শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:০৮, রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৫

বিশ্বজিত্ নন্দীরা আওয়ামী লীগে নেই কেন?

প্রভাষ আমিন
অনলাইন ভার্সন
বিশ্বজিত্ নন্দীরা আওয়ামী লীগে নেই কেন?

গত ২১ আগস্ট বাংলাদেশ প্রতিদিনের শেষের পাতায় ‘একজন বিশ্বজিত্ নন্দীর প্রতিরোধ যুদ্ধের গল্প’ শিরোনামে আমার একটি লেখা ছাপা হয়। লেখাটি ছাপা হওয়ার পর অনলাইনে, অফলাইনে প্রচুর প্রতিক্রিয়া পেয়েছি, প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র। তার কয়েকটি প্রতিক্রিয়া বেশ চিন্তা উদ্রেককারী। এতদিন পর ইতিহাসের একটি ধুলোপড়া উজ্জ্বল অধ্যায়ের পাতা উল্টানোতে অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন। প্রসঙ্গক্রমেই এসেছে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের সেকাল-একাল প্রসঙ্গও। এ বছর বঙ্গবন্ধুর ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী আওয়ামী লীগ ৪০ দিন ধরে পালন করছে। মন্ত্রণালয় বদলের সঙ্গে সঙ্গে যেন বদলে গেছেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলামও। মন্ত্রণালয়ে না হলেও দলে তিনি দারুণ সক্রিয়। আগে সৈয়দ আশরাফের নামে কোনো আমন্ত্রণপত্র এলেও আমরা ধরে নিতাম বেশিরভাগ অনুষ্ঠানে তিনি যাবেন না। এখন পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। তিনি নিয়মিতই কোনো না কোনো অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন এবং সময়মতো। এমনকি কোনো কোনো দিন একাধিক অনুষ্ঠানেও যাচ্ছেন। শুধু যাওয়া নয়, এসব অনুষ্ঠানে তিনি চমত্কার সব বক্তব্যও রাখছেন। গত মাসে এক মতবিনিময় সভায় সৈয়দ আশরাফ বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী সার্বজনীনভাবে পালনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেটা করার ক্ষেত্রে যে সবচেয়ে বড় বাধা আওয়ামী লীগই সেটাও সবচেয়ে ভালো বুঝেছেন সৈয়দ আশরাফই। শোক দিবসের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কোনো দলের নন, জাতির পিতা। দলীয় গণ্ডিতে আবদ্ধ করে রেখে আমরাই বঙ্গবন্ধুর প্রতি সবচেয়ে বড় অবিচার করেছি। শোক দিবসের আরেক অনুষ্ঠানে তিনি দলের নেতা-কর্মীদের খাই খাই স্বভাব ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এটা ঠিক সৈয়দ আশরাফের নেতৃত্বে শোক দিবসের আয়োজন আগের কয়েক বছরের তুলনায় অনেক নিয়ন্ত্রিত ছিল। ১৫ আগস্ট মাইক বেজেছে, তবে অনেক কম। ব্যানার, পোস্টার, তোরণে হাইব্রিড প্রচারসর্বস্বতা চোখে লেগেছে। শোক দিবসের বিরানির প্যাকেটে বঙ্গবন্ধুর ছবি আর নেতাদের নাম ছিল। কেউ ভাবেনওনি, বিরানি খাওয়ার পর তো সবাই প্যাকেটটা রাস্তায় ছুড়ে ফেলবে, পদদলিত হবে বঙ্গবন্ধুর ছবি। শোকের এ উত্কট আয়োজনে ভাবগাম্ভীর্য থাকে না। বরং সব আয়োজেনেই কেমন একটা উত্সবমুখর পরিবেশ চলে আসে, শোকটা আড়ালে চলে যায়। 

