শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০১৫

বর্ণ, ধর্ম ও সংখ্যালঘুু

অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত
অনলাইন ভার্সন
বর্ণ, ধর্ম ও সংখ্যালঘুু

ভারতবর্ষের বিভক্তি দেখিনি কিন্তু পাকিস্তান বিভক্তিই শুধু দেখিনি, গর্বের বাংলাদেশ নামক দেশটির জন্মের সঙ্গে আমার দুর্দান্ত অংশগ্রহণও ছিল। এই তো দুই দিন আগেই ছাত্রলীগের এককালীন সাংগঠনিক সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে সভাপতি মনিরুল হক চৌধুরী (মনির ভাই) এসেছিলেন। বললেন, আমার হাতের লেখা সব কাগজ নাকি শহীদ মণি ভাই (শেখ ফজলুল হক মণি) Mountain ব্রিগেডের সঙ্গে বাংলাদেশে যুদ্ধের জন্য প্রবেশের সময় ভারতীয় সেনাবাহিনীর মেজর সুরত সিংয়ের মাধ্যমে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামের Archive এ পাঠিয়েছেন। খুব ইচ্ছা হচ্ছে নিজের লেখা চিঠিপত্র এবং দলিলাদি দেখার জন্য। পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের অনেক গল্প শুনেছি বাপ-দাদার কাছ থেকে। এমন কি ঠাকুরমার মুখে। স্কুলের শিক্ষকদের কাছ থেকে। কিন্তু ভারতবর্ষের সঠিক বিভাজন উপমহাদেশের নেতারা করতে পারেননি। ব্রিটিশ কূটনীতির বেড়াজালে এখনো এই উপমহাদেশ জ্বলছে। জ্বলার পেছনের কারণ শুধু ধর্মভিত্তিক বিভাজন। তৎকালীন নেতৃত্বের ব্যর্থতা।

ভারতীয় ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারটির দাবি হিন্দু ধর্মের যতখানি, ততখানিই বৌদ্ধ ধর্মের। তাছাড়া দীর্ঘ শাসনের সুবাদে ইসলাম ধর্মের দাবিও অনেকখানি। ভারতে জৈন ধর্মেরও দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে এবং এখনো তা আছে। খ্রিস্টান, ইহুদি ও পার্সিরা এ উপমহাদেশে বসবাস করেছে। এমনকি এক শক্তিশালী মতবাদ হিসেবে শিখ ধর্মের উদ্ভব হয়। শিখ ধর্ম বিকশিত হয় হিন্দু ও ইসলাম এই উভয় ধর্ম থেকে উপাদান সংগ্রহ করে। (সূত্র : তর্কপ্রিয় ভারতীয়, পৃ. ৫৪) বঞ্চনা, শাসন, শোষণ, নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে ধর্মকেই এই উপমহাদেশে বিশেষভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে করে ধর্মনিরপেক্ষতার ভিতটি যেমন ভারতে দুর্বল হয়েছে তেমনি বাংলাদেশে '৭৫ থেকে '৯৬ ধর্মীয় আবেগে বঙ্গবন্ধু এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগের ধর্মনিরপেক্ষতা নিঃশেষ হয়ে গেছে।

১৯৪৮-এর পর তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে ছাত্রদের ন্যায্য আন্দোলনেও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ধর্মকে টেনে এনেছে। যে কোনো ন্যায্য দাবির আওয়াজ উঠলেই বলা হতো ভারতের চর বা হিন্দুদের দালালরা এসব সংঘটিত করছে। এই জিকির কিন্তু বেশি দিন টেকেনি। জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগসহ কট্টরপন্থি ইসলামী দলগুলো পাকিস্তানের বিভাজন আটকিয়ে রাখতে পারেনি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকেও তারা ভারতের দালাল বলে বারবার আখ্যায়িত করতে ভুল করেনি। কিন্তু তিনি ছিলেন রাজনীতির দার্শনিক। তার দর্শনকে বাস্তবায়ন করতে সময় লেগেছিল ১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত।

আসলে ধর্মীয় মৌলবাদী শক্তির কার্যকলাপ, সমাজতান্ত্রিক শক্তির চেয়েও আরও অধিক মহাপরাক্রম শক্তি হতে পারে বিধায় সুবিধাভোগী শক্তি সবসময়ই ধর্মের লেবাসকে লেলিয়ে দেয়। সাধারণভাবে বাংলাদেশে ১৯৭০ সালেও যে ধর্মীয় অনুপাতে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানের বিন্যাস নিয়ে চলছিল সে হিসেবে এদেশে কখনো কোনো কল-কারখানা, অফিস-আদালত বন্ধ রাখার প্রয়োজন হতো না। ইচ্ছা করলে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানরা কাজ করলে ঈদপর্বে মুসলিমদের এক মাসের ছুটিও দিতে পারতেন। তেমনি মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানরা একসঙ্গে কাজ করলে পূজায় হিন্দুদের এক মাস ছুটি দেওয়া কোনো ব্যাপার হতো না। এরকম অন্য ধর্মের বেলায়। রাজনীতিতে ধর্মের অনুপ্রবেশে সবসময় সংখ্যালঘুরাই নিষ্পেষিত ও দেশান্তরিত হয়। উপমহাদেশে হিন্দু-মুসলিম সংখ্যালঘু। ইউরোপ-আমেরিকায় আমরা সবাই এশীয় বা কৃষ্ণ বর্ণীয়। সেখানে দুইপক্ষই সংখ্যালঘু।

১৯৭১ সালের নির্বাচনী প্রচারণায়, বঙ্গবন্ধুর এই ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশে, (অবশ্যই এর আগে দুই স্বৈরশাসক সংবিধানকে হিংস্র নখের ছোবল দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেছিলেন) খালেদা জিয়া মিরেরসরাইয়ের এক জনসভায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে বলেছিলেন, 'আপনারা কি সন্ধ্যায় মসজিদে আজানের ধ্বনি শুনতে চান, না উলুধ্বনি শুনতে চান, যদি আওয়ামী লীগকে ভোট দেন তাহলে উলুধ্বনি শুনতে হবে, মসজিদে আজান এবং নামাজ নিষিদ্ধ হয়ে যাবে।' আঠারোর্ধ্ব বয়সের কারও এই বক্তব্যে মানসিক বিকৃতি ঘটবে কিনা জানি না, তবে যাদের বয়স (Teen age) ১৩ থেকে ১৭ বা ১৩ বয়সের নিচে, তাদের মনে কি আঘাত পড়বে, ধর্মীয় বিশ্বাস তখন তাদের বিদ্রোহে রূপ নেবে এটা শতভাগ নিশ্চিত। একটা শিশু হয়তো ভাববে, মসজিদটা কি হিন্দুরা দখল করে নেবে। একই সঙ্গে ওই শিশুটির হিন্দুদের প্রতি প্রচণ্ড ঘৃণা জমবে, যা তার মনে দীর্ঘদিন স্থায়ীভাবে থাকবে। এরকম অনেক বক্তব্য, যাতে শুধু সাম্প্রদায়িক উসকানিই ছিল, যা তখন তার মুখ থেকে নিঃসরিত হয়েছিল। সত্যিকার মানুষ কখনো ধর্ম নিয়ে এরকম কথা বলতে পারেন না, অথচ তাকে রাষ্ট্রনায়ক হতে হয়েছে।

ষাটের দশকে আমরা যখন স্কুলে পড়তাম, তখন আমাদের আরবির শিক্ষক (ইসলাম ধর্ম পড়াতেন) যিনি আমাদের প্রধান শিক্ষক আবদুল কাদির মজুমদার স্যারের বড় ভাই জনাব এলাহী বঙ্ মজুমদার বাংলার শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে মাঝে মাঝে বাংলাও পড়াতেন। আমাদের বাংলার শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলামের কবিতা পড়াতে গিয়ে হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে কী পার্থক্য তা বুঝাতে গিয়ে এক চমৎকার উদাহরণ দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, প্রাণ গোপাল দত্ত আর খালেক মজুমদার খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আসলেও আমরা ছিলাম হরিহর আত্মা। তার উদাহরণটা হলো, প্রাণ গোপাল যদি মজুমদার বাড়িতে জন্ম নিত তাহলে তার নাম হতো খালেক বা মালেক এ জাতীয় কিছু, আর খালেক যদি ডাক্তার বাড়িতে (দত্তবাড়িতে) জন্ম নিত তাহলে তার নাম হতো গোপাল বা রাখাল এমন কিছু। আসলে সবাইকে এক স্রষ্টাই সৃষ্টি করেছেন। হিন্দু ধর্ম বিশ্বাসী মায়ের পেট থেকে আসা ছেলেটার নাম হয়ে থাকে হিন্দু সংস্কৃতিতে, তেমনি মুসলিম মায়ের গর্ভ থেকে বেরিয়ে আসা ছেলেটির নাম হয় মুসলিম সংস্কৃতির। সব শিশুর উৎপত্তি এক মায়ের গর্ভ থেকে। এ ছাড়া আর কোনো পার্থক্য নেই। সব ধর্মের মূল কথা একই। কোনো ধর্ম মিথ্যা বলতে দেয়নি, অন্যের অপকারও প্রশ্রয় দেয়নি। শারীরিক গঠনেও কোনো পার্থক্য নেই। আমার এখনো মনে হয় কী সুন্দর ব্যাখ্যা। আসলে এভাবেই ব্যাখ্যা হওয়া উচিত।

অনুরূপ আরেকটি ঘটনা ঘটল ১৯৮৮ সালে ২৪ জানুয়ারি লালদীঘি ময়দানে শেখ হাসিনার জনসভায় পুলিশ এবং তৎকালীন সরকারের লালিত সন্ত্রাসীদের গুলিতে ২৪ জনের মতো যুবককে প্রাণ দিতে হয় যাদের মধ্যে বেশ কিছু ছিল হিন্দু যুবক, যারা ছাত্রলীগ করতেন। সেটা এরশাদ আমলের ঘটনা। অধ্যাপক এম এ মতিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যিনি অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন চিকিৎসাবিদ্যার, বিলেত থেকে এফআরসিএস করে প্রতিষ্ঠিত চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ হয়েছিলেন। মেধাবী ছিলেন বলেই, জিয়া-এরশাদ দুই আমলেই দাপটের সঙ্গে চালিয়েছিলেন। এর আগে কখনো কোনো ডাক্তার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো স্পর্শকাতর মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাননি। ভবিষ্যতে কোনো ডাক্তার পাবেন কিনা, সন্দেহ। ২৪ জানুয়ারি যেহেতু অধিকাংশ শহীদ ছিলেন হিন্দু, তখন তিনি তার বন্ধুমহলে বললেন, এরা ইন্ডিয়ান অনুপ্রবেশকারী। সঙ্গে সঙ্গেই তার এক বন্ধু বললেন, তাহলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। চালাক-চতুর মানুষটি কেন জিজ্ঞাসা করতেই, জবাব হলো বর্ডার বা সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। যেহেতু সীমান্ত অতিক্রম করে অনুপ্রবেশকারী এখানে প্রবেশ করেছে, তাই তুমি ব্যর্থ। লজ্জায় তখন কালো মানুষটার মুখটা ছাই বর্ণের হয়ে গেল।

আরেকটি মজার ঘটনা ঘটল ১৯৮৯ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময়। তখনো লে. জে. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেবের শাসনকাল। প্রশাসন বা সরকার যে এখানে প্রত্যক্ষভাবে মদদ দিয়ে ঘটিয়েছিল, তার প্রমাণ হলো : দাঙ্গা শুরু হওয়ার দুই ঘণ্টা আগে পুলিশ চট্টগ্রামের বড় বড় মন্দিরের পুরোহিতদের নিরাপত্তা দিয়েছিলেন বা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছিলেন। যেমনটি হলো পাহাড়তলীস্থ কৈবল্যধামের ধর্মগুরুকে দামি জিপে করে সরিয়ে নিয়ে পাঁচলাইশ থানায় কর্মরত একজন হিন্দু পুলিশ সেকেন্ড অফিসারের বাসায় নিরাপদে জামাই আদরে রাখা। হয়তোবা এরশাদ সাহেব তা জানতেন না! যখন আমরা প্রার্থনা করি, আমরা আমাদের মানবিক অভিজ্ঞতা, বিশ্বাস এবং বর্ণনাতীত ক্ষমতা (Transcend) দিয়ে বিশ্বাস করি সর্বোপরি এক ঐশ্বরিক শক্তি আছে (divine power) সেটা হতে পারে ঈশ্বর, আল্লাহ বা গড, যে কোনো নামেই থাকতে পারে। এবং এই শক্তিই আমাদের সন্দেহ এবং দুর্দশা দূর করতে পারে। ব্যর্থতা ঘুচাতে পারে, এমন কি সত্যের পথে চালাতে পারে। সুতরাং স্রষ্টা এক এবং অদ্বিতীয় এই মন্ত্র মনে ধারণ করেই ভারতের একাদশতম রাষ্ট্রপতি ড. এ পি জে আবদুল কালাম তার Wings of Fire গ্রন্থের ২৪ পৃষ্ঠায় অসাম্প্রদায়িকতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। যেখানে 'শিক্ষাজীবন সমাপনান্তে সুফি সাধক হজরত নিজামুদ্দীনের শহর দিলি্লতে একটা ইন্টারভিউ দিয়ে দেরাদুনে Air force-এর পাইলট অফিসার চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিতে যান। ৮টি পদের জন্য ২৫ জন প্রার্থী। বোর্ড সেখানে বুদ্ধিমত্তার চেয়েও ব্যক্তিত্বকে বেশি গুরুত্ব দেন। ফলশ্রুতিতে তিনি নবম স্থান দখল করে চাকরি থেকে ছিটকে পড়েন। তাছাড়াও ওই ইন্টারভিউতে দৈহিক ফিটনেস এবং কথা বলার চাতুর্যতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। তার ভাষায় “I was excited but nervous, determined but anxious, confident but tense” নবম স্থান দখল করে চাকরি না পেয়ে তিনি খুবই হতাশ হয়ে পড়েন। সেখানে তিনি, কাঠের খড়ম ও সাদাধুতি পরা গৌতমবুদ্ধের মতো দেখতে স্বামীজি সিভানন্দের সাক্ষাৎ নিলেন। জলপাই এবং কালো রংয়ের সৌম্য চেহারার হৃদয়ভেদী দৃষ্টি, শিশুসুলভ হাসি, করুণাময় বাক্য এবং ব্যবহার তাকে বিমোহিত করেছিল। তার ভাষায় মুসলিম নাম তার মনে কোনো রেখাপাত করেনি, কালাম জী কিছু বলার আগেই, স্বামীজি তাকে তার ব্যাখ্যার কারণ জানতে চাইলেন। যখন তিনি বললেন তার দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন এয়ারফোর্সের পাইলট হওয়ার স্বপ্নভঙ্গের কথা।

