শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০১৫

একটি জরাজীর্ণ মন্ত্রণালয়ের অপকর্মের খতিয়ান!

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
একটি জরাজীর্ণ মন্ত্রণালয়ের অপকর্মের খতিয়ান!

সৃষ্টির পর থেকেই মন্ত্রণালয়টির বদনামের অন্ত ছিল না। স্বাধীন বাংলাদেশে এই মন্ত্রণালয় দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি এমন পরিবার খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। এই মন্ত্রণালয়ের সব মন্ত্রী হয় জেল খেটেছেন নয়তো দুর্ভোগের স্বীকার হয়েছেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পর্কে বিশেষ করে কিছু বলার দরকার নেই- সম্মানিত পাঠক লেখার পরবর্তী অংশে অতি সহজেই ওসব লোকের হালহকিকত জানতে পারবেন। এই মন্ত্রণালয়ের তার নিজস্ব খুঁটির ওপর কাক-বাদুড় বা চামচিকেও বসে না। তারা বিদ্যুতের তার কিংবা খুঁটিতে বসে মরবে- তবুও ওদিকে যাবে না। মন্ত্রণালয়ের সুইচ রুম কিংবা প্যানেল বক্সে কাছে শয়তানও যায় না। কারণ এতে করে শয়তানের সতীত্ব নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সুইচ রুমের কারিগররা এত নিখুঁতভাবে প্রচণ্ড দুঃসাহসিকতা নিয়ে এমন সব অপকর্ম করে যে স্বয়ং ইবলিশ রাস্তার পাশের ডাস্টবিনে হেলান দিয়ে চিৎকার করে কান্না জুড়ে দেয় এবং বলে- হায় খোদা! ওরা এসব শিখল কোত্থেকে।

পাঠক ইতিমধ্যে হয়তো আন্দাজ করে ফেলেছেন- আমি কোন মন্ত্রণালয়ের কথা বলছি! ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভাগ ও অনুবিভাগের সংখ্যা সাতটি। প্রত্যেকটি বিভাগ সম্পর্কে রয়েছে সীমাহীন অভিযোগ এবং পাহাড়সম দুর্নীতির খতিয়ান। আজকের লেখায় আমি কেবল দুটি বিভাগের কথা বলব- যাদের কারণে দেশ-জাতি, সরকার এবং সরকারের স্পর্শকাতর ব্যক্তিবর্গ ক্ষতিগ্রস্ত এবং বিতর্কিত হচ্ছেন। প্রথমে বলি বিটিসিএল অর্থাৎ বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি সম্পর্কে। পরে বলব ডাকবিভাগ নিয়ে যা কিনা ডাইরেক্টরেট অব বাংলাদেশ পোস্ট অফিস নামে নিবন্ধিত।

অনেকে একটু অবাক হয়ে প্রশ্ন করতে পারেন, এমন একটি জরাজীর্ণ মন্ত্রণালয়- যারা এখন বিজ্ঞাপন দিয়েও ল্যান্ডফোনের গ্রাহক খুঁজে পায় না কিংবা বিনা মাশুলে চিঠিপত্র পাঠানোর ঘোষণা দিলেও যেখানে কেউ পোস্ট অফিসে যাবে না সেখানে দুর্নীতিই বা কী আবার সুনীতিই বা কী! আপনারা প্রায় সবাই জোর গলায় বলে থাকেন ব্যাংকিং খাতের দুর্নীতির কথা। অথবা আরও একটু বেশি রাগ হলে উল্লেখ করেন শেয়ার মার্কেটের কেলেঙ্কারির কথা। সমালোচকদের মতে, এযাবৎকালে শেয়ার মার্কেট থেকে লুট হয়েছে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫৫ হাজার কোটি টাকা যা কিনা ব্যাংকগুলোর মোট জামানতের ১০ শতাংশ এবং নিজস্ব পুঁজির ৪ গুণেরও বেশি। এবার বিটিসিএলের দুর্নীতির অভিযোগের একটি খণ্ডিত অংশের কাহিনী শুনুন। বলা হয়ে থাকে ১৯৯১ সাল থেকে আজ অবধি কেবল অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার নামে দেশ থেকে পাচার হয়েছে এক লাখ কোটি টাকা।

বিটিসিএলের দুর্নীতি ও জনদুর্ভোগের খতিয়ান সম্পর্কে হাতেকলমে ধারণা দেওয়ার জন্য চলুন আপনাদের নিয়ে যাই একেবারে তৃণমূলে। ৯৬৬৫১০৮ এবং ৫৮৬১০১২৯ নম্বর দুটি ঢাকার নীলক্ষেত এক্সচেঞ্জের অধীন সংযুক্ত আছে ১০ নম্বর নায়েম রোড, ধানমন্ডি এই ঠিকানায় গত ১৫ বছর ধরে। ফোন দুটির মালিক অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে একদিনের জন্যও দুটি ফোন একসঙ্গে সচল ছিল না। অন্যদিকে বছরের ১১ মাসই দুটো ফোন পালা করে খারাপ থাকে। অর্থাৎ সারা বছর গড়ে মাত্র ৩০ দিন একটি ফোন ভালো থাকে। এ ব্যাপারে ফোনের মালিক স্থানীয় অভিযোগ কেন্দ্র থেকে শুরু করে নীলক্ষেত এক্সচেঞ্জের জিএম বিটিসিএলের এমডির অফিস হয়ে মন্ত্রীর দফতর পর্যন্ত ধরনা দিয়েও কোনো উপকার পাননি। অধিকন্তু নিত্যনতুন হয়রানি, বাড়তি বিল এবং টিএন্ডটি (সাবেক) অর্থাৎ হাল আমলের বিটিসিএলের লাইনম্যান দ্বারা ঠাট্টা মশকরা এবং নাজেহালের শিকার হয়েছেন। মালিক ভদ্রলোক এ জন্য নিজের খামখেয়ালি এবং নির্বুদ্ধিতাকেই দায়ী করেন।

কারণ টেলিফোন দুটি সংযোগ দেওয়ার সময় লাইনম্যানরা কিছু টাকা চেয়েছিল বকশিশ হিসেবে। তৎকালীন টিএন্ডটি মন্ত্রী নাসিম সাহেবের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকার সুবাদে লোকটি সম্ভবত একটু ভাব দেখাতে চাইলেন। তাই সগর্বে বলে ফেললেন, আপনাদের মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে আমার অনেক ভালো সম্পর্ক। লোকটির কথা শুনে লাইনম্যানরা তেলেবেগুনে জ্বলে উঠল এবং মন্ত্রী ও তার পরিবার সম্পর্কে অনেক কুরুচিপূর্ণ কথা বললেন। তারা আরও বললেন, ওসব মন্ত্রী-ফন্ত্রী তারা গনায় ধরে না। মন্ত্রীরাই নাকি উল্টো তাদের পেছনে ঘোরে। তারপর তারা আরও কিছু অশ্রাব্য কথা বলল যা মুদ্রণের অযোগ্য। লাইনম্যানদের কথা শুনে নম্বর দুটির মালিকও তেলেবেগুনে জ্বলে উঠলেন এবং সাধ্যমতো রাগারাগি করলেন। লাইনম্যানরা চলে গেলেন। ফলে টেলিফোনের লাইন লাগল বটে কিন্তু সচল হলো না। ১৫ বছর আগে শুরু হওয়া সেই ঘটনা নিষ্পত্তি করার জন্য ভদ্রলোক সস্ত্রীক এবং সপরিবারে বহুবার বহুভাবে চেষ্টা করেছেন, বহু দরবারে ধরনা দিয়েছেন। কিন্তু লাইনম্যানদের সাফ জবাব, দেখি উনি মন্ত্রী-মিনিস্টার দিয়ে কী কচু করতে পারেন।

নায়েম রোডের ঠিকানার উল্লিখিত টেলিফোন দুটির মতো হাজার হাজার টেলিফোনের গ্রাহক যুগযুগান্তর ধরে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এবং শারীরিক-মানসিক ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়ে নিজেদের দুর্বল রাষ্ট্রের অসহায় নাগরিক ভাবতে ভাবতে চিন্তা-চেতনায় দেশ ও সরকার সম্পর্কে শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছেন। এখন যদি প্রশ্ন করা হয়, বাসাবাড়ি বা অফিস-আদালতের ল্যান্ড টেলিফোনের লাইন খারাপ থাকলে কতটুকু দুর্নীতি হতে পারে? এ ব্যাপারে কেউ যদি আগ্রহী হয়ে একটু ছোটখাটো তদন্ত করেন তবে দুর্নীতি ও অনিয়মের রাঘববোয়ালদের তাণ্ডব এবং নির্লজ্জ বেহায়াপনা দেখে যারপরনাই আতঙ্কিত এবং বিস্মিত না হয়ে পারবেন না।

বাংলাদেশে ভিওআইপি নামক অবৈধ ব্যবসার প্রচলন শুরু হয় ১৯৯২-৯৩ সালের দিকে, ঠিক যে সময়টায় এদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার চালু হয়েছিল। শুরু থেকে অর্থাৎ সেই ১৯৯২ থেকে ২০০৭ সাল অবধি ভিওআইপির জন্য কেবল টিএন্ডটির লাইন ব্যবহৃত হতো। পরবর্তীতে অবশ্য মোবাইল ফোনের মাধ্যমেও এই অবৈধ কার্যক্রমটি চালু হয়। কিন্তু ল্যান্ডফোনের কার্যকারিতা, আকর্ষণ ও লাভের সঙ্গে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভিওআইপির লাভ তুলনা করলে দেখা যায় যে, একটি ল্যান্ডফোনের আয় মোবাইলের তুলনায় কমপক্ষে ১০ গুণ। ভিওআইপি ব্যবসায়ীরা একটি ল্যান্ডফোনের সাহায্যে প্রতি মাসে কমপক্ষে এক লাখ টাকা আয় করতে পারে। কাজেই রাজধানী ঢাকাতে যদি এক লাখ ফোন লাইন ভিওআইপির জন্য ব্যবহৃত হয় তবে অবৈধ কারবারিরা কত টাকা আয় করবে তা বের করার জন্য খুব বেশি অঙ্ক জানার দরকার নেই।

বলা হয়ে থাকে- বাংলাদেশের সব অবৈধ ব্যবসার মধ্যে ভিওআইপিই হলো সবচেয়ে লাভজনক, নিরাপদ এবং সবচেয়ে বেশি লেনদেনের ব্যবসা। চোরাকারবার, সোনা পাচার, আদম পাচার, চুরি-ডাকাতি, লুটপাট, ব্যাংকের টাকা মেরে দেওয়া কিংবা শেয়ার মার্কেটের জুয়োচুরি প্রভৃতি কাজে রয়েছে বিস্তর ঝুঁকি এবং ক্ষেত্রবিশেষে প্রাণ হারানোর আশঙ্কা। এসব দুনম্বরি ব্যবসার অংশীদাররা অনেক সময় একজন অন্যজনের জন্য প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে।

অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়লে জেল-জরিমানা কিংবা মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে। সেই দিক বিবেচনায় ভিওআইপি ব্যবসা সব দিক থেকে নিরাপদ। ফলে এই ব্যবসায় ঢোকার পর আমির-ওমরাহ, বাদশাহ-ফকির এবং চাকর-কুতুব সব একাকার হয়ে যায়। একজন অন্যজনের ভাই-বন্ধু এবং সাহায্যকারী হিসেবে হাতে হাত ধরে এবং গলাগলি করে তারা পথ চলে।

বিটিসিএলের লাইন ব্যবহার করে যারা ভিওআইপি ব্যবসা করে তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হলো লাইনম্যান। লাইনম্যানরা প্রতিটি অলিগলির মুখে স্থাপিত টেলিফোনের ডিবি বক্স, ডিবি বক্স থেকে কেবিনেট এবং কেবিনেট থেকে সুইচ রুম পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন, সংযোগ বিচ্ছিন্ন, মেরামত, তদারক এবং নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখে। তাদের এই ক্ষমতা একচ্ছত্র এবং সব রকম জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে। ভিওআইপির চোরাকারবারিরা সব সময় লাইনম্যানদের তাদের দেবতা হিসেবে পূজো দেয়। তাদের দ্বিতীয় দেবতা হলো টেলিফোন এক্সচেঞ্জের কর্তাব্যক্তিরা যারা কিনা ইনকামিং-আউটগোয়িং ফোন কল তদারকি করে থাকে। চোরাকারবারিরা প্রথমে তাদের দেবতা মনোনীত করে। তারপর তাদের গডফাদার যে কিনা মন্ত্রণালয়ের কোনো উঁচু পদে বসে থাকে নতুবা রাজনৈতিক বা প্রশাসনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকে তার সঙ্গে দেবতাদের সংযোগ স্থাপন করিয়ে দেয় এবং সততার সঙ্গে দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ ভাগাভাগি করে নেয়। ফলে লাইনম্যানরা বাংলাদেশের কাউকে পাত্তা দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন না।

এ তো গেল কেবল ভিওআইপি দুর্নীতির কথা। বিটিসিএলের অন্যসব অনিয়ম, দুর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচারিতার কথা শুনলে গা শিউরে উঠে। এখন পর্যন্ত সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কেবল মোবাইল ফোনে আড়ি পাতার যন্ত্রাদি নিজেরা তদারক করে। অন্যদিকে ল্যান্ডফোনে আড়ি পাততে হলে তাদের বিটিসিএলের জিএম সিকিউরিটির ওপর নির্ভর করতে হয়। ফলে অপরাধীদের জন্য বিটিসিএলের ফোন এখন সবচেয়ে বড় নিরাপদ অভয়াশ্রম। অপরাধীরা নিজেদের মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপন, কথাবার্তা বলা এবং তথ্য আদান-প্রদানের জন্য বিটিসিএলের সুইচ রুম থেকে লাইনম্যান পর্যন্ত এক বিরাট সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। তারা তাদের সুবিধা মতো অন্যের টেলিফোনের সংযোগ বন্ধ রেখে নিজেদের অবস্থানে লাইনটি নিয়ে নেয়। তারপর ইচ্ছেমতো কথা বলে, তথ্য আদান-প্রদান করে অথবা ভিওআইপি ব্যবসা করে।

সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ হলো- রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের টেলিফোনের কথাবার্তা অনেক সময় তাদের বিরোধী পক্ষের কাছে চড়া মূল্যে বিক্রয় করা হয়। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট অপরাধীরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশে পাচার করে বলেও অনেক কানাঘুষা রয়েছে। এত্তসব মারাত্দক অপরাধের কাছে গ্রাহক হয়রানি, টেলিফোনের তার চুরি, একজনের লাইন বিনে নোটিসে অন্যজনকে দিয়ে দেওয়া, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বেচ্ছাচারিতা, নিয়মিত অফিস না করা কিংবা কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহি না করার ঘটনা একেবারে নস্যি!

আজকের লেখার একদম শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। এবার মন্ত্রণালয়ের ডাকবিভাগ সম্পর্কে কিছু বলে উপসংহারে চলে যাব। ডাকবিভাগটি কার্যকারিতার দিক থেকে অনেক আগেই উপযোগিতা হারিয়েছে। কেবল মামলা-মোকদ্দমা এবং সরকারি কাজে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপনের জন্য দরকার পড়লে লোকজন ডাকঘরে যায়। অন্যথায় কেউ ওইদিকে ভুলেও পা বাড়ায় না। ফলে এই বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বনেদি জমিদারের মতো অফিসে আসেন এবং কিছুক্ষণ আনন্দ-ফুর্তি খানাপিনা এবং চিত্তবিনোদনের পর রোজগার বাজার সদাই করে বাড়িতে ফেরেন। অথচ এমনটি হওয়ার কথা ছিল না। ডাকবিভাগের বহুমুখী সেবা এবং কল্যাণমুখী পরিষেবাগুলো আজ মুখ থুবড়ে পড়েছে কেবল এই বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবহেলা, দুর্নীতি, দায়িত্ব পালনে অনীহা এবং স্বেচ্ছাচারিতার জন্য।

ডাকবিভাগের অন্যতম কার্যকরী প্রকল্প ছিল ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক। জনগণের আমানত নিয়ে অনিয়ম করার প্রথম সংস্কৃতি চালু করেছিল এই বিভাগের দুর্নীতিপরায়ণ কর্তারা। পরে এটি মহামারী রূপে বিস্তার লাভ করে ব্যাংকিং, লিজিং এবং বীমা শিল্পে ছড়িয়ে পড়ে। হুন্ডি-জাল জালিয়াতি, চেক, ব্যাংক ড্রাফট, পে-অর্ডার জালিয়াতির হাতেখড়ি শুরু হয়েছিল ডাকবিভাগের সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের মাধ্যমে। আশির দশকে এদেশে প্রথম যখন জনশক্তি রপ্তানি শুরু হলো তখন প্রবাসী শ্রমিক ভাইয়েরা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে স্বদেশে আত্মীয়স্বজনের কাছে পাঠাতেন। তখন চিঠিপত্র আদান-প্রদানের একমাত্র মাধ্যম ছিল ডাকবিভাগ। অন্যদিকে ব্যাংকিং চ্যানেল অথবা হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ প্রেরণ তখনো পরিচিতি পায়নি। এ সময়টাতে ডাকবিভাগের অপরাধী চক্রটি কয়েকটি দেশীয় ব্যাংকের দুর্নীতিবাজ কর্তাদের যোগসাজশে প্রবাসীদের প্রেরিত ব্যাংক ড্রাফট লোপাট করে নিজেদের নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট করে ভাঙিয়ে নিত। এরকম অসংখ্য কুকীর্তির কারণে দেশের জনগণ ডাকবিভাগ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বিকল্প সেবার দিকে ঝুঁকে পড়ে। ফলে ঐতিহ্যবাহী এই বিভাগটি দিন দিন মুখ থুবড়ে পড়তে পড়তে আজকের অবস্থানে এসে ধুঁকে ধুঁকে মরছে। উপসংহার : অতি সম্প্রতি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যোগদান করেছেন অ্যাডভোকেট তারানা হালিম। দেশের অনেকের মতো আমিও আশাবাদী তিনি মন্ত্রণালয়ের হালটি শক্ত হাতে ধরলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। আজকের লেখাটি মূলত তাকে উদ্দেশ্য করেই লেখা হয়েছে যাতে তিনি পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছুটা আন্দাজ করতে পারেন। অন্যদিকে, উল্লিখিত নম্বর দুটির মালিক প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের কল্যাণে যদি মুক্তি পান তবে আমাদের আশার ভিত্তিটি আরও মজবুত হবে।

লেখক : কলামিস্ট।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়