শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০১৫

মেয়েদের কেন ঠকানো হয়?

তসলিমা নাসরিন
অনলাইন ভার্সন
মেয়েদের কেন ঠকানো হয়?

১৯৯৩ সালে আমার কাছে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির কিছু মেয়ে আসতো। ফ্যাক্টরিতে মেয়েদের টাকা-পয়সায় ঠকানো, মেয়েদের বেতন কম দেওয়া, বড় পদে মেয়েদের নিয়োগ না করা, ম্যাটারনিটি লিভ না দেওয়া, অসুখ-বিসুখে ছুটি না দেওয়া, যৌন হয়রানির শিকার করা, ওভারটাইম করতে বাধ্য করা, রাতবিরেতে ট্রান্সপোর্ট না দেওয়া ইত্যাদি অনেক অভিযোগ করতো। আজ ২৩ বছর পর গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির খবর নিয়ে দেখি, আগের সেই অবস্থার খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। মেয়েরা আগের মতোই দারিদ্র্যের শিকার, আগের মতোই মেয়ে হওয়ার কারণে কাজটা বেশি করতে হয়, বেতনটা কম পেতে হয়, আগের মতোই তারা যৌন হয়রানির শিকার। আর মাঝে মাঝে তো আমরা দেখিই কী করে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলোয় আগুন লাগছে আর পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে ফ্যাক্টরির ভেতর আটকে পড়া শত শত বস্ত্র-বালিকা।

১৯৭৬ সালে বাংলাদেশে প্রথম গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির শুরু, নব্বই দশকে হৈহৈ করে এর বাণিজ্য গেল বেড়ে। আজ যা কিছুই দেশ থেকে রপ্তানি করা হয়, তার মধ্যে আশি ভাগই গার্মেন্টস। তিরিশ লক্ষের চেয়েও বেশি গার্মেন্টস শ্রমিকদের ৮৫ ভাগই মেয়ে। সভ্য হলে এই দেশ এই মেয়েদের মাথায় তুলে রাখতো। বাংলাদেশ বলেই এদের কী করে আরও ঠকানো যায়, কী করে আন্তর্জাতিক শ্রমিক আইন লঙ্ঘন করে এদের নির্যাতন করা যায়, কী করে মেশিন হিসেবে কিন্তু মানুষ হিসেবে বিচার করা না যায়, জাতিসংঘের সব রকম বৈষম্য থেকে নারীর মুক্তির আহ্বানকে তুচ্ছ করে নারীকে বৈষম্যের শিকার করে রাখা যায়- এসবে বাংলাদেশের পুরুষতন্ত্র বিষমই দক্ষ।

গার্মেন্টসে মেয়ে-শ্রমিক নেওয়ার পেছনে মেয়েদের প্রতি শ্রদ্ধা ভালোবাসা নয়, যা কাজ করে তা হলো মেয়েদের 'সস্তা মাল' বলে ভাবার মানসিকতা। সস্তা মাল সস্তায় মেলে। সস্তা মালের দেখভাল করার দরকার হয় না। সস্তা মাল কী খাবে কী পরবে তা না ভাবলেও চলে। সস্তা মাল দুঃখ-কষ্ট সইতে পারে। সস্তা মাল ডিমান্ড করে না। সস্তা মালের কাছ থেকে শ্রম আদায় করে নাও। সস্তা মালকে মারো ধরো, মুখ খুলবে না। সস্তা মালরা মরে গেলেও কারও কিছু যায় আসে না।

একই কাজ করে একটা পুরুষ পারিশ্রমিক পায় বেশি, একটা মেয়ে পায় কম। এই সমস্যা শুধু বাংলাদেশে নয়, এই সমস্যা সারা পৃথিবীতে। মেয়েদের যে কম বেতন দেওয়া হয়, তার কারণ, 'জেন্ডার স্টেরিওটাইপ'। জেন্ডার স্টেরিওটাইপের বাংলা কী আমি জানি না, তবে জেন্ডার স্টেরিওটাইপ মানে কোন লিঙ্গ কী চরিত্রের তার সম্পর্কে কিছু বদ্ধমূল আর ভুলভাল বাঁধাধরা ধারণা। মেয়েদের সম্পর্কে পুঁতিগন্ধময় বিশ্বাস, যে বিশ্বাস সহজে মন থেকে দূর করা যায় না।

জেন্ডার স্টেরিওটাইপ হলো, মেয়েদের টাকা পয়সা উপার্জনের খুব একটা দরকার নেই কারণ স্বামীর উপার্জনেই সংসার চলে; মেয়েদের বেতন পুরুষের বেতনের সমান হওয়ার দরকার নেই, কারণ পুরুষের মতো মেয়েদের অত দায়িত্ব নিতে হয় না; মেয়েদের বেতনটা স্বামীর বেতনের বাইরে শুধুই খানিকটা বাড়তি টাকা পয়সা; মেয়েরা ঘরের বাইরে কাজ না করলেও চলে, কিন্তু স্বামীকে কাজ করতেই হবে; মেয়েরা উঁচুপদে চাকরি করতে পারবে না, কারণ মেয়েরা ঝুটঝামেলা সামলাতে পারবে না, কঠিন হতে পারবে না, সিদ্ধান্ত নেওয়ায় পারদর্শী নয়, তাছাড়া মেয়েরা উচ্চাকাঙ্ক্ষী নয়, আত্দবিশ্বাসী নয়, তার ওপর আবার মেয়েদের বাচ্চা লালন পালনের ব্যাপার থাকে; মেয়েরা হিসেবে কাঁচা, বুদ্ধিতে-বিচক্ষণতায় কাঁচা, প্রয়োজনে ভ্রমণ করতে পারবে না, রাতে চলাফেরা করতে পারবে না; মেয়েরা সেবাযত্ন করায় দক্ষ, পুরুষেরা দায়িত্ব নেওয়ায় দক্ষ; মেয়েরা মা হতে চায়, দীর্ঘকাল চাকরি-বাকরি করতে চায় না; সন্তানের দেখভাল করতে হয় বলে মেয়েরা চাকরিতে মনোযোগ দিতে পারে না। দক্ষ মেয়েদেরও শুধু মেয়ে হওয়ার কারণে উঁচু পদে কাজ করতে দেওয়া হয় না। লিঙ্গ বৈষম্য সবখানে, ঘরে বাইরে, অফিসে আদালতে। মেয়েদের চাকরি পাওয়াটা সহজ নয় কিন্তু চাকরি হারানোটা সহজ। জগৎ বদলাচ্ছে, মেয়েরাই অনেক সময় সংসার চালায় একা, স্বামী-সন্তানের ভরণ পোষণও করে। তারপরও মেয়ে বলেই তারা দায়িত্বজ্ঞানহীন হিসেবে চিহ্নিত হয়। মেয়েরা অঙ্ক কম জানে, বিজ্ঞান কম বোঝে, এরকম ধারণাও ঢুকে আছে মানুষের মনে ও মস্তিষ্কে। কোনও রকম প্রমাণ ছাড়াই মেয়েদের সম্পর্কে নেতিবাচক কিছু বিশ্বাস সেই কত সহস্র বছর আগে ঢুকেছে মানুষের মধ্যে, তা থেকে মুক্তি আজও মানুষের নেই। এই ধারণাগুলোর জন্যও মেয়েরা কোনও কাজে পারদর্শী হয়েও যোগ্য পদ বা সম্মান পায় না। মেয়েদের সম্পদ মেয়েদের শরীর, এই বিশ্বাসও শেকড় গেড়ে বসা। সে কারণে, মেয়েদের শরীরটার দিকেই চোখ পড়ে মানুষের। মেয়েরা কতটা জানে, কতটা বোঝে, কতটা দক্ষ, সেটা কেউ জানতে চায় না, মেয়েদের গুণের দিকটা গৌণ হয়ে ওঠে। মেয়েদের যৌন সামগ্রী হিসেবে দেখা হয় বলে মেয়েদের মধ্যে যাদের বয়স অল্প, যারা দেখতে সুন্দর, কিছু কিছু চাকরি পেতে তাদের অসুবিধে হয় না। বিভিন্ন চাকরিতে, বিশেষ করে শো-বিজনেসের চাকরিতে আমরা কাস্টিং কাউচের গল্প শুনেছি। মেয়েদের ব্যবহার করা হয় নিজের যৌন স্বার্থে। প্রায় মেয়েই কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে। যে দেশে মেয়েদের অধিকার এবং স্বাধীনতা যত কম, সে দেশে মেয়েদের যৌন হয়রানির হার তত বেশি।

সবার আগে এই নারীবিদ্বেষী বিশ্বাসগুলোকে বিনাশ করতে হবে। এসবের বিনাশ না হলে এসব বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে যে লিঙ্গ বৈষম্য গড়ে উঠেছে, সেই লিঙ্গ বৈষম্যকে বিনাশ করা সম্ভব নয়। অসুখ দূর করতে হলে অসুখের কারণ দূর করতে হয়, তা না হলে অসুখ সারে না।

পৃথিবীর জনশক্তির অর্ধেক নারী। এই অর্ধেক জনশক্তিকে যদি দুর্বল বলে ভাবা হয়, ছলেবলে কৌশলে যদি তাদের পারদর্শিতা দেখানোর সুযোগ কেড়ে নেওয়া হয়, যদি তাদের শোষণ করা হয়, নির্যাতন করা হয়, যদি তাদের কাজকে কাজ বলে না ভাবা হয়, উপার্জনকে উপার্জন বলে না ধরা হয়, যদি তাদের যোগ্য সম্মান তাদের না দেওয়া হয়, তাদের সমতা আর সমানাধিকারকে গুরুত্ব না দেওয়া হয়, দায়িত্ববান, কর্মঠ, নিষ্ঠ, জ্ঞানী, বুদ্ধিমতী ও দক্ষ হওয়ার পরও যদি তাদের তা না ভাবা হয়, শুধু মেয়ে বলেই না ভাবা হয়, তবে এই লজ্জা সম্পূর্ণই এই দুর্ভাগা জাতির! মেয়ে বলেই যদি তাদের হাঁড়ি ঠেলার, রাঁধা বাড়ার, সন্তান উৎপাদন আর লালন পালন করার বস্তু, আর আবেগের পিণ্ড বলে ভাবা হয়, মেয়ে বলেই তাদের কিছু কম বুদ্ধির, কিছু কম যুক্তির, কিছু কম সম্মানের, কিছু কম মর্যাদার, কিছু কম মানুষ বলে ভাবা হয় এবং সেই ভাবনা থেকে নিজেকে মুক্ত করতে যদি না পারে, তবে সেই সমাজের, সেই দেশের লোকেরা মেয়েদের জ্ঞান বুদ্ধি পাওয়ার যোগ্য নয়। তারা বরং ধীরে ধীরে নিজেদের বিনাশ করার প্রক্রিয়ার দিকে এগোচ্ছে।

লেখক : নির্বাসিত লেখিকা।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা