শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:২৪, বৃহস্পতিবার, ০৭ জানুয়ারি, ২০১৬

ঢাকাও কমাতে পারে জ্যাম আর দূষণ

তসলিমা নাসরিন
অনলাইন ভার্সন
ঢাকাও কমাতে পারে জ্যাম আর দূষণ

প্রথম দিন :

আজ দিল্লিকে সত্যি চেনা যায়নি। বিকেলে বেরিয়েছি। মনে হচ্ছিল ছুটির দিন বুঝি। অথবা হরতাল চলছে। কিছু রাস্তা তো পুরোই ফাঁকা। নীতি মার্গে গিয়ে গাড়ি থামালাম। মনে হচ্ছিল উত্তর ইউরোপের কোনও সুনসান শহর বুঝি। রাস্তা পড়ে আছে একা। হঠাত্ হঠাত্ দু’একটা গাড়ি নিস্তব্ধতার গায়ের ওপর দিয়ে ঝড়ের বেগে কোথাও চলে যাচ্ছে। উত্তর ইউরোপের কিছু কিছু দেশের  জনসংখ্যাই কোথাও কোথাও এক কোটি নয়। আর দিল্লি শহরের জনসংখ্যা প্রায় আড়াই কোটি। বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল শহর দিল্লি। টোকিওর ঠিক পরেই রয়েছে দিল্লি। দিল্লিকে ঠিক এরকম শান্তশিষ্ট মানায় না।

বিকেলের যে সময়টায় আমি বেরিয়েছিলাম শহরে, সে সময় ট্রাফিকের যন্ত্রণায় গাড়িকে থেকে থেকে ঝিমোতে হয়। যেখানে পৌঁছোতে আমার অন্যদিন দেড় ঘণ্টা খরচ হয়, সেখানে পৌঁছোতে আজ লাগলো কুড়ি মিনিট। তার মানে এই জোড়-বেজোড়ের ফর্মুলা ভালো কাজ করছে। একদিন জোড় নাম্বারের গাড়ি চলবে, পরদিন বেজোড় নাম্বারের গাড়ি চলবে। এই নিয়মটি দিল্লির নিজস্ব নয়। কয়েক বছর আগে বেইজিং এই নিয়ম চালু করে ভালো সুফল পেয়েছে। দিল্লিও সুফল পেলো প্রথম দিন। তবে লোকেরা বলছে, আজ অনেকের ছুটি ছিল, সামনের সপ্তাহে বোঝা যাবে এই জোড়-বেজোড় ফর্মুলা আদৌ কাজ করবে কি না। আজ দূরদর্শনের এক সাংবাদিক-বন্ধুর সঙ্গে দেখা হলো, ও বললো সোমবারে ও মেট্রো চড়ে অফিসে যাবে। এর আগে কোনওদিন মেট্রোতে অফিসে যায়নি, এবার শুরু করবে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অন্যের গাড়ি চড়ে অফিসে গিয়েছেন আজ, যেহেতু তাঁর গাড়ির নম্বর বেজোড়। পর্যটনমন্ত্রী তো বাইক চালিয়ে অফিসে গেছেন। ভাবতেই ভালো লাগছে দিল্লিকে বায়ুদূষণ থেকে মুক্ত করার জন্য শেষ অবধি ভালো একটি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং সচেতন অনেক নাগরিকই নিয়ম মেনে চলছেন।

বিশ্বের এক নম্বর দূষিত শহর দিল্লি। আগে শীর্ষে ছিল বেইজিং। বেইজিং দূষণ কমিয়ে এক নম্বর থেকে সরে গেছে। উঠে এসেছে দিল্লি। পুরোনো ডিজেল গাড়ি নিষিদ্ধ না করলে চলছে না। এসব গাড়ি থেকেই দূষণ ছড়ায় বেশি। বাতাসে দূষণ এত ভয়ংকর যে মানুষ ফুসফুসের অসুখে ভুগতে শুরু করেছে। ফুসফুসের ক্যান্সারের জন্য আর সিগারেট ফোঁকার প্রয়োজন নেই। দিল্লির হাওয়া খেলেই ক্যান্সার ধরবে। হাওয়ায় কারসিনোজেন উড়ছে। এমন কোনও দিন নেই যেদিন আমি দিল্লির রাস্তায় হেঁটেছি কিন্তু কাশিনি বা নির্বিঘ্নে শ্বাস নিতে পেরেছি। সেদিন এক ফার্মেসিতে ঢুকে দেখলাম মাস্ক বিক্রি হচ্ছে। অনেকে এখন মাস্ক পরে চলাফেরা করে।

জমাট বাঁধা, দূষিত, ভারী হাওয়া থমকে থাকে দিল্লিতে। আকাশ এখানে আর নীল নয়। মানুষের চেহারাও আর স্পষ্ট নয়। কীরকম ভুতুড়ে হয়ে উঠেছে এই শহর। শীত আসে। শীতের পিঠে চড়ে প্রবল দূষণ আসে। দীর্ঘ গ্রীষ্মের পর শীত উপভোগ করা হয়ে ওঠে না। দিল্লির কনকনে শীতের চেয়েও দূষণের দুশ্চিন্তায় কাঁপি বেশি। আরও মেট্রোর লাইন বাড়ুক। আরও পাবলিক বাস বাড়ুক। মধ্যবিত্ত আর উচ্চবিত্তরা বিত্তের অহংকার ভুলে মেট্রো, বাস, বাইক ব্যবহার করুন। বড় রাস্তার কিনার ঘেঁষে সাইকেলের রাস্তা করে দেওয়া হোক, দিল্লির মানুষ সাইকেলে যাতায়াত করুন। আজ দিল্লিকে দিল্লি বলে চেনা যায়নি। মানুষ যে দূষণমুক্ত দিল্লি চাইছে, আজই তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। আজ খুব কম লোকই জোড় নম্বরের গাড়ি বের করেছে রাস্তায়। ১৫ দিন এই নিয়ম চলবে। আশা করছি এই নিয়মটি আরও দীর্ঘকাল চালু রাখা হবে যতদিন দিল্লির হাওয়া পাকাপাকিভাবে বিশুদ্ধ হচ্ছে।

বার্লিন শহরের কথা মনে পড়ছে। ওখানে সাইকেল যারা চালায়, তাদের মূল্য অনেক বেশি। এমন কোনও রাস্তা দেখিনি, যেখানে সাইকেলের জন্য আলাদা রাস্তা নেই। স্টকহোমে দেখেছি অনেক মন্ত্রীই সাইকেল চালান। বায়ুদূষণ নেই, তারপরও ভবিষ্যতে যেন দূষণ না হয়, সেই চেষ্টা করেন। এমন সচেতন নাগরিক আমরা কি দিল্লিতে পাবো? অথবা নাগরিকদের পরিবেশ বিষয়ে সচেতন করার দায়িত্ব কি সরকার নেবেন? নাকি ফুসফুসের ব্যাধির পেছনে দেশকে ঢালতে হবে শত-কোটি টাকা আর চেয়ে চেয়ে আমাদের নিরুপায় দেখতে হবে মানুষের অকাল মৃত্যু?

দ্বিতীয় দিন :

আমার গাড়ির প্লেটে জোড় নম্বর। বেজোড় নম্বরের দিনে গাড়ি বের করছি না। আমার সঙ্গে সিকিউরিটি পুলিশ থাকে। ভিআইপি বলে আমাকে চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু আমার অধিকার নেই জোড়-বেজোড়ের নিয়ম ভাঙা। গ্যাসে চলে যেসব গাড়ি, মেয়েরা যেসব গাড়ি চালায়— সেসব চলতে পারবে রাস্তায় যে কোনও দিন। ভিআইপিদের এই অধিকার নেই। এই নিয়মটি আমার বেশ ভালো লেগেছে। ভিআইপিদের ভগবান মানার অভ্যেস অনেকের। ভিআইপিদের সাত খুন মাফ। কিন্তু অরবিন্দ কেজরিওয়াল ভিআইপিদের বাড়তি সুবিধে দিচ্ছেন না। শহরে হাজার হাজার ভিআইপি। ভিআইপিরাই দূষণ বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট।

বড় বড় লাক্সারি ডিজেল গাড়ির নির্মাতা অনুরোধ করেছেন যেন তাদের গাড়ি থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন করেছে, তোমাদের গাড়ি থেকে কি অক্সিজেন নির্গত হয়? ডিজেল গাড়িই যত নষ্টের মূল। বিশেষ করে পুরনো হওয়ার পর। কিন্তু ডিজেল গাড়ির ব্যবসায়ীরা নিজেদের ব্যবসার কথা ভাবছে, বায়ুদূষণ নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই। ব্যবসায়ীদের এই সমস্যা, জীবনকে গুডবাই বলতে পারে, প্রাচুর্যকে নয়।

জোড়-বেজোড়ের নিয়মটি এ অবধি মন্দ চলছে না। রাস্তায় ট্রাফিক কম। দূষণও খানিকটা কমছে। কিন্তু দুর্নীতিবাজরা তো বসে বসে বুড়ো আঙুল চুষবে না। তারা দুর্নীতির চেষ্টা যে করেই হোক করবে। দুর্নীতির দেশে দুর্নীতি না চলে কি উপায় আছে। এর মধ্যেই গ্যাস স্টেশনের লোকেরা সিএনজি স্টিকার বিক্রি করতে শুরু করেছে। না, গ্যাসে যাদের গাড়ি চলে তাদের কাছে নয়। যাদের গাড়ি গ্যাসে চলে না, তাদের কাছে। প্রতি সিএনজি স্টিকার ২৮০০ টাকা। ২৮০০ টাকা খরচ করে প্রতিদিন গাড়ি চালাবার সুযোগ পাচ্ছে তারা। এইসব দুর্নীতি বাদ দিলেও দিল্লির অধিকাংশ মানুষ জোড়-বেজোড় নিয়মটি মেনে চলছে। পাবলিক বাসে আর মেট্রোতে ভিড় আগের চেয়ে অনেক বেশি বেড়েছে। মেট্রোর লাইন বাড়লে আর পাবলিক বাস বাড়লে দিল্লি আরও দূষণ রোধ করতে পারবে, এই বিশ্বাস আমার।

মেট্রোতে ভিড় বাড়ছে। কখনও মেট্রোয় চড়িনি আমি। দিল্লির মেট্রো শুনেছি খুব সুন্দর, ঝকঝকে। এর মধ্যেই একদিন মেট্রো চড়ার ইচ্ছে আছে।

জোড় নম্বরের দিন গাড়ি চালিয়েছি। কিন্তু লক্ষ করেছি বেজোড় নম্বরের কিছু গাড়ি দিব্যি আমার গাড়ির গা ঘেঁষে চলে গেল। লক্ষ করলাম কোনও মেয়ে ড্রাইভিং সিটে নেই, গ্যাসে চলার গাড়ি নয়। মেডিক্যাল ইমারজেন্সি? হতে পারে। এও হতে পারে মালিক দু’হাজার টাকা জরিমানা দিয়েও আজ গাড়ি চালাবে পণ করেছে। কিছু কিছু মানুষ এখনও ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না বায়ুদূষণ দূর করা কী রকম দরকারী। আমি কি বেজোড় নম্বরের দিনে গাড়ি চালাচ্ছি না দু’হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে বলে? না তা কিন্তু নয়, আমি চালাচ্ছি না বায়ুদূষণ কমানোর জন্য। গাড়িটা ব্যবহার করতে হয় নিরাপত্তার জন্য। নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যা না থাকলে সাইকেল চালাতাম। শিওর।

তৃতীয় দিন :

রাত আটটা থেকে সকাল আটটা পর্যন্ত জোড়-বেজোড় নম্বরের যে কোনও গাড়িই চলতে পারে দিল্লির রাস্তায়। কাল তাই আটটার পর বেরিয়েছি। মানুষ চাইলে বায়ুদূষণ বাড়াতে পারে, মানুষই চাইলে কমাতে পারে এটি। শুনেছি ঢাকায় দূষণও বেশি, ট্রাফিক জ্যামও বেশি। কোথাও যেতে হলে নাকি দু’তিন ঘণ্টা ট্রাফিকে আটকে থাকতে হয়। ঢাকা কি পারে না দিল্লির মতো জোড়-বেজোড় ফর্মুলা প্রয়োগ করতে? ঢাকায় মেট্রো নেই, কিন্তু পাবলিক বাসের সংখ্যা তো বাড়াতে পারে! সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য বেশি তা জানি, কিন্তু লাক্সারির চেয়ে সময়ের মূল্যও তো বেশি। কী দরকার প্রতিদিন গাড়ি বের করে! ঢাকায় তো হেঁটে হেঁটেই অনেক জায়গায় চলাফেরা করা যায়। কিন্তু ফুটপাত আছে কি শহরে? থাকলেও হয়তো দখল হয়ে গেছে।

সাইকেলের পথ? সম্ভবত নেই। সরকারের তহবিলে টাকা পয়সা নেই যানজট আর দূষণ দূর করার? ফুটপাত পরিষ্কার করার, সাইকেলের জন্য সরু পথ তৈরি করার, ভালো পাবলিক বাসের সংখ্যা বাড়ানোর? আমার বিশ্বাস, সরকারের ক্ষমতা আছে কিন্তু ইচ্ছে নেই। সরকারি লোকেরা গাড়ির জানালা দিয়ে বাইরের জগত্ দেখেন। তাদের গাড়ি যানজটে দাঁড়িয়ে থাকে না। সুতরাং তাঁরা না বুঝলেও তাঁদের বুঝিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব জনগণের নেওয়া উচিত। বাচ্চা না কাঁদলে নাকি মা-ও দুধ দেয় না। তাহলে কাঁদুক জনগণ। চিত্কার করুক।


লেখক : নির্বাসিত লেখিকা


বিডি-প্রতিদিন/ ০৭ জানুয়ারি, ২০১৬/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা