শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০১৫

আল্লাহ যেন আমাদের হেদায়েত করেন

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
আল্লাহ যেন আমাদের হেদায়েত করেন

আর মাত্র দুই দিন বাকি মুসলিম বিশ্বের সব থেকে কাঙ্ক্ষিত পবিত্র মাস রমজান। প্রত্যেক মুসলমান মাহে রমজানের আশায় সারা বছর উন্মুখ হয়ে থাকে। চেষ্টা করে রমজানে নিজেকে ত্রুটিমুক্ত করতে। মুসলমানমাত্রেই বিশ্বাস করে পবিত্র রমজানে নিজেকে শুদ্ধ করতে না পারলে তার চেয়ে দুর্ভাগা আর কেউ নেই। তাই দয়াময় আল্লাহ যেন আমাদের হেদায়েত করেন, পাপমুক্ত করেন। গত দুই সপ্তাহ কিশোরগঞ্জে ছিলাম। বড় ভালো লেগেছে সেখানে। ভৈরব-কুলিয়ারচর-বাজিতপুর-কটিয়াদী-করিমগঞ্জ-ইটনা-মিঠামইন- কোথায় যাইনি? শেষে পাকুন্দিয়া-হোসেনপুর-গুপ্তবৃন্দাবন হয়ে সাগরদীঘিতে ছিলাম। গুপ্তবৃন্দাবন হিন্দুদের এক পবিত্র তীর্থস্থান। এখনো বলাবলি হয়, গুপ্তবৃন্দাবনের তমালতরু গাছে রাধা-কৃষ্ণ লীলা করেছেন। মানুষের বিশ্বাস উল্টাবে কে? কোথায় অযোধ্যায় কংসের কারাগার? বাসুদেব আর দেবকীর পুত্র শ্রীকৃষ্ণ গোয়ালিনী যশোদা মাইয়ার ঘরে গোকুলে পালিত হয়েছেন। তিনি কবে, কোনকালে ঘাটাইলের সাগরদীঘির গুপ্তবৃন্দাবন এলেন এবং রাধার সঙ্গে লীলা করলেন? মথুরার বৃন্দাবন আর গুপ্তবৃন্দাবন দুটো যে এক নয়, তা হয়তো অনেকেই বুঝতে চান না। তবু শত শত বছরের বিশ্বাস খণ্ডনের প্রয়োজন কী? দুই মাস আগে গুপ্তবৃন্দাবনের পাশে ফুলবাড়িয়ার সোয়াইতপুরে ছিলাম। কিশোরগঞ্জ থেকে ফেরার পথে ভেবেছিলাম গুপ্তবৃন্দাবনের তমালতরুর ছায়ায় কিছু সময় কাটিয়ে আসব। কিন্তু আমাদের দীর্ঘদিনের কর্মী আকরামের কথা গুপ্তবৃন্দাবন আর সোয়াইতপুর খুবই কাছাকাছি। তাই লোহানী সাগরদীঘি প্রাইমারি স্কুল মাঠে থাকলে ভালো হয়। তার কথায়ই সেখানে ছিলাম। রূপা শিকদারের ছেলে লালু, তার ভাতিজা ফজলু মাস্টার, মুক্তিযোদ্ধা আফাজ, ইঞ্জিনিয়ার জামাল, সোবান ও পাগল মোস্তফা কী যে যত্ন করেছে বলে শেষ করা যাবে না। সাগরদীঘিতে কেন যেন বার বার কাশেমের কথা মনে পড়ছিল। একসময়ের রসুলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাশেম মুক্তিযুদ্ধের মাঝামাঝি গুলিবিদ্ধ হয়ে আমি যখন গুরুতর আহত হই তখন ডা. শাহাজাদা চৌধুরী, নুরুন্নবী এবং আবুল কাশেম মা ও ছোট ভাইবোনদের নারিন্দার ছারা খালার বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিল। সে জন্য তার প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। জামাল ইঞ্জিনিয়ার কয়েকবার ফোন করেছিল কিন্তু ধরতে পারিনি। কিন্তু পরদিন সকালে কাশেম এসে যখন জড়িয়ে ধরে তখন এক অপার আনন্দ অনুভব করি। বৃষ্টির কারণে সাগরদীঘিতে খুব কষ্ট হলেও মানুষজনের স্বতঃস্ফূর্ততা বুক ভরিয়ে দিয়েছে। আমাদের দাবি একটাই, সোনার বাংলায় শান্তি চাই। মাঠভরা লোকের সামনে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এখানে কেউ কি আছেন যে শান্তি চায় না? একজন হাত তুলেছিল তাও আবার বুঝতে পেরে পরে নামিয়ে ফেলে। কে কে শান্তি চায় বললে মাঠশুদ্ধ সবাই হাত তোলে। সেখানে যে সবাই গামছার বা আমাদের সমর্থক ছিল তা নয়। বেশির ভাগই ছিল বড় দুই দলসহ অন্যান্য মত ও পথের। কিন্তু শান্তি সবাই চায়। সাগরদীঘি আসার আগে হোসেনপুর ২ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে রাত কাটাতে গিয়ে আশপাশের মানুষের যে সাড়া পেয়েছি তা ভোলার নয়। হোসেনপুর পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রায় সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী দেখতে, কথা বলতে এসেছিল। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ভীষণ আপন করে নিয়েছিল। আমরা যেদিন গিয়েছিলাম সেদিন শিক্ষিকা মোবাশ্বিরা আক্তার মুক্তার ছিল শুভ জন্মদিন। সে তার স্কুলের সব বাচ্চাকে চকলেট খাইয়েছে, আমাকেও দুটি উপহার দিয়েছে। আমি তো এমনিতেই সব সময় চকলেট বিলাই। তাই আমিও তাকে চকলেট দিয়েছি। হোসেনপুরে ব্রহ্মপুত্রের ওপর কয়েক বছর হলো সেতু হয়েছে। তাতে গফরগাঁও এবং কিশোরগঞ্জের দূরত্ব অনেকটাই কমে গেছে। তাই ভেবেছিলাম ওই রাস্তা দিয়ে ভালুকা হয়ে সাগরদীঘি আসব। কিন্তু সবাই বলছিল রাস্তা খুব খারাপ, যাতায়াতের অযোগ্য। হোসেনপুর থেকে গফরগাঁও ১২ কিলোমিটার, গফরগাঁও থেকে ভালুকা ২০-২১ কিলোমিটার। তাই শেষ পর্যন্ত সেই ভাঙা রাস্তায়ই ধরেছিলাম। রাস্তাটা অবশ্যই খারাপ কিন্তু লোকজন যতটা বলেছে ততটা নয়। দেশব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে কোনো দিনই সকালে ভাত খাইনি। কিন্তু হোসেনপুর থেকে যখন উঠি উঠি করছিলাম তখন পাশের সিংহবাড়ির পঙ্কজ সিংহ এসে আবদার করছিল, ডাল-ভাত রান্না করেছি, একটু মুখে দিয়ে যাবেন। মানুষের মন রাখতে কত কী যে করতে হয়। গিয়েছিলাম সিংহবাড়ি। নয় ভাইয়ের একান্নবর্তী পরিবার। সাতজন এখনো জীবিত। এক একর জায়গার ওপর বিশাল বাড়ি। ডাল-ভাতের কথা বললেও মাছ-ভাত খাওয়াতেও ভোলেনি। অসাধারণ এক সুস্বাদু খাবার। তাদের আতিথেয়তার কথা অনেক দিন মনে থাকবে। একনাগাড়ে প্রায় দুই সপ্তাহ কিশোরগঞ্জের নানা স্থানে ঘুরেফিরে সাগরদীঘিতে ঝমঝমে বৃষ্টির মধ্যে কিশোরগঞ্জ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম তারেকের কথা বড় বেশি মনে পড়ছিল। তার ছেলে রিফাতুল ইসলাম দীপ সেই ২৮ জানুয়ারি থেকে আছে। মতিঝিলের ফুটপাথে প্রতিদিন সকালে উঠতেই দেখতাম দেশব্যাপী কর্মসূচিতেও ফজরের নামাজ শেষে তাঁবুর বাইরে প্রতিদিন দীপকে। দীপের মা আরিফা ইসলাম লাকী, বোন শেহরীন তামান্না জ্যোতি সবাই একাকার হয়ে আছে। এমএ পরীক্ষা দেওয়া পরীর মতো সুন্দর মেয়ে গ্রামে গিয়ে পরের ঘরে ঢুকে কারও হাঁড়ি থেকে খাবার আনে? দীপের বোন জ্যোতি শবেবরাতের রাতে তাই করেছে। ভাটগাঁও এক অচেনা বাড়িতে রান্নাঘরে ঢুকে নিজ হাতে হাঁড়ি থেকে যখন আমার জন্য ভাত আনছিল তখন বাড়ির লোকজন বলাবলি করছিল, মেয়েটা পাগল নাকি? সত্যিই কেউ পাগল না হলে অমন করতে পারে? জ্যোতি সত্যিই দেশে শান্তি স্থাপনের মহাসংগ্রামের এক পাগল।

কত হাওর-বাঁওর, পাহাড়-নদী, চর-ভর পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত সখিপুরে এসেছি। এর আগেও একবার পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে গজারিয়ার কীর্তনখোলায় তিন-চার দিন ছিলাম। এবার এসেছি বহেড়াতৈল। বহেড়াতৈল মুক্তিযুদ্ধের এক ঐতিহাসিক পবিত্র স্থান। জীবনে কখন প্রথম বাহেড়াতৈল এসেছিলাম ভালো করে মনে নেই। তবে বাবার হাতের আঙ্গুল ধরে যে এসেছিলাম তা কিছুটা মনে পড়ে। বহেড়াতৈল ফরেস্ট ডাকবাংলোর দক্ষিণে নকিল বিল। আগে শুনতাম ভরের লোক পাহাড়ে এলে ফেরার পথে কলসিতে নকিল বিলের পানি নিয়ে বাড়ি ফিরত। তাদের ধারণা নকিল বিলের পানি মিষ্টি। আগেরকার মানুষ সোজা সরল নির্বিবাদী ছিলেন। তারা পাহাড়ে এসে প্রচুর আমলকী খেতেন। আমলকী খেয়ে পানি খেলে তা সব সময়ই মিষ্টি লাগে। সারা দিন আমলকী খেয়ে যখন বাড়ি ফেরার সময় নকিল বিলের পরিষ্কার পানি মুখে দিতেন দারুণ স্বাদ পেতেন। তাই মিষ্টি পানি মনে করে তুলে নিতেন। বাড়ি গিয়ে আমলকী খেয়ে পানি খেলে হয়তো একই রকম লাগত। কিন্তু এমনিতে যারা খেত তারা পানির স্বাদই পেত, অন্য কিছু পেত না। এক রাতের প্রবল বর্ষণে টইটম্বুর পানিতে নকিল বিলের বিস্তীর্ণ এলাকা সয়লাব হয়ে গেছে। বড় সুন্দর সে মনোরম দৃশ্য। আরও ভালো লেগেছে প্রায় দুই মাস পর বড় মেয়ে কুঁড়ি, এক মাস পর ছোট মেয়ে কুশিসহ দীপ ও তার মাকে পেয়ে। অনেক দিন ওদের দেখিনি, মনটা বড় বেশি হাহাকার করে। কুঁড়ির মুখটা কিছুটা ফেকাসে হয়ে গেছে। অন্যদিকে কুশি আরও বড় হয়েছে, হালকা-পাতলা অসাধারণ। আল্লাহ ওদের সহি-সালামতে নিরাপদে রাখুন, এটাই কামনা করি।

