শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৬ জুলাই, ২০১৫

\\\'কানেকটিভিটি\\\' বনাম \\\'কাঁটাতার\\\'

রোবায়েত ফেরদৌস
অনলাইন ভার্সন
\\\'কানেকটিভিটি\\\' বনাম \\\'কাঁটাতার\\\'

বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের মধ্যে সম্প্রতি মোটরযান চুক্তি হয়েছে। ১৫ জুন ভুটানে স্বাক্ষরিত এ চুক্তিকে স্বাগত না জানানোর কোনো কারণ নেই। বলা হয়েছে ছয় মাসে চুক্তি বাস্তবায়ন করতে হবে- বোঝা যাচ্ছে কাজ অনেক, সময় কম। চুক্তির ধারা-উপধারা নিয়ে তাই বিস্তর আলোচনা হওয়া জরুরি। মানুষের অধিকার আছে, 'চাহিবামাত্র তথ্য জানার'। ব্রিটিশ চলে গেছে সেই কবে, পাকিস্তানকে আমরা রক্তাক্ত-বিদায় জানিয়েছি তাও অনেক বছর, কিন্তু হায়, শাসকবর্গের মাইন্ডসেট বদলায়নি একটুও। স্বাধীন দেশের সরকার হয়েও শাসকশ্রেণি জনগণের থেকে তথ্য লুকানোর 'কলোনিয়াল হ্যাংওভার' বা 'ঔপনিবেশিক ঘোর' থেকে বেরিয়ে আসতে পারছেন না। মানুষকে অন্ধকারে রেখেই তারা ফুলবাড়ির কয়লার চেয়েও কালো চুক্তি করে এশিয়া এনার্জির সঙ্গে, আদিবাসীদের না জানিয়েই মধুপুরে ইকোপার্কের মাস্টারপ্ল্যান করে, হানা করে, সোফা করে। মুশকিল তাই হয়ে ওঠে তখন, তথ্যের একচ্ছত্র মালিকানা যখন থাকে কেবল সরকার, মন্ত্রী, আমলা, পুলিশের হাতে; মালিকানার তৈরি করা এই 'কৃত্রিম সিন্ডিকেটটি' ভাঙা দরকার। দরকার মালিকানায় পরিবর্তন আনা। রাষ্ট্রের মালিক কে? জনগণ। তথ্যের অবাধ মালিকানাও তাহলে জনগণের কাছে ন্যস্ত করতে হবে। তথ্য যাবে কৃষক শ্রমিক জনতার হাতে, তবেই রাষ্ট্রের মালিক যে জনগণ, সত্যিকার অর্থে সমাজে তখন এ বোধ তৈরি হবে। আইএমএফ, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সঙ্গে সরকারগুলো কী শর্তে চুক্তি করে জানাতে হবে তাও।

চতুর্দেশীয় মোটরযান চুক্তিতে বলা হয়েছে, এর ফলে যাত্রী ও পণ্য চলাচল করতে পারবে। বন্দরের লাগসই ব্যবহার সিঙ্গাপুর ও শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এখান থেকে শিক্ষা ও দীক্ষা নিতে পারি আমরা। বিশ্বায়ন ও উদারীকরণের এই যুগে কানেকটিভিটি বা সংযুক্ততার কোনো বিকল্প নেই। ক'বছর আগে ইউরোপ গিয়েছিলাম- আমি টেরই পেলাম না কখন বাসে চড়ে বার্লিন থেকে পোল্যান্ডের ভিতরে ঢুকে পড়েছি; কিংবা জার্মানি থেকে অস্ট্রিয়া আর ইতালির সীমান্তে চলে এসেছি। কোনো চেকপোস্ট নেই, ভিসা-পাসপোর্টের বালাই নেই। জাস্ট টিকিট কেটে চলে যাচ্ছি এস্টোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া। একবার সেনজেন ভিসা পাওয়া মানে ইউরোপের ২৫টি দেশে ভ্রমণের গ্রিন সিগন্যাল হাতে পাওয়া। এশিয়া সেদিক থেকে অনেক পেছনে। তাই দক্ষিণ এশিয়া কিংবা বৃহত্তর অর্থে এশিয়া মহাদেশকেও দ্রুত ইউরোপের পথে হাঁটতে হবে। আটকে রাখা, বিচ্ছিন্ন থাকার সংস্কৃতি শেষ বিচারে মানুষকে বন্দী করে, মানুষের সম্ভাবনাকে ক্ষীণ করে এবং তার উৎপাদনশীলতাকে রুখে দেয়। পণ্য ও মানুষের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা গেলে এতদঅঞ্চলে মাদক চোরাচালান, মানব পাচার, জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় একযোগে কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে। কানেকটিভিটি বাড়ানো গেলে মানুষের কর্মসংস্থান, সেবাখাতের সুযোগ ও রপ্তানি-বাণিজ্যও বৃদ্ধি পাবে; উৎপাদনশীলতা বাড়াতে উন্নত ও সহজ যাতায়াত ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। আর মানুষে মানুষে যোগাযোগ বৃদ্ধি পেলে এক দেশের নাগরিক অন্য দেশ ও জাতির সংস্কৃতির প্রতি আরও সংবেদনশীল, আরও শ্রদ্ধাশীল হয়ে উঠবে; জাত্যাভিমান নয়, বরং সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদের এই চর্চাই যে আখেরে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার হুমকি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে- শাসকদের এ সত্য উপলব্ধি করতে হবে।

আন্তঃদেশীয় মোটরযান চুক্তিকে, আমার প্রতীতি, তাই দ্রুত বাস্তবায়নের পথে হাঁটতে হবে। কোন রুটে কীভাবে মোটরযান চলবে তা এখনো ঠিক হয়নি, এটি সুনির্দিষ্ট করতে হবে। বাংলাদেশের সড়ক আন্তর্জাতিক মানের নয়। অতিরিক্ত চাপে নূ্যব্জ আমাদের সড়কগুলো। এগুলোর মেরামত ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে। করতে হবে রাস্তা নির্মাণ ও সংস্কার, নতুন করে বেশ কিছু সেতু নির্মাণ করতে হবে, যান ট্র্যাকিং ব্যবস্থা, বন্দরের উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন ঘটাতে হবে। আইসিটি ইনস্টলেশন, ট্রানজিট ফি নির্ধারণ- এসবও করতে হবে সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ে। সবই সুনির্দিষ্ট সময়ভিত্তিক হতে হবে। এর জন্য ৮ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রয়োজন। অবকাঠামো উন্নয়নে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) সহায়তা দেবে। শুল্ক-মাশুল নির্ধারণে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখতে হবে, তবে প্রতিটি দেশের নিজস্ব হার ও আঞ্চলিক বাস্তবতাও বিবেচনায় রাখতে হবে। যেসব অশুল্ক বাধা রয়েছে তাও দূর করতে হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের ট্যারিফ কমিশনকে আরও দক্ষ, আরও স্মার্ট করে গড়ে তুলতে হবে। ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ আর ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হওয়ার যে আত্দম্ভর আশা তা থেকে পিছিয়ে আসার সুযোগ নেই; আঞ্চলিক কানেকটিভিটি নিশ্চিত করা গেলে সে লক্ষ্য অর্জন আরও দ্রুত করা সম্ভব। চেষ্টা, সদিচ্ছা আর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ থাকলে সব অসম্ভবই যে সম্ভব তার প্রমাণ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সোনার সন্তানেরা পুরো পৃথিবী জয় করে চলেছে একের পর এক। তবে কোনো উদ্যোগই জনগণকে অন্ধকারে রেখে করা যাবে না। বিনিয়োগ, মাশুল নির্ধারণসহ খুঁটিনাটি সব ব্যাপারে জনগণকে অবহিত করতে হবে। পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকতে হবে। এ প্রক্রিয়ায় সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক সুফল কিংবা কী ধরনের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হতে পারে তা নিয়েও স্টাডি হওয়া দরকার।

আর সংযুক্তি কেন শুধু সড়কপথে? রেলপথ নয় কেন? আকাশপথ, নৌপথ- এগুলোও বাদ যাবে কেন? পণ্য চলাচলের পাশাপাশি মানুষ, পানি, শ্রম, পুঁজি- সবার চলাচল অবাধ হওয়া জরুরি। কানেকটিভিটি হবে জলে-স্থলে-অন্তরিক্ষে। কেবল চার দেশ নয়, আরও সুদূরপিয়াসী হতে হবে। বিসিআইএম- বাংলাদেশ, ভারত, চীন, মিয়ানমারকে এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। চার দেশকে দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে আর দক্ষিণ এশিয়াকে পুরো ট্রান্স-এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক দরকার কিন্তু কেবল দ্বিপক্ষীয় আটকে থাকলে চলবে না। বহুপাক্ষিক ও বহুমাত্রিক আঞ্চলিক সম্পর্ক গড়তে হবে। কানেকটিভিটির এ আয়োজন অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল, ইউরোপ যেটা করে ফেলেছে বহু বছর আগে। আমরা পিছিয়ে আছি পশ্চাৎপদ মানসিকতা নিয়ে, নিরাপত্তার বাতিল ও পুরনো ধারণায় আটকে থেকে। ভিসা পাওয়া দারুণ কষ্টকর ব্যাপার- কানেকটিভিটি বললে ভিসা পদ্ধতি সহজ করতে হবে; গড়তে হবে ভিসামুক্ত দক্ষিণ এশিয়া। আজকের যুগের নিরাপত্তা মানে 'টেরিটরি' বা 'ভূখণ্ডগত' নিরাপত্তা নয়, আজকের নিরাপত্তার মূল কনসেপ্ট 'হিউম্যান সিকিউরিটি' বা 'মানব নিরাপত্তা'- মানবিক মর্যাদা, মানবাধিকার ও সম্মান নিয়ে তাবৎ মানুষের মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার আয়োজন যার মূল কথা।

শেষে প্রাসঙ্গিকভাবে এ প্রশ্নও আমাদের করতে হবে, কাঁটাতার আর কানেকটিভিটি একসঙ্গে চলে কিনা? কানেকটিভিটির কথা বলব, এ লক্ষ্যে চুক্তি করব আবার কাঁটাতারে ফেলানীর লাশ আটকে রাখব- তা কী করে হয়!!! চারদিক কাঁটাতার দিয়ে ঘিরে ফেলে কানেকটিভিটির কথা বলা হাস্যকর বৈকি! দক্ষিণ আফ্রিকা দিয়ে ঘিরে থাকা রাষ্ট্র লেসোথোর কথা আমরা জানি, সে পথে আমরা হাঁটতে চাই না। আবার সড়ক, রেলের কানেকটিভিটির কথা বলব তাহলে কোন যুক্তিতে নদীর, পানির কানেকটিভিটির কথা বাদ দেব? এ অঞ্চলের বিশাল জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য, অসাম্য, বৈষম্য ও নিপীড়নের যে বর্তমান অবস্থা নিঃসন্দেহে তা অমানবিক। আঞ্চলিক আধিপত্য, সংকীর্ণ করপোরেট স্বার্থ, বৈষম্যের দৃষ্টিভঙ্গি মানুষে মানুষে সত্যিকারের কানেকটিভিটির পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কানেকটিভিটির এসব অন্তনির্হিত স্ববিরোধিতা অতি অবশ্যই দূর করতে হবে। তাহলেই দক্ষিণ এশিয়ার জনমনে আস্থা তৈরি হবে। আর এভাবেই কানেকটিভিটির মতো তাৎপর্যপূর্ণ ও গভীর ধারণা-নিচয়টি 'পলিটিক্যাল রেটোরিক্স'-এ আটকে থাকবে না; 'রাজনৈতিক বাগাড়ম্বড়' থেকে বেরিয়ে এসে কানেকটিভিটি শব্দটি তখন তার সত্যিকার অর্থ খুঁজে পাবে। তাহলেই কেবল 'সংযুক্ত দক্ষিণ এশিয়া' গড়ে তোলা সম্ভব- যার মূল উপাদান সড়ক, রেলের সংযুক্তি নয়, মানুষের সঙ্গে মানুষের, হৃদয়ের সঙ্গে হৃদয়ের যোগ- যার মূল ভিত্তি হবে মানবাধিকার, সম্মান ও মানবিক মর্যাদা।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

[email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা