শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০১৫

বাংলাদেশের প্রমোশন

প্রভাষ আমিন
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশের প্রমোশন

অর্থনীতিই আমাদের সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু অর্থনীতি বিষয়টা আমি একদম বুঝি না। সম্মানজনকভাবে মধ্যবিত্তের জীবনযাপন করার মতো অর্থ পেলেই আমি খুশি, এর নীতি নিয়ে মাথা ঘামাতে চাই না, পারিও না। কিন্তু ১ জুলাই মধ্যরাতে একটি খবর দারুণ আনন্দ দিল। বিশ্বব্যাংকের তালিকায় বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো নিম্নমধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় উন্নীত হয়েছে। এর ফলে কী হবে না হবে, আমার-আপনার লাভ কি, ক্ষতি কি- এসব বিবেচনা ছাড়াই দারুণ একটা ভালো লাগার আবেশ ছড়িয়ে গেল শরীর-মনজুড়ে। পরে জানলাম, এই আবেশটুকুই লাভ। এটা নিছকই মর্যাদার ব্যাপার। সেদিন রাতে এটিএন নিউজের স্ক্রলে গিয়েছিল 'স্বল্পোন্নত দেশ থেকে নিম্নআয়ের দেশে বাংলাদেশ : বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়ন' এক প্রিয় বড় ভাই সেই স্ক্রলের ছবি তুলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলেন, এরা জানেও না, জানার চেষ্টাও করে না। সেই বড় ভাইকে ধন্যবাদ দিয়ে ভুলটা শুধরে দিলাম। তবে তিনি যত কষ্ট করে ছবি তুলে স্ট্যাটাস দিয়েছেন, তার চেয়ে অনেক কম কষ্টে আমাদের কাউকে একটা ফোন করতে পারতেন। আমরা তো না জেনে ভুল করি, ভুল করলেও তা স্বীকার করি। কিন্তু অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান আছে দিনের পর দিন ভুল করে, জেনেশুনে ইচ্ছা করে ভুল করে, আদালতে জরিমানা দেয়, নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করে; তাদের ব্যাপারে সেই বড় ভাইয়ের কোনো স্ট্যাটাস দেখি না। আত্দসমালোচনা করা যাবে না, এমন কোনো শর্ত সেই বড় ভাইয়ের নিয়োগপত্রে লেখা আছে কিনা তাও জানি না।

সেই বড় ভাইয়ের পরামর্শে জানার চেষ্টা করতে গিয়ে দেখলাম, বিশ্বব্যাংকের তালিকায় বাংলাদেশ আসলে নিম্নআয়ের দেশ থেকে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় প্রমোশন পেয়েছে। আর স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা বিশ্বব্যাংক করে না, করে জাতিসংঘ। সে তালিকায় বাংলাদেশ এখনো স্বল্পোন্নত দেশ। এরপরের ধাপ উন্নয়নশীল দেশ, এরপর উন্নত দেশ। সেই তালিকার কথায় পরে আসছি। যেটা নগদে পেয়েছি সেটার কথা আগে বলে নিই। মাথাপিছু আয়ের হিসাবে বিশ্বব্যাংকের বিবেচনায় বাংলাদেশ নিম্নআয়ের দেশ থেকে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে প্রমোশন পেয়েছে। বিশ্বব্যাংকের এই তালিকায়ও তিনটি ধাপ আছে। নিম্নআয়, মধ্যম আয় এবং উচ্চ আয়। তবে মধ্যম আয়ের ধাপে দুটি ভাগ আছে- নিম্নমধ্যম আয় এবং উচ্চমধ্যম আয়। বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের ধাপে ঢুকেছে, তবে সেটা নিম্নমধ্যম আয়ের। বিশ্বব্যাংকের হিসাবটা হলো, মাথাপিছু আয় ১০৪৫ ডলার পর্যন্ত হলে নিম্নআয়ের দেশ। ১০৪৬ ডলার থেকে ৪ হাজার ১২৫ ডলার পর্যন্ত নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ। ৪ হাজার ১২৬ ডলার থেকে ১২ হাজার ৭৩৬ ডলার পর্যন্ত উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ। এরপর উচ্চ আয়ের দেশ। বাংলাদেশের হিসাবে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ১৩১৪ ডলার। আর বিশ্বব্যাংকের হিসাবে তা ১০৮০ ডলার। এখন বিশ্বে নিম্নআয়ের দেশ আছে ৩১টি, নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ ৫১টি, উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ ৫৩টি এবং উচ্চ আয়ের দেশ ৮০টি। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের নিম্নমধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় নাম লেখানোটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং অনেক মর্যাদার অর্জন এবং অনেক কষ্টকরও। কারণ আমাদের মানুষ বেশি। তাই মাথাপিছু আয় বাড়ানোও কঠিন। ১৬ কোটি টাকা আয় করলে মাথাপিছু পড়বে মাত্র এক টাকা। আবার উল্টাটাও সত্যি। মানুষই আমাদের সম্পদ। গার্মেন্ট খাতে এত উন্নতি সে তো সস্তা শ্রমের কারণেই। তবে এই বিশাল মানবগোষ্ঠীকে সত্যিকারের মানবসম্পদে বদলে দিতে পারলেই বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার গতি ত্বরান্বিত হবে। সবাই এক টাকা করে আয় করলেও ১৬ কোটি টাকা, এভাবেও তো দেখা যেতে পারে।

এবার আসি স্বল্পোন্নত দেশের কথায়। যত সহজে বিশ্বব্যাংকের তালিকায় নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে প্রমোশন পাওয়া গেছে, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ তত সহজ নয়। কারণ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হতে শুধু মাথাপিছু আয় নয়, বিবেচনায় নেওয়া হয় অর্থনীতির নাজুকতার সূচক, মানব উন্নয়ন সূচকও। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ যেভাবে এগুচ্ছে, তাতে হয়তো ২০২১ সাল, মানে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী আমরা নিম্নমধ্যম আয়ের উন্নয়নশীল দেশ হিসেবেই পালন করতে পারব।

নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ হলে আমাদের লাভ কি- এই প্রশ্ন ঘুরেফিরে আসছে প্রথম দিন থেকেই। অন্য লাভক্ষতির কথা যদি বাদও দিই, এটা মর্যাদার, বিশ্বের মানুষ এখন আর আমাদের দিকে করুণার দৃষ্টিতে তাকাতে পারবে না। সংকটটা আসলে আমাদের দেশের মধ্যবিত্ত মানুষের সংকটের মতোই। আমাদের দেশের নিম্নবিত্ত মানুষেরা চলে অন্যের দয়া-দাক্ষিণ্যে, ঋণে-করুণায়। কিন্তু সেই পরিবারটিই যখন শিক্ষায় উন্নয়ন ঘটিয়ে নিম্ন মধ্যবিত্ত পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তখন বদলে যায় তার দৃষ্টিভঙ্গি। নিম্ন মধ্যবিত্তের সংকটটা বড় জটিল। ঘরে চুলা না জ্বললে পানি খেয়ে থাকবে, তবু কারও কাছে হাত পাতবে না। অথচ এই পরিবারটিই যখন নিম্নবিত্ত ছিল, তখন কারণে-অকারণে মানুষের সাহায্য নিয়েছে। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারও ঋণ নেয়, ঋণ তো উচ্চবিত্তরাও নেয়। তবে নিম্নবিত্তের কাউকে ঋণ দেওয়ার সময় তাতে করুণা, সহানুভূতি, বাড়তি সুবিধা বা ফিরে না পাওয়ার শঙ্কা মিশে থাকে। কিন্তু নিম্ন মধ্যবিত্তের বেলায় সেটা থাকে না। সবার সহানুভূতি হারানোর ঝুঁকি নিয়েও মানুষ নিম্নবিত্তের তকমা ঝেড়ে ফেলে নিম্ন মধ্যবিত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত হতে চায়; চায় ধাপে ধাপে উন্নতি। বাংলাদেশও তেমনি। সুবিধা-অসুবিধা যাই হোক, আমরা বিশ্বে মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে চাই, মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই। কষ্ট করব, তবু কারও করুণায় চলব না। নিম্নমধ্যম থেকে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়াটা অনেক দূরের পথ। কারণ এখন আমাদের মাথাপিছু আয় বিশ্বব্যাংকের হিসাবে ১০৮০ ডলার, সেটিকে ৪ হাজার ১২৬ ডলারে উন্নীত করা অনেক কঠিন। তবে আমাদের সামনে নিকট সম্ভাবনা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়া। তবে উন্নয়নশীল দেশ হতে হলে ঝুঁকিটা অনেক বেশি, চ্যালেঞ্জও অনেক বেশি। স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে আমরা নানা প্রটেকশন পাই, রপ্তানিতে কোটা, শুল্কমুক্ত নানা সুবিধা পাই। উন্নয়নশীল দেশ হলে আমরা সেসব সুবিধা পাব না। আমাদের তখন অনেক বেশি প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে। মাথাপিছু আয় ১২০০ ডলার ছাড়িয়ে গেলে আমাদের ঋণের সুদ হবে ৫ শতাংশ, এখন যেটা আমাদের দিতে হয় দশমিক ৭৫ ভাগ। ঋণ পরিশোধের সময়ও তখন কমে যাবে। এত যে ঝুঁকি সামনে তাহলে কি আমরা উন্নয়নের গতি কমিয়ে দেব? স্বল্পোন্নতই থেকে যাব? আমি জানি বাংলাদেশের একজন মানুষও এতে সম্মত হবেন না। ঝুঁকি যতই হোক, আমরা সামনেই এগুতে চাই। প্রতিযোগিতা বাড়লে আমাদের সক্ষমতাও বাড়বে। ২০ বছর আগেও বাংলাদেশে যা স্বপ্ন ছিল, এখন তা দারুণ বাস্তব। মানুষের হাতে হাতে মোবাইল, ঘরে ঘরে ইন্টারনেট। দুনিয়াটাই যেন হাতের মুঠোয়। যেখানে যেতে আগে তিন রকমের যান লাগত, এখন সেখানে অনায়াসে গাড়ি নিয়ে চলে যাওয়া যায়। দুই বছর আগেও কেউ ভাবেনি নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব। কিন্তু বিশ্বব্যাংকের মুখের ওপর নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণকাজ শুরু করে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি আমাদের সক্ষমতা। পদ্মা সেতু নির্মাণের পর এটি হবে আমাদের সক্ষমতা আর আত্দমর্যাদার প্রতীক। ঢাকায় এখন নানা ফ্লাইওভারের প্যাঁচ। এতকিছুর পরও প্রশ্ন থেকেই যায়। আমরা নিম্নমধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় পৌঁছেছি বটে, তবে এখনো দেশের ধনী আর গরিবের মধ্যে প্রবল বৈষম্য রয়েছে। দারিদ্র্যের হার কমেছে বটে, তবে এখনো দেশের প্রায় চারভাগের একভাগ মানুষ মানে চার কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। আমরা যতই নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ বা উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় নাম লেখাই না কেন, তাতে যত মর্যাদাই আসুক না কেন, সেই চার কোটি মানুষের তাতে কিছুই যায় আসে না। তাছাড়া সংখ্যার হিসাবে আমাদের অনেক উন্নতি হলেও এখন গুণগত মানেও উন্নতি করতে হবে। পাসের হার ৯০ ছাড়িয়ে গেলেই শুধু শিক্ষার মান বাড়ে না। আগে আমরা পাসের হারেও সন্তুষ্ট থাকতাম, এখন পাসের মানেও সন্তুষ্ট হতে চাই। সব ক্ষেত্রেই কোয়ানটিটির পাশাপাশি কোয়ালিটিও নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়নশীল দেশ হলেই আমাদের দিকে সবার তাকানোর দৃষ্টিটাই বদলে যাবে। রাস্তায় অসহনীয় যানজট, নোংরা আবর্জনা, গার্মেন্ট শিল্পে কাজের পরিবেশ, শ্রমিকদের অধিকার, মানবাধিকার- এসব প্রশ্নে আমরা তখন কোনো ছাড় পাব না। আমরা ছাড় চাইও না।

আগেই বলেছি দৃষ্টিভঙ্গির কথা। আগের সরকার নাকি নানা সুবিধা পেতে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকাতেই থাকতে উন্নয়নের গতি কমিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার যে কোনো মূল্যে উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন করতে চায়। এই সরকারের বিরুদ্ধে আমার অনেক অভিযোগ- দেশের গণতন্ত্রহীনতা, নির্বাচন ব্যবস্থা প্রায় ধ্বংস করে দেওয়া, দুর্নীতি, সুশাসনের ঘাটতি, মানবাধিকারের অভাব ইত্যাদি ইত্যাদি। তবু আমাদের আত্দমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দেওয়ায়, তলাবিহীন ঝুড়িকে সমৃদ্ধির সোপানে তুলে নেওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন।

[email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা