শিরোনাম
প্রকাশ: ১৮:০৯, রবিবার, ০২ আগস্ট, ২০১৫

আমার দেখা আওরঙ্গ

খন্দকার কামরুল হক শামীম
অনলাইন ভার্সন
আমার দেখা আওরঙ্গ

১৯৭২ সালে আমি ঢাকা কলেজে ভর্তি হই। সেখানেই আওরঙ্গের সঙ্গে প্রথম পরিচয়। হেমায়েত উল্লাহ আওরঙ্গ। যুবরাজের মতো চেহারার মানুষটি দ্রুত অন্যকে আপন করে নিতে পারেন। আমাদেরও নেন। দিলদরাজ টগবগে তরুণটি প্রথম পরিচয়েই বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে বলেছিলেন, 'তুমি আমার ভাই।' সেই থেকে আত্মার সম্পর্ক তৈরি হয় আমাদের। তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এ সম্পর্ক ছিল। শেষ জীবনে বিএনপিতে যেতে বাধ্য হলেও তার শরীর মন জুড়ে ছিলেন বঙ্গবন্ধু ও তার আদর্শ। আওয়ামী লীগ করে মরার আকুতি ছিল তার জীবনের শেষ দিনগুলোতে। কিন্তু তা আর হয়নি। অন্তহীন বেদনা-অভিমান কষ্ট নিয়েই চলে গেলেন আওরঙ্গ। সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু সংবাদ বাংলাদেশ প্রতিদিন অফিসে বসে যখন শুনলাম, আমি স্তম্ভিত। পাথরের মতো হয়ে গেলাম। আমাদের আওরঙ্গ নেই। তার স্ত্রী-সন্তানের কথা মনে পড়ল। তার ছেলেটির বয়স তখন ১২ বছর। কান্না আর ধরে রাখতে পারলাম না। এরইমধ্যে দুই বছর পেরিয়ে গেছে। অনেক কিছু বদলে গেছে। কিন্তু আওরঙ্গের জন্য হৃদয়ের মনিকোঠায় রাখা জায়গাটি একই আছে। ২০১৩ সালের ৩ আগস্ট ঢাকা-মাওয়া সড়কে মেদেনীমণ্ডল ইউনিয়নের খানবাড়ি এলাকায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

হেমায়েত উল্লাহ আওরঙ্গ শুধু বন্ধুপ্রিয় ছিলেন না, তার মধ্যে অসাধারণ মানবিক গুণ ছিল। মানুষের দুঃসময়ে পাশে ছুটে যেতেন, পরকে আপন করে নিতেন। কর্মীদের প্রতি কী যে দরদ ছিল যারা কাছে গেছেন তারাই জানেন। মাঠকর্মী অন্তপ্রাণ নেতা ছিলেন তিনি। তিনি ছিলেন দক্ষ সংগঠক। মেধা, মনন, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতেও তার ছিল অবাধ বিচরণ। ঢাকা কলেজে পড়ার সময় আমরা ছাত্রলীগ করতাম। আমাদের সঙ্গে আরও ছিলেন শেখ জামাল, শেখ মারুফ, বর্তমানে কানাডা প্রবাসী জহির, আবদুর রউফ (বর্তমান কুমারখালী উপজেলা চেয়ারম্যান), নশু ভাই (আমাদের সিনিয়র), ইমামুল কবির শান্ত (শান্তা মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়)। আমাদের বন্ধুদের মধ্যে এখন জার্মানিতে আছেন অনেকেই। অনেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বন্ধুদের অনেকে এখন ভালো অবস্থানে আছেন আর অনেকে পরপারে চলে গেছেন। চলে গেছেন আওরঙ্গও। মানুষের কল্পনার চিত্রে যাই হোক ব্যক্তিগত জীবনে এ বন্ধুটি কী যে মিষ্টভাষী আর ধীরস্থির ছিলেন তা তার ঘনিষ্ঠরাই জানেন।

১৯৭৩ সালে আমরা উচ্চমাধ্যমিক পাস করি। এখানে বলে রাখা ভালো, তখন এক বছরের শর্ট কোর্সে আমাদের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা হয়। মুক্তিযুদ্ধের কারণে সরকার শর্ট সিলেবাস দিয়েছিল। উচ্চ মাধ্যমিক পাসের পর আওরঙ্গ ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসনে। আমি সমাজকল্যাণে। ১৯৭৫ সালে আমি চলে যাই রক্ষীবাহিনীতে। অন্যদিকে আওরঙ্গ প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পরে দেশকাঁপানো ছাত্রনেতা হন। বঙ্গবন্ধুপুত্র শেখ কামালের খুব প্রিয়ভাজন ছিলেন তিনি। ১৯৭৪ সালে শেখ কামাল দুষ্কৃতকারীদের হামলার শিকার হন। পরের দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৩১২ নম্বর কেবিনে আমি কামাল ভাইকে দেখতে গিয়েছিলাম। দেখলাম কামাল ভাই আওরঙ্গের কোলে মাথা রেখে শুয়ে আছেন। শেখ কামাল আমাকে দেখে বললেন, কাছে আয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড আওরঙ্গকে খুব কষ্ট দিয়েছিল। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। রক্ষীবাহিনী ছেড়ে আমি মনোযোগ দেই ব্যবসা-বাণিজ্যে। আওরঙ্গ ব্যস্ত হন ছাত্রলীগ পুনর্গঠনে। এ সময় দেশজুড়ে আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগের নাম নেওয়া যেত না। বড় দুঃসময় ছিল। এ দুঃসময়ে প্রতিবাদের আগুন জ্বেলে দেন আওরঙ্গ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কাঁপিয়ে তোলেন মিছিল-স্লোগানে। এই স্লোগান ছড়িয়ে পড়ে প্রতিটি শিক্ষাঙ্গনে। আওরঙ্গ হয়ে ওঠেন প্রতিবাদের প্রতীক। তিনি হয়ে ওঠেন ছাত্রলীগ, যুবলীগের সাহস ও প্রেরণার উৎস। এ কারণে তৎকালীন সামরিক সরকার আওরঙ্গের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করে। কিন্তু কোনো কিছু তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। এ সময় সামরিক জান্তা আওরঙ্গের সহচর কাওসারকে গুলি করে হত্যা করে। গুম করে ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগ নেতা বাবুকে। মূলত গুমের রাজনীতির সূত্রপাত তখন থেকেই। একপর্যায়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন হেমায়েতউল্লাহ আওরঙ্গ। '৮০ সালের দিকে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার দীপ্ত শপথে দেশে ফিরে আসেন। আবারও গোপন অবস্থানে থেকে সক্রিয় করতে থাকেন ছাত্রলীগ-যুবলীগকে। একদিন শাহবাগে আত্মগোপন থাকা অবস্থায় তার ওপর আক্রমণ করে একটি সংস্থা। কোনো রকমে তিনি প্রাণে রক্ষা পান। তারপর আবার ভারতে পালিয়ে যান। এর পর ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ভারতে নির্বাসিত জীবনযাপন করেন। ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে এরশাদের পতনের পর তিনি দেশে ফিরে আসেন। শুরু করেন রাজনীতির নতুন জীবন। কিন্তু মামলা থাকায় তাকে গোপন জীবন বেছে নিতে হয়। এ অবস্থায় আবদুর রাজ্জাকের ছেড়ে দেওয়া আসনে উপনির্বাচনে অংশ নেন। জয়ী হন বিপুল ভোটে। গোপনে সংসদে এসে শপথ নেন। আইনি লড়াইয়ের পর মুক্ত হয়ে যোগ দেন সংসদে। '৯৬ সালেও তিনি বিজয়ী হন। আওরঙ্গের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে। তারা সফল হয়। তাকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও গণভবনে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। প্রিয় দল থেকে দূরে থাকতে বাধ্য হলেও তিনি অন্য দলে যাননি। ২০০১ সালে দল তাকে মনোনয়ন দেয়নি। আওরঙ্গ ফুটবল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। স্রোতের বিপরীতে সেই যুদ্ধেও বীর মুক্তিযোদ্ধা আওরঙ্গের গলায় জয়ের বরমাল্য ওঠে। তবু দল তাকে ফিরিয়ে নেয়নি। তৃর্ণমূল পর্যন্ত মানুষ তাকে ভালোবেসেছিল। কর্মীরা তাকে দাদা বলে হৃদয়ে ঠাঁই দিয়েছিল। সে কি আর হারতে পারে? মনের কষ্টে পথ হাঁটা আওরঙ্গের বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা কোনোটাই কমেনি। তিনি আওয়ামী লীগে ফেরার চেষ্টাও করেন। কিন্তু চক্রান্তের কাছে জয়ী হতে পারেননি। সে কারণে ২০০৬ সালের আগে যোগ দিয়েছিলেন বিএনপিতে। ২০০৭ সালে এক-এগারোর পর আওরঙ্গ দেশেই ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে কোনো অন্যায়, অনিয়ম খুঁজে পায়নি সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এ সময় প্রবাসে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের অভিনন্দন জানান এবং আবারও আওয়ামী লীগ করার আগ্রহ দেখান। শেখ হাসিনা তাকে তার বর্তমান অবস্থানে থাকার জন্য বলেন এবং টেলিফোন করার জন্য ধন্যবাদ জানান।

হেমায়েতউল্লাহ আওরঙ্গকে নিয়ে অনেকে অনেক কিছু মনে করেন। অনেক কিছু ভাবেন। বাস্তবে আওরঙ্গ ছিলেন অন্যরকম। সাদামাটা। জনদরদী, কর্মীবান্ধব। তার প্রাণ ও আত্মা ছিল বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ। লোভ-লালসা তাকে কখনো গ্রাস করতে পারেনি। অর্থ ছিল না কিন্তু মনটা ছিল সমুদ্রসম। ব্যবসা-বাণিজ্য করে যা আয় করতেন, তাই দান করতেন। কর্মীরা তাকে দয়ার সাগর মনে করতেন। আওরঙ্গ মানুষকে ভালোবাসতেন, মানুষের ভালোবাসাও পেতেন। ছোট-বড় সবাইকে কাছে টানতে পারতেন। আমাদের সেই প্রিয় বন্ধু চলে গেলেন। বুকভরা কষ্ট, মনভরা অভিমান ছিল তার। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেশের জন্য তার অবদান ছিল। দক্ষ সংগঠক হিসেবে ছিল দলের জন্য অবদান। আওরঙ্গ কিছু দিন আগে বলেছিলেন, রাজনীতি তো আর হলো না, তাই স্ত্রী-সন্তানদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করছি। রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় মনোযোগ দিয়েছি। কিন্তু রাজনীতি ও গণমুখী চরিত্রের আওরঙ্গ তার এলাকার মানুষের সঙ্গে ইফতার পার্টি করতে গিয়েই সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। বুকভরা কষ্ট, মনভরা অভিমান নিয়ে চলে গেলেন একদম বিনা নোটিসে। এ যাওয়া মানেই চলে যাওয়া নয়। তিনি বেঁচে থাকবেন কর্মী, মানুষ ও আমাদের মাঝে। আর কেউ তাকে অপমান করে কষ্ট দিতে পারবেন না। আর কোনো দিন আমার বন্ধু আওরঙ্গ কারও কাছে কিছু চাইতে আসবেন না। কেউ তাকে অনাদর-অবহেলা দেখানোর সুযোগ পাবেন না। আমার বড় ভাই চলচ্চিত্র অভিনেতা ও মুক্তিযোদ্ধা রাজু আহমেদ সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হলে তার লাশের পাশে বসে কাঁদছিলাম। এখনো মনে পড়ে '৭২ সালের ১১ ডিসেম্বরের সেই দিনটি। আওরঙ্গ এসে জড়িয়ে ধরে বললেন, 'বন্ধু কাঁদবে না। তুমি আমার ভাই।' আওরঙ্গ আমার ভাই, আমার বন্ধু। তুমি ভালো থেকো। আল্লাহ তোমাকে জান্নাত দিন। আমিন।

 


বিডি-প্রতিদিন/০২ আগস্ট ২০১৫/ এস আহমেদ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়