এবার আমি সত্যিকার একজন ধার্মিক, স্বল্প শিক্ষিত মানবিক গুণাবলীসম্পন্ন একজন মুসলিম প্রাথমিক শিক্ষকের উদাহরণ তুলে ধরছি। তিনি আমার বন্ধু ওমর ফারুকের বাবা। ফারুক পাঁচ ভাই ও এক বোনের সর্বকনিষ্ঠ। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে পড়ার সময় ১৯৬৮-৭০ সালের দিকে সেই-ই ছিল আমার জানি দোস্ত। যদিও সে ছিল ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের ছাত্র ‘A’ section। আর আমি ছিলাম প্রি মেডিকেল ‘B’ section এ। আমরা বায়োলজি। তার ছিল GTD (Geometrical & Technical Drawing)। অত্যন্ত সুন্দর অাঁকত সে। তার ভীষণ শখ ছিল স্থাপত্য প্রকৌশলী হবে। দুর্ভাগ্যক্রমে সে ১৯৭০ সালে বুয়েটে ভর্তি হতে না পেরে খুবই হতাশ। রাগ করে আর কিছুতেই ভর্তি হয়নি। অনেক অনুরোধ করে বললাম, চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি হতে। কিছুতেই সে রাজি হয়নি।

'৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে ১৯৭২ সালে সে ভারতে IITতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেল। মজার ব্যাপার হলো আমি তখন ডাক্তার ১৯৭৭ সালে সে পাস করার পর হঠাৎ করে একদিন আমার হাসপাতালে এসে হাজির। সঙ্গে সুদর্শনা সমবয়সী বা বছর দুয়েকের ছোট দেবযানী শর্মা। পরিচয় পর্বে জানলাম সেও একজন আর্কিটেক্ট। বাবা একই প্রতিষ্ঠানের আর্কিটেক্টের অধ্যাপক। উদ্দেশ্য বাংলাদেশে দুজন বিয়ে করবে। দায়দায়িত্ব আমার ওপর। এবং একই সঙ্গে শুভকাজ সম্পন্ন করার পর কুমিল্লায় তার বাবার কাছে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বও আমার। যেরকম ভয় পেয়েছিলাম, সেরকম কোনো বিপত্তি ঘটল না। বরং চাচা-চাচী সহজভাবে মেনে নিলেন। দুপুরে খেতে বসে চাচা, চাচিকে বললেন টেবিলে যেন গরুর মাংস না দেওয়া হয়। দেবযানী বলল, আমি ভেজিটেরিয়ান। টেবিলে মাংস থাকলে কোনো আপত্তি নেই। চাচা জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার আর কয় ভাইবোন আছে? জবাব, আমি একা। তিনি স্তম্ভিত হয়ে গেলেন। সপ্তাহখানেকের মধ্যে তিনি প্রফেসর শর্মাকে টেলিফোন করে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানালেন। যোগাযোগের মাধ্যম আমি। প্রফেসর শর্মা আমার কাছে জানতে চাইলেন তার নিরাপত্তার ব্যাপার। আমি সব দায়িত্ব নিলাম। তিনি সপরিবারে এলেন, পরে কুমিল্লায় নিয়ে আসলাম। খাবার টেবিলে কোনো মাছ-মাংস নেই। শুধু সবজি। চাচা প্রস্তাব