শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:০৯, শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০১৫

তাহের ও গণবাহিনী যা চেয়েছিলেন

জাফর ওয়াজেদ
অনলাইন ভার্সন
তাহের ও গণবাহিনী যা চেয়েছিলেন

কী ঘটেছিল ৩ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে? একদিকে জেলহত্যা, অপরদিকে খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে অভ্যুত্থানের ঘটনা। রক্তপাত পরিহার করার উদ্দেশ্যে আপস আলোচনা নামে কালক্ষেপণ করে খুনি খন্দকার মোশতাক আহমেদ চক্র। খালেদ মোশাররফের বিরোধী অন্যান্য শক্তি দেশের বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্টে দ্রুত যোগাযোগ করে পাল্টা অভ্যুত্থানের জন্য চেষ্টা করতে থাকে।  জেনারেল ওসমানী সেনাবাহিনীতে কর্মরত সাবেক মুক্তিবাহিনীর প্রাক্তন সদস্যদের, চাঁটগার সেনা কর্মকর্তা বাচ্চু করিমের নেতৃত্বে পাকিস্তান প্রত্যাখ্যাত পাকিস্তানপন্থি সিপাহিদের, কর্নেল তাহের সেনাবাহিনীতে জাসদপন্থি সিপাহিদের এ জাতীয় অভ্যুত্থানের ব্যাপারে সংঘবদ্ধ চেষ্টা চালাতে থাকেন। এ সময় মার্কিন, গণচীন ও পাকিস্তানপন্থি শক্তিগুলো সর্বাত্মক অপপ্রচার তৎপরতায় লিপ্ত হয়েছিল। জাসদও এ প্রচারাভিযানে শামিল হয়। ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য শহরে ও বন্দরে তারা একটার পর একটা প্রচারপত্র বিতরণ করতে থাকে যে, ভারতের প্ররোচনা ও অর্থায়নে খালেদ মোশাররফ সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে। এমনও প্রচার করা হয় যে, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ‘বাকশাল’ নেতারা ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে এ অভ্যুত্থানের ব্যবস্থা করেছেন। ঢাকা থেকে পাঠানো খবরের বরাত দিয়ে মার্কিন ও ব্রিটিশ পত্র-পত্রিকা প্রচার করতে থাকে যে, নিহত হওয়ার আগে জেলখানায় আটক নেতারা খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে অভ্যুত্থান ঘটানোর পাশাপাশি ভারতীয় সেনাবাহিনীকে ডেকে এনে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করছিলেন। লন্ডনের অবজারভার পত্রিকায় প্রকাশিত এক সংবাদে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে মুজিব হত্যার পেছনে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ জড়িত ছিল না। কিন্তু ৩ নভেম্বরে খন্দকার মোশতাকবিরোধী অভ্যুত্থানে বিদেশি হস্তক্ষেপ ছিল। এবং এই অভ্যুত্থানের সমর্থনে ভারতীয় সেনাবাহিনী বাংলাদেশের চার মাইল ভেতরে ঢুকে গিয়েছিল।’ বিভিন্ন বিদেশি পত্র-পত্রিকা প্রকাশিত এসব খবরাখবর বিবিসি এবং ভয়েস অব আমেরিকার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।

দেশি-বিদেশি সুপরিকল্পিত এসব প্রচারাভিযানের মোকাবিলায় রাজনৈতিক লক্ষ্য ও সম্পর্কহীন খালেদ মোশাররফ এবং তার সমর্থকদের কার্যকরী কোনো প্রচার তৎপরতা ছিল না। ফলে জনগণ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে একতরফা প্রচারণায় স্বভাবতই সৃষ্টি হয় মারাত্মক বিভ্রান্তি। এ বিভ্রান্তির সুযোগে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের সুপরিকল্পিত উদ্যোগ নিয়ে মঞ্চে ও নেপথ্যে সর্বাত্মক তৎপরতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে জাসদ। জাসদের গণবাহিনীর প্রধান কর্নেল তাহেরের সহায়তায় তারা সেনাবাহিনীতে ‘শ্রেণি সংগ্রাম ও বিপ্লবের’ মন্ত্র ছড়িয়ে দেয়।

কী চেয়েছিলেন কর্নেল তাহের? কী ছিল তার কথিত বিপ্লব? চেয়েছিলেন চীনা গণবাহিনীর ধাঁচে সামরিক জান্তার অধীনে জনগণকে শাসন করবে। তাই দেখা যায়, ১৯৭৪ সালেই জাসদের কথিত বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের আদর্শে তিনি সেনাবাহিনীর মধ্যে ‘বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা’ নামে সশস্ত্র একটি সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। তাদের ইচ্ছা ছিল বাংলাদেশের সেনাবাহিনী ব্রিটিশ অথবা পাকিস্তানি সেনাদের মতো হবে না। হবে গণবাহিনী। কোনো অফিসার থাকবে না। সেনাবাহিনীর মধ্যে তাহের ও তার গণবাহিনী ‘শ্রেণি সংগ্রাম ও বিপ্লবের’ মন্ত্র ছড়িয়ে দেয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত সেনাবাহিনীর মধ্যে রাজনীতির অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে তারা চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিলেন।

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীতে, বিশেষত সিপাহিদের মধ্যে সে সময় যেসব অভাব-অভিযোগ এবং অর্থনৈতিক দাবি-দাওয়া ছিল তাহেরের গণবাহিনী তারই পূর্ণ সুযোগ গ্রহণ করেছিল। সিপাহিদের অবহেলিত অনুভূতিকে উসকে দিয়ে তাদের কাজে লাগানোর জন্য দেশের বিভিন্ন সেনাছাউনি ও ব্যারাকে প্রচারপত্র বিলি করে তাদের প্রতি সংগ্রামের আহ্বান জানিয়েছিল। গণবাহিনীর এ প্রচারপত্রে সিপাহিদের তাদের ঊর্ধ্বতনদের প্রতিও ক্ষুব্ধ করে তোলে। এমন একটি প্রচারপত্র বা লিফলেটে বলা হয়েছিল, ‘অফিসাররা ক্ষমতা ও পদের লোভে অভ্যুত্থান ঘটাচ্ছে। আর প্রাণ দিচ্ছে সাধারণ সিপাহিরা। নিগৃহীত, অধিকারবঞ্চিত সিপাহিরা আর কামানের খোরাক হবে না। সিপাহি-জনতার ভাগ্য এক। তাই সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমেই ক্ষমতা দখল করতে হবে। সুতরাং বিপ্লবের জন্য, শ্রেণি সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হউন।’ পাকিস্তান প্রত্যাগত সিপাহিরা এতে উদ্বুদ্ধ হয়। পাকিস্তানে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত কর্মরত থাকা অবস্থায় তারা যে বিলাসী সুযোগ-সুবিধা পেত তা বাংলাদেশে এসে না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ ছিল। তারা রাজনীতি বিযুক্ত হলেও তাদের মধ্যে রাজনীতির অনুপ্রবেশ ঘটানো হয়। ২ নভেম্বর রাতে খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সেনা অভ্যুত্থান ঘটে। তিনি ক্ষমতা নিয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু নিজের উদ্দেশ্যে সম্পর্কে নিশ্চিত ছিলেন না। এমনকি ক্ষমতা পুরোপুরি ব্যবহার করার বিষয়েও দোটানায় ছিলেন। তার অভ্যুত্থান ঘটানো বা ক্ষমতা দখল বিষয়ে রেডিও টিভিতে কোনো ভাষণ বা ঘোষণা দেননি। খালেদ মোশাররফ যখন ক্ষমতা নিয়ে মোশতাকের সঙ্গে দরকষাকষি করছিলেন তখন মোশতাক ও তার সহযোগী আত্মস্বীকৃত খুনিরা জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে। এর পরপরই ক্ষমতাচ্যুত হন মোশতাক। আর খুনিদের দেশ ছেড়ে পালানোর পথ করে দেওয়া হয়। সেনাবাহিনীর মধ্যে বিশৃঙ্খলার সুবাদে এবং ভারত ভীতিকে কাজে লাগান জাসদের নেতারা। এতে নেতৃত্ব দেন সিরাজুল আলম খান ও অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আবু তাহের। তাদের বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার পক্ষে ৪ নভেম্বর থেকে সেনাদের মধ্যে নানা দাবির স্লোগান তুলে পোস্টার ছড়ানো হয়। পাকিস্তান প্রত্যাগত সিপাহিরা এ কাজে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ পোস্টারে ছিল বারো দফা দাবি। যেমন- ‘যাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, এমন রাজবন্দীদের মুক্তি দিতে হবে। সেনাসদস্যদের মধ্যে এত র‌্যাংক থাকবে না। বেতন বাড়াতে হবে, থাকা ও খাওয়ার উন্নতি করতে হবে ইত্যাদি দাবির মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দাবি ছিল ‘ব্যাটম্যান প্রথা লোপ’। তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়াসংবলিত এ পোস্টার সিপাহিদের আকৃষ্ট এবং উত্তেজিত ও ক্ষুব্ধ করে তোলে।

খালেদ মোশাররফদের অভ্যুত্থান যে ভারতের সহায়তায় ঘটেছে এবং সে যে ভারতের দালাল তা প্রচার করে তার বিরুদ্ধে সিপাহিদের খেপিয়ে ও লেলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বিদেশি গণমাধ্যমেও ঢাকার এক সাংবাদিকের বরাত দিয়ে প্রচার করা হয় যে, খালেদ মোশাররফের সহায়তায় ভারতীয় সেনারা বাংলাদেশে আসছে। যা সিপাহিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ জাগিয়ে তোলে। দেশের বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্ট থেকে হাজার হাজার সিপাহি খালেদ মোশাররফকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য ঢাকামুখী হয়।

মুসলিম লীগসহ ডানপন্থি দলগুলোও ‘বিপ্লবী গণবাহিনী’ নাম দিয়ে একটি পোস্টার প্রচার করে ওই সময়। ডান চরমপন্থিদের এ পোস্টারে সৈনিকদের দাবি-দাওয়া ছাড়াও খালেদ মোশাররফ যে ভারতের দালাল তা খুব জোরেশোরে বলা হয়। এই ডান ও বামের মিলন সেনাদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। বিশেষত তাহের এবং সিরাজুল আলম খান সেনাবাহিনীতে রাতারাতি যে সাম্যবাদ চালু করতে চান, তা সাধারণ সেনাদের মধ্যে ‘স্বর্গপ্রাপ্তি’ ধরনের অনুকূল সাড়া জাগিয়েছিল। এটা সম্ভব হয়েছিল সেনাবাহিনীতে তাহেরের অনুগত মুক্তিযোদ্ধা ও পাকিস্তান প্রত্যাগত বহু সদস্য থাকায়। তারা তাহেরকে ‘স্বপ্নপূরণের দ্রষ্টা’ হিসেবে বিশ্বাস করেছিল। মধু এবং দুধের নহর বয়ে যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর করেছিলেন তাহের তাদের। তাই এ সিপাহিরা স্লোগান তুলেছিল- ‘সেপাই সেপাই ভাই ভাই, অফিসারদের রক্ত চাই।’ তারা সর্বোচ্চ পদ চেয়েছিলেন সুবেদার। তার উপরে আর কোনো পদ থাকবে না। ৬ নভেম্বর মধ্যরাতের পর সাধারণ সেনারা অফিসারদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যান। এমনকি তারা তাদের অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে এসে বিশৃঙ্খলভাবে গুলি ছুড়তে শুরু করে। এদের মধ্যে ১৫ আগস্টের খুনি ফারুক ও রশিদের অনুগত ল্যান্সার ও দ্বিতীয় ফিল্ড আর্টিলারির জওয়ানরাও ছিল। পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণভার সাধারণ সিপাহিদের হাতে চলে যায়। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের সিপাহিদের সঙ্গে যোগদান করে অন্যান্য ক্যান্টনমেন্ট থেকে আগত সিপাহিরা। এমনকি খালেদ মোশাররফের সমর্থনে রংপুর থেকে আসা সেনারাও তার বিরোধী সিপাহিদের সঙ্গে যোগ দেন। সেনাছাউনি থেকে ট্যাংকগুলো পুনরায় বেরিয়ে আসে। ১৫ আগস্টে এগুলো ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোতায়েন ছিল। তিন নভেম্বর ক্যান্টনমেন্টে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সেগুলো রাজপথে নামার সঙ্গে সঙ্গে সিপাহিরাও নেমে আসে। ঢাকা শহরজুড়ে তখন গোলাগুলির শব্দ। বঙ্গভবন থেকে বেরিয়ে এসে খালেদ মোশাররফ ও তার সঙ্গীরা শেরেবাংলানগরে রংপুর থেকে আসা সেনা ইউনিটে আশ্রয় নেন। ভোরে ফারুক ও রশীদের অনুগত ল্যান্সার ও আর্টিলার বাহিনী সেখানে আসে। তারা প্রথমেই হত্যা করে খালেদ, কে এন হুদা, এ টি এম হায়দার- তিন বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তাকে। এরা ক্যান্টনমেন্টে একজন মহিলা ডাক্তারসহ (আবু ওসমান চৌধুরী সেক্টর কমান্ডারের স্ত্রী), ১৩ জন সেনা অফিসারকে হত্যা করে। রাতেই ফারুক-রশীদের অনুগত ল্যান্সার বাহিনী ক্যান্টনমেন্ট গিয়ে জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী অবস্থা থেকে উদ্ধার করে। তারা স্লোগান দেয়, ‘সিপাহি বিপ্লব জিন্দাবাদ, জিয়াউর রহমান জিন্দাবাদ। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।’ ৬ নভেম্বর মধ্যরাতের পর ভারী ও হালকা সব ধরনের আগ্নেয়াস্ত্রের অবিরাম গোলাগুলি বর্ষণ করতে করতে সিপাহিরা শহরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। বিনা বাধায় তারা ঢাকা বেতার কেন্দ্র দখল করে নেয়। গণবাহিনী প্রধান তাহের সাময়িকভাবে বেতার ভবনের কর্তৃত্বভার গ্রহণ করেন। যখন গোলাগুলি চলছিল, তখন পাকিস্তানপন্থি উল্লসিতরাও সমানে ‘জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়ে রাজপথে নেমে আসে। ৭ নভেম্বরের ক্ষমতার পটপরিবর্তনকে পরাধীনতার পরিসমাপ্তি হিসেবে অভিহিত করে এনায়েতুল্লাহ খান সম্পাদিত সরকারি পত্রিকা বাংলাদেশ টাইমস শিরোনাম দেয়, ‘বাংলাদেশ উইনস ফ্রিডম।’

গণবাহিনী পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি। শিখণ্ডী হিসেবে জিয়াউর রহমানকে সামনে নিয়ে আসার পর সিপাহিরা তার নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। তাহেরের অনুরোধে সিপাহিদের সমাবেশে কোরআন শরিফ ছুঁয়ে জিয়া প্রতিজ্ঞা করেন যে, তাদের গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো মেনে নেবেন। যেমন রাজবন্দী হিসেবে জলিল-রবদের মুক্তি এবং ব্যাটম্যান প্রথা লোপ। প্রথম দাবিটি তিনি কার্যকর করলেও বাকিগুলো আর কার্যকর করেননি।

তাহের ও সিরাজুল আলম খানের কথিত ‘সিপাহি-জনতা বিপ্লব’ থেকে রব-জলিলসহ রাজবন্দীদের মুক্তি ছাড়া আর কিছুই অর্জিত হয়নি। সিপাহিদের কোনো দাবিই আর পূরণ হয়নি। প্রাণ দিয়েছে অযথাই বহুজন। তাহের ও সিরাজুল আলম খানের চাওয়া কী ছিল? প্রথমত তারা শেখ মুক্ষুজিব সরকারকে উৎখাত করতে চেয়েছিলেন। ১৯৭৩ থেকে তাই তারা সশস্ত্র সামরিক সংগঠন গণবাহিনী গড়ে তোলে। দেশজুড়ে গুপ্তহত্যা, থানা ফাঁড়ি ও অস্ত্র লুট, পাট ও খাদ্য গুদামে অগ্নিসংযোগ, রেললাইনে নাশকতা সৃষ্টিসহ নানা ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ অব্যাহত রেখেছিল। গণতান্ত্রিক রাজনীতির পথ ছেড়ে তারা সশস্ত্র রাজনীতির পথ ধরে নকশালসহ আরও চৈনিকপন্থি সশস্ত্র সংগঠনের পাশাপাশি অবস্থান নেয়। তারা চেয়েছিলেন বাংলাদেশে চীনের গণবাহিনীর মতো শ্রেণিহীন একটি সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে। যে বাহিনীতে সাধারণ সৈনিকদের সঙ্গে অফিসারদের পার্থক্য হ্রাস পাবে। সেনারা দেশ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে এবং তাদের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত হবে। তাদের এ বিপ্লবী চাওয়ার মধ্যে জনগণের কোনো অবস্থান ছিল না।

তাহেরদের বিদ্রোহ বা বিপ্লব ব্যর্থ হওয়ার কারণ জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকা, পাকিস্তানপন্থিদের ওপর নির্ভর করা, রাজনৈতিক কর্মসূচি না থাকাসহ আরও নানাবিধ কারণে। বরং জাসদের কাঁধে চড়ে ক্ষমতার মসনদে আসীন হয়ে মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে তাহেরসহ তার সহযোগীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় জিয়া। ক্ষমতায় বসার ক’দিনের মধ্যে জিয়া তার শপথ থেকে সরে আসেন। তখন তাহেররা নতুন করে বিপ্লব করার আহ্বান জানিয়ে পোস্টার লিফলেট বিতরণ করেন সেনাবাহিনীর সিপাহিদের মধ্যে। শুধু তাই নয়, ২৪ নভেম্বর একটি পাল্টা অভ্যুত্থানের পরিকল্পনাও তারা করে। কিন্তু জিয়া তা কঠোরভাবে দমন করেন। ২৩ ও ২৪ নভেম্বর তাহেরসহ জাসদের অন্য নেতাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সরকার উৎখাতের জন্য রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়। তাহেরকে মুক্ত করার জন্য ২৬ নভেম্বর ভারতীয় হাইকমিশনার সমর সেনকে অপহরণ করে জিম্মি করার ব্যর্থ চেষ্টা চালায় তাহেরের ভাইসহ সশস্ত্র অনুগতরা। ঘটনাস্থলে তাহেরের এক ভাই মারাও যায়। তাহের ও সিরাজুল আলম খানরা যা চেয়েছিলেন, অর্থাৎ সামরিক বাহিনীর অধীনে জনগণের শাসন। আর তাই করেছেন জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে এরশাদ। শুধু অবিচারে মৃত্যুবরণ করেন তাহের। জিয়ার ‘পথের কাঁটা’ হিসেবে তাকে সরে যেতে হয়। তাহেরের রোমান্টিক এডভেঞ্চারের মাশুল জাতিকে আজও দিতে হয়।  সেদিনের ‘সিপাহি-জনতা ভাই ভাই’ স্লোগান বুমেরাং হয়ে ফিরেছিল দেশজুড়ে। তাহের ও তার গণবাহিনী ‘বিপ্লব’র নামে অবিপ্লবী কর্মকাণ্ড করে দেশকে পাকিস্তানি চেতনার দিকে ফিরিয়ে নিয়েছিলেন।  যার রেশ এখনো রয়েছে।

লেখক : সাংবাদিক


বিডি-প্রতিদিন/ ০৭ নভেম্বর, ২০১৫/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়