শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৪৯, সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

ওয়ান-ইলেভেনে রাজনীতিবিদদের দায় কম নয়

কাজী সিরাজ
নিজস্ব প্রতিবেদক
অনলাইন ভার্সন
ওয়ান-ইলেভেনে রাজনীতিবিদদের দায় কম নয়

বাংলাদেশ ভূখণ্ডে যত মহৎ অর্জন, তাতে রাজনীতিবিদদের ভূমিকা ও অবদান ইতিহাসের স্বীকৃত বিষয়। পীড়াদায়ক ব্যাপার হচ্ছে, এখানে কখনো কখনো রাজনৈতিক বিপর্যয়ে এবং শাসন-ক্ষমতায় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনেও রাজনীতিবিদরাই গণআকাঙ্ক্ষার বিপরীতে অবস্থান নিয়ে, হিংসা-হানাহানি আর ষড়যন্ত্রের জাল বুনে অনির্বাচিত, অরাজনৈতিক শাসনকে অপরিহার্য করে তুলেছেন। ক্ষমতায় থাকার জন্য অথবা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য রাজনীতিবিদরা আমাদের দেশে এমন কিছু কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে যান যাতে কখনো কখনো জাতীয় স্বার্থও বিঘ্নিত হয়।  আবার একটি গণতান্ত্রিক দেশে রাজনীতির স্বাভাবিক গতি যখন অবরুদ্ধ থাকে, তখন সমগ্র জাতির জীবনেই বিরাজ করে এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা।

সম্প্রতি দুটি ঘটনা দেশের বন্ধ্যা রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ১. প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের আক্রমণাত্মক ও রাজনৈতিক বক্তব্য ২. ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী ভূমিকার জন্য ডেইলি স্টার পত্রিকার সম্পাদক মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে সংসদের ভিতরে-বাইরে শাসক লীগের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের আক্রমণাত্মক বক্তব্য এবং তার গ্রেফতার দাবি।

আমাদের দেশের বিচার ব্যবস্থার নানা ত্রুটি, সীমাবদ্ধতা, কখনোবা বিচার বিভাগের ওপর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা হয়েছে, তবে তা কখনো সীমা লঙ্ঘন বা আদালত অবমাননার পর্যায়ে পৌঁছেনি। এমন কোনো বিতর্কও সৃষ্টি করেনি যা বিচার বিভাগের প্রতি, আদালত, বিশেষ করে উচ্চ আদালতের প্রতি মানুষের মনে অনাস্থার ভাব সৃষ্টি করে। উচ্চ আদালত তো সর্বদাই মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের স্থল। তাই আদালত, বিচারক এবং বিচার নিয়ে বক্তব্য প্রদানে সব মহলই সর্বদা সতর্কতা অবলম্বন করে। সম্প্রতি সংসদে এবং সংসদের বাইরে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বক্তব্য নিয়ে যেভাবে আক্রমণাত্মক ও বিদ্রূপাত্মক বৈরী সমালোচনা হয়েছে তা অপ্রত্যাশিত, অকল্পনীয়ই শুধু নয়, অনেকে মনে করেন তা সমগ্র বিচার ব্যবস্থার জন্য মর্যাদাহানিকরও বটে। এস কে সিনহা একজন অজ্ঞ ও মামুলী কোনো মানুষ নন, তিনি দেশের প্রধান বিচারপতি। পার্লামেন্টে যেসব ‘আইনপ্রণেতা’ তাকে ‘সাবধানে’ কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন, আইনজীবী হিসেবে তাদের কারও একটা ভালো মামলা পরিচালনায় দক্ষতার স্বাক্ষরও নেই। তাছাড়া প্রধান বিচারপতির সংসদে জবাব দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দলীয় ব্যক্তিদের আক্রমণাত্মক বক্তব্যের ব্যাখ্যাটা এভাবেই কোনো কোনো পর্যবেক্ষক দিতে চান যে, প্রধান বিচারপতির নির্মোহ বক্তব্যে তারা হয়তো তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতার স্বার্থহানির আশঙ্কা করছেন। প্রধান বিচারপতির বক্তব্য এ প্রসঙ্গে প্রণিধানযোগ্য। সম্প্রতি তিনি দুটি মন্তব্য করেছেন। ১. নির্বাহী বিভাগ বিচার বিভাগের ক্ষমতা কেড়ে নিতে চাচ্ছে, ২. অবসরের পর বিচারপতিদের রায় লেখা সংবিধানের পরিপন্থী। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, এতে শাসক লীগের ‘পিলে চমকানোর’ কারণ থাকতে পারে। কিন্তু ‘একজন সদ্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির সিটিং প্রধান বিচারপতির প্রতি আক্রমণাত্মক বক্তব্যকে সেভাবে বিবেচনা করা যায় না। তার আচরণ নাগরিক সাধারণের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে যেতে পারে যে, ব্যক্তিগত স্বার্থে আঘাত লাগলে; কোনো কারণে সংক্ষুব্ধ হলে, বিচার বা আদালতের সিদ্ধান্ত মনঃপূত না হলে এভাবে বুঝি কোনো বিচারককে চ্যালেঞ্জ করা যায়, বিচারকের পদত্যাগও দাবি করা যায়। বিচার ব্যবস্থাকে হেয় ও প্রশ্নবিদ্ধ করার কু-চিন্তাপ্রসূত হয়ে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক এমন আচরণ করছেন না তো!

লীগ সরকারের দায়িত্বশীলদের আতঙ্ককে কোনো কোনো পর্যবেক্ষক এভাবেও বিশ্লেষণ করছেন যে, বর্তমান সরকার নিজেদের যতই নির্বাচিত সরকার দাবি করুক না কেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনটি আদর্শ নির্বাচন না হওয়ায়, ৩০০ আসনের সংসদে ১৫৩ জন বিনা নির্বাচনে, বিনাভোটে এমপি হয়ে যাওয়ায় বর্তমান সংসদের নৈতিক বৈধতা দেশে-বিদেশে প্রশ্নবিদ্ধ। ফলে সরকারের সোর্স অব পাওয়ার খুবই দুর্বল। রাষ্ট্র শাসনে তাই তারা শাসন বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ অন্যান্য বেসামরিক রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ওপর নির্ভরশীল। প্রশাসনের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব এখনো নিরঙ্কুশ বলে মনে করেন এই পর্যবেক্ষকরা। এ ধরনের শাসনে আইন-আদালত তথা বিচার বিভাগই থাকে নিপীড়িত, নিগৃহীত ও প্রতিবাদী মানুষের এবং রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির একমাত্র ভরসা। বিচার বিভাগকে অনুগত প্রশাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সহজে মোকাবিলা করা সম্ভব। মামলা-মোকদ্দমা, গ্রেফতার, গুম, হত্যা ইত্যাদি বিষয়ে বিচার না পাওয়া বা বিচারের দীর্ঘসূত্রতা বা বিচারহীনতার সংস্কৃতি শাসকদের জন্য এক স্বস্তিদায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করে। প্রশাসন বিভাগও বিচারবিভাগের ওপর ‘হেডমাস্টারি’ করতে পারে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সামনে বাধা-বিপত্তির সাময়িক ও সমূহ বিপদের বিষয়ে প্রধান বিচারপতির উচ্চারণকে শাসক দলের লোকজন দলীয় স্বার্থে, রাজনৈতিক ক্ষুদ্র চিন্তায় ভুল ব্যাখ্যা বা অপব্যাখ্যা করতে পারেন। এখন বিএনপি যেমন ‘খাদে’ পড়েছে, বর্তমান শাসক দলও তেমন ‘খাদে’ পড়লে এ ধরনের বক্তব্যকে তারাই আবার কোরাসকণ্ঠে সাধুবাদ জানাবেন।

তবে অবসরের পর রায় লেখা সংক্রান্ত প্রধান বিচারপতির মন্তব্যের ব্যাপারেই লীগ সরকারের দায়িত্বশীলদের উদ্বেগ বেশি বলে মনে হচ্ছে। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্য অনুসারে তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের অবসরে যাওয়ার ১৬ (ষোল) মাস পর লিখিত রায়টিও সংবিধানবিরোধী। কাজেই ওই রায়ের ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে, সংসদ বহাল রেখে দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচন এবং বর্তমান সংসদ ও সরকারও তার বৈধতা হারায়। এমন আশঙ্কা সরকার পক্ষের থাকতে পারে। প্রধান বিচারপতি কিন্তু অতীতে লিখিত কোনো রায় সম্পর্কে প্রশ্ন তোলেননি। তিনি সংবিধান ও আইনের কথা বলেছেন। একজন সাবেক প্রধান বিচারপতিসহ একাধিক প্রাক্তন বিচারপতি বলেছেন, প্রধান বিচারপতির বক্তব্য যথার্থ। তারপরও সদ্য অবসরে যাওয়া বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিক, লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত প্রমুখ কেন প্রধান বিচারপতিকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক বক্তব্য রেখেছেন তা রহস্যময়। দেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমও বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিকের ভূমিকা নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন। সাধারণ মানুষের মধ্যেও এমন ধারণা সৃষ্টি হচ্ছে যে, প্রধান বিচারপতি যেহেতু একজন ব্যক্তি বিশেষই নন, দেশের বিচার ব্যবস্থার মর্যাদার প্রতীক, তাই তাকে অবমাননা বা ‘ডিফেইম’ করার যে কোনো আচরণ দেশের বিচারব্যবস্থার মর্যাদা ক্ষুণ্ন করারই শামিল। প্রশ্ন উত্থিত হওয়া স্বাভাবিক, কেন তা করা হচ্ছে?

দ্বিতীয় আলোচিত ও আলোড়িত বিষয়টি হচ্ছে ডেইলি স্টার এবং এর সম্পাদক মাহ্ফুজ আনামকে নিয়ে সংসদে এবং সংসদের বাইরে বৈরী আলোচনা এবং পত্রিকাটি নিষিদ্ধ করে সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি। উল্লেখ করা প্রয়োজন, সরকারদলীয় লোকজন এবং তাদের সমর্থকরাই এ ব্যাপারে সোচ্চার। অভিযোগের মোদ্দা বিষয় হচ্ছে, ওয়ান-ইলেভেনের পক্ষে তার ও পত্রিকাটির ভূমিকা। অধিকতর আলোচনায় এসেছে একটি শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থার প্রেরিত সংবাদ যাচাই না করে প্রকাশ নিয়ে— যাতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। বলা হচ্ছে, সে রিপোর্টের ভিত্তিতেই বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এখানে দুটি বিষয় আলোচনায় আসতে পারে। ১. ওই রিপোর্ট ছাপা না হলে কি এক-এগারোর সরকার শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করত না? বেগম জিয়াকেও বিশেষ কারাগারে নিত না? এক-এগারোর প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে দ্ব্যর্থহীন ভাষায়ই বলা যায় যে, নিজেদের ক্ষমতা গ্রহণের যৌক্তিকতা প্রমাণ করার জন্য (দেশে ও বিদেশে) এ কাজটি ওই সরকার করতই। ‘মাইনাস-টু’ ফর্মুলা ছিল ওই সরকার আমলের একটি বহুল আলোচিত বিষয়। সরকারটি ছিল সেনা সমর্থিত সরকার। তত্কালীন সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমদ তার লেখা ‘শান্তির স্বপ্নে : সময়ের স্মৃতিচারণ’ গ্রন্থে এ ব্যাপারে বিস্তারিত লিখেছেন। সেনাবাহিনীর ভূমিকাও তাতে উল্লেখ আছে। তিনি কোনো কিছু গোপন করেননি। গোয়েন্দা সংস্থাটি সশস্ত্র বাহিনীর একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থায়ী প্রতিষ্ঠান। যারা রাজনৈতিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট আলোচনায় প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা নিয়ে ঘাঁটছেন, তারা অবশ্যই প্রতিষ্ঠানটির অপরিহার্যতা, কর্মকাণ্ড কর্মপ্রণালি ইত্যাদি সম্পর্কে কমবেশি অবহিত এবং এটাও অবহিত যে, প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে সশস্ত্র বাহিনীর প্রয়োজন ও পরামর্শে, কখনোবা রাষ্ট্র বা সরকারের প্রয়োজন ও পরামর্শে। এটি একটি অতি স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানও বটে। এর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখা বাঞ্ছনীয়। ডেইলি স্টার ও মাহফুজ আনাম যে জন্য অপরাধী বলে চিহ্নিত হচ্ছেন, তেমন পরিস্থিতিতে অভিযোগকারীরা কী করতেন? কী করেছেন? আরও বিষয় আছে। মাহফুজ আনাম একাই কি করেছেন কাজটি? আর কোনো পত্রিকা আর কোনো সম্পাদক কি একই কাজ করেননি? বা করতে হয়নি? মাহফুজ আনাম তো তার দুর্বলতা, ভুল স্বীকার করেছেন। অন্যরা তো তাও করেননি। সরকারি দলের মন্ত্রী-এমপি নেতাদের মধ্যেও তো কেউ কেউ আছেন যারা ওয়ান-ইলেভেনকে সমর্থন করেছিলেন, ‘মাইনাস-টু’র পক্ষে সোচ্চার ছিলেন এবং এই উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক সংস্কার প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। কারাগার থেকে কেউ কেউ বিবৃতি পাঠিয়ে আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বেকায়দায় ফেলেননি? কে না জানেন যে, রাজনৈতিক দলগুলোর মুখোমুখি সাংঘর্ষিক অবস্থান, রাজনৈতিক হানাহানি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বালখিল্যপনা, বিএনপি-জামায়াত সরকারের অবিমৃষ্যকারী আচরণ, প্রধান বিচারপতি কে এস  হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার সুযোগ সৃষ্টির জন্য বিচারপতিদের চাকরির বয়স বৃদ্ধি এবং প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নিয়ে নেওয়া; লগি-বৈঠার রাজনীতি, প্রকাশ্য দিবালোকে মানুষ হত্যা করে লাশের অবমাননা, দেশে প্রায় গৃহযুদ্ধাবস্থার আতঙ্ক ওয়ান-ইলেভেনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল। বলা চলে, ওয়ান-ইলেভেনের পাল্কি ছিল রাজনীতিবিদদের কাঁধে। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, সরকারি দলের দায়িত্বশীলরা কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে না শেষ পর্যন্ত সাপ তুলে ফেলেন! একজন মাহফুজ আনামকে ফাঁসাতে গিয়ে স্বীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ অনেককেও না বিপদে ফেলে দেন! বুঝে শুনে যদি তারা এসব করে থাকেন তাহলে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরীর আচরণ বলুন আর সংসদে ও সংসদের বাইরে শাসক দলের নেতৃস্থানীয় কারও কথা বলুন, তাদের আচরণকে একেবারে হাল্কাভাবে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। এরা আসলে কী চান?

দেশের মানুষ শান্তি চায়, স্বস্তি চায়। গণতন্ত্র ও সুশাসনই তা নিশ্চিত করতে পারে। বিগত দুই মাস অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ থাকলেও রাজনীতির অঙ্গনে একটা গুণগত পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। শান্তিপূর্ণভাবে পৌর নির্বাচনে বিএনপিসহ সব দলের অংশগ্রহণ, বিএনপির শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকা এবং খারাপ হওয়া সত্ত্বেও ফলাফল মেনে নেওয়া, বড় তিন দল শাসক লীগ, বিএনপি এবং জাতীয় পার্টির জাতীয় কাউন্সিলের প্রস্তুতি, প্রধান বিরোধী দল বিএনপিকে সম্মেলনের জন্য স্থান বরাদ্দ দেওয়া, বিএনপির কারারুদ্ধ নেতাদের জামিন জনমনে একটা স্বস্তিদায়ক অবস্থা তৈরি করেছে। ধারণা করা হচ্ছিল, একটি অংশগ্রহণমূলক জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে পর্দার আড়ালে বিবদমান পক্ষসমূহের মধ্যে হয়তো একটা বোঝাপড়া হয়েছে।  শাসক দলের স্বার্থান্ধ কোনো মহল কি তা বানচাল করে দিতে চাচ্ছে? উদ্ভূত সংকটকে শাসক দলের অভ্যন্তরীণ সংকটেরই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন অনেক পর্যবেক্ষক। মনে হয় এরা শান্তি নয়, সংঘাতকে উসকে দিতে চাইছেন।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট।

ই-মেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়