শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০১৫

কীভাবে দিন যায়!

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
কীভাবে দিন যায়!

দেখতে দেখতে মাহে রমজানের মাঝামাঝি এসে গেলাম। গত পর্বে লেখা হয়নি। রোজা রেখে লিখতে বসেছিলাম। অনেক চেষ্টা করেও কেন যেন কিছুই লিখতে পারিনি। এমন যে হয় এর আগে কখনো বুঝিনি। দুই-তিনবার চেষ্টা করেও কিছুই ভাবতে পারছিলাম না। বহু বছর আগে এক জুমার নামাজের খুতবায় কিয়ামতের আলামত সম্পর্কে এক মাওলানা বলেছিলেন, আমরা নামাজ পড়তে সুরা ভুলে যাব। কোনোক্রমেই মনে করতে পারব না। কেন যেন আমার অনেকটা তেমনই মনে হচ্ছিল। নয়া দিগন্তে লেখা হয়নি, বাংলাদেশ প্রতিদিনেও না। কত পাঠক কত ফোন করেছে, কী হলো মঙ্গলবারের লেখা কেন পেলাম না? নিজেও ভেবেছি কী হলো, চেষ্টা করে লিখতে কেন পারলাম না। সারা সপ্তাহ এর উত্তর খুঁজে পাইনি।

রোজার মাস একেবারে নীরবে থাকতে চেয়েছিলাম। গত সাড়ে চার মাস তাঁবু খাটিয়ে বাইরে থেকেছি। ঝড়-বৃষ্টি-তুফান কোনো কিছুকেই আমলে নেইনি। রমজানের শুরু থেকে লোকজনের ঘরে রাত কাটাই। নানা জায়গায় নানা পরিবেশ। এমনিতে কোনো অসুবিধা না হলেও সেহরিতে কমবেশি অসুবিধা হয়। এই তো সেদিন ছলঙ্গার ওমর আলীর বাড়িতে রাত ৩টায় উঠে শুনি বাড়ির মেয়েরা সবকিছু তৈরি করে ঘুমিয়ে পড়েছিল। কেবল ভাত চড়িয়েছে। মেয়েদের আফসোসের শেষ নেই, কী হবে? ৩টায় ভাত চড়িয়ে ভাত নামাতে ৩০-৩৫ মিনিট তো লাগবেই। এখন উপায়! আমি নিজেও চিন্তায় পড়েছিলাম। কাকে যেন বলেছিলাম, তরি-তরকারি যা আছে নিয়ে এসো, কোনোখান থেকে মুড়ি আনো। এমন তো হতেই পারে। তাই বলে তো রোজা নষ্ট করা যাবে না? কয়েক ভাইয়ের হাটিবাড়ি। এসব দেখে এক বউ এক ডিশ ভাত নিয়ে এলো। রাতে ওমরের বাড়ির সবকিছু ভালো থাকলেও ভাত একটু শক্ত ছিল। আমি শক্ত ভাত খেতে পারি না। সেহরিতে রাঁধতে দেরি হওয়ায় আমার ভালোই হয়েছিল। যে বউ ভাত এনেছিল তার ভাত খুবই চমৎকার ছিল।

যাদবপুর ইউনিয়নের কালমেঘা এক অসাধারণ সুন্দর জায়গা। মুক্তিযুদ্ধের সূচনায় পিলখানার একদল পালিয়ে আসা ইপিআর কালমেঘার ইলিমজান উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছিল। তাদের খোঁজে বড়চওনার আজিজকে নিয়ে কালমেঘায় গিয়েছিলাম। সেখানেই প্রথম কিতাব আলীর সঙ্গে দেখা। তারপর কত দিন, কত বছর কেটেছে। এক সময় কিতাব আলী আমার ছায়ার মতো কাজ করেছে। এখন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। বারবার বিয়ে করে বলে নাকি কিতাব আলীর ছেলে সেলিম, কায়সার বাপকে মেরেছে শুনে যারপরনাই মর্মাহত হয়েছি। দেশে আল্লাহর গজব আর কী করে পড়বে? জন্মদাতার গায়ে সন্তানের হাত সুস্থভাবে এও আশা করা যায়? কালমেঘার মানুষের দুর্দান্ত সংগ্রামী ভূমিকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে আলোড়িত ও উৎসাহিত করে। '৯৯-এর উপনির্বাচনে আওয়ামী সরকারের ভোট ডাকাতির প্রতিবাদে কালমেঘার প্রায় ৬-৭ হাজার মানুষ গজারির লাঠি হাতে সখীপুর এসেছিল।

কালমেঘার বিক্ষুব্ধ জনতার লাঠি হাতে সখীপুরে আসা দেখে পুলিশ থানা ছেড়ে পালিয়েছিল। ওসি পায়খানায় আশ্রয় নিয়েছিল। আমি শান্ত হতে বললে সেদিন তারা আমার কথা শুনে কোনো অঘটন না ঘটিয়ে ঘরে ফিরেছিল। সে জন্য কালমেঘার সংগ্রামী জনতার প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার শেষ নেই। মজার ব্যাপার কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের গোড়াপত্তনও কালমেঘা থেকেই হয়। কালমেঘার যুবনেতা শাহীন ছলঙ্গার হতদরিদ্র সোবহানের ভাঙা মাটির ঘরে খাবার ব্যবস্থা করেছিল। সোবহানের বাড়িতে খাবার খেয়ে ছলঙ্গা বাজারে এলে মুষলধারায় বৃষ্টি শুরু হয়। পাহাড়ের রাস্তায় হাজারের ওপরে মানুষ। আমরা চলেছি পাথারের দিকে। পায়ে হেঁটে, কখনো গাড়িতে করে। রাস্তার কাদায় লুটোপুটি খাওয়া ছোট বাচ্চাদের চেনা যাচ্ছিল না। জয় বাংলা বাজারের কাছে ছোট্ট এক বাচ্চা এমন এক কাদার গর্তে পড়েছিল সে যে মানুষ, না অন্যকিছু বোঝা যাচ্ছিল না। আবদুল্লাহ বীরপ্রতীক বাচ্চাটির হাত ধরে পুকুরে চুবালে তবে বোঝা যায় সে এক মানব সন্তান। সে এক অভাবনীয় সংগ্রামী দিন। তাই সেদিন ইফতার শেষে ছলঙ্গার ওমর আলীর বাড়ি ছিলাম। ওমর আলীর ছেলে শহর আলী ভীষণ খেটেছে। রাতের বেলায় ছামান ও অন্যরা বারান্দায় পড়েছিল।

তার আগের রাতে ছিলাম কামালিয়া চালা মাদ্রাসার পাশে জিন্নার বাড়ি। টিনের ঘর তবু বেশ সুন্দর পরিবেশ। আদরযত্ন, খাবার-দাবার ছিল অসাধারণ। আর এই কামালিয়া চালা আমার জীবনের এক বিস্ময়কর স্মরণীয় জায়গা। মুক্তিযুদ্ধের সময় হঠাৎই একবার পাথরঘাটা ঘাঁটির পতন ঘটে। পাথরঘাটা রতনপুর জসিমের হাটখোলার মাঝামাঝি কামালিয়া চালার অবস্থান। ঘাঁটি উদ্ধার করতে পাথরঘাটা গিয়েছিলাম। সেই প্রথম কামালিয়া চালা দেখি। পশ্চিমের দিকে প্রায় পুরোটাই হিন্দুদের বসত, পুবে কিছুটা মুসলমান। স্বাধীনতার পর থেকে বহুবার কামালিয়া চালা যাতায়াত করেছি, এখনো করি। কামালিয়া চালার দরিদ্র নরেশ ছিল আমাদের দলের হাতিবান্ধা ইউনিয়নের সভাপতি। কিছুদিন হলো আওয়ামী লীগ হয়েছে। আওয়ামী লীগ আরও আছে কিন্তু তার মতো দুষ্টামি কেউ করে না। আমি আগে জানতাম না, মাদ্রাসায় হিন্দু শিক্ষক থাকতে পারে। কামালিয়া চালায়ই প্রথম দেখেছিলাম নরেশ মাদ্রাসা শিক্ষক। সে জন্য কামালিয়া চালা মাদ্রাসার প্রতি আমার একটা বিশেষ টান ছিল। আমি জেলে থাকতে সখীপুরের সংসদ সদস্য হয়েছিলেন হুমায়ুন খান পন্নী। তাকে কামালিয়া চালার জরাজীর্ণ মাদ্রাসায় নিতে সবাই মিলে ১২ হাজার টাকা খরচ করেছিলেন। মাদ্রাসায় গিয়ে জনাব হুমায়ুন খান পন্নী ২০ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সে টাকা তুলতে আবার আরও ৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। আমাদের দলের নেতা নরেশ এবং কামালিয়া চালার মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট করিম মাওলানার কাছে ঘটনাটি শুনেছিলাম। তাই এলাকার সংসদ সদস্য হিসেবে মাদ্রাসা ঘরের জন্য আবেদন ছাড়াই এক লাখ টাকা মঞ্জুর করেছিলাম। মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট করিম মাওলানা মঞ্জুরিপত্র পেয়ে দিশাহারা। এর আগে ওই মাদ্রাসা সরকারি হাজার টাকাও পায়নি। তাই সুপারিনটেনডেন্টের ভিরমি খাবার অবস্থা। এরপর হঠাৎ একদিন আমার সঙ্গে দেখা। তিনি প্রায় উন্মাদের মতো আচরণ করেন। বারে বারে খেদোক্তি করেন, ১২ হাজার টাকা খরচ করে ডিপুটি স্পিকার হুমায়ুন খান পন্নীকে নিয়েছিলাম। তিনি দিয়েছিলেন ২০ হাজার। তা আবার তুলতে গিয়ে খরচ হয়েছিল ৮ হাজার। এক পয়সাও বাড়তি হয়নি। যে দামে কেনা সেই দামেই বেচার মতো। আপনাকে একদিনের জন্য কিছু করলাম না, কোনো দরখাস্ত দিলাম না, লাখ টাকা বরাদ্দ- এ কী করে সম্ভব? তিনি খুবই অবাক হয়েছিলেন।

