শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৪২, সোমবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৬

বিচারবিহীন নৈরাজ্য কাউকে রক্ষা করবে না

মইনুল হোসেন
অনলাইন ভার্সন
বিচারবিহীন নৈরাজ্য কাউকে রক্ষা করবে না

দেশের প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা গণতন্ত্রের সর্বশেষ ও সবচেয়ে শক্তিশালী রক্ষাকবচকে উচ্ছেদ করার প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে সাহসের সঙ্গে সোচ্চার হয়েছেন। গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের শক্তিশালী রক্ষক হিসেবে এর আগেই আইনজীবী ও সাংবাদিকদের কাছ থেকে এ ধরনের সতর্কবাণী উচ্চারিত হওয়া উচিত ছিল।  কিন্তু মনে হচ্ছে তারা যেন অগণতান্ত্রিক দলীয় রাজনীতির কর্মী হিসেবেই সুখে আছেন।

প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা বিচার বিভাগের এখতিয়ার নিয়ে প্রশাসনের নাক গলানো প্রতিহত করার এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ক্ষমতা সমুন্নত রাখার জন্য আইনজীবী ও বিচারকদের সতর্ক থাকার আবেদন জানিয়েছেন। বিচারকদের অসহায় অবস্থা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং তার এই আহ্বান যথাযথ বলেই আমরা মনে করি। বিচার বিভাগকে সরকারি কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপের দাসত্ব করতে হলে আইনের শাসন অস্তিত্বহীন এবং গণতন্ত্র অকার্যকর হয়ে পড়ে।

নির্বাচিত দলীয় সরকারকে ক্ষমতায় রেখে নির্বাচন অনুষ্ঠান সমর্থন করে আমাদের সুপ্রিমকোর্ট শুধু গণতন্ত্র নয়, বিচার বিভাগের জন্যও বিপদ ডেকে এনেছে। গণতন্ত্র রক্ষা না করে বিচার বিভাগের মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষার কথা বলা যে কতটা অবাস্তব তা এখন সবাই অনুধাবন করছেন। সুপ্রিমকোর্টের রায়ে গণতান্ত্রিক নির্বাচন খতম হয়েছে। পরে শুরু হয়েছে সুপ্রিমকোর্টের ক্ষমতা গ্রাসের প্রক্রিয়া।

প্রধান বিচারপতিকে এ কথাও বুঝতে হবে যে জামিন পাওয়া কঠিন করে এবং পুলিশ রিমান্ডে পাঠানো সহজ করে সুবিচারের নামে চলছে রাজনৈতিক ও পুলিশি নির্যাতন। বিচার ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা হ্রাস পাচ্ছে। বিচার বিভাগকে শক্তি অর্জন করতে হলে বিনা বিচারে বন্দী রাখা বা পুলিশের আওতায় নিয়ে নির্যাতন চালানো বন্ধ করতে ভূমিকা রাখতে হবে।

আওয়ামী লীগ অথবা বিএনপি যে দলেরই হোন না কেন, রাজনৈতিক নেতারা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বিষয়টি ভয়ের চোখে দেখে এসেছেন। ব্যক্তি শাসনের পথে প্রধান বাধারূপে গণ্য করেছেন। একশ্রেণির গণতন্ত্রবিরোধী আমলার চক্রান্ত কাজ করছে। একটি সেনাসমর্থিত অরাজনৈতিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে পক্ষপাতহীন বিচারের জন্য অপরিহার্য স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আইন প্রণয়ন করতে হয়েছিল। এটা গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্য চরম অবমাননাকর ছাড়া আর কিছু নয়।

বিচারপতি সিনহা আমাদের সবার উদ্দেশে বলেছেন, ‘নির্বাহী বিভাগ সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। এরা আমাদের সব ক্ষমতা কেড়ে নিতে চাইছে।’ তার এ সতর্ক বাণী অত্যন্ত স্পষ্ট এবং দ্ব্যর্থহীন।

কোথাও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ধ্বংস না করে স্বৈরাচার টিকে থাকতে পারেনি। কারণ স্বাধীন বিচার বিভাগ গণতান্ত্রিক সংবিধান রক্ষা এবং আইনের আওতায় সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অবস্থান নেয়।

আমরা অত্যন্ত আন্তরিকভাবে আশা করব, জনগণের উপকারার্থে আইনের শাসন বজায় রাখার স্বার্থে ক্ষমতালোলুপ স্বেচ্ছাচার প্রতিষ্ঠার আমলাতান্ত্রিক প্রাধান্যের কাছে বিচার ব্যবস্থাকে অবনমিত হওয়ার হাত থেকে রক্ষায় আইনজীবী সম্প্রদায় ঐক্যবদ্ধ হবেন। আইনের শাসনের অধীনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা মেনে নিয়ে আইনজীবীরা যে পবিত্র পেশাগত দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তা ভুলে গিয়ে তারা দলীয় কর্মীতে পরিণত হতে পারেন না। দলীয় কর্মীরূপে নয়, আইনজীবীদের মর্যাদা আইনজীবী হিসেবে ভূমিকা পালনের মধ্যেই নিহিত।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে নির্বাহী বিভাগের কাছে সমর্পণে বাধ্য করার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তাতে নীরব দর্শক হয়ে না থাকার জন্য প্রধান বিচারপতি আইনজীবীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। শুধু আইনজীবী নন, ন্যায়বিচারকামী গোটা জাতির উচিত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া। সরকার কর্তৃক সংসদের মাধ্যমে বিচারপতিদের বিচার করার শাসনতান্ত্রিক পরিবর্তনের বিরুদ্ধে তেমন শক্তিশালী কোনো প্রতিবাদ ওঠেনি। আইনজীবীরা দলীয় কর্মী হওয়ায় দলীয় নেতার কর্তৃত্বই তাদের কাছে প্রাধান্য পেয়েছে।

যে জাতি ব্যক্তি স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের মর্ম বোঝে না এবং গণতন্ত্রের অধীনে নিজেদের সুরক্ষার জন্য সংগ্রামে প্রস্তুত নয়, তারা স্বাধীন জাতি হিসেবে টিকে থাকার অযোগ্য। আমাদের ভাগ্যে হয়তো তাই ঘটতে যাচ্ছে। যখন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান খুরশিদ বই লিখে দাবি করেন শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিতে হয়েছে তখন এটাই বলা হচ্ছে যে, আমাদের প্রধানমন্ত্রী আমাদের দ্বারা নির্বাচিত হয়েছেন কিনা সেটা তাদের কাছে কোনো বিবেচ্য বিষয় নয়। ভারতের স্বার্থে, ভারতের ইচ্ছায় আমাদের সরকার গঠিত হবে, এ দোষ ভারতের নয়— দোষ আমাদের এবং আমাদের দুর্বল নেতৃত্বের। প্রশ্ন হলো, স্বাধীনতা নিয়ে বড় বড় বীরত্বের কথা আমাদের শোনানো হচ্ছে কোন অবস্থানে দাঁড়িয়ে। ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদও করা হবে না!     

পদানত বিচার বিভাগ হচ্ছে জনগণের জন্য ন্যায়বিচারের অস্বীকৃতি এবং দাসত্বের স্মারক। গণতন্ত্রের জন্য হাজার হাজার জনগণ জীবন দিয়েছে, কিন্তু তাদের সহ্য করতে হচ্ছে গণবিরোধী আমলাতান্ত্রিক শাসন।

দলীয় রাজনীতির দলাদলির কারণে বেঞ্চ ও বারের সুসম্পর্কে ফাটল ধরায় বিচার বিভাগ অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এর ফলে প্রায় সব স্তরে ন্যায়বিচারের যথাযথ প্রয়োগ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ছে। চরম অসহনশীল রাজনৈতিক পরিবেশের কারণে নিম্ন আদালতগুলো এখন বিচার সম্পন্ন করার ব্যাপারে পুলিশ ও সরকারের চাপের মধ্যে রয়েছে। উচ্চ আদালতও বুঝতে পারছে না তাদের শক্তি কোথায়।

আওয়ামী লীগ সরকার অগণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর খপ্পরে পড়ে গেছে; এটা বাংলাদেশের জনগণের জন্য এবং এদেশে গণতন্ত্রের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক নিয়তি। যে দলের জন্ম হয়েছিল একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য, যে দল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য এবং জনগণের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সুদীর্ঘ রক্তাক্ত সংগ্রাম করেছে, সেই দলই অগণতান্ত্রিক শক্তিসমূহের অশুভ প্রভাবে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আজ আওয়ামী লীগ নিজেদের জনগণের পরিবর্তে বিদেশি অনুগ্রহের কাছে নতজানু।

বাঙালি হিসেবে দূরদর্শিতামূলক চিন্তাভাবনা করতে আমরা যে কত অপারগ সে সম্পর্কে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। কোনোরূপ উপযুক্ত প্রস্তুতি না নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করতে গিয়ে আমরা নিজেদের নানাভাবে অসহায় করেছি। নিজেদের ভোটে নির্বাচিত সরকার পেতে আমাদের অসহায়ত্ব বেড়েই চলেছে। জীবনের নিরাপত্তার ব্যাপারেও আমরা অসহায়। জনগণের জন্য সুবিচার নিশ্চিত করতে জাতি নানা ধরনের বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। শক্তি বেড়ে চলেছে অসত্ ও অন্যায়কারীদের। নিজেদের জন্য সুন্দর ভবিষ্যত্ নির্মাণ করতে হলে আমাদের অন্তর্নিহিত দুর্বলতাগুলোকে জয় করার সাহস অর্জন করতে হবে।

আমাদের প্রমাণ করতে হবে স্বাধীন জাতির অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে জীবনযাপনের সাহস ও সততা আমাদের আছে। জনগণের বৃহত্তর স্বার্থ রক্ষায় শিক্ষিত লোকদের ব্যর্থতাই আমাদের অসহায়ত্বের প্রধান কারণ। জাতি গঠনে সুশিক্ষার বলিষ্ঠ ভূমিকা থাকতেই হবে। সাংবাদিক ও আইনজীবীরা অগণতান্ত্রিক দলীয় রাজনীতির কর্মী হতে পারেন না। ব্যক্তিকেন্দ্রিক স্বার্থ রক্ষার জন্য স্বাধীনতার প্রয়োজন হয় না। চরিত্র ও আদর্শহীন হলেই হয়। স্বাধীনতার প্রয়োজন হয় অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার আত্মমর্যাদার জন্য।

যারা দাবি করেন, বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পাচ্ছে তারা তাদের নিজেদের মর্যাদাবোধ সম্পর্কে কতটা সচেতন সেটাই প্রশ্ন। যারা মিথ্যা বীরত্ব আর অসত্য গৌরবের প্রশংসা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে চান তারা জাতির জন্য উন্নত ভবিষ্যতের কোনো বার্তা বহন করছেন না।  ব্যর্থতার জয়গান গেয়ে তারা আমাদের ব্যর্থতার গ্লানি বহন করতে সাহায্য করছেন।

লেখক : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা