শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৪৫, বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০১৫

ঋণখেলাপির জন্য শুধু একপক্ষ দায়ী নয়

মেজর (অব.) মো. আখতারুজ্জামান
অনলাইন ভার্সন
ঋণখেলাপির জন্য শুধু একপক্ষ দায়ী নয়

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতি) উপনির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নির্বাচনের প্রার্থিতা ব্যাংকের ঋণখেলাপির জন্য নির্বাচন কমিশন বাতিল করে দিয়েছিল। উচ্চতর আদালতে মামলা করে তিনি নির্বাচন করার সুযোগ পেলেন। তবে ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অযোগ্য করা একটি ভালো বিধান বলে আমি মনে করি। আমি নিজেও ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে ২০০৮ সাল থেকে নির্বাচন করতে পারছি না তবু আমি আইনটির পক্ষে। একজন ঋণখেলাপি মানে যিনি তার অঙ্গীকার রক্ষা করতে পারেননি এবং সেই অঙ্গীকার রক্ষা করতে না পারার যতই যুক্তিপূর্ণ কারণ থাকুক না কেন তারপরেও অঙ্গীকার ভঙ্গকারীকে জনপ্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দেওয়া যায় না। এটি নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার প্রশ্ন। এখানে আপস করলে রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল হয়ে যাবে। তবে ঋণ গ্রহীতাকে শুধু একা শাস্তি দিয়ে রাষ্ট্র ও সমাজ তার দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না।

একদিক দিয়ে রাষ্ট্র ঋণখেলাপি গ্রহীতাকে শাস্তি দেবে অন্যদিকে ঋণ আদায় করার যে সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষকে  সেরা কর্তৃপক্ষ বলে রাষ্ট্র মাথায় তুলে নাচবে তা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ঋণখেলাপির জন্য শুধু ঋণ গ্রহীতাই এককভাবে দায়ী তা হতে পারে না। ঋণখেলাপির জন্য ঋণদাতা ব্যাংক ও তাদের তদারকি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ ব্যাংকও সমভাবে দায়ী। বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যাবলিতে দেখা যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি অন্যতম কাজ ‘Other functions include credit control’ অর্থাৎ ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা। তাহলে বলা যায় ঋণখেলাপির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ নিয়ন্ত্রণ নীতিমালায় যথেষ্ট ফাঁকফোকর রয়েছে যার জন্য দিন দিন খেলাপি ঋণের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। ঋণখেলাপির একটি অন্যতম ত্রুটিপূর্ণ ঋণ অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং সেই প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘ কালক্ষেপণ করা। ঋণ অনুমোদনের এখন একক ক্ষমতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিষদের অথচ তারা সার্বক্ষণিক ব্যাংকের দায়িত্ব পালন করেন না। ফলে সময়মতো ঋণ অনুমোদন হয় না যে কারণে ঋণ গ্রহণের প্রকৃত প্রয়োজনে ঋণ ব্যবহৃত হয় না বা ঋণ নিয়ে যে ব্যবসা করা হতো সে সুযোগ নষ্ট হয়ে যায়। যেটি ঋণখেলাপির একটি অন্যতম কারণ। তার উপরে আছে ডিউ ডিলিজেঞ্চের অপপ্রয়োগ। এর পরে মড়ার উপরে খাঁড়ার ঘা উচ্চ হারে সুদ। এসব কারণে খেলাপি ঋণ দিন দিন বাড়ছে। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী সংসদে এক প্রশ্নোত্তরে বলেছেন, বাংলাদেশে চালু ৫৬টি ব্যাংকের মোট ঋণখেলাপির পরিমাণ ৫৪ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা।

ব্যবসা-বাণিজ্যে যেমন স্টক লট বা ওজনে কমে যাওয়া বা বাকিতে বেচা-কেনার টাকা আটকে যাওয়া বা অনাদায়ী থাকা তেমনি ব্যাংকিং ব্যবসায় খেলাপি ঋণ। কিন্তু ঋণখেলাপি বলে ব্যাংকিং খাতের ব্যবসায় একটি ধারণার চরম অপব্যবহার করা হচ্ছে। যেহেতু ঋণ একটি পারস্পরিক লাভ লোকসানের ব্যবস্যা তাই ঋণ কখনোই খেলাপি হতে পারে না। ব্যাংকিং ব্যবসায় ঋণ একটি পণ্য যা দুজন ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে উভয়ের লাভজনক শর্তে বিনিময় হয়ে থাকে। এখানে একপক্ষ তার লাভ বৃদ্ধি বা নিশ্চিত করার কারণে যদি অন্যপক্ষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে তাহলে তা ঋণখেলাপি হতে পারে না। বিষয়টি লাভ লোকসানের খেলা। এখানে একপক্ষকে আইন দ্বারা রক্ষা করা হবে এবং অন্যপক্ষকে সেই আইন দিয়ে জব্দ করা হবে তা কখনো আইনের ন্যায়বিচার হতে পারে না। ব্যাংক যদি তার লাভ নিশ্চিত করার জন্য যে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে তাহলে ঋণ গ্রহীতা কেন তার লাভ বা স্বার্থ নিশ্চিত করার জন্য তার সুবিধামতো পদক্ষেপ নিতে পারবে না? তাছাড়া ঋণ দেওয়া ও নেওয়া একটি চলমান প্রক্রিয়া। মানুষ সাধারণত দুটি কারণে ঋণ নেয়। প্রথমত তার বিনিয়োগের বর্ধিত চাহিদা পূরণ করতে এবং দ্বিতীয়ত তার আর্থিক সমস্যার সমাধানের জন্য। কাজেই ঋণ অন্তহীন কাল বিরাজিত একটি অর্থনৈতিক কার্যক্রম যার প্রয়োজনীয়তা কখনোই শেষ হতে পারে না। তাই ঋণ কখনোই খেলাপি হতে পারে না। যেমন একজন বিনিয়োগের জন্য ঋণ নিয়ে পরে কোনো কারণে আর্থিক সমস্যায় পতিত হয়ে গৃহীত বিনিয়োগের দায়দেনা পরিশোধ করার জন্য আবার ঋণ নিতে হয়। এভাবে অনেকে পরিস্থিতির কারণে নতুন করে আর্থিক সমস্যার কারণে বাধ্য হয়ে ঋণের পরে ঋণ নিয়ে ক্রমান্বয়ে তার আর্থিক সমস্যার সমাধান করে যাচ্ছে এবং এর জন্য ক্রমবর্ধিত ঋণ দিলে ব্যাংকেরও কোনো আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে না। কারণ ব্যাংক তার ঋণের সুদ পাছে। পুনঃপুন ঋণে ব্যাংকের কোনো ক্ষতি ছিল না এবং ঋণও চলমান থাকে যার ফলে ঋণ কখনো খেলাপি হয় না। কিন্তু সমস্যা হয়েছে সরকারকে নিয়ে। সরকার তার কায়েমি স্বার্থের কারণে সবসময় ব্যাংকের পক্ষে অবস্থান নিয়ে থাকে এবং জনগণের অর্থের রক্ষক হিসেবে খেলাপ ঋণ নিয়ন্ত্রণের নামে খোদ ঋণকেই নিয়ন্ত্রণ করে ফেলে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভ্রান্ত ঋণখেলাপি নিয়ন্ত্রণ নীতি প্রচুর তারল্য থাকার পরেও ঋণ বিতরণ সংকোচিত হয়ে যায় এবং অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে কোনো সরকার যদি ঋণ গ্রহীতার পক্ষে অবস্থান নেয় তাহলে আন্তর্জাতিক বানিয়াচক্র ও তাদের নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ওই সরকারের বিরুদ্ধে যায়। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার যখন কৃষকদের পাঁচ হাজার টাকার কৃষিঋণ মাফ করেছিল তখন বিশ্বব্যাংকসহ অনেকেই বিএনপির তীব্র সমালোচনা করেছিল। একইভাবে সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সরকার যখন বড় বড় ঋণগুলো পরিশোধের ব্যাপারে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে চাচ্ছে তখন চতুর্দিক দিক থেকে সরকারের ওপর নানাবিদ চাপ সৃৃষ্টি করা হচ্ছে।

ঋণ স্বীকৃত একটি পণ্য। আর দশটি পণ্যের মতো ঋণও প্রতিনিয়ত ক্রয়-বিক্রয়ের বাণিজ্য হয়। বাণিজ্যে উভয়পক্ষ একসঙ্গে লাভ করে না। সব ধরনের বাণিজ্যে কখনো ক্রেতা লাভ করে আবার কখনো বিক্রেতা লাভ করে। বাজারে চাহিদা বেশি থাকলে বিক্রেতার পোয়াবারো এবং সরবরাহ বেশি থাকলে ক্রেতা বেশি উপকৃত হয়। এটি বাজার সংস্কৃতির চারিত্রিক রূপ। ঋণবাণিজ্যের বেলায় একই সূত্র কাজ করে। ব্যাংকের তারল্য বেশি থাকলে ঋণ সরবরাহ বেশি থাকবে এবং তখন ঋণ গ্রহীতা এর পূর্ণ সুযোগ নিবে এবং একইভাবে ব্যাংকের তারল্য কম থাকলে ব্যাংকের ব্যবসা ভালো হবে এবং ঋণ গ্রহীতার অবস্থা কঠিন থাকবে। ঋণ একটি স্বল্পমেয়াদি পণ্য। ঋণকে দীর্ঘমেয়াদি পণ্য হিসেবে ব্যবহার করতে গেলে ঋণ অবশ্যই অলাভজনক ব্যবসায় পরিণত হবে। ঋণ এবং বিনিয়োগ এক নয়। ঋণ স্বল্পমেয়াদি ব্যবসায়িক পণ্য এবং বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক কার্যক্রম যার চরিত্র ও বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিনিয়োগে ঝুঁকি যেমন কম তেমনি লাভও কম, তাই সাধারণত বেনিয়া ব্যাংকার বিনিয়োগে অর্থ খাটাতে চায় না। তাছাড়া বিনিয়োগ করতে গেলে ব্যাংকারকে অনেক বেশি দক্ষ ও অভিজ্ঞ হতে হয়। তবে বিনিয়োগে জনগণের লাভ বহুমাত্রিক। দেশ ও জনগণের কল্যাণে বিনিয়োগের অবদান সবচেয়ে বেশি। বিনিয়োগ জিডিপি বৃদ্ধি করে এবং জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ায় ও দারিদ্র্য দূর করে।

