জন্য ৩ হাজার কোটি রুপি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে; আর আমাদের এবারের বাজেটে ছিটমহলের উন্নয়নে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ২০০ কোটি টাকা! অথচ বাংলাদেশের প্রাপ্ত ১১১টি ছিটমহলে মোট জমির পরিমাণ ১৭ হাজার ১৫৮ একর আর ভারতের প্রাপ্ত ছিটমহলের সংখ্যা ৫১টি, জমির পরিমাণ ৭ হাজার ১১০ একর। প্রিয় পাঠক, আপনারাই বিবেচনা করুন, ১৭ হাজার একর জায়গাজুড়ে পুনর্বাসন ও উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার বরাদ্দ দিয়েছে ২০০ কোটি টাকা আর ভারতের ক্ষেত্রে তাদের সরকার ৭ হাজার একর ভূমির উন্নয়ন ও পুনর্বাসনে বরাদ্দ দিয়েছে ৩ হাজার কোটি রুপি। আর কে না জানে উন্নয়ন তো ভূমি বা জমির হয় না, হয় মানুষের। তাহলে দেখে নেওয়া যাক, মানুষের হিসাবটি কেমন? বাংলাদেশের প্রাপ্ত ১১১টি ছিটমহলে সবশেষ শুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা ৩৭ হাজার ৩৬৯; অন্যদিকে ভারতের প্রাপ্ত ৫১টি ছিটমহলের জনসংখ্যা ১৪ হাজার ২১৫; অর্থাৎ জমি ও মানুষ দুই হিসাবেই আমাদের অংশ বৃহত্তর। জমি প্রাপ্তি ভারতের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি আর মানুষের হিসাবে তা প্রায় তিনগুণ। অথচ বাজেট বরাদ্দ ভারতের চেয়ে ২৫ গুণ কম; জমি-মানুষের অনুপাতে হিসাব করলে তা প্রায় ৫০ গুণ কম। অথচ ছিটমহলবাসীর মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়াই এখন আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। দরকার দ্রুততম সময়ে ছিটমহলবাসীর নিজ পরিচয়ে পাসপোর্ট তৈরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা। সেখানে এতদিন জমি কেনাবেচা হয়েছে সাদা কাগজে। একে আইনের আওতায় আনতে হবে। এটা দ্রুত করতে হবে, না হলে সেখানে সংঘর্ষ-হাঙ্গামা শুরু হয়ে যাবে। বিগত ৬৮ বছর ধরে ছিটমহলের তিনটি প্রজন্ম নাগরিক অধিকার পায়নি। তাদের সামাজিক নিরাপত্তাও নেই। বিপর্যস্ত স্বাস্থ্যসেবা। আছে বাণিজ্য বৈষম্যও। যদিও ছিটমহলের মানুষ মূলত কৃষি কাজ করেই জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে সেখানে এখন কী ধরনের কর্মসংস্থান করা যেতে পারে, সে বিষয়টি নিয়ে এখনই সরকার ও অংশীজনদের উদ্যোগ নেওয়া দরকার।

