শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:২০, রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৫

কী চমক দেখাবেন খালেদা জিয়া?

কাজী সিরাজ
অনলাইন ভার্সন
কী চমক দেখাবেন খালেদা জিয়া?

এ লেখা যখন পাঠকের হাতে পৌঁছবে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তখন দেশে থাকার কথা। ১৯ নভেম্বর ঘটা করে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তেমনটাই জানিয়েছেন পার্টির মুখপাত্র ও অন্যতম আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন। ২০ নভেম্বর লিখতে বসে ভাবছি রিপনের ঘোষণার ওপর আস্থা রাখা যায় কি না! এ সন্দেহ ঢোকার দুটি কারণ আছে।  এক. ১৫ সেপ্টেম্বর লন্ডনের পথে যাত্রার আগে বলা হয়েছিল চোখের চিকিৎসা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদুল আজহা উদযাপন করে দুই সপ্তাহ পর তিনি ফিরে আসবেন। আসেননি। বিলাতি বিএনপির মাধ্যমে দেশে খবর এলো, ৩ অক্টোবর তিনি ফ্লাই করবেন। করেননি। এরপর আরও তিনবার তার দেশে ফেরার দিনক্ষণ বদলেছে; দুই. ১৯ নভেম্বর রাতে চ্যানেল একাত্তরের টকশোতে যখন তার দেশে ফেরা নিয়ে কথা বলছিলাম, তখনই আমাদের হাতে বিলাত থেকে পার্টির অন্যতম যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের পাঠানো ক্ষুদে বার্তার একটি কপি এলো। তাতে নিশ্চিত করে বলা হয়নি যে, উল্লিখিত দিনে তাদের পার্টি চেয়ারপারসন দেশের পথে রওনা হবেনই। বার্তায় উল্লিখিত May return শব্দটি আবারও খটকা লাগায়। শোনা গিয়েছিল দেশে ফেরার আগে তিনি আমেরিকা যাবেন। ইতিমধ্যে কিন্তু এ সংক্রান্ত জল্পনা-কল্পনার অবসান হয়েছে! বেগম জিয়া লন্ডন থেকে রওনা দেওয়ার প্রাক্কালে তারেক রহমানের সঙ্গে একটি আবেগমাখা ছবি আমাদের হাতে পৌঁছেছে ২১ নভেম্বর দুপুরে।অন্য যে কোনো একজন নাগরিকের দেশে ফেরা না ফেরা থেকে বেগম খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে বিষয়টা ভিন্ন। তিনি দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপারসন এবং দলটি বর্তমানে বিপন্ন দশায় পতিত। দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খোন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য এম কে আনোয়ারসহ বেশ ক’জন কেন্দ্রীয় নেতা, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের বেশ কিছু কেন্দ্রীয় নেতা এবং সারা দেশে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী এখন জেলে। যৌথ অভিযানের নামে এখনো গ্রেফতার অব্যাহত আছে। মামলা-মোকদ্দমার অন্ত নেই। দৌড়ের ওপর আছেন দলের প্রায় সব অ্যাকটিভ নেতা-কর্মী। তৃণমূল স্তরেও কোনো নিস্তার নেই। দল চলে প্রায় আল্লাহর ওয়াস্তে। গুলশান অফিসের কিছু ‘রাজগোলাম’ (Henchman)  মাঝে মাঝে ‘চাবি ঘোরায়’। এমতাবস্থায় পার্টি চেয়ারপারসন সোয়া দুই মাস দেশের বাইরে থাকলে তার দেশে ফেরা নিয়ে আলোচনা অস্বাভাবিক কিছু নয়।

দীর্ঘদিন পুত্র তারেক রহমান, তার স্ত্রী ও কন্যা এবং পরলোকগত পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে তার দেখা-সাক্ষাৎ হয় না। তাদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য এবং একসঙ্গে ঈদ উদযাপন করার জন্য যদি স্বল্পকালীন হতো এই সফর, তাহলে আলোচনা এত ডালপালা মেলত না। সফরটা অধিকতর গুরুত্ব পেয়েছে এই কারণে যে, পার্টির পক্ষ থেকেই ধারণা দেওয়া হয়েছিল, ‘খাদের কিনারা’ থেকে দলকে কীভাবে উদ্ধার করা যায় সে কৌশল নির্ধারণের জন্য ছেলে তারেক রহমানের সঙ্গে সলাপরামর্শ করার জন্যই মূলত তিনি বিলাত গেছেন। চোখের চিকিৎসাটা ছিল পাশ্বকর্ম। দলের মুখপাত্র সংবাদ সম্মেলনেও বলেছেন, ‘খালেদা জিয়ার চোখের চিকিৎসা শেষ হয়নি। এরপরও দেশের সংকট ও ক্রান্তিকাল বিবেচনা করে তিনি দেশে ফিরে আসছেন।’ যাওয়ার সময় চিকিৎসাটাকে যেভাবে মুখ্য বিষয় হিসেবে দেখানো হয়েছিল, ফেরার সময় তা গৌণ হয়ে গেল। বিলাতে অবস্থানকালে তার পায়ের চিকিৎসার কথাও বলা হয়েছিল। এখন আর সেই ব্যাপারেও কিছু বলা হচ্ছে না। এসব অবশ্য এখন আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। বেগম খালেদা জিয়ার ঘরে ফেরার খবরটাই আলোচনার কেন্দ্রে। এরও কারণ আছে। বিলাত থেকেই আওয়াজ দেওয়া হয়েছিল যে, দেশে ফিরে চমক দেখাবেন তিনি। আলোচনা হচ্ছে, কী চমক দেখাবেন খালেদা জিয়া? দল পুনর্গঠনের যে কথা প্রায় আট মাস ধরে বলা হচ্ছে (জানুয়ারি-মার্চ ২০১৫, এই তিন মাসের ব্যর্থ আন্দোলনের পর থেকেই হাঁক দেওয়া হচ্ছিল যে, দল পুনর্গঠন করে নতুনভাবে সরকারবিরোধী আন্দোলনে যাবে বিএনপি), সেই ব্যাপারে অবাক করে দেওয়ার মতো কি কোনো পরিবর্তনের ঘোষণা দেবেন? কেমন হতে পারে সেই পরিবর্তন? দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কি পরিপূর্ণ মহাসচিবের দায়িত্ব পাবেন, নাকি তাকে স্থায়ী কমিটিতে স্থানান্তর করে তারেক রহমানের হাল-আমলের পছন্দের কাউকে নতুন করে মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হবে? অথবা দলের প্রায় সব পর্যায়ের নেতা-কর্মী, এমনকি সমর্থকদের পছন্দ এবং সাধারণের মধ্যে ‘ভদ্র রাজনীতিবিদ’ হিসেবে গড়ে ওঠা ক্লিন ইমেজ বিবেচনা করে মির্জা ফখরুলকে তার পদে বহাল রেখে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানকে দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান করে একটা যৌথ নেতৃত্ব কাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে? সেই ক্ষেত্রে তারেক রহমানের কী হবে? তিনি কি দলের কো-চেয়ারম্যান হিসেবে আবিভর্‚ত হবেন নাকি নানা মহলের সমালোচনা এবং তার ব্যাপারে রিজার্ভেশন বিবেচনা করে সর্বমহলে এমনকি দেশের বাইরেও দলের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কিছু দিনের জন্য দলীয় পদ-পদবি ছেড়ে বিশ্রামে যাবেন? এরকম কিছু না হলে চমক হবে কিসের? দলের স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন এখন ‘বিএনপি’র জন্য একটি ‘ফরজ’ কাজ। বিএনপির বর্তমান স্থায়ী কমিটির বেশ ক’জন বয়সের ভারে ন্যুব্জ। বয়সকালেও রাজনীতিতে তারা কী করেছেন তারা জানেন আর তাদের খোদা জানেন। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সমমর্যাদার কমিটি বিএনপির স্থায়ী কমিটি। তো, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর পাশে বিএনপির স্থায়ী কমিটিকে দাঁড় করালে মনে হবে বিএনপিরটা (তিন/চারজন বাদ দিয়ে) আওয়ামী লীগেরটার ‘বাছুর’। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ মনে করেন, বিএনপির কোনো কোনো জেলা কমিটির মানও তাদের স্থায়ী কমিটির চেয়ে অধিক মানসম্পন্ন। দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলী, সহ-সভাপতিমণ্ডলী, কার্যকরী কমিটি এবং নির্বাহী কমিটিতে অনেক দক্ষ ও ক্যারিয়ার তরুণ রাজনীতিবিদ আছেন যারা অনেক মানসম্পন্ন। এদের কোনো মূল্যায়নই নেই। এসব বিষয়ে টুকটাক জোড়াতালি বা ‘ফরজ’ কাজ সম্পাদন করে তাকে কিন্তু ‘চমক’ বলে চালানো যাবে না। আগের বর্ণিত বিষয়গুলোই হবে ‘চমক’। বেগম জিয়া বিলাত থাকাকালেই শোনা যাচ্ছিল যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বা সেদেশের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির কোনো গুরুত্বপূর্ণ নেতার সঙ্গে তার কথা হতে পারে। এমনও শোনা গিয়েছিল যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর লন্ডন সফর পিছিয়ে যাওয়ার কারণেই বেগম জিয়াও তার দেশে ফেরার সময় পিছিয়েছেন। অক্টোবর মাসের ৪ তারিখ বাংলাদেশ প্রতিদিনে এ প্রসঙ্গে লিখেছিলাম, ‘ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে কোনো উদ্যোগ যদি বেগম জিয়া নিয়ে থাকেন, তাকে পজিটিভ দৃষ্টিতেই দেখছেন অনেক পর্যবেক্ষক। ভারতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যে সম্পর্ক তা অতি প্রাচীন ও দৃঢ়। কংগ্রেসের সঙ্গে বিএনপির পার্টি-টু-পার্টি সম্পর্ক হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। বিজেপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক কংগ্রেসের মতো হবে না কংগ্রেস-বিজেপি বৈরিতার কারণে। তবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকে ভারত রাষ্ট্রেরও যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছে বিজেপির কাছে তা-ও মূল্যহীন নয়। তারপরও ভারতের দলীয় রাজনীতির সমীকরণে বিজেপির সঙ্গে বিএনপির পার্টি-টু-পার্টি সম্পর্ক স্থাপনের একটা স্পেস আছে। দুটি দলই নির্বাচনমুখী গণতন্ত্রের চর্চা করছে। প্রকাশ্যেই দুটি দলের মধ্যে কথাবার্তা হতে পারে।’ মধ্য নভেম্বরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী লন্ডন সফর করেছেন। তিনি ভারত থেকে লন্ডন রওনা হওয়ার দিনই ভারতের দায়িত্বশীল ‘স্টেটসম্যান’ পত্রিকা প্রথম পাতায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবিসহ বিশাল এক প্রতিবেদনে লিখেছে, লন্ডনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদের সঙ্গে কথা বলবেন। এ সংক্রান্ত কোনো খবর আর মিডিয়ায় এসেছে বলে নজরে পড়েনি। তবে এ নিয়ে দু’রকম ভাষ্য পাওয়া যায়। একটি ভাষ্য হচ্ছে, না, নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে খালেদা-তারেকের কোনো বৈঠক হয়নি। অপর ভাষ্য বলছে দেখা হয়েছে, কথাও হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধির সঙ্গে। দ্বিতীয় ভাষ্যমতে, বিএনপিকে হিংসা ও হানাহানির রাজনীতি ছাড়া এবং জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গ ত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া যদি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কৌশল হিসেবে দল পুনর্গঠন ও সারা দেশে দলকে সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে আগামী নির্বাচনের আগ পর্যন্ত এককভাবে দলীয় কর্মকাণ্ড চালানোর ঘোষণা দেন এবং সারা দেশে দু-তিন মাসের সাংগঠনিক সফরের ঘোষণা দেন, তাতে একটা চমক খুঁজে পাওয়া যাবে। জোট না ভেঙে তা স্থগিতও ঘোষণা করতে পারেন ভবিষ্যতে প্রয়োজন হতে পারে তেমন মিত্রদের আশ্বস্ত করার জন্য। এমন কোনো সিদ্ধান্তও যদি তিনি ঘোষণা করেন, তাহলেও এর অন্তর্নিহিত বার্তা মানুষ বুঝে নেবে।

