শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:০৬, বুধবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৫

রৌদ্র ছায়ার নিচে

মাকিদ হায়দার
অনলাইন ভার্সন
রৌদ্র ছায়ার নিচে

প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ প্রফেসর রমেশচন্দ্র মজুমদারের বাংলাদেশের ইতিহাস (৪ খণ্ডে সমাপ্ত) গ্রন্থের প্রতিটি পাতায় পাওয়া যায় প্রাচীন যুগের নানা ঘটনাবলি, সে যুগের ইতিহাস। যেমন প্রথম খণ্ডের প্রথম সংস্করণের ভূমিকায় তিনি জানিয়েছেন, ‘প্রাচীন ভারতবাসীরা সাহিত্যের নানা বিভাগে বহু গল্প প্রণয়ন করিয়াছেন কিন্তু নিজেদের দেশের অতীত কাহিনী লিপিবদ্ধ করিবার জন্য তাহাদের কোনো আগ্রহ বা উত্সাহ ছিল না।’

প্রফেসর মজুমদার জানিয়েছেন, কাশ্মীরের পণ্ডিতপ্রবর ‘কহলন’ তিনি ‘রাজ-তরঙ্গিনী’ গ্রন্থে সেকালের কাশ্মীরের ইতিহাস ধারাবাহিক লিখেছিলেন, পরবর্তীতে ভারতবর্ষে অবিক্ষত হয়নি, ফলশ্রুতিতে প্রাচীন যুগের ইতিহাস বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। উনবিংশ শতাব্দীতে ইউরোপের পণ্ডিতেরা ভারতের প্রাচীন লিপি, মুদ্রাসহ অন্যান্য অনেক কিছুই আবিষ্কার করে ইউরোপীয়দের সহযোগিতায়। বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা যে কী পরিমাণ ছিল সেটি অভাবনীয়। তবে ১৮০৮ সালে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক পণ্ডিত মৃত্যুঞ্জয় শর্মা, তার ‘রাজ তরঙ্গ’ অথবা ‘রাজা বর্গী’ গ্রন্থই তার উত্কৃষ্ট প্রমাণ। ওই বই দুটি পাঠ করলে অবশ্যই জানা যাবে বাংলার প্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কে বাঙালি জাতির স্মৃতি ও জনশ্রুতি যে কতদূর বিকৃত হয়েছিল এবং বিগত ৫-৬শ বছরের মধ্যে বাঙালিদের ইতিহাস ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন ইতিহাসবিদ। প্রথম খণ্ডের সূচিতে ২২টি পরিচ্ছেদ আছে এবং অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে জানিয়েছেন ১৯ পরিচ্ছেদে এবং ২২ পরিচ্ছেদে দেখতে পাই, বাংলার ইতিহাস ও বাঙালি জাতি, সেখানেই আছে নিবেদনম। রাজা ও রাজবংশের কাল বিজ্ঞাপক সূচি, খ্রিস্টাব্দ। তবে আনুমানিক।

৪র্থ ও ৫ম শতাব্দীতে দেখতে পাই গুপ্ত সাম্রাজ্যের যাত্রা। হয়তো পাল রাজা এবং সেন রাজাদের বিস্তৃত বর্ণনা দেওয়া সমীচীন নয় ভেবেই বলা হয় গুপ্ত সাম্রাজ্যের ২য় গুপ্তের নাম ছিল চন্দ্রগুপ্ত। তার রাজত্বকালে ছিলেন প্রখ্যাত কূটনীতিক, উপদেষ্টা এবং অর্থশাস্ত্র রচয়িতা, যার নাম ওই ২য় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকাল থেকে ভারতবর্ষের অর্থনীতিবিদরা এবং ১৯৭১-এর আগে  পাকিস্তানের (পূর্ব-পশ্চিম) প্রায় সব অর্থনীতিবিদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্রছাত্রী, অর্থমন্ত্রী, ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, এমনকি বিভিন্ন কলেজে যেসব অধ্যাপক অর্থনীতির পাঠ দিতেন তারাও নিশ্চয়ই জানতেন ২য় চন্দ্রগুপ্তের সেই কূটনীতিক, উপদেষ্টা এবং অর্থশাস্ত্র প্রণেতার নাম।

আমার বিশ্বাস বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর যারা অর্থমন্ত্রী অর্থসচিব হয়েছিলেন এবং আজ অব্দি যারা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক থেকে শুরু করে ছাত্রছাত্রী সবাই জেনেছেন, কীর্তিমান সেই লোকটির নাম। এবং অতীতে যারা বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে ইকোনমিক ক্যাডার হয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন শাখায় যোগ দিয়েছিলেন এবং এখনো দিচ্ছেন তারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন ২য় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে তার অর্থ উপদেষ্টা, কূটনীতিবিদ কে ছিলেন। ছিলেন ‘চাণক্য’। যিনি আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীর বিখ্যাত কূটনীতি বিশারদ। পণ্ডিত এবং অর্থশাস্ত্রের একজন পণ্ডিতপ্রবর। অপরদিকে এ চাণক্যই কৌটিল্য নামেও সমধিক পরিচিত— কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র কিংবা রাজনীতিক চাণক্যের শাস্ত্র বাংলাদেশের বিসিএস ক্যাডার (ইকোনমিক) সার্ভিসের সবাই হয়তো জেনে থাকবেন, কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে নাকি বার বার বলা হয়েছে, যদি কারও কাছ থেকে টাকা ধার নাও, কিংবা দাও, অবশ্যই গুনে নেবে, কিংবা দেবে।

আমাদের ধর্মেও আছে টাকা গুনে নেওয়া এবং গুনে দেওয়া সুন্নত। সেই সুন্নতই পালন করেছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কীর্তিমান কর্মকর্তা। যদিও তার চেয়ারটি অতি লোভনীয় এবং ওই চেয়ারে যিনি অধিষ্ঠিত তার স্বাক্ষর ছাড়া দেশে আমদানি-রপ্তানি অসাধ্য। সেই অসাধ্যকে যারা সাধ্যের ভিতর এবং নিজের করায়ত্তে নিতে পেরেছিলেন তারা বা তিনি সৌভাগ্যবান, যেহেতু স্বাক্ষরদাতাকে খুশি করতে হলে তাকে অবশ্যই উেকাচ দিতে হবে এবং উেকাচ গ্রহীতা ধর্মের সুন্নত মানতে গিয়ে গুনে গুনে টাকা নিয়েছিলেন। ‘ঘুষ’ শব্দটা আমার কাছে খুবই অপ্রিয়। কেননা ঘুষ নিয়ে থাকেন নন-ক্যাডাররা। সেটি থানার সিপাই থেকে ‘বড় বাবু’ সিটি করপোরেশনের কানুনগো কিংবা আয়কর বিভাগের কেরানিকুল। তাদের পক্ষে ঘুষ শব্দটি প্রযোজ্য বলে আমার ধারণা।

উেকাচ শব্দটি শুনতে যেমন শ্রুতিমধুর এমন অনেক ক্ষেত্রেই জনসাধারণ বুঝতেও পারেন না, শব্দটির মূল অর্থ। সেদিক থেকে সেই বিসিএস কর্মকর্তা বরং মানহানির মামলা করতে পারেন যে সাংবাদিক তার বিরুদ্ধে লিখেছিলেন শহীদুল হক ‘গুনে গুনে ঘুষ খান।’ গুনে গুনে ঘুষ নেওয়ার যে ছবিটি আমরা বহুল প্রচারিত বাংলা পত্রিকায় দেখলাম, তখনই আমার মনে পড়ল ব্রিটিশদের ভারতবর্ষ শাসনের একটি চমকপ্রদ কাহিনী। যেটি আমি শুনেছিলাম, সেই মানুষটির কাছ থেকে, তার কালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে, এক শীত সন্ধ্যায় চা কফি খেতে খেতে। সেই মানুষটির বাড়িতেই আশ্রয় পেয়েছিলেন আমার অনুজ দাউদ হায়দার।

১৯৮৫ সালের জানুয়ারির শীত সন্ধ্যায় বেশ আড্ডা জমেছিল সেই ‘ডবল’ আইসিএস, (ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস) এর ড্রয়িং রুমে পুরো আড্ডার বিষয় ছিল, শিল্প-সাহিত্যকে কেন্দ্র করে। কলকাতার জনাদুই কথাসাহিত্যিক, কবি, একজন গৃহকর্তার স্ত্রী আমার অনুজ এবং আমিসহ প্রায় ৫-৬ জন ছিলাম সেদিনের সেই সন্ধ্যায়।

সাহিত্যের আড্ডায় প্রবেশ করল ভারতের এবং বাংলাদেশের রাজনীতি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতিবসু আর বাংলাদেশের হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। গৃহকর্তা ডাবল আইসিএস শ্রোতার ভূমিকায় তর্কটা শুরু হয়েছিল, বাংলাদেশের মিলিটারি শাসন নিয়ে। ক্ষমতা কুক্ষিগত করা হয়েছে, ’৭৫-এর পটপরিবর্তনের পরপরই। জিয়াউর রহমান, বাংলাদেশটাকে মৌলবাদের আখড়া হিসেবে গড়তে চেয়েছিলেন বলেই প্রবেশ করতে দিয়েছিলেন বিখ্যাত গোলাম আযমকে এবং যে শাহ আজিজ, ’৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের বিপক্ষে, জাতিসংঘে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের পক্ষে কথা বললেন, সেই আজিজকেই জিয়াউর রহমান দেশের প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছিলেন।

জিয়াউর রহমানের কীর্তিকথা বাংলাদেশের জনগণ যেমন জানেন  তেমন রাষ্ট্রপতি এরশাদ সাহেব সম্পর্কেও কমবেশি আমরা জানি। তিনি কীভাবে ক্ষমতায় এলেন এবং আরও জানি তিনি তো মহাজের, এখন নাকি রংপুরের বাসিন্দা। শাসন চালাতে গিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় কম করে— জেনারেলরা ১০ থেকে ১২ বছর চেয়ার আঁকড়ে রাখেন। এমনকি দেশে যেন তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে না পারেন, সেদিকটিতেও তার নিজস্ব গোয়েন্দা বাহিনী কাজ করে, যেমন ইরানে, ইরাকে, লিবিয়ায় আছে শাসকদের নিজস্ব গোপন গোয়েন্দা বাহিনী।

তবে গণতন্ত্রের জন্য বাংলাদেশে একদিন সংগ্রাম শুরু হবে, সেটি ৫ থেকে ১০ বছরের ভিতরেই। রক্তক্ষয় হবে। বাড়বে দুর্ভোগ জনগণের। প্রশাসনে দেখা দেবে অস্থিরতা, কারণ মিলিটারিদের ক্যাপ্টেন থেকে ঊর্ধ্বতনদের ধারণা, তারা সবকিছু জানেন, জানেন কীভাবে শাসন করতে হয়। এমনও দেখা গেছে, মেজর সাহেব হয়তো জেলা প্রশাসক বানিয়েছেন তার অধীনস্থ কর্মকর্তা, কিন্তু পড়ালেখায়, মেজর সাহেব এবং জেলা প্রশাসকের ফারাক বেশ লক্ষণীয়। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে ‘দুর্নীতি’ এসে বাসা বাঁধে সেই শাসকের পক্ষে।

ডাবল আইসিএস ভদ্রলোকের নাম অন্নদাশংকর রায়। স্ত্রী লীলারায়— [লীলারায় আমেরিকান ভদ্রমহিলা। বিশিষ্ট অনুবাদক এবং সত্যজিত্ রায় যতগুলো ছবি বানিয়েছেন, তার সবগুলোরই-ইংরেজি সাবটাইটেল লীলা রায়ের করা।] অন্নদাশংকর রায় ও মিসেস রায়কে আমাদের হায়দার পরিবারের অগ্রজ থেকে অনুজ সবাই, দাদু এবং দীদা বলে সম্বোধন করে থাকি, কেননা দাদুর আনুকূল্য পেয়েছিল দাউদ এবং দীর্ঘদিন একই সঙ্গে ওই পরিবারের নিকটজন হয়ে একজন মুসলমান ছেলেকে ওই পরিবারটি আশ্রয় দিয়েছিল— হিন্দু, মুসলিম ভুলে গিয়ে, মি. রায় এবং মিসেস রায়ের বদান্যতায় আমরা যারাই ঢাকা থেকে যেতাম, তাদের সবারই আশ্রয় হতো বালিগঞ্জের দাদুর ফ্ল্যাটে।

মি. রায় এতক্ষণ একটি কথাও বলেননি, তিনি শুনে যাচ্ছিলেন— হঠাত্ যেন সবাইকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, দেশ ভাগের আগে পূর্ববঙ্গের রাজশাহী-ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, কুষ্টিয়া বিভিন্ন জেলায়, প্রশাসক থেকে বিচারপতি পদে চাকরি করেও একবারও মনে হয়নি, কলকাতায় বা উড়িষ্যার ঢ্যাংকানলে পৈতৃক জায়গায় বাড়িঘর বানাই, চারদিকেই ছিল উেকাচ গ্রহণের বা বিসর্জনের কাল। আমি বিসর্জনের দিকে ছিলাম, কলকাতা শহরে আমার একটি বাড়ি বা ফ্ল্যাট নেই, এ ফ্ল্যাটটি আমার ছেলের— দুর্নীতি করে সাধারণত ছোটঘর থেকে যেসব ছেলেমেয়ে আসে তারা উচ্চশিক্ষা শেষে কর্মজীবনে, সরকারের ভালো একটি চেয়ার পেলেই, উেকাচ গ্রহণের স্পৃহা জন্ম নিতে বাধ্য। যেহেতু ওই ছেলে বা মেয়েটি, কোনো সচ্ছল পরিবার থেকে আসেনি, এসেছিল একটি হাভাতে ঘর থেকে, তাই তার পক্ষে দুর্নীতি করা সহজ। সেহেতু তিনি যখন নগদ অর্থ গ্রহণ করেন তখনি তার মনে পড়ে একটি শার্ট, একটি প্যান্ট পরে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করেছি। যেহেতু দরিদ্র পিতার পক্ষে সম্ভব হয়নি দুটি শার্ট, দুটি প্যান্ট, দুই জোড়া জুতা কিনে দেওয়ার। অতীত যখন সম্মুখে দাঁড়ায় তখনই ঘটে বিপর্যয়।

কথা প্রসঙ্গে জানালেন আরও একটি চমকপ্রদ কাহিনী— সেটি শুনে সেদিনের সেই শীত সন্ধ্যায় আমরা সবাই যেন আকাশ থেকে পড়লাম। মি. রায় বললেন, ইংরেজরা শোষক, অত্যাচারী, অন্যের দেশ দখলের যাবতীয় কর্ম তাদের থাকলেও তারা ভারতবর্ষে শিক্ষার ওপর যতটা গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং সেই শিক্ষা সমাপ্তে যদি কোনো ছেলে বা মেয়ে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে বা বেঙ্গল সিভিল সার্ভিসে (বিসিএস দেশ ভাগের আগে ব্রিটিশদের প্রদত্ত নাম) পরীক্ষা দিতে চাইলে অবশ্যই দিতে পারতেন কিন্তু সর্বশেষে যাচাই-বাছাই করতেন খোদ ইংরেজ আইসিএস অফিসার, এমনিতরো পূর্ববঙ্গের এক দাশ অথবা সাহা, পাল পদবির এক কৃতী ছাত্র, জীবনে যিনি দ্বিতীয় হননি, তিনি ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও শেষ অবধি ইংরেজি শাসক তাকে চাকরি না দিয়ে শেষ ইন্টারভিউ বোর্ডে বলেছিলেন, মি. ... তোমার জন্য কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ই উপযুক্ত স্থান। তুমি নিঃসন্দেহে হবে কীর্তিমান শিক্ষক। সেই মিস্টার দাশ-সাহা-পালের চাকরি হয়নি ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে। ইংরেজরা জানতেন ছোটঘরের ছেলের জন্য ওই চেয়ার নয়, ওই চেয়ারে বসলে দুর্নীতি হবেই হবে। সেই শীত সন্ধ্যার কথা দিনকয়েক আগে মনে পড়ল, ডাবল আইসিএস অন্নদাশংকরের ব্রিটিশ আমলের অনেক গল্প শুনলেও মনে গেঁথে আছে, সেকালে ইংরেজরা কেন ছোটঘরের ছেলেদের প্রশাসনে চাকরি দেননি। হয়তো ওরা জানতেন বড় চেয়ার দিলেই গুনে গুনে ঘুষ খাবে।

আমার মনে হয় দোষটা কৌটিল্যের বা চাণক্যের। তিনি যদি টাকা গুনে না নিতে বলতেন তাহলেই কিন্তু শহীদুলের কিছুই হতো না। অপরদিকে অনুশাসন মানতে গিয়েই হাজার হাজার শহীদুলের এক শহীদুল ধরাশায়ী হলেন। অথচ ধরাশায়ী হন না সদ্য প্রমোশন পাওয়া পুলিশের এসআই মহানগর প্রকল্পের ব্লক ডি-এর বাসিন্দা, ৬ তলা বাসভবন বানিয়ে ভবনের নিচে গাড়ির গ্যারেজ ভাড়া দিয়ে পরিবেশ নষ্ট করা মি. রহমান।

প্রফেসর রমেশচন্দ্র মজুমদার বেঁচে থাকলে হয়তো ইতিমধ্যে আরও ৪ খণ্ড লিখতেন বাংলাদেশের দুর্নীতি নিয়ে।

লেখক : কবি


বিডি-প্রতিদিন/ ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৫/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়