আওয়ামী লীগের এক সাংগঠনিক সভায় কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল— শোক দিবস উপলক্ষে যেন কোনোরকম চাঁদাবাজি করা না হয়। কিন্তু সেই নির্দেশ কেউ মেনেছেন বলে মনে হয় না। সারাদেশে শাখা আছে, এমন এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পদস্থ কর্মকর্তা আমাকে বললেন, শুধু তাদের ঢাকার চারটি শাখাকে ৫৫ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হয়েছে। সারাদেশের হিসাব এলে অঙ্কটা স্বাভাবিক ভদ্রতার সীমা ছাড়িয়ে যাবে বলেই তার ধারণা। তবে তিনি অসন্তুষ্ট নন। বরং কোনো ঝামেলা ছাড়াই যে ‘খাই খাই স্বভাব’এর নেতাকর্মীদের সন্তুষ্ট করা গেছে তাতেই তিনি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন।   

বাংলাদেশ প্রতিদিনে আমার লেখা ছাপা হলেই দাউদকান্দি থেকে হাবিব স্যার ফোন করেন। হাবিবুর রহমান গৌরিপুর সুবল আফতাব উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক। শিক্ষকতার পাশাপাশি সাংবাদিকতা করতেন। তিনি তখন দৈনিক ইত্তেফাকের থানা প্রতিনিধি ছিলেন। তখন আমরা ক্লাসরুমে বিস্ময়ের সঙ্গে তাকে দেখতাম। সরাসরি সাংবাদিক সেই প্রথম দেখা। পাশাপাশি তিনি রাজনীতিও করেন। বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। তিনি ফোন করে লেখার প্রশংসার পাশাপাশি বললেন, হাইব্রিড আওয়ামী লীগারদের কথা একটু বেশি করে লেখ। ৪০ বছর ধরে আওয়ামী লীগ করি। কিন্তু শোক দিবসের অনুষ্ঠানে গেলে বসার জায়গা পাই না। ছেলের বয়সী ছাত্রলীগাররা সব আসন দখল করে বসে থাকে।
ইকবাল সিদ্দিকী আমার ফেসবুক বন্ধু। তিনি গাজীপুরে একটি স্কুল চালান। কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে রাজনীতি করেন। সম্ভবত কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কোনো পদেও আছেন। তিনি ফেসবুকে আমার লেখার নিচে মন্তব্য করলেন, ‘বিশ্বজিত্ নন্দীকে আমরা বাংলার ক্ষুদিরাম বলি। তার অবদান অনস্বীকার্য। তবে বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর যেমন তার নাম উহ্য রেখে স্বাধীনতার ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস শোনানো হতো; একইভাবে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নাম উহ্য রেখে এই বয়ান সেই দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিল। কয়েক বছর আগে প্রথম আলো পত্রিকায় নন্দীদাকে নিয়ে রচিত প্রতিবেদনেও এ প্রবণতা লক্ষ করেছি। ‘কোনো কোনো সাংবাদিক তাকে কাদের সিদ্দিকীর নাম উল্লেখ না করতে অনুরোধ করেছেন।’ এ মন্তব্য নন্দীদার নিজের। বঙ্গবন্ধুর নাম অনুচ্চারিত রেখে জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধ যেমন জিয়ার মর্যাদা বাড়ায়নি, তেমনি নানান কৌশলে কাদের সিদ্দিকীর নাম বাদ রাখলে নন্দীদার মর্যাদাও বাড়বে না। আমি তার জবাবে বলেছি, ‘কোনো কোনো সাংবাদিক কাদের সিদ্দিকীর নাম বলতে নিষেধ করেছে কিনা জানি না, তবে আমি করিনি। ১৫ আগস্ট এটিএন নিউজের টক শোতে বিশ্বজিত্ নন্দী গর্বের সঙ্গে একাধিকবার কাদের সিদ্দিকীর নাম বলেছেন। আপনি তাকে ফোন করে চেক করতে পারেন। আমি তাকে (বিশ্বজিত্ নন্দী) বলেছি, তার মনের কথা বলতে। লাইভ অনুষ্ঠানে তিনি কথা বলেছেন তার ইচ্ছামতোই। তবে এ লেখায় আমি ব্যক্তি নয়, গল্প বলতে চেয়েছি। তাই বিশ্বজিত্ নন্দীর নামও এসেছে অনেক পরে। তাই এখানে কাদের সিদ্দিকীর নাম আনার সুযোগ ছিল না। এটা সবাই জানেন, ৭৫ পরবর্তী প্রতিরোধ যুদ্ধের মূল নেতা ছিলেন কাদের সিদ্দিকীই।’  

তবে সবচেয়ে কৌতূহলোদ্দীপক প্রতিক্রিয়া পেয়েছি এক আওয়ামী লীগ নেতার কাছ থেকে। ছাত্রলীগের এ সাবেক নেতা বললেন, একসময় ছাত্রলীগের স্লোগান শুরু হতো বিশ্বজিত্ নন্দীর মুক্তির দাবি দিয়ে। সারা দেশে দেয়ালে দেয়ালে উত্কীর্ণ ছিল বিশ্বজিত্ নন্দীর মুক্তির দাবি। তিনি আমাকে প্রশ্ন করলেন, বিশ্বজিত্ নন্দীরা আওয়ামী লীগে নেই কেন? আমি জবাব দিতে পারলাম না। তিনি বললেন, সেটা খুঁজে বের করেন। এ প্রশ্নের জবাব পেলেই ইতিহাসের অনেক বেদনাদায়ক অধ্যায় বিলুপ্ত হবে। তিনি বললেন, শুধু স্লোগান দেওা নয়, মুক্তির পর তো বিশ্বজিত্ নন্দী ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতেই ছিলেন। তারপর চলে গেলেন কেন? তিনি বলেন, বিশ্বজিত্ নন্দীরা আওয়ামী লীগে শেখ হাসিনার সঙ্গে নয়, কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে থাকতে চেয়েছেন। একসময় তারা স্বেচ্ছায় আওয়ামী লীগ ছেড়ে কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে চলে গিয়েছিলেন, দল তো তাদের বহিষ্কার করেনি। আমি বললাম, বিশ্বজিত্ নন্দীরা তো এখন কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গেও নেই। তখন সেই নেতা বললেন, ট্র্যাজেডিটা তো এখানেই। আশির দশকে রাজ্জাক ভাই (প্রয়াত আব্দুর রাজ্জাক) আওয়ামী লীগ ছেড়ে বাকশাল গঠন করেন। তার সঙ্গে আওয়ামী লীগ, বিশেষ করে ছাত্রলীগের একটা মেধাবী অংশ চলে যান। একসময় রাজ্জাক ভাই ফিরে এলেও, তার সঙ্গে যারা গিয়েছিলেন তারা সবাই ফিরে আসেননি বা ফিরে এলেও দলে প্রাপ্য জায়গা পাননি। আর এটা তো স্বাভাবিক, দল তো কারও জন্য জায়গা খালি রেখে অপেক্ষা করবে না। ফলে অভিমানে ছাত্রলীগের একটা মেধাবী প্রজন্ম হারিয়ে যায় রাজনীতির ইতিহাস থেকে। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে কাদের সিদ্দিকীর ক্ষেত্রেও। এখনকার ভূমিকা যাই হোক, একাত্তর এবং পঁচাত্তরে কাদের সিদ্দিকীর ভূমিকা বীরত্বের। তাই তিনি যখন আওয়ামী লীগ ছেড়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ গঠন করেন, তখন বিশ্বজিত্ নন্দীসহ অনেকেই তার সঙ্গে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের হতাশ হতে সময় লাগেনি। তারা কাদের সিদ্দিকীর দল ছাড়লেও আর আওয়ামী লীগেও ফিরে আসেননি বা আসতে পারেননি। তাই আওয়ামী লীগের একটি বীর প্রজন্ম না ঘরকা না ঘাটকা হয়ে দিন কাটাচ্ছেন। এটা অবশ্যই বেদনাদায়ক। কিন্তু সেই বেদনার শিকড় সন্ধানটাও জরুরি। সেই শিকড়টা উপড়ে ফেলতে পারলেই ইতিহাসের এ বেদনার অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটবে। বঙ্গবন্ধুপ্রেমীরা যাপন করতে পারবে গৌরবের জীবন, পাবেন তাদের প্রাপ্য মর্যাদা।
 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়