দেশে ফেরার পর বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে সরকার কী আচরণ করে তাতেও বোঝা যাবে বেগম খালেদা জিয়ার বিলাত সফরের তাৎপর্য। বাংলাদেশ বিশ্ব গ্লোবাল ভিলেজের অংশ। গণতান্ত্রিক বহিঃদুনিয়াকে অবজ্ঞা-অবহেলা করে বাংলাদেশে কোনো শাসকের, সরকারের ও সরকারি দলের সারভাইভ করা কঠিন। বাংলাদেশে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচন আদর্শ কোনো নির্বাচন ছিল না। দেশ-বিদেশে সবাই জানেন, তাতে ৩০০ আসনের জাতীয় সংসদে ১৫৩ আসনে কোনো নির্বাচনই হয়নি। অথচ এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৫(২) অনুচ্ছেদে সুস্পষ্ট নির্দেশ আছে। তাতে বলা আছে- “একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিনশত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের(৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে (সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যবৃন্দ) লইয়া সংসদ গঠিত হইবে, সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।” নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচনের কথা বলে এবং সাংবিধানিক শাসনের ধারাবাহিকতার কথা তুলে তথাকথিত সমঝোতার মাধ্যমে ১৫৩ আসন বিনাভোটে ভাগাভাগি করে নেয় আওয়ামী লীগ আর জাতীয় পার্টি। নির্বাচন বর্জনকারী বিএনপিসহ অন্যান্য দলকে (নিবন্ধিত ৪২ দলের মধ্যে ৩০) নির্বাচনে এনে একটি ইনক্লুসিভ নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে সময়ের বিষয় ফয়সালার জন্য উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হওয়া যেত। সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর শূন্য আসনের উপ-নির্বাচনে কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র গ্রহণের বৈধতা প্রশ্নে উদ্ভূত জটিলতায় আসন শূন্য হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সাংবিধানিক নির্দেশ মোতাবেক সময়সীমার মধ্যে ওই উপনির্বাচনটি সম্পন্ন না করে উচ্চ আদালতের সুবিবেচনার কারণে প্রায় দুই মাস পর অনুষ্ঠানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের ব্যাপারেও সর্বোচ্চ আদালতের মতামত প্রার্থনা করা যেত। সে পথে হাঁটেনি সরকার। বাকি ১৪৭ আসনের নির্বাচন নিয়েও নানা কথা এখনো আছে। ইউরোপ-আমেরিকাসহ গণতান্ত্রিক বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, উন্নয়ন সহযোগী বিভিন্ন বন্ধু রাষ্ট্র, জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কমনওয়েলথ- এরা সবাই বাংলাদেশে দ্রুত একটি ইনক্লুসিভ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সেই লক্ষ্যে আলোচনা-সমঝোতার কথা বলে আসছে সেই নির্বাচনের পর থেকেই। তারা ওই নির্বাচন তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় বলেছে বারবার। বিলাত সফরকালে বেগম খালেদা জিয়া তা কতটা নাড়া দিয়ে আপডেট করে আসতে পেরেছেন তার প্রতিফলন দেখা যাবে খালেদা-সরকার আচরণের মধ্য দিয়ে। মামলা-মোকদ্দমার ব্যাপারে কঠোরতা অবলম্বন না করে বেগম জিয়ার সঙ্গে যদি সৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়, দলের বন্দী নেতা-কর্মীদের যদি মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়, যৌথ বাহিনীর অভিযানের মাধ্যমে দলীয় নেতা-কর্মীদের নতুন করে গ্রেফতার ও হয়রানি যদি বন্ধ হয়ে যায় এবং বেগম খালেদা জিয়াও যদি মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার, সন্ত্রাসী হামলা, বিদেশি নাগরিক হত্যা ইত্যাদি বিষয়ে সরকারের সঙ্গে সহযোগিতামূলক মনোভাব প্রকাশ করেন, তাহলে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যেমন আমূল পরিবর্তন হবে, তেমনি আশু ও জরুরি জাতীয় ইস্যুসমূহ নিয়ে বৈঠক-সভা একটি গ্রহণযোগ্য মধ্যবর্তী বা আগাম নির্বাচন নিয়ে আলোচনা ও সমঝোতার পথও উন্মুক্ত করবে। তা যদি হয়, বোঝা যাবে বেগম জিয়ার বিলাত সফর সত্যিই কাজে লাগছে।

বেগম খালেদা জিয়ার দেশে ফেরার তথ্য জানানোর সংবাদ সম্মেলনে ড. রিপনের একটি বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের ব্যাপারে বিএনপি ‘দো-দিল বান্দা’র ভূমিকায় ছিল। স্বচ্ছ বিচারের কথা বলে মনের আসল বাসনা উহ্য রেখেছে বলে সরকারি মহল সমালোচনা করেছে।  সাকা চৌধুরীর ফাঁসির আদেশ বহাল ঘোষণা সম্পর্কে রিপনের বক্তব্য ‘থলের বেড়ালই’ কি বের করে দিল? রিপন বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য সাকা চৌধুরীর কন্ট্রিবিউশন ছিল। কোন দিন যে তারা বলে ফেলবেন, মুক্তিযুদ্ধে সাকা জিয়াউর রহমানের ডেপুটি ছিলেন! সাকা নাকি গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপসহীন ছিলেন!  গণতন্ত্রের মিছিলে ট্রাক তুলে দেওয়া, নূর হোসেনের হত্যাকারী বিশ্ব বেহায়া খ্যাত স্বৈরাচার এরশাদের মন্ত্রী থেকে গণতন্ত্রের ‘ফাইটার’ ছিলেন সাকা? ভালোই মূল্যায়ন বিএনপির! আশা করা যায়, এ ব্যাপারে বেগম জিয়া নিশ্চয়ই একটা ব্যাখ্যা দেবেন এবং এই ‘মিথ’ রচনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে তাকে নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটাবেন।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট

ই-মেইল : [email protected]

বিডি-প্রতিদিন/ ২২ নভেম্বর, ২০১৫/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়