দিলেন, আমার ছয়টি সন্তান। ওমর সবার ছোট, জেদি এবং অনেক আদরের আমাদের সবার। আপনার একমাত্র সন্তান দেবযানী। আমার ছেলেকে যদি দেবযানীসহ আপনাকে দিয়ে দেই, আপনি নিতে রাজি আছেন। ওমরের জন্য কোনো আইনি জটিলতা হবে কিনা? ইত্যাদি অনেক প্রশ্ন। চাচার প্রশ্নগুলো শুনে মনে হচ্ছিল, তার হৃদয়টা খান খান হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তিনি তাই করলেন। ওমর দেবযানীরা আহমেদাবাদে সতীশ শর্মার নেতৃত্বে বিরাট স্থাপত্যকর্ম করেছেন। চাচা যতদিন বেঁচেছিলেন প্রায়ই যেতেন। চাচিমা শুরুতে কষ্ট পেয়েছিলেন। চাচার একটা জবাব, তোমার আরও পাঁচজন আছে। তাদের সবেধন নীলমণি এখানে থাকলে কেউ খুশি হতো না।

ধর্মের রাজনীতির সবসময় উদ্দেশ্য ছিল অভিন্ন। ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে অদ্যাবধি। এসব আগ্রাসনের মূলনীতি ছিল লুটপাট, ধ্বংস এবং ধর্ষণ বা নির্যাতন। সর্বশেষ এবং চূড়ান্ত লক্ষ্য ছিল ক্ষমতায় টিকে থাকা। উদ্দেশ্য ছিল জনগণের দৃষ্টি সমস্যা থেকে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া। কবিগুরু ১৯০২ সালে এক প্রবন্ধে লিখেছিলেন, 'ভারতবর্ষের যে ইতিহাস আমরা পড়ি এবং মুখস্থ করিয়া পরীক্ষা দিই, তাহা ভারতবর্ষের নিশীথকালের একটা দুঃস্বপ্ন কাহিনী মাত্র। কোথা হইতে কাহারা আসিল, কাটাকাটি মারামারি পড়িয়া গেল, বাপে-ছেলে, ভাইয়ে-ভাইয়ে সিংহাসন লইয়া টানাটানি চলিতে লাগিল, এক দল যদি বা যায়, কোথা হইতে আর একদল উঠিয়া পড়ে। পাঠান, মোগল, পর্তুগিজ-ফরাসি-ইংরেজ সকলে মিলিয়া এই স্বপ্নকে উত্তরোত্তর জটিল করিয়া তুলিয়াছে।'

ভারতের ইতিহাসের মধ্যে অবশ্যই অনেক দুঃস্বপ্নের উপাদান রয়েছে। কিন্তু এ ছাড়াও রয়েছে সংলাপ ও আলোচনা এবং সাহিত্য, সংগীত, চিত্রকলা, স্থাপত্য, বিচারব্যবস্থা ও আরও বহু সৃজনশীল ক্রিয়াকলাপের ক্ষেত্রে বহু প্রসারিত যৌথ প্রয়াস। এর মধ্যে রয়েছে সেসব পন্থা যা ভিন্নমতাবলম্বীদের শান্তিপূর্ণভাবে পাশাপাশি থাকতে দেয়; সবাই পরস্পরের সঙ্গে অবিশ্রাম মারামারি করে চলে না। এই উপমহাদেশে হিন্দু ও মুসলমানরা বিভিন্নভাবে কত অসংখ্য সাংস্কৃতিক, বৈজ্ঞানিক ও অন্যান্য ক্ষেত্রে একে অপরের সঙ্গে সহযোগিতা করেছেন, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। কত অসংখ্য ঘটনায় একে অপরের সঙ্গে সুখ, দুঃখ, বেদনা ভাগ করে নিয়েছেন।

লেখক : সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়