শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট, ২০১৫

অ্যাডমিরাল এম এ খান স্মরণে

লে. জে. মাহবুবুর রহমান (অব.)
অনলাইন ভার্সন
অ্যাডমিরাল এম এ খান স্মরণে

এক এক করে ৩১টি বছর পার হয়ে গেছে। অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান আমাদের মাঝে নেই। তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। চলে গেছেন বহুদূরের এক না-ফেরার দেশে। পেছনে ফেলে গেছেন তার প্রিয় স্বজনদের- তার প্রিয়তমা স্ত্রী, অতি আদরের দুই কন্যাকে। ফেলে গেছেন তিনি বন্ধু, সহকর্মী ও সহযোদ্ধাদের, আর ফেলে গেছেন অগণিত শুভানুধ্যায়ী, সুহৃদ, গুণগ্রাহী ও গুণমুগ্ধদের। অ্যাডমিরাল এম এ খানের ছিল ঘটনার ঘনঘটার বৈচিত্র্যে কর্মবহুল এক বর্ণাঢ্য বিস্তৃত জীবন। ক্যারিয়ারে তাকে অনেক চড়াই-উতরাই পার হতে হয়েছে, অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। গভীর আত্দপ্রত্যয়ী কর্মনিষ্ঠ ও সাহসী মাহবুব আলী সামনে এগিয়ে গেছেন, কখনো থেমে থাকেননি, পিছে তাকাননি। মেধা, শ্রম ও মনোবল সম্বল করে তিনি সংগ্রাম করে গেছেন। অর্জন ধরা দিয়েছে। সাফল্য পা ছুঁয়েছে।

আসামে শিক্ষা-দীক্ষা-সংস্কৃতি সমৃদ্ধ সুপ্রসিদ্ধ ঐতিহ্যবাহী এক পরিবারে জন্ম নেওয়া মাহবুব আলী একটি বিদগ্ধ পরিশীলিত উৎকৃষ্ট পরিবেশে লালিত হয়েছেন, বড় হয়েছেন। তার পরিবার রাজনৈতিক এক বুনিয়াদি পরিবার। পিতা ব্যারিস্টার আহমদ আলী খান, নিখিল ভারত আইন পরিষদের সদস্য (এমএলএ) ছিলেন। ছিলেন আসাম কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট। হায়দরাবাদ নিজামের প্রধান আইন উপদেষ্টাও ছিলেন। পিতামহ খান বাহাদুর আজদার আলী খান ছিলেন তৎকালীন ভারতের প্রথম মুসলিম চিকিৎসাবিদ ও একজন প্রখ্যাত অধ্যাপক। কিন্তু মাহবুব আলী পরিবারের পরিচিত চিহ্নিত পথে হাঁটতে চাননি। তিনি পারিবারিক ঐতিহ্যের বাইরে গিয়ে দুঃসাহসিকতার এক ভিন্ন জীবন বেছে নেন। তিনি ঠিকানা গড়তে চান, ঘর বাঁধতে চান সাগরে। সাগর তাকে হাতছানি দেয়, সাগরের কল্লোল তাকে গান শোনায়। সাগরের নীল জলের দিগন্ত বিস্তার, সৈকতের বালুরাশি, উত্তাল তরঙ্গ, জোয়ার-ভাটার খেলা তাকে আকৃষ্ট করে। ছোটবেলায় জুলভার্নের Twenty Thousand’s Leagues under the Sea মাহবুব আলীকে এক রহস্য জগতের সন্ধান দেয়।

তারুণ্যোজ্জ্বল মাহবুব আলী পাকিস্তান নৌবাহিনীতে যোগদান করেন। তিনি নৌ ক্যাডেট হিসেবে কৃতিত্ব অর্জন করেন। উচ্চতর প্রশিক্ষণে যুক্তরাজ্যের ডারমাউথে রয়েল নেভাল কলেজে প্রেরিত হলে সেখান থেকে গ্র্যাজুয়েশন লাভ করেন এবং কৃতী নেভাল অফিসার হিসেবে যুক্তরাজ্যের মহামান্য রানী, রানী এলিজাবেথ কর্তৃক পুরস্কৃত হন। পাকিস্তান নেভাল স্টাফ কলেজ থেকেও তিনি স্নাতক করেন।

আমার সুযোগ হয়েছিল ষাটের দশকে পাকিস্তানে লে. কমান্ডার মাহবুব আলীর সঙ্গে পরিচিত হওয়ার। দীর্ঘদেহী, সুঠাম, সুদর্শন মাহবুব আলী তখন নৌবাহিনীর একজন চৌকস বাঙালি অফিসার। সেনাবাহিনীর একজন মেজর পদের সমমর্যাদায় লে. কমান্ডার। তুষারশুভ্র নৌ ইউনিফর্মে তাকে দৃষ্টি কেড়ে নেওয়া আরও চৌকস দেখাত। আমি তখন পাকিস্তান নেভি এমইএসে এজিই হিসেবে করাচিতে নিয়োগ পেয়েছি। করাচিতে সম্ভ্রান্ত আবাসিক এলাকা পিইসিএইচএসে আমার বাসা। পাশের বাসাটি ছিল লে. কমান্ডার মাহবুব আলী খানের। অ্যাডমিরাল খানকে গভীরভাবে চেনার ও জানার সুযোগ পাই যখন তিনি নৌবাহিনী প্রধান। আমি ১৯৮০ থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রথম সামরিক অ্যাটাশি হিসেবে নিয়োজিত ছিলাম। তিনি তার নৌবাহিনী প্রধানের সময় প্রতি বছরই চীন সফরে এসেছিলেন। চীনের নৌঘাঁটি, নৌ স্থাপনাগুলো-নির্মাণ কারখানা, শিপইয়ার্ড ইত্যাদি সফর করে বেড়িয়েছেন। চীনা নৌপ্রধান ও অ্যাডমিরালদের সঙ্গে দীর্ঘ দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় বসেছেন। বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে শূন্য থেকে গড়ে তুলতে তাদের উদার সাহায্য ও সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি প্রায়ই আমাকে যুদ্ধজাহাজ, নৌযান, গোলাবারুদ, নৌ সমরসম্ভার, পাইপলাইনের তথ্য ও খবরাদি জানতে টেলিফোন করতেন এবং নির্দেশনা দিতেন। তাকে আমি দেখেছি একজন দক্ষ টাস্ক মাস্টারের ভূমিকায়। আর আমি মনে করি তিনিও আমাকে দেখেছেন কার্য সম্পাদনে দায়িত্ববান একজন অক্লান্ত সৈনিকের ভূমিকায়।

বাংলাদেশ নৌবাহিনী আজ একটি আধুনিক ত্রৈমাত্রিক নৌবাহিনী। নৌবাহিনীতে নৌবিমান সংযোজিত হয়েছে, সাবমেরিন সংযোজিত হতে যাচ্ছে। বঙ্গোপসাগরে বিশাল যে সমুদ্রাঞ্চল সমুদ্রজয়ে আমাদের অর্জিত হয়েছে তার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় ও মূল্যবান সামুুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণে আধুনিক নৌবাহিনীর সুদৃঢ় ভিত্তি নিঃসন্দেহে প্রাজ্ঞ অ্যাডমিরাল এম এ খানই রচনা করে গেছেন। আমার মনে পড়ছে, একবার অ্যাডমিরাল এম এ খান চীন সফরে এক অন্তরঙ্গ পরিবেশে আমাকে বলেছিলেন, 'মাহবুব, তুমি আর্মি থেকে নেভিতে চলে আস। তোমাকে আমার নেভিতে অনেক প্রয়োজন। আমি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলাপ করে সম্মতি নিয়ে নেব। তুমি নেভিতে অনেক বেশি কন্ট্রিবিউট করতে পারবে। আমাদের নেভি উপকৃত হবে। সামনের দিনে নেভি অনেক বড় হবে, অনেক শক্তিশালী হবে। অনেক জাতীয় দায়িত্ব তার ওপর বর্তাবে। অনেক স্কোপ আসবে। আমাদের সমুদ্রসীমা স্থলসীমার চেয়ে অনেক বড় হবে। আমি মনে করি নেভিই হবে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সিনিয়র আর্ম। এটা একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ। আমি তা নিতে প্রস্তুত আছি।' আমি বিনয়ের সঙ্গে তার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করি। আমি গভীরভাবে মুগ্ধ হই, আমার প্রতি তার আস্থা ও ভালোবাসার জন্য।

অ্যাডমিরাল খানের মৃত্যু এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। তার মৃত্যু, সামরিক ভাষায় বলতে হয়,to die with boots on. কর্তব্যরত অবস্থায় ইউনিফর্ম পরিহিত হয়ে মৃত্যু। তিনি তখন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। বাংলাদেশ বিমানের একটি যাত্রীবাহী ফোকার ফ্রেন্ডশিপ এফ-২৭ বিমান ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণের মুহূর্তে দুর্ঘটনায় পতিত হয়। একজন প্রমীলা বৈমানিক মৃত্যুবরণ করেন। দায়িত্বনিষ্ঠ কর্মপাগল অ্যাডমিরাল খান বিমানটির উদ্ধারকাজে বিরামহীনভাবে দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে তদারকি করছিলেন।

দীর্ঘ পরিশ্রমে পরিশ্রান্ত, পরিক্লান্ত অ্যাডমিরাল অসুস্থ হয়ে অকস্মাৎ ভূমিতে পড়ে যান। তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে আনা হয়। তিনি ৬ আগস্ট, ১৯৮৪ সালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মাত্র কিছু দিন আগে আমি সামরিক অ্যাটাশির দায়িত্ব শেষ করে চীন থেকে দেশে ফিরেছি। তার মৃত্যুতে আমি গভীর শোকাহত হই। তার নৌবাহিনী প্রধানের পুরো সময় আমি চীনে সামরিক অ্যাটাশির দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলাম, বিধায় তার ও তার অধীন বাহিনীর সঙ্গে আমার একটা গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। আমি তা গর্বভরে তখন উপভোগ করেছি। তার বার বার চীন সফরে তাকে আমি অভ্যর্থনা জানিয়েছি। তার সফরসঙ্গী হয়েছি। গোটা চীনের বিশাল বিস্তৃত সাগরকূলজুড়ে নৌঘাঁটি, নৌ স্থাপনা ঘুরেছি, তার দীর্ঘ শীর্ষ দ্বিপক্ষীয় নৌ আলোচনাগুলোয় অংশ নিয়েছি। সবই আমার দুমর্ূল্য ও দুষ্প্রাপ্য অভিজ্ঞতা, যা কখনো বিস্মৃত হওয়ার নয়। আজ তার একত্রিংশ মৃত্যুবার্ষিকীতে আমার বিনম্র শ্রদ্ধা তাকে জ্ঞাপন করছি। অর্পণ করছি আমার প্রিয় অ্যাডমিরালকে আমার তরবারি সালাম।

লেখক : সাবেক সেনাপ্রধান

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়