শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৩ আগস্ট, ২০১৫

আইএস জঙ্গি দমনে তুরস্ক হবে গেম চেঞ্জার

মেজর জেনারেল মো. আব্দুর রশীদ (অব.)
অনলাইন ভার্সন
আইএস জঙ্গি দমনে তুরস্ক হবে গেম চেঞ্জার

মাথাচাড়া দেওয়ার দুই বছর পর আকস্মিকভাবে তুরস্ক সামরিক শক্তি নিয়ে মাঠে নামল ইরাক-সিরিয়ার ইসলামিক স্টেট (আইএস) নামের সুন্নি জঙ্গি দমনে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে তুরস্ক হবে গেম চেঞ্জার। আত্মঘাতী হামলা তুরস্ককে বাধ্য করল সামরিক পদক্ষেপ নিতে। পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য তুরস্কের সামরিক বাহিনীর যুদ্ধের সক্ষমতা ওই অঞ্চলের যে কোনো দেশের চেয়ে নিঃসন্দেহে বেশি। সামরিক অস্ত্রসম্ভারও অত্যাধুনিক। আইএস হামলার চার দিনের মাথায় তুরস্কের যুদ্ধবিমান সিরিয়ায় ঢুকে আইএস জঙ্গিদের ঘাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া শুরু করল। সঙ্গে চিরুনি অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০০ জন দেশীয় আইএস ও বিচ্ছিন্নতাবাদী কুর্দিস্থান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) সন্দেহভাজন জঙ্গিদের পাকড়াও করল। সেই সঙ্গে পশ্চিমা সম্মিলিত বাহিনীর জন্য খুলে দিল অনেক দিনের প্রত্যাশিত সীমান্তবর্তী একটি বিমান ঘাঁটি। হঠাৎ করে তুরস্কের নীতির উল্টো মোড় আন্তর্জাতিক মহলকে বিস্মিত না করলেও কিছুটা চমকে দিয়েছে। তুরস্কের নতুন বাঁক কাজে লাগাতে পশ্চিমা বিশ্ব তোড়জোড় শুরু করেছে ইতিমধ্যেই।

আবু বকর আল বাগদাদি, আইএস জঙ্গিদের শীর্ষ নেতা এবং স্বঘোষিত খলিফা, ইরাকের মসুল শহর দখল করে গত বছরের জুলাই মাসে খিলাফত ঘোষণার পর পশ্চিমা জোটে তুরস্ক যোগ দিলেও আইএস দমনে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিল এতদিন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক তাগাদা সত্ত্বেও তুরস্কের নিষ্ক্রিয়তা চোখে পড়ার মতো ছিল। তুরস্কের ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থি জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একেপি) প্রতিবেশী সিরিয়া নিয়ে নীতি-জটিলতায় ভুগছিল। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট তায়েপ এরদোগান আইএস জিহাদিদের দমনের চেয়ে ইরান সমর্থিত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে উচ্ছেদে বেশি অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছিল। তুরস্কের কুর্দি জনগোষ্ঠীর স্বতন্ত্র হওয়ার চাহিদাকে দেশের অখণ্ডতার জন্য হুমকি মনে করে তুর্কি সরকার। আইএসের পৈশাচিক বর্বরতা থেকে উত্তর সিরিয়ার কুর্দি জনগণকে রক্ষার জন্য তুরস্কের এরদোগান সরকারের নির্লিপ্ততা ব্যাপক সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছে। তুর্কি কুর্দিদের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন 'পিকেকে' সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত। আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইরত সিরীয় কুর্দিদের সঙ্গে পিকেকের আত্মিক যোগসাজশ আছে বলেও তুর্কি সরকার বিশ্বাস করে।

আইএসের বিরুদ্ধে একমাত্র কুর্দিদের শক্ত প্রতিরোধ গড়তে দেখা গেছে। সিরীয় কুর্দিরা দীর্ঘ লড়াইয়ের পর কোবানা শহরকে আইএস দখলমুক্ত করে তুরস্কের সীমানা-সংলগ্ন ব্যাপক এলাকায় নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করেছে। অপরদিকে ইরাক ও সিরিয়ার সেনাবাহিনী রামাদি ও পালমিরার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরের দখল হারিয়েছে। গত ২০ জুলাই সীমান্তবর্তী সুরুক শহরে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৩২ জন নিহত হলে তুরস্কজুড়ে মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। আইএস হামলার দায় স্বীকার করলে তুর্কি সরকার প্রচণ্ড চাপের মধ্যে পড়ে। তিন দিন পর আইএস আক্রমণে তিনজন সৈনিক হতাহত হলে তুর্কির এরদোগান সরকার চুপ থাকার বদলে শক্ত জবাব দেওয়ার পথ বেছে নেয়। তুর্কি প্রধানমন্ত্রী আহমেত দাভুতোগলু বলেন, 'তুর্কি রিপাবলিক কোনো ভেদাভেদ ব্যতিরেকে সব জঙ্গিবার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দৃঢ়, সেটা জঙ্গি সংগঠন দায়েস (আইএসের আরবি নাম) বা পিকেকে বা অন্য আন্তর্জাতিক জঙ্গি হোক'। কুর্দি প্রভাব কমানোর জন্য সিরিয়ায় আইএস দমন তুর্কি সরকারের একটি কূট চাল এ অভিযোগের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সিরিয়ার যুদ্ধরত কুর্দি ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়ন পার্টি (পিওয়াইডি) এবং কুর্দি মিলিশিয়া অফ পিপলস প্রোটেকশন ইউনিটস (ওয়াইপিজি)-কে আক্রমণ করবে না যদি তারা তুর্কি সীমান্তে হুমকি অথবা সিরিয়াতে জনতাত্তিক পরিবর্তনের চেষ্টা না করে। আইএসের পাশাপাশি ইরাকে পিকেকে অবস্থানের ওপর বিমান হামলা ও দেশের ভিতর তাদের সমর্থকদের ধরপাকড় তুরস্কের উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। সিরিয়ার সঙ্গে ৯০০ কিলোমিটার স্থলসীমানাজুড়ে আইএস জঙ্গিদের অবাধ ও সহজ চলাচল লক্ষণীয় ছিল। এ জন্য তুর্কি সরকারের নিষ্ক্রিয়তাকেই দায়ী করে সবাই। আইএস দমনে তুরস্কের ইতস্ততার পেছনে অনেক কারণের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো- সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে উৎখাতে মার্কিন ও তুর্কি অবস্থানের ভিন্নতা; উত্তর সিরিয়ার সীমান্তে উদ্বাস্তুদের জন্য নো ফ্লাই জোন বা সেফ জোন ঘোষণার দাবির প্রতি মার্কিনিদের নির্লিপ্ততা; সিরীয় কুর্দিদের বিজয়ে তুর্কি কুর্দিদের বিচ্ছিন্নতাবাদে উৎসাহিত করার আশঙ্কা; আইএস দমন অভিযানে অঘোষিত যুদ্ধের চোরাবালিতে আটকে যাওয়ার শঙ্কা; আইএস নিয়ন্ত্রিত তেল সম্পদের সুফল ভোগের ভাবনা ও আইএস হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত না হওয়া।

তিউনিসিয়ার সাগর পাড়ের অবকাশ কেন্দ্রে সাম্প্রতিক আইএস হামলা পুরো অঞ্চলকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়। তুরস্ক ঝুঁকি এলাকার বাইরে নয় বলে বিদেশি পর্যটকরা নিরাপদ নয়, তাই যুক্তরাজ্য নাগরিকদের তুরস্ক ভ্রমণে সতর্ক করেছে। তুরস্ক, আইএস ছাড়াও উগ্রবামপন্থি ও কুর্দি জঙ্গিদের নাশকতাপ্রবণ। তুরস্কের সাগর পাড়ের বিনোদন কেন্দ্রে রোদ পোহাতে বছরে প্রায় ৭৫ লাখ বিদেশি পর্যটক আসে। পর্যটনবাণিজ্যে ধস ঠেকাতে আইএস এবং পিকেকে দমন তুরস্কের নিরাপত্তার জন্য জরুরি হলেও পিকেকে দমন রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ানির্ভর। আইএস নিয়ে প্রকাশ্যে নির্লিপ্ততা এবং অন্তরালে তুর্কি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ আন্তর্জাতিক মহল নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করে। তুরস্ক হয়ে সিরিয়ার আইএস নিয়ন্ত্রিত এলাকায় অবাধ চলাচলে বাধা না দেওয়ায় ভিনদেশি যোদ্ধারা অতি সহজেই কথিত জিহাদে যোগ দিতে পেরেছে। আহত জঙ্গিদের চিকিৎসায় তুরস্কের মাটিতে গোপনে হাসপাতাল পরিচালিত হচ্ছে, চোরাপথে আইএসের জ্বালানি তেল বিক্রির সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততাও জনবিদিত।

আইএসের বিস্তৃতি ও ঘাঁটি তুরস্কঘেঁষা উত্তর সিরিয়াতে সবচেয়ে বেশি। মধ্য সিরিয়াতে অন্যান্য জঙ্গি দলের নিয়ন্ত্রণ ও উপজাতি প্রধানদের দৌরাত্ম্য রয়েছে। তুরস্কের মদদচ্যুত হলে আইএসের সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তি অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তুরস্কের বিমান ঘাঁটির ব্যবহার পশ্চিমা বিমান বাহিনীকে আইএস জঙ্গিদের স্নায়ুকেন্দ্রে আঘাতের কৌশলগত সুবিধা অনেকগুণ বাড়িয়ে দেবে। লক্ষ্যবস্তুর সঠিক অবস্থান নির্ণয় ও নিবিড় বিমান হামলা আইএসের শক্ত ঘাঁটিগুলোকে নাজুক করে দেবে। তুরস্কের বৈরী অবস্থানের ফলে আইএস সরবরাহ ব্যবস্থা ও জিহাদি চলাচল অনিশ্চয়তায় পড়বে। তুরস্কের মাটি ব্যবহার করে স্থলপথে আইএস অতি সহজেই রশদ, প্রয়োজনীয় জীবনধারণ সামগ্রী, অস্ত্র-গোলাবারুদ সংগ্রহ ও চোরাপথে জ্বালানি তেল বিক্রি করতে পারত। তুরস্ককে সামরিক অভিযানে টেনে আনা আইএসের একটি মারাত্মক কৌশলগত ভুল তা অচিরেই প্রমাণ হবে। জঙ্গিবাদের বৈশিষ্ট্য হলো- যে হাত খাওয়ায় সেই হাতেই কামড় দেয়। জঙ্গিদের সঙ্গে গোপন অাঁতাত বা সমঝোতা করে নিরাপত্তার পথ খোঁজা মারাত্মক ভুল কৌশল। তুরস্ককে এখন সেই ভুলের মাশুল দিতে হচ্ছে। জিহাদিদের শক্ত হাতে মোকাবিলার বদলে বেড়ে ওঠার সহজ সুযোগ করে দিয়েছে তুরস্ক। সমাজের ভিতরে জিহাদিরা শক্ত শেকড় গেড়েছে। ফলে নিরীহ তুর্কিদের আত্মঘাতী বোমা হামলার শিকার হতে হচ্ছে। এখন তুরস্ক মনোযোগ দিয়েছে জিহাদি শেকড় উপড়াতে।

দক্ষিণ এশিয়ায় জঙ্গিবাদের মূল থাবা পাকিস্তানে সীমাবদ্ধ থেকেছে বেশি। সব ধরনের জঙ্গি দমনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় নীতি বেশি সাফল্য পেতে সক্ষম হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার 'শূন্য সহিষ্ণুতা' নীতি জঙ্গিদের পুরোপুরি নির্মূল করতে না পারলেও বেড়ে ওঠার পথ বন্ধ করেছে নিঃসন্দেহে। বাংলাদেশের সফল নীতি বিশ্বে সমাদৃত হয়েছে। সহনশীলতার বদলে জঙ্গি নিধনের কঠোর নীতি ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে বেশি ফলপ্রসূ হয়েছে। পাকিস্তান সরকার জঙ্গিদের সঙ্গে আপস ও সমঝোতার নীতি অনুসরণ করায় জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছে এবং সমাজে শেকড় গেড়েছে অনেক গভীরে। পূর্ণ সামরিক শক্তি প্রয়োগ করেও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না, মরছে নিরীহ মানুষ। আইএস জঙ্গিদের বর্তমান পরিধি ইরাক ও সিরিয়ার ভূখণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকলেও জিহাদি মতাদর্শের বিস্তার ঠেকাতে তুরস্কের যোগদান আঞ্চলিক দেশগুলোর আস্থা বাড়িয়ে উজ্জীবিত হয়ে একত্রিতভাবে লড়াই করতে নতুন শক্তি জোগাবে। শিয়া ও সুন্নি দেশগুলোর স্বার্থের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব্ব ও ইরানের আঞ্চলিক আধিপত্য নিয়ে শঙ্কা থাকলেও প্রতিবেশী দেশগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টা ক্রমেই গাঢ় হচ্ছে। আঞ্চলিক দেশগুলো ধর্মীয় স্পর্শকাতরতার কারণে সামরিক শক্তি প্রয়োগের দ্বিধা ও সংশয়ের উত্তরণ ঘটাচ্ছে। ইয়েমেনের হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের অভিযান ও আইএস দমনে তুরস্কের অভিযান সামরিক কৌশলে নতুন ধারণা তৈরি করেছে। নতুন আস্থা ও সাহস আইএস দমনে আঞ্চলিক উদ্যোগের সফলতার সম্ভাবনা ও উৎসাহ বাড়াবে এবং ইরাক-সিরিয়া রণাঙ্গনে আইএস স্থাপত্যে পরিবর্তন আনবে। রণাঙ্গনে স্থলবাহিনী বাদ দিয়ে শুধু বিমান হামলানির্ভর কৌশল কার্যকর হয় না। তুরস্কের বিমান ঘাঁটি সম্মিলিত জোটকে আইএস দমনে অনেক কৌশলগত সুবিধা দেবে। আইএস অচিরেই ইরাক ও তুরস্ক থেকে দ্বিমুখী স্থল আক্রমণের শিকার হতে পারে। সঙ্গে সুন্নি উপজাতি গোষ্ঠীর নিজস্ব এলাকাগুলো আইএসের জন্য বৈরী হয়ে উঠবে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে তুরস্কের ঐকান্তিক ইচ্ছা ও আন্তরিকতার ওপর। আইএসের বিস্তার ও আধিপত্য ঠেকাতে বাশার আল আসাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সুরাহার প্রয়োজন আছে। বাশারের পেছনে ইরানের মদদ থাকবে এবং ইরাক সরকার ও ইয়েমেনের হুতিদের পেছনেও ইরান থাকবে। পশ্চিমাদের সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক নিয়ন্ত্রণ চুক্তির ফলে অবরোধ উঠে গেলে ইরানের বর্ধিত সামর্থ্য আঞ্চলিক সমীকরণে কী প্রভাব ফেলবে তার চুলচেরা বিশ্লেষণ দরকার।

তুর্কি সরকারের নতুন আইএসবিরোধী অবস্থানকে মার্কিনিরা গেম চেঞ্জার হিসেবে দেখছেন। জঙ্গিবাদ দমনে তুরস্কের নতুন নীতি ইতিমধ্যে ন্যাটো জোটের সমর্থন পেয়েছে। আইএস মূলত বৈরী প্রতিবেশী দিয়ে ঘেরাও হয়ে গেল ফলে আইএসের শক্তির ভিত্তি অনেক নড়বড়ে হয়ে পড়ল। আবার মার্কিন সামরিক উৎকর্ষতার ধার ফেরত আনা যাবে বলে মার্কিন সমরবিদরা উৎফুল্লবোধ করছেন। সঙ্গে শিয়া-সুন্নির মধ্যে আস্থা তৈরির পুরনো চ্যালেঞ্জ নতুন করে বোঝা চাপাল। পুরনো ভুলের পুনরাবৃত্তি ঘটলে সমস্যা থেকে উত্তরণের বদলে চোরাবালিতে আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যাবে। সিরিয়ার ক্ষমতাসীন সরকারের বদলে সর্বজনগ্রহণযোগ্য রাষ্ট্র কাঠামোর প্রতিস্থাপন, ইরাকে শিয়া-সুন্নিদের মধ্যে ক্ষমতার ন্যায্য ভাগাভাগি ও গোষ্ঠীগত অধিকার নিশ্চিত করতে না পারলে জাতিগত বিভেদ ও হিংসা দূর হবে না। জাতিগত বিভেদ ও হিংসাকে আশ্রয় করে বেড়ে ওঠে ইসলামের নামে মধ্যযুগীয় শাসনের জিহাদি বার্তা।

লেখক : স্ট্র্যাটেজি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক। ইনস্টিটিউট অব কনফ্লিক্ট, ল' অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিসের (আই ক্লডস) নির্বাহী পরিচালক।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়