কেউ-ই অস্বীকার করছে না, সম্প্রতি ভারতীয় লোকসভায় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন বিল পাস হওয়ার বিষয়টি রীতিমতো ঐতিহাসিক। এ কেবল চুক্তি বাস্তবায়ন নয়, ৬৮ বছর ধরে হাজারো মানুষের যে পরিচয়ের সংকট চলছিল- এ তার রাজনৈতিক সমাধান। ঠিকানাহীনদের কাঙ্ক্ষিত ঠিকানা। এই সাফল্য একই সঙ্গে আত্দোপলব্ধি ও গর্বেরও বটে। বঙ্গবন্ধু ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে শুধু চুক্তি করেননি, ৪১ বছর আগে তিনি বাংলাদেশের সংসদে এই সীমান্ত চুক্তি পাসও করিয়েছিলেন। ছিটমহলের ৫৫ হাজার মানুষ ৬৮ বছর ধরে অমানবিক জীবনযাপন করেছেন। বিল পাস হওয়ার পর ছিটমহলগুলো ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রত্যাশা। তবে যা কিছু করার মর্যাদা রক্ষা করেই করতে হবে। হৃদয়ে বাংলাদেশকে লালন করতে হবে। ভারতের পার্লামেন্টে যেভাবে সর্বসম্মতিক্রমে সীমান্ত বিল পাস হয়েছে, তা বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য দৃষ্টান্ত হতে পারে। কীভাবে প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করতে হয় এবং জাতীয় বিষয়ে একমত হতে হয় তা ভারতের এ ঘটনা থেকে শিখতে পারেন বাংলাদেশের রাজনীতিকরা। রাজনীতিতে দুই বিপরীত মেরুতে অবস্থান করলেও নরেন্দ্র মোদি ও সোনিয়া গান্ধী যেভাবে একসঙ্গে জাতীয় স্বার্থে কাজ করলেন, আমরা আশা রাখতে চাই, বাংলাদেশের রাজনীতিকরা সেভাবে এগিয়ে আসবেন। ঐকমত্যের ভিত্তিতে মর্যাদা ধরে রেখে বিদ্যমান সংকটগুলোর সমাধানই হোক বাংলাদেশের লক্ষ্য। বাংলাদেশের হয়ে যারা এ বিল পাসের জন্য কাজ করেছেন বিশেষ করে সরকার, সরকারপ্রধান ও গণমাধ্যম এক্ষেত্রে ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। ভারত তাদের সংবিধান সংশোধন করে দীর্ঘমেয়াদি এই সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মানবিক সমস্যার সমাধান হয়েছে। ছিটমহলের মানুষ ভৌগোলিক বাসিন্দা হয়েও নাগরিক সেবা পাননি আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে। এত দিন এটা ভারতবিরোধী কার্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ভারত তার ঐতিহাসিক দায় মিটিয়েছে।

ভাবা যায়, কংগ্রেস সরকারের প্রটোকল মোদি সরকার বাস্তবায়ন করেছে। এটা এক বিরল ঘটনা। এটি দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক দূরদর্শিতার বহিঃপ্রকাশ। সীমান্ত চুক্তি আগে আসামকে বাদ দিয়ে করার চিন্তাভাবনা করা হয়েছিল। এবার সবাইকে নিয়েই চুক্তি করা হয়েছে। আমাদের বিরোধী দল বিএনপিও ভারত সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানায়নি। এটাও ঠিক নয়। আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনের সংস্কৃতিই হচ্ছে স্বীকার না করার প্রবণতা। এ কারণেই জাতি হিসেবে আমরা এগিয়ে যেতে পারছি না। দুই দেশের মধ্যে জমি বা ছিটমহল বিনিময়ের ক্ষেত্রে সার্বভৌমত্ব বিনিময়ের প্রয়োজন হয়েছে। এ কারণেই উভয় দেশের সংবিধানে পরিবর্তন করতে হয়েছে। ভারত তাদের সংবিধানের ১০০তম সংশোধনীর মাধ্যমে এর সমাধান করল। জমি প্রদানের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও মনস্তাত্তি্বক বাধা কাজ করেছে। সংসদে কেউ গান গেয়ে, কেউ স্মৃতিচারণ করে নিজেদের মনোভাব প্রকাশ করেছেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের মধ্যে পারস্পরিক খোঁচা লাগার সবচেয়ে বড় বিষয় সীমান্ত চুক্তির সমাধান হলো। এটি একটি সমন্বিত চুক্তি। কারণ এর মাধ্যমে একসঙ্গে ছিটমহল, অপদখলীয় জমি, অচিহ্নিত সীমারেখাসহ সীমান্তের সব সমস্যার সমাধান সম্ভব। কোনো পক্ষের জন্য ক্ষতিপূরণের বিধান নেই এবং কোনো ধরনের আস্থার সংকটও তৈরি হয়নি। দুই দেশের নেতৃত্বেরই বড় কূটনৈতিক সাফল্য। দুই দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য সীমান্ত চুক্তি যেমন জরুরি বিষয়, তেমনি আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতেও এর ভূমিকা হবে অবিস্মরণীয়। এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এটা বাংলাদেশের জন্য বড় অর্জন। এ চুক্তি বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও বেড়ে গেছে। এতে ভারতও দায়মুক্তি হয়েছে। বিদ্যুৎসহ নানা খাতে সহযোগিতা চলছে- এগুলোর দিকেও মনোযোগ দিতে হবে।

৪১ বছর পরে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সময়, ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে- এ প্রজন্মের একজন হিসেবে এটা দেখার অভিজ্ঞতা নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর! এর মধ্য দিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের জল ও স্থল দুই ধরনের সীমান্তই চিহ্নিত হয়ে গেল। আমাদের দেখার দৃষ্টিভঙ্গিও পাল্টাতে হবে। ভারতের রাজনীতিতে যেভাবে সর্বদলীয় উদ্যোগে সীমান্ত চুক্তি পাস হয়েছে, সেটি একটি অনুকরণীয় বিষয়। এক্ষেত্রে ভারতের নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশিত হয়েছে। নরেন্দ্র মোদি একজন বাস্তববাদী নেতা। তার এ নেতৃত্বেই দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা সীমান্ত সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়েছে। তাই মোদির প্রধানমন্ত্রিত্বের সুযোগে প্রতিবেশী বাংলাদেশ-ভারতের সমস্যা সমাধানের সুযোগ গ্রহণ করতে হবে। ভারতের কূটনীতি বিশ্বের অন্যতম সেরা কূটনীতি। এখনই সময় বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সব দাবির কথা উত্থাপন করার। আঞ্চলিক জোট বিমসটেক গঠনের সময় বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে করা হচ্ছিল; কিন্তু প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হতে অনড় থাকে বাংলাদেশ। সে কারণে বাংলাদেশকে নিয়েই তা গঠিত হয়। এখন বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রবন্দরে চীনের সহায়তা নিয়ে ভারত উদ্বিগ্ন। এ উদ্বিগ্নতা দূর করতে আলোচনা করতে হবে। তাহলে আমাদের একটি গভীর সমুদ্রবন্দরও থাকবে। সীমান্ত চুক্তি পাসের পর যে সুযোগটা এসেছে আমাদের উচিত তাকে কাজে লাগানো। বর্ডার কিলিং, অন-অ্যারাইভাল ভিসা, তিস্তা চুক্তিসহ অন্য বিষয়গুলোকে এখন আলোচনার মাধ্যমে এগিয়ে নিতে হবে। ফোকাস যদি অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে যায় তাহলে অনেক কিছুই সম্ভব হবে।

আরও এগিয়ে যাওয়ার জন্য যা দরকার তাহলো দুই দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সদিচ্ছা ও প্রজ্ঞার। দরকার ধর্মভিত্তিক কূটনীতিকে বাদ দিয়ে সামনে এগোনো। অতীতে এই ধর্মভিত্তিক কূটনীতি আমাদের পিছিয়েছে। আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক চুক্তির ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থ কীভাবে বুঝে নিতে হয়। বাংলাদেশ এক্ষেত্রে লাভবান হয়েছে। আমাদের জাতীয় সক্ষমতা আরও বাড়াতে হবে। তৈরি করতে হবে ভারতনীতি। যেমন- ভারত বাংলাদেশ বিষয়ে নীতি তৈরি করেছে। এ নিয়ে বিস্তর গবেষণা করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে 'ভারত স্টাডিজ' নামে স্বতন্ত্র বিষয় যুক্ত করতে হবে যে রকমটি ভারতে আছে 'বাংলাদেশ স্টাডিজ'। আসলে বিগ ব্রাদার বলে কিছু নেই, থাকা উচিত নয়। আমরা সবাই সামর্থ্যবান। বাংলাদেশকে এখন ভারত, চীন ও জাপান সবাই সহযোগিতা দেয়। মনে রাখা দরকার কেবল রাজনৈতিক সম্পর্ক টিকে থাকে না, দরকার শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্ক। জয়-পরাজয়ের বিষয় নয়, স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ হিসেবে আরও সম্প্রীতির বন্ধনের মাধ্যমে আমাদের ন্যায্য দাবিগুলো অন্য রাষ্ট্রের থেকে আদায় করতে হবে।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; [email protected]

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়