শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:০২, রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ আপডেট:

বিএনপিতে খালেদা-তারেকের শূন্যস্থানে তারেকের স্ত্রী!

কাজী সিরাজ
Not defined
অনলাইন ভার্সন
বিএনপিতে খালেদা-তারেকের শূন্যস্থানে তারেকের স্ত্রী!

ঘোষণা অনুযায়ী দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলের আর বেশি দিন বাকি নেই। পৌরসভা নির্বাচন থেকে দেশের রাজনৈতিক হাল-হকিকত অনুয়ায়ী ধারণা করা হচ্ছিল যে, শাসকদল আওয়ামী লীগ তাদের মূল প্রতিপক্ষ বিএনপিকে নির্বিঘ্নে কাউন্সিল করতে দেবে। কিন্তু বিএনপি অভিযোগ করছে কাউন্সিল অনুষ্ঠানের উপযুক্ত জায়গার অনুমতি তারা এখনো পায়নি। সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র ও ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনে কাউন্সিল অনুষ্ঠানের অনুমতি চেয়েছিল তারা। সিটি করপোরেশন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অনুমতি দিলেও পুলিশ আপত্তি করছে। নিরাপত্তার কথা বলছে তারা। এ রকম একটি বড় রাজনৈতিক দলের জাতীয় কাউন্সিল উন্মুক্ত স্থানে করার ঝুঁকি তো আছে বটেই। রাজনৈতিক দলকে এমন ঝুঁকি বা নিরাপত্তা হুমকির কথা বলা হলে প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চলবে কী করে? নানা অজুহাত দেখিয়ে সম্মেলন, সভা, সমাবেশ অনুষ্ঠানে যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নেতিবাচক অবস্থানে অটল থাকে তাহলে মাঠে-ময়দান থেকে রাজনীতি ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড কি চার দেয়ালে বন্দি হয়ে যাবে? অন্য দুটি স্থানেরও অনুমতি মেলেনি বলে জানানো হয়েছে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে নাকি জানানো হয়েছে, তারা রাজনৈতিক দলকে এ ধরনের অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া দেয় না। অথচ বিএনপির গত সম্মেলনটি এ কেন্দ্রেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ সম্মেলন ছাড়াও দলীয় অনুষ্ঠান করেছে সেখানে। তাতে অসুবিধা কি? সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি-আওয়ামী লীগ দুই দলই সম্প্রতি সভা-সমাবেশ করেছে। নিরাপত্তা হুমকির কথা যদি বলা হয়, প্রশ্ন আসতেই পারে যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আছে কেন? ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনেও সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানের মতো নিরাপত্তা হুমকির কথাই বিবেচনা করা হচ্ছে? সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যত অজুহাতই দেখাক না কেন পাবলিক পারসেপশন হচ্ছে, সরকারের কারসাজিতেই বিএনপি তার কাউন্সিলের জন্য স্থান বরাদ্দ পাচ্ছে না। এর ফলে দেশে মানুষের মৌলিক অধিকার কীভাবে সংকুচিত করে রাখা হয়েছে সে বার্তাটি সহজেই মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। আমাদের সংবিধানের ‘মৌলিক অধিকার’ অংশে এ ব্যাপারে নাগরিকদের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, সরকারের উচিত হবে— দলীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠানের স্থান বরাদ্দ নিয়ে শাসক দল আওয়ামী লীগ এবং বিএনপিকে সমান সুযোগ দেওয়া। এ ব্যাপারে বদনামটা সরকার কাঁধে না নিলেও পারে। বদনামের তো শেষ নেই। একটা বদনাম অন্তত কমুক না।

জাতীয় কাউন্সিলকে ঘিরে কোনো দলেই দেশব্যাপী তেমন কর্মচাঞ্চল্য নেই। জাতীয় কাউন্সিলের আগে দুই দলেই জেলা ও থানা পর্যায়ের কাউন্সিল-সম্মেলনের ‘ধুম’ পড়ে যাওয়ার কথা। সম্মেলন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় নেতাদের আগমনে জেলা ও থানার নেতা-কর্মী সমর্থকদের মধ্যে প্রাণের জোয়ার জাগার কথা। কিন্তু কই? গত এক মাসে লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে এক জেলা সম্মেলনে এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আরেক জেলা সম্মেলনে উপস্থিত হওয়ার খবর ছাড়া তারা দুজন বা দলের অন্যান্য নেতারা ঢাকার বাইরে কাউন্সিল উপলক্ষে ব্যাপক সাংগঠনিক সফরে গেছেন, তেমন কোনো খবর পাওয়া যায়নি। সরকারে থাকার কারণে আওয়ামী লীগের কিছু সুবিধা আছে। তাদের সাংগঠনিক সমস্যা আছে, কিন্তু কোনো বিপদ-আপদ আপাতত নেই, জেল-জুলুমের ভয় নেই। বাকি যে সময় এখনো হাতে আছে, কাউন্সিল প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে তাদের বেগ পেতে হবে না। তবে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জন্য অনেক জেলায়, বহু উপজেলায় তারা সম্মেলন করতে পারবে না বলে মনে করেন অনেক পর্যবেক্ষক। সরকারি ক্ষমতার পাশাপাশি দলীয় ক্ষমতার দ্বন্দ্বও দলটিতে প্রকট। ক্ষমতাসীন দল হিসেবে সব সরকারি অফিসে-দফতরে এমনকি থানা পুলিশের ওপরও তাদের প্রচণ্ড দাপট। একটা কথা এ প্রসঙ্গে অনেকেই বলেন, ক্ষমতার দাপট দেখানোর ব্যাপারে আওয়ামী লীগের কাছে বিএনপি একেবারে ‘নস্যি’। তবে এ কথা বলছি না যে, বিএনপির লোকজন একেবারে ‘ধোয়া তুলসী পাতা’। সরকারি অফিসে-দফতরে চোটপাট, খবরদারির সঙ্গে ‘অর্থ’যোগ আছে। আছে নানা ব্যবসা-বাণিজ্য ও টেন্ডারবাজি, তদবিরবাজি! দলের নেতা (ভাইজান) না হলে কোথাও তেমন পাত্তা পাওয়া যায় না। তাই চলে নেতৃত্ব দখলের লড়াই, কখনো কখনো চলে নেতৃত্ব ক্রয়-বিক্রয়ের অসাধু প্রক্রিয়া। শাসক দল হিসেবে এখন আওয়ামী লীগের এ বিপদটা বেশি। তাই বোধহয় জাতীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখেও সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সম্মেলন-কাউন্সিলের ঝুঁকি নিচ্ছে না শাসক লীগ। জোড়াতালি দিয়েই চালিয়ে দেওয়া হবে হয়তো।

বিএনপির জন্য সম্মেলনটা ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর একটা সুবর্ণ সুযোগ। জাতীয় কাউন্সিলের কথা তারা বলছে দুই মাস আগে থেকে। মেঘে মেঘে বেলা তো কম হয়নি। বিএনপির বয়স এখন আটত্রিশ। এমন পুরনো একটি দল সরকারি সব প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও একটা স্পন্দন তুলতে পারত সারা দেশের তৃণমূল পর্যন্ত। কিন্তু পারেনি। ২০১৫ সালের জানুয়ারি-মার্চ, এই তিন মাসে যে আত্মঘাতী কর্মসূচি পালন করেছে তাতে অনেকটা বিধ্বস্ত হয়ে গেছে দলটি। তবে অন্য সময় বিএনপির সঙ্গে সরকার যে রূঢ় আচরণ করেছে, গত দুই মাস তা করেনি। গ্রেফতার এবং মামলা-হামলার পরিমাণও কিছুটা কমেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খোন্দকার মোশাররফ হোসেন, এম কে আনোয়ার ও  গয়েশ্বর চন্দ্র রায়; যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও আমানউল্লাহ আমানসহ কেন্দ্রের এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ের অনেক নেতা জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। প্রত্যেক দিন সকাল-দুপুর আরামের প্রেস ব্রিফিং করে যেভাবে জেল-জুলুমের কথা বলা হয়, তেমন হলে তো এ কথাগুলো বলার লোকও থাকত না। পদ পদবিধারীরা প্রায় সবাই বাইরে আছেন। কারও বিরুদ্ধে সরকারের সঙ্গে আঁতাতের গুঞ্জন উঠলে মাঝে মাঝে কেউ কেউ গ্রেফতার হন। এরা গ্রেফতার হন না গ্রেফতার বরণ করেন তা নিয়েও নানা মুখরোচক আলোচনা শোনা যায়। তারা বেশিদিন জেলে থাকেন না। আইনি ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে এসে ‘সদ্য কারামুক্ত সংগ্রামী নেতা’ হয়ে যান। বেঁচে যায় পদ-পদবি; আপাতত ঘুচে যায় ‘দালালি’র বদনাম।

যে কথা বলছিলাম, প্রায় সবাই বাইরে আছেন। অথচ দলের জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে অনেকের তৎপরতাই দৃশ্যমান নয়। জাতীয় কাউন্সিলের ঘোষণা দেওয়ার আগেই দলীয় পুনর্গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। প্রায় এক বছর সে গর্জন শোনা গেলেও ‘বর্ষণ’ সে তুলনায় কিছুই হয়নি। অনেক বড় বড় পদধারী আছেন যার এলাকায় থানায়, জেলায় দলের এমন নাজুক অবস্থা যে, অনেকটা ঠেক দিয়ে রাখার মতো। জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে একটা মোটামুটি সহনশীল পরিবেশে দলকে সত্যিকার অর্থে পুনর্গঠন করা যেত। ঝাঁকুনি দিয়ে জাগিয়ে দেওয়া যেত ঘুমন্ত বিএনপিকে। কিন্তু ঘুম তাড়ানিয়া গান গাইতে পারেননি দলের ‘গায়েন’রা। কেন পারেননি সে ব্যাপারেও অনেক কথা চালু আছে। বলা হয়ে থাকে অনেকের ‘আমলনামা’ এত খারাপ যে, হিসাব নিতে হয় না, ‘আমলনামাটা’ স্মরণ করিয়ে দিলেই তারা কাতর, কাবু হয়ে যান। এক সময় যার পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ছিল তীব্র, এখন তার হারাবার ভয় বেশি। তিনি ঝুঁকি নেবেন কি করে? সহজপ্রাপ্য বিত্ত-বৈভব ভোগের সুখের চেয়ে হারানোর শোক নাকি পুত্রশোকের মতো। এ ধরনের ব্যক্তিরা বিএনপি থেকে নিয়েছেই বেশি, দিয়েছে খুব কম। এদের দিয়ে, এদের মাধ্যমে দল পুনর্গঠনের চিন্তাটাই ছিল ভুল। বিএনপিকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণকারীরা বলতে চান, যেহেতু দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের কোনো চর্চা নেই এবং দলের ভিতর থেকে কেউ এ ব্যাপারে প্রশ্নও তোলে না, তাই সুযোগ ছিল সত্যিকারভাবে দল পুনর্গঠনের লক্ষ্যে দলের স্থায়ী কমিটির সর্বাগ্রে পুনর্গঠন। এ ধরনের কমিটিতে থাকার জন্য নির্ধারিত যোগ্যতা সব দলেই থাকে। ছোটখাটো দলেও বুলিবাগিশ, কুচক্রী এবং রাজনীতি ও সংগঠনে অন্তত উল্লেখযোগ্য অবদানহীনদের রাখা হয় না। বিএনপির শত্রুরাও বলবেন, দলটিতে তেমন প্রাজ্ঞজনের এখনো আকাল পড়েনি। পার্টি চেয়ারপারসন তেমন একটি কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারতেন। অন্যান্য কমিটিসমূহও ভেঙেচুরে কাউন্সিল সামনে রেখে প্রবীণ-নবীনের সমন্বয়ে কমিটেড, যোগ্য, সৎ সাহসীদের নিয়ে একটি অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নিয়ে দল পুনর্গঠনে তাদের ছেড়ে দিলে দল অনেক ভালো ফল পেতে পারত বলে ধারণা করেন তারা।

দলের নাজুক অবস্থাতেই হচ্ছে জাতীয় কাউন্সিল। ধারণা করা যায়, শেষ পর্যন্ত সরকার বিএনপিকে কাউন্সিল করার স্থান পেতে সহায়তা করবে। দলটির হর্তাকর্তাদের সেভাবেই চিন্তাভাবনা করে এগোবার কথা। কিন্তু বৈরী পরিস্থিতিতে কাউন্সিল সফল করার কাজে মনোনিবেশ না করে দলের ক্ষুদ্র একটি কোটারী মহাসচিব পদ নিয়ে চক্রান্তমূলক তত্পরতা শুরু করেছে বলে মিডিয়ায় খবর এসেছে। দলটির প্রায় সর্বস্তরের নেতা-কর্মী এমনকি রাজনীতির খবরাখবর রাখা সাধারণ মানুষের মধ্যেও একটা ধারণা যে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই দলটির মহাসচিব হবেন। তাকে এতদিন ঝুলিয়ে রাখাও মানুষ পছন্দ করেনি। শেখ হাসিনার প্রথম শাসনামলে আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দক্ষিণপন্থি প্রতিক্রিয়াশীল একটি অসাধু চক্রের ষড়যন্ত্রের কথা অনেকেরই মনে থাকার কথা। তারা মান্নান ভূঁইয়াকে মহাসচিব পদ থেকে সরিয়ে খোন্দকার মোশাররফ হোসেন কিংবা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মহাসচিব করতে চেয়েছেন বলে শোনা গিয়েছিল। তারা নিজেদের কট্টরপন্থি বলে পরিচয় দিতে আনন্দবোধ করত। মান্নান ভূঁইয়াকে তারা বলত উদারপন্থি। তারা এখনো জানুয়ারি-মার্চ তিন মাসের মতো দেশে চরম আন্দোলনের নামে সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। বেগম খালেদা জিয়া তাদের কথা শোনেননি বলে বেঁচেছেন, দলও বেঁচেছে। সেই কোটারিরই একটি অংশ আবার নতুন করে পুরনো খেলায় মেতেছে বলে মনে হয়। এ কোটারিটি দলকে নিয়ন্ত্রণ করতে মরিয়া বলে মনে হচ্ছে। মির্জা ফখরুল মহাসচিব হয়ে গেলে বিএনপি নিয়ে কোথাও তাদের ‘বার্গেইন পাওয়ার’ হয়তো কমে যাবে। পদটির প্রতি যাদের নজর বেশি, নানা কারণে তারা নিজের নাম প্রপোজ করতে পারছে না বলেই সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামকে নিয়ে খেলায় মেতেছে। এর আগে তরিকুল ইসলাম বিএনপি মহাসচিবের পদ গ্রহণে সম্মত হননি স্বাস্থ্যগত কারণে। আমরা জানি, তার স্বাস্থ্যঝুঁকি এখন আগের চেয়ে বেশি। একটি খবরি কাগজে পড়লাম, তিনি নাকি এখন ‘সাধিলে খাইবেন’। হঠাৎ তার মতের পরিবর্তন কেন হলো তা রহস্যাবৃত্ত। এ তত্পরতা যদি অব্যাহত থাকে তাতে ওই কোটারির লাভ-ক্ষতি কী জানি না, তবে দলটি নিশ্চিতই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, সাকা চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ড এবং জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কিছু দূরত্ব বেড়ে যাওয়ায় দলের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি কিছুটা সবল হয়ে ওঠায় চক্রটি নড়েচড়ে উঠেছে এবং দলে তাদের প্রভাব বিস্তারের জন্য নানামুখী তত্পরতার একটি অংশ হচ্ছে মির্জা ফখরুলের পদ দখল করা। দলের কী অবস্থা, দলের জন্য কী করা দরকার সেসব নিয়ে ভাবনা নেই, ভাবনা একটাই, মির্জা ফখরুলের সামনে কীভাবে ব্যারিকেড দেওয়া যায়। দেখতে হবে বেগম জিয়া এবং তারেক রহমান কী চান? ফখরুল ইসলাম না তরিকুল ইসলাম। ভাবতে অবাক লাগে, দুঃসময় অতিক্রম করে যে দলের কোমর সোজা করে দাঁড়ানোর চেষ্টা করার কথা, সে দলে নতুন নেতৃত্ব কাঠামো নির্মাণের দৃঢ়তা দেখানোর কথা, সেই দলে ‘সবে ধন নীলমণি’ যা আছে তাও হটিয়ে দিয়ে পদ দখলের ঘৃণ্য চক্রান্ত চলে। পত্র-পত্রিকায় চক্রান্তকারী হিসেবে যাদের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে তাদের দলীয় রেকর্ড খুব ভালো নয়। দলের জন্য এদের তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য ভূমিকার কথাও শোনা যায় না। মাঝখানে এরা দুই মহাসচিব তত্ত্ব হাজির করে একজনকে রাজনৈতিক ও আরেকজনকে সাংগঠনিক মহাসচিব করার ধুয়ো তুলেছিল। এখন মির্জা ফখরুলকে একেবারে মাইনাসই করে দিতে চাচ্ছে। ত্যাগের কী পুরস্কার দিতে চাচ্ছেন তারা। সম্প্রতি বাজারে আরও একটি বিষয় যুক্ত হয়েছে যে, তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানকে বিএনপির নেতৃত্বে আনা হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং তারেক রহমানের দেশে ফেরার সুনিশ্চিত অনিশ্চয়তা  বিবেচনা করে মাতা-পুত্র তেমন চিন্তা করছেন বলে জানা গেছে।

অনেকেই একে উপমহাদেশীয় রাজনীতিতে পারিবারিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হিসেবে মেনে নিলেও এর ফলাফল নিয়ে আশাবাদী নন। একটি রাজনৈতিক দলের রাজনীতি ও আদর্শ যদি জনমনে দৃঢ়ভাবে প্রোথিত না থাকে পারিবারিক উত্তরাধিকার দিয়ে দল ঠিক রাখা যায় না। তাই যদি হতো, ভারতে কংগ্রেসের পাকিস্তানে পিপলস পার্টির এবং শ্রীলঙ্কায় বন্দর নায়েকের পার্টির বর্তমান হাল হতো না। বিএনপি যদি এ কাউন্সিলে তার প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গীকার মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকারে ফিরে যায় এবং ভারতনীতিসহ দলের বৈদেশিক সম্পর্কনীতি স্পষ্ট করে আবার সাহসী অবস্থান নিতে পারে এবং দলে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চার প্রচলন করতে পারে তাহলেই দলটি আবার দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদীদের একটি নির্ভরযোগ্য শক্তিতে পরিণত হতে পারে। সমগ্র দেশবাসীরও সমীহ আদায় করতে পারে।

     লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট।

ই-মেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়