শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:১৯, বুধবার, ০২ ডিসেম্বর, ২০১৫

অবস্থান কর্মসূচির সমাপ্তি

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
অবস্থান কর্মসূচির সমাপ্তি

‘সন্ন্যাসীবেশে ফিরি দেশে দেশে হইয়া সাধুর শিষ্য-কত হেরিলাম মনোহর ধাম, কত মনোরম দৃশ্য। ভূধরে সাগরে বিজনে নগরে যখন যেখানে ভ্রমি তবু নিশিদিনে ভুলিতে পারি নে সেই দুই বিঘা জমি। হাটে মাঠে বাটে এইমত কাটে বছর পনেরো-ষোলো, একদিন শেষে ফিরিবারে দেশে বড়োই বাসনা হল\’ দেশ যখন জ্বলেপুড়ে ছারখার হচ্ছিল, সরকার কিছুই করছিল না, তখন বিবেকের তাড়নায় কবিগুরুর সেই ‘দুই বিঘা জমি’র মতো বাবর রোডের বাড়ি, স্ত্রী-পুত্র-কন্যা ছেড়ে ৮০ মতিঝিলের ফুটপাথে মাদুর বিছিয়ে অবস্থান নিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আরও আন্তরিক হবেন, বেগম খালেদা জিয়া তার আহূত অবরোধ-হরতাল প্রত্যাহার অথবা স্থগিত করবেন। অনেকের মনে হতে পারে তারা কেউ কিছু করেনি। কিন্তু আমার কেন যেন মনে হয়, কবে কোনকালে সমুদ্র মন্থন করে গড়ল এনেছিলেন। দেশ মন্থন করে আমি আমাকে চিনেছি, দেশের প্রাণ খুঁজে পেয়েছি- সেই প্রাণের শক্তি কোথায় তারও খবর জেনেছি।

বেগম খালেদা জিয়া তার অবরোধ-হরতাল প্রত্যাহারের সুযোগ পাননি। আল্লাহর তরফ থেকে জনসাধারণ নিজেরাই তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। অন্যদিকে যে যাই বলুন, সবাই মিলেমিশে দেশকে সংকট থেকে বাঁচাতে হবে এটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই বুঝতে পেরেছেন। তাই উভয় নেত্রীকেই ধন্যবাদ জানাই।

জানুয়ারি মাস। ঋতুতে প্রচণ্ড শীতের মাস। সেই মাসে প্রবল বাতাসে মতিঝিলের ফুটপাথে কাপড়ের তাঁবু টানিয়ে থাকা ছিল খুবই কঠিন। বই-পুস্তক থেকে আমি তেমন কিছুই শিখিনি, যা শিখেছি তার বেশির ভাগই ঠেকে ঠেকে শিখেছি। অনেকে মনে করতে চান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে পছন্দ করেন না। যারা পিতার চামড়া দিয়ে জুতা বানাতে চেয়েছেন তাদের করেন। তারা তা ভাবতেই পারেন। মনে মনে কলা খেতে দোষ কী? পছন্দ-অপছন্দ নিজের ব্যাপার। সেটা কেউ কাউকে নাও করতে পারেন। কারও পছন্দ-অপছন্দে সমাজ চলে না, দেশ ও জাতি চলে না। পছন্দ-অপছন্দ ব্যক্তিসীমার বাইরে গেলে দেশের অকল্যাণ হয়। কারও পছন্দ-অপছন্দের কারণে রাষ্ট্রের কাছে কেউ বঞ্চিত হতে পারেন না। আইনের দরজায় কোনো সুবিধা-অসুবিধা হওয়ার কথা নয়- এসব আমার জন্মগত বিশ্বাস। আল্লাহতায়ালা আমাকে পুরুষ বানিয়ে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন। আমি কাপুরুষ হতে পারি, কিন্তু ইচ্ছা করলেই নারী হতে পারি না। কেউ কাউকে নারী বানাতে পারে না। হ্যাঁ, জন্ম থেকেই কোনো নারীর মধ্যে পুরুষের উপাদান বেশি থাকায় হয়তো সেই নারী পুরুষ হতে পারেন, আবার কোনো পুরুষ একইভাবে নারীও হতে পারেন। কিন্তু সেটা সাধারণ ব্যাপার নয়, অসাধারণ ব্যাপার। তাই একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ভেবেছিলাম, সবকিছু হারিয়ে গেলেও একজন মুক্তিযোদ্ধার সম্মান আমি পাব। স্বাধীনতার পর রাজধানীর বাইরে জাতির পিতার কাছে অস্ত্র দেওয়ার সৌভাগ্য আর কারও বা কোনো দলের হয়নি, আমার বা আমার দলের হয়েছিল- সে সম্মান নিশ্চয়ই পাব। ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতা নির্মমভাবে নিহত হলে এক কাপড়ে ঘর ছেড়ে তার প্রতিবাদ-প্রতিরোধ করেছিলাম, সে সবের মর্যাদা নিশ্চয়ই পাব। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় অনেক কিছুই পাইনি। কতজনকে কত পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হয়, অবস্থান কর্মসূচির শুরু থেকে কোনো পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হয়নি। যদিও একদিক থেকে ভালোই হয়েছে। সাধারণ মানুষ নিজেরাই নিজেদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। অবস্থান কর্মসূচির শুরুর দিকে ১১ এপ্রিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাওনা উড়ালপুল উদ্বোধন করেছেন। সেখানে  আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ১০-১৫ হাজার সদস্য প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল। পরদিন মাওনার এক স্কুলমাঠে রাতে ছিলাম। সেখানে কিছু সাংবাদিক দুঃখ করে বলছিল, ‘প্রধানমন্ত্রীর জন্য ১০ হাজার পুলিশ, আপনি দেশ স্বাধীন করেছেন, একজন প্রবীণ মানুষ, আপনার জন্য ১০ জন পুলিশও নেই- এটা কেমন কথা?’ এ রকম আরও কত ঘটনা ঘটেছে।


’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে গ্রামেগঞ্জে কারও তেমন ঘরদুয়ার ছিল না। দু-একটি টিনের ঘর, বাকি সবই ছনের ঝুপড়ি। সাধারণ গরিবের বাড়িতে খাবারও জুটত না, গরিবের ঘরে দুর্র্গন্ধযুক্ত মোটা চালের ভাত, সঙ্গে তরু-তরকারি হতো না। একটু ডাল কিংবা কাঁচা মরিচ অথবা লাউপাতা ভর্তা এই ছিল নিঃস্ব দরিদ্র সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের খাবার। শীতের রাত কাটাতে শতচ্ছিন্ন তালি দেওয়া কাঁথা ছাড়া তাদের কিছু ছিল না। কিন্তু এখন অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। গরিব-ধনী নির্বিশেষে সবার ঘরের প্রায় খাবার একই রকম। বরং ধনবানের চেয়ে হতদরিদ্রের বাড়ির খাবার সুস্বাদু। কারণ ধনী মানুষের বউয়েরা রাঁধে না, গরিব ঘরে বউদের রান্নাই সম্বল। এই কদিন যমুনা-ধলেশ্বরীর আশপাশে কাটিয়েছি। সেদিন আলীপুর ইমান বেপারির বাড়ি ছিলাম। সুন্দর টেবিল-চেয়ার-খাট-পালঙ্ক, শীত নিবারণের কম্বল। সরাতৈল আমার মেয়ে ইমালদা হোসেন দীপার শ্বশুরবাড়িতে একই রকম। খাট-পালঙ্ক-শীতের কম্বল কোনো কিছুর অভাব নেই। অভাব যা তা হলো ভালোবাসার, সহমর্মিতার, মানবতার, একে অপরের প্রতি মমত্ববোধ এবং অন্যের কষ্ট নিজের করে নেওয়ার।

একনাগাড়ে ৬৪ দিন মতিঝিলের ফুটপাথে শীত-বৃষ্টি-ঝড়-তুফানে রাত কাটিয়ে ৬৫ দিনের মাথায় সন্তোষে গিয়েছিলাম হুজুর মওলানা ভাসানীর কবর জিয়ারত করে মাজারে রাত কাটাতে। মতিঝিলের ফুটপাথে ৬৪ দিন নিরাপদ নির্ঝঞ্ঝাট হলে ভালো হতো। কিন্তু তা হয়নি। কয়েকবার পুলিশ মাইক নিয়ে গেছে, যে চৌকিতে শুইতাম, একদিন বায়তুল মোকাররমে নামাজ পড়তে গেলে সে চৌকি-তাঁবু- পেশাবের বদনা- সবকিছু পুলিশ নিয়ে যায়। মাঝেমধ্যে লোকজন ধরে নিয়ে যেত। আরও বিরক্তিকর যা যা করা যায় তা তারা করেছে। এসব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জানতেন কিনা শতভাগ পরিষ্কার হতে পারিনি। জানলে একরকম, না জানলে আরেক রকম। তখন টুঙ্গিপাড়ার ফরমান ছিলেন মতিঝিলের ওসি, এখনো আছেন কিনা জানি না। তার বাবা লায়েক আলী বিশ্বাস একজন বড় ভালো মানুষ ছিলেন। টুঙ্গিপাড়া গেলে ছায়ার মতো থাকতেন। টুঙ্গিপাড়ার মানুষ হওয়ায় সে যে কী ক্ষমতা দেখিয়েছেন তা একমাত্র আল্লাহই জানেন। বিরক্ত হয়ে ঘোষণা করেছিলাম, আর কোনো বিরক্তিকর কিছু করলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গণভবনের সামনে অবস্থান নেব। জানি, তিনি কী করতে পারেন। বয়স হয়েছে, এখন লানতের জীবনের জন্য মায়া নেই। সারা জীবন সম্মানের জন্য লড়াই করেছি, সেই সম্মানহীন জীবন আমার কাম্য নয়। মতিঝিলে অবস্থানের সময় কত রিকশাওয়ালা, সিএনজিচালক দলবেঁধে রাতে এসে ৫-১০ টাকার পোঁটলা দিয়ে সাহায্য করত। কত রিকশাওয়ালা বলত, ‘যতটা পারেন সারা দেশ একবার ঘুরে আসেন। সব মানুষ তো মতিঝিলে আসতে পারে না। আপনি তাদের কাছে যান।’ মূলত তাদের কথায় ৬৫ দিনের মাথায় হুজুর মওলানা ভাসানীর সন্তোষ, তারপর সেখান থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফটকে তাঁবু ফেলেছিলাম। সে এক মহাদুর্ভাগ্যজনক ঘটনা! সাভার স্মৃতিসৌধের বিশাল আঙিনায় কম করে ৪-৫ হাজার বাতি। কিন্তু আমি যেখানে বিছানা ফেলেছিলাম, সেখানে আমার আশপাশের ৮-১০টি বাতি নিভিয়ে দেওয়া হয়। সারা রাত ঘুমাতে পারিনি- একে তো মশা, তার ওপর বাতি নেভানোর যন্ত্রণা। বার বার মনে হচ্ছিল, যদি নিহত হতাম, শহীদদের স্মরণে কত বাতি জ্বলছে, এসব বাতি আমার জন্যও জ্বলত। মরতে পারিনি, শুধু এই দুর্ভাগ্যের জন্য আমার উপরের বাতি নিভিয়ে দেওয়া হলো! তাহলে এই দেশে এই সমাজে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান নিয়ে যা বলা হয় সবই মিথ্যা, সবই ছলনা, সবই মেকি? মরলে সম্মান, বেঁচে থাকলে লাঞ্ছনা। পরদিন গিয়েছিলাম গোপালগঞ্জ। যাওয়ার পথে কাশিয়ানীর এমপি কর্নেল ফারুক খানকে জানিয়েছিলাম। তিনি তার কর্মীদের বলে রেখেছিলেন। তারা যথেষ্ট আদরযত্ন সহযোগিতা করেছে। কাশিয়ানীর হোগলাকান্দি কুমার নদের পাড়ে ৭ এপ্রিল রাতে ছিলাম। সন্ধ্যায় সে কী ঝড়-তুফান। মনে হয় এর আগে অমন দুর্যোগ কখনো দেখিনি। পরের রাত টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর কবরে পায়ের কাছে ছিলাম। এমনই কত ঘটনা, কত স্মৃতি। মে’র কোনো একসময় গিয়েছিলাম কিশোরগঞ্জ। কটিয়াদীর মধ্যপাড়া স্কুলমাঠের পাশে শ্মশানঘাটে তাঁবু ফেলেছিলাম। জানতাম না, ভাগ্যই টেনে নিয়েছিল কিশোরগঞ্জ সদরের ভাটগাঁও কবরস্থানের পাশে। সেখানে শবেবরাতের কারণে তিন দিন ছিলাম। ’৯৭ সালের ৯ তারিখ ভাটগাঁও হাইস্কুলের মুখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটি কাঁঠালের চারা লাগিয়েছিলেন। তার সে কী দুরবস্থা! পুষ্টিহীন বস্তির শিশুদের মতো শুকিয়ে গেছে। চারাটির অবস্থা দেখে বড় ব্যথিত হয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রীর হাতে বোনা কোনো চারার অবস্থা অমন পুষ্টিহীন হলে দেশের অবস্থা কেমন হবে? ভাটি বাংলার মানুষ বড় সহজ-সরল। তাই সেখান থেকে বৌলাই করিমগঞ্জ হয়ে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম-বাজিতপুর হয়ে পাকুন্দিয়া, হোসেনপুর, গুপ্তবৃন্দাবনে ঘাঁটি গেড়েছিলাম। এমনই কত জায়গা, কতখানে গেছি। এর মধ্যে রোজা এসেছে, রোজা গেছে, ঈদ এসেছে, ঈদ গেছে, ভারতের মহামান্য রাষ্ট্রপতি শ্রী প্রণব মুখার্জির স্ত্রী শ্রীমতী শুভ্রা মুখার্জি ইহলোক ত্যাগ করেছেন। তার অন্ত্যেষ্টিতে যেতে পারিনি, শ্রাদ্ধে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে ফিরেই এক নতুন পরিস্থিতি। বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকী সংসদ সদস্যপদ ত্যাগ করলে সেখানে উপনির্বাচনের তোড়জোড় শুরু হয়। আমাদের দল কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ বেশ কটি উপনির্বাচনে অংশ নেওয়ার চেষ্টা করেছে। সে হিসেবে কালিহাতী উপনির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। লোকজনের চাপাচাপিতে একসময় নিজেই প্রার্থী হই। সেভাবেই কাজকর্ম চলে। শুধু মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত সোনার বাংলা প্রকৌশলী সংস্থার ঋণ পুনঃতফসিল করা নিয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের দিন সাপের পাঁচ পা দেখানোর মতো করে মনোনয়নপত্র বাতিল করে। আমি হাইকোর্টে যাই। হাইকোর্ট বৈধ ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের রায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন। তিনি তার সব ধৈর্য হারিয়ে বলে বসেন, সরকার আপিল করবে। ওর আগে কোনো নির্বাচনে মনোনয়নের বৈধতা নিয়ে সরকার আপিল করেনি। প্রার্থীরা দু-এক জন করেছেন। দুই দিন আপিল করবেন, আপিল করবেন লম্ফঝম্প করলেও তার আপিল করার কোনো সুযোগ ছিল না। কারণ সরকার কোনো পক্ষে ছিল না। পরে অন্যায়-অযৌক্তিকভাবে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ হয়ে আপিল করেছে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করে। তার কোনো পক্ষ হওয়ার উপায় বা সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে তারা তা-ও করেছে। চারদিকে গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চান না আমি সংসদে যাই, তাই তারা অত তৎপর। আমি বিশ্বাস করতে পারলে খুশি হতাম কিন্তু এখনো তা করতে পারছি না। সে জন্য নাখোশ না থেকে উপায় কী? স্বস্তিতে আমার বছর কাটে দিনের মতো। কিন্তু অস্বস্তিতে দিন যায় না। একে তো কুশিমণির টাইফয়েড হওয়ায় মন খারাপ, তার ওপর নানা অস্বস্তি। ৩১ জানুয়ারির মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে সুপ্রিমকোর্ট হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছেন। আমার বিশ্বাস, সেখানে আমরা ন্যায়বিচার পাব।

গোদের উপর বিষফোড়ার মতো পৌর নির্বাচনে আবার নির্বাচন কমিশন ঘোড়ার আগে গাড়ি জুড়ে বসে আছে। শুরু থেকে আজ পর্যন্ত কী যে হেলাফেলা, কী যে ছেলেখেলা বলে শেষ করা যাবে না। এই প্রথম রাজনৈতিক দলের প্রতীকে পৌর এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্র্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কারবারই রাজনীতি। মাছের যেমন পানি ছাড়া চলে না, তেমনি রাজনৈতিক দল ছাড়া নির্বাচন কমিশন অসাড়, অচল। অথচ দেশে প্রথম স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে নির্বাচন হতে যাচ্ছে, কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন আলাপ-আলোচনার প্রয়োজনবোধ করেনি। মেয়র বা চেয়ারম্যান দলীয় প্রতীকে, কাউন্সিলর, মেম্বারদের প্রতীকের প্রয়োজন নেই- মানে নামাজ পড়তে পারবেন, অজু করতে পারবেন না। জাতীয় নির্বাচনে রাজনৈতিক দল যাচাই-বাছাইয়ের আগে একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারে, প্রত্যাহারের আগে প্রকৃত প্রার্থী কে তা ঠিক করে দেয়। পৌরসভায় শুধু একজনকে মনোনয়ন দিতে হবে, একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন দিলে সব অবৈধ হবে, মানে ইচ্ছা হলে কোনো দলকে নির্বাচন থেকে যাতে বাইরে রাখতে পারে। নির্বাচনী আইনে স্পষ্ট বলা আছে, দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বা সমপর্যায়ের পদাধিকারীর স্বাক্ষরে মনোনয়ন দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে আবার কে মনোনয়ন দেবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির স্বাক্ষরযুক্ত পত্র তফসিল ঘোষণার পাঁচ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হবে। এ যে জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও পৌর নির্বাচনের কায়দাকানুন বেশি। এভাবে আর যাই হোক গণতান্ত্রিক রাজনীতি চলে না। রাজনৈতিক দলকে এভাবে গুরুত্বহীন হেলাফেলা করলে রাজনীতিই গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে। এসব ত্রুটি এবং অসঙ্গতি দূর না করে নির্বাচন কমিশন খামখেয়ালি করে অগ্রসর হলে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। জানি না, এর পরও নির্বাচন কমিশন শত সহস্র ত্রুটি নিয়ে অগ্রসর হবে কিনা। কাঁধে ভূত চাপলে কেউ সোজা রাস্তা দেখে না, দেখলেও চলে না। দেখা যাক, সামনে কী হয়!

২৮ জানুয়ারি মতিঝিলের ফুটপাথে অবস্থানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা করেছিলাম। আজ বেলা ১১টায় সেই মতিঝিলের ফুটপাথে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করব। ৩০৮ দিনের আনন্দ-বেদনা, হাসি-কান্নার সময়গুলো নিয়ে একটি বড় লেখা অল্প দিনের মধ্যেই দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার ইচ্ছা আছে। এ ৩০৮ দিনের ১৭৭ দিন হাটে-মাঠে-ঘাটে-স্কুলের বারান্দায়, ৩৫ দিন টাঙ্গাইলের সোনার বাংলার বাড়িতে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন ছাড়া যাযাবরের মতো, ১২ দিন মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডে শাহানা-দুলালের বাসায়, ৩ দিন মতিঝিলের জানালা ছাড়া এক দরজার খোপের মতো অফিসঘরে, ১০ দিন সখিপুরের বাড়িতে, ২ দিন টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধুর মাজারে পিতার পায়ের কাছে, ১ দিন হুজুর মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার সন্তোষে, বাদবাকি ৬৮ দিন সাধারণ মানুষের বাড়িঘরে। আজ মঙ্গলবার পহেলা ডিসেম্বর, স্বাধীনতার মাসে সাংবাদিক, দলীয় নেতা-কর্মী এবং আপামর জনসাধারণকে ধন্যবাদ জানিয়ে অবস্থান কর্মসূচির প্রথম পর্বের সমাপ্ত ঘোষণা করছি।

লেখক : রাজনীতিক

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়