রাতের দিকে ছেলেমেয়ে চলে গেলে শুয়ে শুয়ে ভাবছিলাম, মুক্তিযুদ্ধের অন্ধকার সময়গুলো কতবার বহেড়াতৈল এসেছি। কত অচেনা মানুষ চেনা হয়েছে, সাহায্য করেছে। আবার চেনারা জীবন সংহারের কারণ ঘটেছে। কী অমানসিক কষ্টের ভিতর দিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি। কিন্তু আজ মুক্তিযোদ্ধাদের কী দুরবস্থা। পদে পদে তারা লাঞ্ছিত-অপমানিত।

আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিচার করছেন। প্রায় সব বিচার একই ধরনের। বাবা ছিলেন একজন আইনজ্ঞ। তাই আইন আদালত সম্পর্কে কথা বলতে সব সময় সাবধান থাকি। তবু যেটুকু না বললেই নয় সেটুকুই বলি। মানুষের বিচারের অধিকার একমাত্র সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর। তিনিই করবেন। তার পরও সামাজিক অপরাধের বা দুনিয়ার ভুলত্রুটি বিচারের জন্য মানুষ নিজেরা আদালত করেছে। দুনিয়ায় মানুষ বহু কাজ করেন। কিন্তু বিচারক মস্তবড় ব্যাপার। তাই তাদের ভেবেচিন্তে কাজ করা উচিত। কোনো প্রভাবে বা গোসসা করে কিছু করা উচিত নয়। পরকালে অথবা শেষ বিচারে যারা বিশ্বাস করে না তাদের নিয়ে কথা নেই। সবাই আশা করে আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিচার করতে খুব বেশি এদিক-ওদিক যাবেন না, তাদের যে কাজ তাই তারা করবেন। এই তো সেদিন আদালত অবমাননার অভিযোগে একজন নিষ্কলুষ নিষ্কণ্টক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরউল্লাহ চৌধুরীকে এক ঘণ্টার জেল এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই অবক্ষয়ের জমানায় অন্তত একজন সাহসী পুরুষ পাওয়া গেল যিনি কোর্টে তার বিবৃতির দায় অকপটে স্বীকার করেছেন এবং সে বিবৃতি জেনে-শুনে সজ্ঞানে দিয়েছেন বলে দৃঢ়কণ্ঠে উচ্চারণ করেছেন। আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম স্বাধীনতার জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, মুক্তকণ্ঠে আমাদের মতামত ব্যক্ত করার জন্য। আমরা যেমন খেয়ে-পরে বাঁচতে চাই তেমনি আত্দারও খোরাক চাই, মনের বিকাশ চাই, স্বাধীনভাবে নিজেকে প্রকাশ করতে চাই।

১৮৫৭ সালে পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে মণ্ডল পাণ্ডের মাধ্যমে সিপাহি বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল। কয়েক বছর নিষ্ঠুর অত্যাচার করে ইংরেজ সেই বিপ্লব দমন করেছিল। শত শত হাজারে হাজারে বিপ্লবীকে রাস্তাঘাটে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিল। মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের রাস্তার পাশে শত শত বিপ্লবীকে বাবলা গাছে ঝুলিয়ে রেখেছিল। চারদিকে পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লেও ভারতবাসী ফাঁসিতে ঝোলানো তাদের আপনজনের লাশ নামিয়ে মুসলমানদের কবর, হিন্দুদের সৎকার করতে পারেনি। সেদিন ফাঁসিতে যাদের ঝোলানো হয়েছিল তাদের আজও শ্রদ্ধা করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় যখন প্রাণ বাঁচাতে লাখ লাখ মানুষ স্বদেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিল তখন ইংল্যান্ডের নিরাপদ জীবন ছেড়ে ডা. জাফরউল্লাহ চৌধুরী রণাঙ্গনে ছুটে এসে সাধ্যমতো চিকিৎসা করেছিলেন। ওভাবে চিকিৎসার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে না নিলে কত মুক্তিযোদ্ধা যে বিনা চিকিৎসায় পৃথিবী ছেড়ে চলে যেত তার হিসাব নেই। আমি না হয় রাজনীতি করি, সব সময় সরকারের পক্ষে থাকতে পারি না। বিবেকের তাড়নায় সরকারের জন্য জ্বালার কারণ হয়ে দাঁড়াই। তাই আমাকে না হয় অপমান-অপদস্থ-নাজেহাল করা হয়। কিন্তু ডা. জাফরউল্লাহ চৌধুরী তো তেমন নন। তাকে আমাদের যতটা শ্রদ্ধা, সম্মান, গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল, তার কানাকড়িও কি দিতে পেরেছি? পারিনি। মুক্তিযুদ্ধের প্রাণকেন্দ্র সখিপুরের বহেরাতৈল অবস্থান কর্মসূচির এক পর্যায়ে রাত কাটাতে গিয়ে শুধু ডা. জাফরউল্লাহর জন্য বিনিদ্র রাত কাটিয়েছি। এ অবস্থান কর্মসূচিতে আর তেমন কোথাও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটেনি। কিন্তু ডা. জাফরউল্লাহর জন্য বহেরাতৈল জীবনে প্রথম তাঁবুতে রাত কাটিয়েও বহেরাতৈলের কথা তেমন লেখা হলো না।

১৯৭১-এর ৯ জুন আমরা কোরআন, গীতা, বাইবেল, ত্রিপিটক স্পর্শ করে শপথ করেছিলাম, জীবন দেব কিন্তু বিনা প্রতিরোধে পাকিস্তানি হানাদারদের যেতে দেব না, দিইওনি। আমাদের সেদিনের শপথ বিফলে যায়নি। আল্লাহর মেহেরবানিতে আমরা জয়ী হয়েছিলাম। দুনিয়ার সবাই জানে লাখো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ততায় কাদেরিয়া বাহিনী নামে এক বিশাল বাহিনী গড়ে উঠেছিল। যুদ্ধ শেষে বঙ্গবন্ধুর পায়ের কাছে এক লাখ চার হাজার অস্ত্র বিছিয়ে দিয়েছিলাম। সেই বহেরাতৈলকে স্মৃতিময় স্মরণীয় করে রাখতে স্মৃতিসৌধ করতে চেয়েছিলাম। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সরকারপ্রধানের নাখোশের কারণে তিনি আসেননি বা আসতে পারেননি। তাই সেটি সেভাবেই পড়ে আছে। দুজন শহীদ যোদ্ধাকে বেতুয়ায় কবর দেওয়া হয়েছিল।

সেখান থেকে তাদের কবর বহেরাতৈল এনে একটি কেন্দ্রীয় কবরস্থান করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তা-ও সফল হয়নি। কারণ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রকৃত সম্মানজনক কিছু হোক তা অনেকেই চায় না। মুক্তিযুদ্ধে নাম না জানা মানুষের ভূমিকা ছিল প্রবল। ক্ষমতাবান সম্পদশালীরা মুক্তিযুদ্ধে তেমন ভূমিকা রাখেনি বা রাখতে পারেনি। তাই সবাই মুখে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবের কথা বললেও প্রকৃত অর্থে মুক্তিযুদ্ধের কোনো মহিমা স্থায়ী রূপ পাক তা অন্তর থেকে অনেকেই চায় না। তাই মুক্তিযুদ্ধের কোনো স্থায়ী স্মৃতি থাকুক তা অনেকেরই কাম্য নয়।

-লেখক : রাজনীতিক

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়