শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:০৭, সোমবার, ০৯ নভেম্বর, ২০১৫ আপডেট:

সংলাপ এবং নোবেল

অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত
অনলাইন ভার্সন
সংলাপ এবং নোবেল

শান্তিতে নোবেল পেল তিউনিশিয়ার চারটি সংগঠন- যারা গণতন্ত্র রক্ষায় সংলাপের ভূমিকা নিয়ে স্বৈরশাসক, গণতন্ত্রকামী, ধর্মীয় ও ধর্মনিরপেক্ষ সব গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা করে আরব বসন্তের সূচনাকারী দেশটির গণতন্ত্রকামী মানুষের সংগ্রামের সফলতা এনে দিতে পেরেছিল। ২০১১ সালে তিউনিশিয়ায় স্বৈরশাসনবিরোধী গণবিপ্লবের পর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করার জন্য এই চার সংগঠনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। শান্তির মুকুট জয়ী নাগরিক সমাজের এ সংগঠনগুলো একসঙ্গে ন্যাশনাল ডায়ালগ কোয়াট্রেট নামে পরিচিত ছিল।  অস্থির ওই সময়ে তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা দেশটিকে সম্ভাব্য গৃহযুদ্ধের হাত থেকে বাঁচায়। আরব বসন্তের পর তিউনিশিয়ায় যখন চরম অস্থিরতা, বিশৃঙ্খলা ও হানাহানিতে গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠার আশা মোটামুটিভাবে হাওয়ায় মিলিয়ে যাওয়ার মুখে ঠিক তখন ওই চারটি সংগঠন জাতীয় সংলাপের উদ্যোগ নেয়। তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়েছিল। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল। শান্তি প্রতিষ্ঠায় তারা সহায়কের ভূমিকা নিয়েছিল। কেননা সেটা হলেই কেবল গণমানুষের জন্য আরব বসন্তের সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তিউনিশিয়ায় সেদিন যে পরিস্থিতি ছিল সেই পরিস্থিতিতে স্বৈরশাসক, ইসলামপন্থি দল, ধর্মনিরপেক্ষ দল, মধ্যপন্থি দল- সবার মধ্যে যদি এই হানাহানি একবার বেধে যেত তাহলে তা পুরো আরব বিশ্বকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করত। তিউনিশিয়ার যে চারটি সংগঠন এই ভূমিকা নিয়েছিল আমার দৃঢ় বিশ্বাস তাদের কেউ নিজেরা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এই সংলাপের উদ্যোগ নেয়নি। তারা নিয়েছিল একেবারে দেশমাতৃকার টানে।

আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি ওই সংগঠনগুলো নিঃস্বার্থভাবে দেশমাতৃকার টানে এগিয়ে এসেছিল এবং তাদের একটা গ্রহণযোগ্যতা ওই চারটি রাজনৈতিক গ্রুপের প্রতিও ছিল যার জন্য সেটা সম্ভব হয়েছে।

আজ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যদি আমরা একবার চোখ বুলিয়ে দেখি তাহলে আমরা দেখব যখনই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কনসেপ্ট আসল তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হওয়ার জন্য বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে যে কি পরিমাণ প্রতিযোগিতা হতো তা দূর থেকে হলেও আমরা কিছুটা আঁচ পেয়েছি। শুধু শেষ তত্ত্বাবধায়কের সময় চারজন অত্যন্ত স্বনামধন্য সাহসী ব্যক্তি তত্ত্বাবধায়ক সরকার থেকে পদত্যাগ করেছিলেন এবং নিশ্চয়ই তারা তদবির করে সেখানে যাননি। হ্যাঁ, এরকম চারজন লোক যদি কখনো গণতন্ত্রের জন্য, কোনো সংলাপের জন্য ক্ষমতাসীন দলকে, বিরোধী দল অথবা অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে, আলাপ-আলোচনার ডাক দেন তখন হয়তো সম্ভব হতে পারে। মজার ব্যাপার হলো বাংলাদেশের জনগণের সবচেয়ে বড় যে দুটি দোষ বা গুণ, যাই বলি না কেন, সেটা হলো এদেশের সবাই রাজনীতিবিদ এবং সবাই ডাক্তার। প্রথমেই আমি ডাক্তারদের কথা ধরি। যদি কোথাও দাঁড়িয়ে বলেন, আমার পিঠে ব্যথা হচ্ছে। আপনি একটা রিকশাচালক বা ভ্যানচালক, দিনমজুর অথবা একজন কর্মকর্তাই হোন না কেন- আপনার পাশে দাঁড়ানো ছোট বাচ্চাটাও বলে ফেলবে অথবা ওষুধের দোকানের যে ওষুধ বিক্রেতা সে বলবে যে, আপনি একটা ইনফ্লাম খেয়ে ফেলেন। এই ইনফ্লামটা কখন খেতে হবে তার সঙ্গে আর কি প্রোটেকশন নিতে হবে সেটা কিন্তু সে জানে না। তো রাজনীতির বেলায়ও আমি নিজে দেখেছি গ্রামে-গঞ্জে, যে স্কুল-কলেজে যায়নি, যাকে আমরা অশিক্ষিত ধরতে পারি অর্থাৎ নিজের নামটা সে লিখতে পারে না ভালো করে, সেও কিন্তু রাজনীতি করে। অর্থাৎ আমাদের এই দেশে প্রায় সবাই কোনো না কোনো দলের সঙ্গে বা রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। শুধু সম্পৃক্ত বললে ভুল হবে পুরোদস্তুর দলীয় সন্ত্রাসী বা ক্যাডার বা দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণকর্মী।

আমাদের সবারই মনে আছে, সেদিন তিউনিশিয়ায় কী ঘটেছিল। সে সময়টা হলো ২০১১ সালের জানুয়ারি মাস। তিউনিশিয়ার পুলিশের হয়রানি, শিক্ষিত যুবকদের বেকারত্ব, বিশেষ করে পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে এক তরুণের আত্মহত্যার ঘটনার জের ধরেই সেই অস্থিরতা দেখা দিয়েছিল। শুরু হয়েছিল একনায়ক জয়নাল আবেদিন বেন আলীর বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ। গণতন্ত্রকামী মানুষের টানা আন্দোলনের ফলে ওই বছরই তিনি পদত্যাগে বাধ্য হন। ১৯৮৭ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতা দখল করেন বেন আলী। বেন আলীর পতনের পর ২০১৩ সালের জুলাইয়ে বিরোধীদলীয় এক নেতা অস্ত্রধারীদের গুলিতে নিহত হন। যেটা ছিল ছয় মাসের মধ্যে দ্বিতীয় রাজনৈতিক হত্যা। এরপর শুরু হয় ব্যাপক সহিংসতা ও বিক্ষোভ। এমন পরিস্থিতিতে বিবদমান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমোঝোতা গড়ার নেতৃত্ব দেয় এই চার সংগঠন।

যেহেতু এই চারটি সংগঠনের কোনো প্রাপ্তি ছিল না। যাদের কোনো উচ্চাকাক্সক্ষা ছিল না। যারা শুধু দেশটাকে ভালোবেসেছিলেন। তাই সব রাজনৈতিক নেতা তাদের কথা এবং তাদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে একসঙ্গে বসতে বাধ্য হন এবং সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে নতুন সংবিধান রচনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে পদত্যাগ করে এন্নাহাদা সরকার এবং সে বছরই সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশে ডায়ালগ বা সংলাপের অনেক চিত্রই আমাদের কাছে আছে। আমরা দেখেছি দুই আবদুলের সংলাপ। অর্থাৎ যাদের দুজনের কেউই এখনো বেঁচে নেই। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল এবং বিএনপির মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়া। কতদিন এই সংলাপ চলল। সংলাপ থেকে বেরিয়ে দুজনেরই বক্তব্য ছিল আমরা অনেক এগিয়েছি। কেউ কখনো বলেননি যে, তাদের সংলাপের মধ্যে কোনো স্থবিরতা আছে। মতানৈক্যের সম্ভাবনা আছে। শেষ পর্যন্ত সংলাপ ব্যর্থ হলো। এ ছাড়াও বাংলাদেশ সৃষ্টির প্রাক্কালে অর্থাৎ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরুর প্রাক্কালেও পাকিস্তানি সামরিক জান্তা সংলাপের এক অভিনয় নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিল কিন্তু সেখানেও কী পরিণতি হয়েছে আমরা দেখেছি।  সবকিছুর পরও দুনিয়ার সব জায়গায় সব সংলাপ সফল হলো। একমাত্র জায়গা বাংলাদেশ, যেখানে কোনো সংলাপ কখনো আলোর মুখ দেখেনি।

বলছিলাম নোবেলের কথা। মহৎ কাজের জন্য, শান্তির জন্য, সুন্দর একটা পৃথিবীর জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়। পার্বত্য শান্তিচুক্তির জন্য, গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির জন্য, ছিটমহল সমস্যা সমাধানের জন্য, এমন কি পরিবেশ উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য যথাক্রমে শেখ হাসিনা-সন্তু লারমা, শেখ হাসিনা-ড. মনমোহন, শেখ হাসিনা-মোদি, সর্বশেষ শেখ হাসিনাকেসহ অন্য পরিবেশ আন্দোলনে সম্পৃক্ত বিশ্ব নেতাদের নোবেল শান্তি পদক দিতে পারতেন।

কিন্তু সেটা কখনো সম্ভব হবে না। কারণ শেখ হাসিনা দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী নেতায় পরিণত হচ্ছেন। পার্বত্য শান্তিচুক্তির পরে সাদেক হোসেন খোকা পুলিশের ছোড়া গুলি অপসারণের নামে সুইডেনে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন, প্রমাণ করার জন্য তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী অত্যাচারী বা স্বৈরাচারী শাসক।  একই সঙ্গে বিএনপির নীতিনির্ধারকদের একজন হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে একই সময়ে একই উদ্দেশ্যে বক্তৃতা রাখতে গিয়েছিলেন। তাদের কাছে বাংলাদেশের সুনাম বড় নয়, শেখ হাসিনার দুর্নাম একটা বিরাট অহংকারের ব্যাপার।

সুতরাং বাংলাদেশ নিজের তথা বিশ্বের উন্নয়ন ও শান্তির জন্য যাই করুক না কেন, আমরাই আমাদের পথের কাঁটা হয়ে রব।

লেখক : সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়