পক্ষান্তরে ঋণ হলো ফটকাবাজি। ঋণ দ্রব্যমূল্য ও মুদ্রাস্ফিতি বাড়াতে সরাসরি সহায়তা করে। ঋণ উৎপাদনকে ব্যাহত করে, বাজার অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে এবং ঋণ নিজেই ঋণখেলাপি সৃষ্টি করে। ঋণ বাজারকে বায়বীয় করে এবং ব্যবসায়িক ঝুঁকি বাড়ায়। তাছাড়া ঋণ বাজারে অসম প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করে যার মূল্য জনগণকেই দিতে হয়। দীর্ঘমেয়াদি ঋণ ঋণকে নিজে নিজেই কুঋণে রূপান্তরিত করে। তাই ঋণ প্রধানত ফটকাবাজি ব্যবসা। বেশিরভাগ ব্যাংকার বাজারের দ্রুত পরিবর্তনশীল উদ্বায়ী অবস্থার সুযোগ নিতে সবসময় ঋণের ব্যবসায়ে ঝুঁকে পড়ে। ঋণে অল্প পুঁজিতে বেশি লাভ। তাছাড়া ঋণের জন্য ডকুমেন্ট বা দলিল দস্তাবেজ ও গ্রহীতার সম্মানকে জামানত হিসাবে ধরা হয় যা সব সময়ই ঝুঁকিপূর্ণ। পণ্য ও সম্পদের প্রকৃত মূল্যের কোনো মূল্যায়ন থাকে না। তাছাড়া বাজারের আকস্মিক চাহিদাও ঋণকে প্রভাবান্বিত করে কিন্তু চাহিদা পড়ে গেলে ঋণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় কিন্তু ব্যাংক সে ক্ষতির দায়িত্ব না নিয়ে সবকিছু গ্রহীতার ওপর ফেলে দেয়, যার ফলে গ্রহীতার পক্ষে নতুন ঋণ ছাড়া পুরনো ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হয় না। শুরু হয় ঋণ আদায়ের জটিলতা। আমদানি রপ্তানি ঋণে এ ধরনের জটিলটা অনেক বেশি হয়। তাছাড়া সরকারের নীতি পরিবর্তন, শুল্কহার পরিবর্তন, আকস্মিক রাজনৈতিক অস্থিরতা, দৈবদুর্বিপাক ও বীমা কোম্পানির স্বার্থপরতা ঋণ আদায়ে সবসময় জটিলতা সৃষ্টি করে থাকে। তাছাড়া ব্যবসায়িক লেনদেনে কোনো একপক্ষের অসহযোগিতাও ঋণ আদায়ের জটিলতা আরও বাড়ায়। বিনিয়োগের বেলায়ও এ ধরনের জটিলতা দেখা দেয় কিন্তু সর্বদা সবাই সব ব্যাংক ঋণ পরিশোধের সব দায়দায়িত্ব ঋণ গ্রহীতার ওপর চাপিয়ে দেয়। এরকম একটি অস্বাস্থ্যকর আর্থিক অবস্থাকে আরও বেশি দুরারোগ্য করে তুলছে ঋণখেলাপি শব্দের অপব্যবহার এবং ঋণখেলাপি রোধে একপেশে আইনি ব্যবস্থা। ঋণখেলাপি অর্থাৎ যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে পারবে না তাকে আর কোনো ঋণ দেওয়া যাবে না। এবং তাদের সঙ্গে সব প্রকার আর্থিক কার্যক্রম বন্ধ করে মামলা মোকদ্দমায় লড়াই করতে বাধ্য করা। অথচ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঋণ আদায়ের পরিমাণও তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। আজকে তাই স্বাভাবিকভাবেই সচেতন মহলে প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে এ ঋণখেলাপি নামক পথ্যে গত ২০ বছরে দেশের আর্থিক খাতের কতটুকু লাভ হয়েছে?

যেহেতু ঋণ স্বল্পমেয়াদি পণ্য তাই এর কার্যক্রম স্বল্প সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। ঋণকে বছর বছর আবর্তিত করা যাবে না। ঋণখেলাপি কমাতে হলে ঋণকে এক বছরের মধ্যেই নিয়ন্ত্রিত রাখতে হবে। বছরের লাভ-লোকসানের খতিয়ানের মধ্যেই ঋণের হিসেবে সমন্বয় করে দিতে হবে। তাই ঋণ কার্যক্রমের হিসাব সমন্বয় করার প্রয়োজনীয়তা সবার সদয় বিবেচনার জন্য এখানে দেওয়া হলো। একজন কলা ব্যবসায়ী বছরে ১০০ টাকার ১০০টি কলা কিনে ৯০টি কলা ১১০ টাকায় বিক্রি করে প্রথম বছর ১০ টাকা লাভ করল, পরের বছর আবার ১০০ টাকার ১০০টি কলা কিনে আবারও ৯০টি কলা ১১০ টাকায় বিক্রি করে কোনো লাভ করতে পারল না এবং একইভাবে ব্যবসা করে তৃতীয় বছর ১০ টাকা লোকসান দিল। আরেকজন কলা ব্যবসায়ী একইভাবে ব্যবসা করে প্রতি বছর ১০ টাকা করে লাভ করল। এটি কী করে সম্ভব? কিন্তু সম্ভব এ জন্য, প্রথম ব্যবসায়ী তার প্রতিবছরের ১০টি করে অবিক্রীত কলা ফেলে না দিয়ে স্টকে রেখে দিয়েছে যার ফলে প্রতিবছর তার ক্রয়মূল্য বেড়ে গেছে। যেমন প্রথম বছরের অবিক্রীত ১০টি কলা পরের বছরের সঙ্গে যোগ করাতে কলার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১১০টি এবং ক্রয়মূল্য হয় ১১০ টাকা। তাই দ্বিতীয় বছর ১১০ টাকায় ৯০টি কলা বিক্রি করেও তার কোনো লাভ হয়নি। একইভাবে তৃতীয় বছর কলার পরিমাণ হয় ১২০টি এবং ক্রয়মূল্য দাঁড়ায় ১২০ টাকা। তখন ৯০টি কলা ১১০ টাকায় বিক্রি করে তার ১০ টাকা লোকসান হয়। অথচ অন্য ব্যবসায়ী প্রথম বছরের অবিক্রীত ১০টি কলা ফেলে দেয় (সে কিছু পচা কলা ফেলে দেয়, কিছু কম দামে বিক্রি করে এবং কিছু নিজে খায়) যার ফলে দ্বিতীয় বছরে তার কলার পরিমাণ থাকে ১০০টি এবং ক্রয়মূল্যও ১০০ টাকা, ফলে ৯০টি ১১০ টাকায় বিক্রি করে মুনাফা হয় ১০ টাকা। তৃতীয় বছরে একইভাবে অবিক্রীত কলা ফেলে দিয়ে ওই বছরও তার লাভ হয় ১০ টাকা এবং কিছু কলা কম দামে বিক্রি করে, কিছু নিজে খেয়ে একদম পচাগুলোকে ফেলে দেয়। এটি বুদ্ধিমান ব্যবসা নীতি। এখন খেয়ে ফেলা, কম দামে বেচে দেওয়া বা ফেলে দেওয়ার জন্য নয়ছয় করলে ক্ষতি ছাড়া কিছু হবে না। সমাজ ও রাষ্ট্রে কেউ কেউ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে তেমনি কেউ কেউ অতিরিক্ত সুবিধা ভোগ করবে। এটা নিয়ে আমাদের হিংসায় পেট ফুলালে দেশ ও জনগণের কোনো উপকার হবে না। সব কিছুতেই সিস্টেম লস আছে।

বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই, বর্তমান ঋণ অনুমোদন প্রক্রিয়া খুবই ত্রুটিপূর্ণ এবং অতিমাত্রায় দুর্নীতিপ্রবণ। বর্তমানে ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক বা লেনদেন ছাড়া কোনো ঋণই পাওয়া সম্ভব নয়। তার ওপরে আছে বাংলাদেশ ব্যাংকের খবরদারি। যদিও ঋণ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করার জন্য আইএমএফের উপদেশে বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো সংক্ষেপে সিআইবি নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয় যেখানে সব ঋণ ও বিনিয়োগের তথ্য সরবরাহ করতে ব্যাংকগুলোর জন্য বাধ্যবাধকতা করে সরকার আইন করে দেয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংক সময়ে সময়ে তার ঋণ নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রমের আওতায় বিভিন্ন ঋণ ও বিনিয়োগ নীতিমালা সিআইবি ভিত্তিক প্রণয়ন করে থাকে। প্রথমদিকে সিআইবি নীতিমালার আওতায় ঋণ ও বিনিয়োগ কার্যক্রম করতে গিয়ে ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যায়। প্রতিবছর এই খেলাপি ঋণ সঞ্চিত হওয়ার কারণে ব্যাংকের প্রভিশন বেড়ে যেতে থাকে যার ফলে প্রথম কলা ব্যবসায়ীর মতো ব্যাংকের লাভ কমে লোকসানের দিকে যেতে থাকে। ফলে বাজারের ব্যাংকের শেয়ার মূল্য হ্রাস পায়। তখন আবার ব্যাংকগুলোর এ অবস্থা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য দ্বিতীয় কলা ব্যবসায়ীর পথ ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ অবলোপন বা রাইট অফ করার নীতিমালা করে দেয়। সিদ্ধান্তটি সঠিক কিন্তু সমস্যা দেখা দিয়েছে এখন জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে। বড় বড় অঙ্কের ঋণখেলাপির হিসাব বা রাইট অফের পরিমাণপত্র পত্রিকায় বা সংসদে প্রকাশিত হলে তখন জনমনে ব্যাপক বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং সরকারের ওপর একটি নৈতিক চাপ সৃষ্টি করে যা সরকার মেনে নিতে চায় না। এ ধরনের একটি ত্রিশঙ্কু অবস্থায় ঋণখেলাপির সব দায়দায়িত্ব ঋণ গ্রহীতার মাথার ওপরে পড়ে এবং কেউ এই বেচারাদের সাহায্য করতে চায় না।

আমি তাই ঋণ গ্রহীতাদের পক্ষে কথা বলছি। ঋণের সব দায়দায়িত্ব একপেশে ঋণগ্রহীতার মাথায় চাপিয়ে দেওয়া ঠিক হচ্ছে না। ঋণ আদায় নীতিমালায় বাস্তবমুখী কার্যোপযোগী নীতিমালা গ্রহণ করতে হবে। আমি বলছি না অনাদায়ী ঋণ মাফ করে দেওয়া হোক। তবে ঋণ আদায়ে আরও বেশি প্র্যাগমেটিক সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন, যেমন ঋণ পরিশোধের জন্য প্রয়োজনে বাড়তি ঋণ বা ঋণ পরিশোধের সময়সীমা বর্ধিতকরণ, সব প্রকার সুদ মওকুফ, প্রয়োজনে আংশিক আসল মওকুফ, ডিসকাউন্টে ঋণ বিক্রয় বা হস্তান্তর ইত্যাদি বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ঋণখেলাপি কমে যেতে বাধ্য। ঋণখেলাপিকে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস না করে ঋণ গ্রহীতাকে ইতিবাচক সুযোগ দিলে আমার বিশ্বাস ঋণখেলাপিরা নিজে থেকেই ঋণখেলাপি হতে বেরিয়ে আসার জন্য নিজেরাই উদ্যোগী হবে। তার পরেও কিছু ঋণখেলাপি থেকেই যাবে যাদের ঋণ পৃথিবীর কোনো শক্তি বা প্রক্রিয়াই আদায় করতে পারবে না, যেমন সমাজকে কোনোভাবেই ১০০ ভাগ মাদক বা অপরাধমুক্ত করা সম্ভব নয়। এ ধরনের খেলাপিদের ঋণ ব্যবসায়িক লোকসান হিসেবে ধরে নিতে হবে। তাই ঋণ ও বিনিয়োগকে ব্যবসায়িক আলোকে মূল্যায়ন ও বিবেচনা করা উচিত। ঋণখেলাপিকে ঋণ দেওয়া যাবে না, এই নীতিমালা অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে না হলে খেলাপি ঋণ আরও বাড়বে। কাজেই ঋণ পরিশোধের জন্য ঋণই একমাত্র উপায়- এই নীতিমালায়ই ঋণখেলাপি ও রাইট অফের পরিমাণ কমাবে। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না ঋণ পাওয়া মানুষের অধিকার। ঋণ কার্যক্রম বন্ধ করে দিলে ব্যাংক অচল হয়ে যাবে, অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়বে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি হ্রাস পাবে। পৃথিবীর সব কাজেই ভালো-মন্দ আছে। শুধু মন্দ খুঁজলে ভগবানের মাঝেও মন্দ খুঁজে পাওয়া যাবে!

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য।

বিডি-প্রতিদিন/০৪ নভেম্বর, ২০১৫/মাহবুব

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়