তখন আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমার বিরোধ চলছে। কারণ '৯৬-এর নির্বাচনে আমরা বলেছিলাম, পাঁচ লাখ চাকরি দেব, পাটের দাম দেব, বিনামূল্যে সার দেব, আটিয়া বন অধ্যাদেশ প্রত্যাহার করব। প্রায় তিন বছর এর কোনো কিছুই যখন হচ্ছিল না, তখন জননেত্রীকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, প্রায় তিন বছর চলে যাচ্ছে আমাদের প্রতিশ্রুতির কোনো কিছুই তো হলো না। আমাদের কথা রক্ষা করতে না পারলে জনগণ তো মুখ ফিরিয়ে নেবে। নেত্রী বলেছিলেন, কোনো চিন্তা করবেন না। আবার নির্বাচনের সময় দেখবেন মানুষ ঠিকই ভোট দেবে। আমার বিশ্বাস নেত্রীর মতো ছিল না। আমার বিশ্বাস ছিল প্রতিশ্রুতি রাখতে না পারলে জনগণ মুখ ফিরিয়ে নেবে। একপর্যায়ে আমি আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করি। ঘোষণা হয় উপ-নির্বাচনের। '৯৯-এর সেই উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করি। সেই সময় বর্ষায় কামালিয়া চালা গিয়েছিলাম। মাঠের পাশে বটগাছের গোড়া পর্যন্ত স্পিডবোটে গিয়েছিলাম। করিম মাওলানা আর আলহাজ ফয়েজউদ্দিন স্পিডবোট থেকে প্রায় উঁচু করে ডাঙ্গায় তুলেছিলেন। নির্বাচন করব মার্কা নিয়ে সমস্যা। ফয়েজ উদ্দিন হাজী এবং করিম মাওলানা দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছিলেন, স্যার, মার্কা নিয়ে চিন্তা করবেন না। কোনো কিছু যদি না হয়, আপনার এই যে গামছা কাঁধে দরকার হলে আমরা এই গামছাই মার্কা বানাব। কামালিয়া চালার মিটিং থেকেই আমার ভিতর গামছা যে মার্কা হতে পারে তেমন একটা ভাবনা কাজ করছিল। সে নির্বাচনে আমাকে গামছা দেওয়া হয়নি। মার্কা দেওয়া হয়েছিল পিঁড়ি। গণতান্ত্রিক সব নিয়ম-কানুন লঙ্ঘন করে তখনকার আওয়ামী ২৮ মন্ত্রীর মধ্যে ২৫ জন এসেছিলেন সখীপুর-বাসাইল উপ-নির্বাচনে। মন্ত্রীরা কত জায়গায় ঘুরতেন, ১০ জন মানুষও হতো না। আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতারা চায়ের দোকানে চা চাইলে দোকানি তাদের কাছে চা বেচতে চাইত না। সেটা ছিল নির্বাচনের নামে এক প্রহসন। তারপর আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পরিচালনায় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ব্যাপক ভরাডুবি হয়। তাদের সিট নেমে আসে ৫০-এর কোঠায়। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করে। বেশি সমর্থন পেলে সরকার ভালো চলে না। বিএনপি সরকার তার এক উজ্জ্বল প্রমাণ। তখন প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় বেশ কিছু স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার পাকা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। না চাইতেই কামালিয়া চালা মাদ্রাসার তালিকা দিয়েছিলাম। লোকজন কামালিয়া চালা মাদ্রাসার ভবন নির্মাণের জায়গা মাপজোখ করতে গেলে পাকা ভবন হবে শুনে সুপারিনটেনডেন্টসহ সবাই বেহুঁশ। কোনো তয়-তদবির নেই, বলা নেই, কওয়া নেই মাদ্রাসায় পাকা ভবন- এ কী করে সম্ভব? আসলে সবই সম্ভব।

কোনো তয়-তদবির করতে হবে কেন? কেন কারও কাছে গিয়ে হাত কচলাতে হবে? জনপ্রতিনিধিদের কাজ চোখে দেখে এলাকার উন্নয়ন। ইদানীং কারও দায়বদ্ধতা নেই। তাই সবকিছু কেমন যেন হয়ে গেছে। অবস্থান কর্মসূচির ১৫০তম দিনে কামালিয়া চালা এবং ১৫২তম দিনে ছলঙ্গায় রাত কাটাতে গিয়ে পুরনো দিনের কত কথা মনে পড়ছে।

লেখক : রাজনীতিক

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা