শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:০৫, রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

ভাষা আন্দোলনে যশোরের ভূমিকা ও ভাষাসৈনিক হামিদা রহমান

আনোয়ারা সৈয়দ হক
Not defined
অনলাইন ভার্সন
ভাষা আন্দোলনে যশোরের ভূমিকা ও ভাষাসৈনিক হামিদা রহমান

বাহান্নোর ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে গৌরবের একটি অর্জন। শুধু অর্জন বললে ভুল হবে, বস্তুত বাহান্নোর ভাষা আন্দোলনের ভিতর দিয়ে তদানীন্তন পূর্বপাকিস্তান একটি ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদ থেকে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদে উত্তীর্ণ হয়। এর আগ পর্যন্ত শুধু তর্কবিতর্ক চলছিল, বিভিন্ন জনের বিভিন্ন প্রকারের মতবাদ এবং সেসব মতবাদ নিয়ে আরও তর্কবিতর্ক লাগাতার এসব লেগেই ছিল। সেই সময় শিক্ষিত বাঙালির ভিতরেও গাদ্দারের সংখ্যা কম ছিল না যারা নিজের মাতৃভাষাকে নানা প্রকারে অবমাননা ও বিকৃত করে তাকে তার মৌলভাষারূপ থেকে বিচ্যুত করার ষড়যন্ত্রে মেতে ছিল। উনিশশো সাতচল্লিশ সালে দেশভাগের পর থেকেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু, এ নিয়ে সারা পাকিস্তানজুড়ে পাকিস্তান সরকারের পদলেহী চামচারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল।  সেই পরিপ্রেক্ষিতে উনিশশো আটচল্লিশ সালেই রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন জেলায় আন্দোলন শুরু হয় এবং সে কারণে এখনো আমাদের মাতৃভাষা আন্দোলনে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার ভূমিকা সত্যিই খুব গৌরবের সঙ্গে স্মরণ করতে হয়।

ভারত ভাগের প্রাক্কালেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে, তা নিয়ে শুরু হয় তর্কবিতর্ক। তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র সমাজ ভারত ভাগের পর থেকেই বাংলাভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার জন্য সংঘবদ্ধ হয়। উনিশশো আটচল্লিশ সালের তেইশে ফেব্রুয়ারি করাচিতে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে কুমিল্লার সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে দাবি উত্থাপন করেন। সঙ্গে সঙ্গে এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বসেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খান। তিনি বলে বসেন, মিস্টার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত শুধু পূর্ব পাকিস্তানের নয়, সারা পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা করতে চাচ্ছেন!

তার গলার স্বর নকল করে পূর্ববঙ্গ বা তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিনও বলে বসেন, মিস্টার প্রেসিডেন্ট, উর্দুই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হতে পারে বলে পূর্ববঙ্গের অধিকাংশ মানুষের মত! একই স্বরধ্বনি পাওয়া গেল তখনকার মন্ত্রী নূরুল আমিনের কণ্ঠেও। তিনি সঙ্গে সঙ্গে খাজা নাজিমুদ্দিনের উক্তি সমর্থন করে বসলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ধীরেন্দ্রনাথের আনা প্রস্তাবটি পঁচিশে ফেব্রুয়ারি বাতিল ঘোষণা করা হলো।  এ খবর রেডিওতে প্রচার হলে ছাব্বিশে ফেব্রুয়ারি ঢাকার ছাত্ররা ধর্মঘট পালন করে।

যশোর এক্ষেত্রে এক বিরাট সংগ্রামী ভূমিকা পালন করে। যশোরের সংগ্রামী ছাত্রসমাজ মার্চ মাসের আগেই গঠন করেন রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ। এ সময় কেন্দ্রীয় সংগ্রাম পরিষদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ঘটেনি। যা কিছু প্রাথমিক অবস্থায় তারা করেছিলেন সব ছিল তাদের স্বতঃস্ফূর্ত মনোভাব এবং ভাষার প্রতি তাদের দায়বোধ। দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার সাঁটা, দেয়ালে কালি দিয়ে লেখা, নিজেদের ভিতরে জোর আলাপ-আলোচনা, এসবের ভিতরে তাদের কর্মপন্থা নিয়োজিত ছিল।

এই ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ কেন্দ্রীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের সাহায্য ছাড়াই দোসরা মার্চ যশোরের বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী মাইকেল মধুসূদন কলেজে (এমএম কলেজ) ছাত্রধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। তারা এ উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের সাহায্য প্রার্থনা করলেও একমাত্র কমিউনিস্ট পার্টি ছাড়া কোনো পার্টি এগিয়ে আসেনি। এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তারা সেই মুহূর্তে ততটা সফল হতে পারেননি। কিন্তু পাকিস্তান সরকার থেমে থাকেনি। তারা ছাত্রদের এই হরতাল বানচাল করার জন্য চেষ্টা চালায়।

যদিও তাদের সে চেষ্টা বিফল হয়। দোসরা মার্চ উনিশশো আটচল্লিশ সালে মাইকেল মধুসূদন কলেজে পূর্ণ ধর্মঘট পালন করে।

এরপর এগারোই মার্চ কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে দেশব্যাপী ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত নেন। যশোরের ছাত্র সমাজও এই আহ্বানে আন্দোলিত হয়ে ওঠে। বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন এ ব্যাপারে বিপুল সাড়া দেয়।

কিন্তু পূর্ব পাকিস্তান সরকারও ছাত্রদের এই ধর্মঘট বানচাল করার জন্য যাবতীয় সাবধানতা গ্রহণ করে। যশোরের তদানীন্তন ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট মিস্টার নোমানি ছাত্রদের ধর্মঘট বানচাল করার জন্য একশো চুয়াল্লিশ ধারা জারি করেন।

কিন্তু এতসব বৈরিতা সত্ত্বেও যশোর এমএম কলেজে অগণিত ছাত্রছাত্রীদের সমন্বয়ে এবং সমাহারে পূর্ণ ছাত্রধর্মঘট পালিত হয়। বলাবাহুল্য, একশো চুয়াল্লিশ ধারা ভঙ্গ করেই তারা ধর্মঘট পালন করেন। যে ধর্মঘট এমএম কলেজের ক্যাম্পাসে শুরু হয়, সেই ধর্মঘট ক্রমে ক্রমে শহরের রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রদের মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়, শহরের সাধারণ মানুষ তাতে যোগদান করতে থাকেন। এমনকি যশোর শহরের রাজনৈতিক নেতা অ্যাডভোকেট মশিয়ুর রহমান, যিনি প্রথমে একশো চুয়াল্লিশ ধারা ভেঙে মিছিল না করার পক্ষে রায় দিয়েছিলেন, তিনিও ছাত্রদের মিছিল রাস্তায় উঠে আসতে দেখে রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই বলে মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন। তার সঙ্গে সঙ্গে আরও কিছু আইনজীবী সেই মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন। সেদিন পাকিস্তানের ধামাধরা পুলিশ যশোরের চৌদ্দজন নেতাকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠায়। এই চৌদ্দজন মানুষের নাম এখানে অবশ্যই স্মর্তব্য। তারা হলেন— অ্যাডভোকেট মশিয়ুর রহমান, রণজিত্ কুমার মিত্র, কাজি আবদুর রকীব, ঈমান আলি, এসএইচ জিন্নাহ, পবিত্রকুমার ধর, হাবিবুর রহমান, রবিকুমার সাহা (পিপলস রেডিও দোকানের মালিক, যাকে আমি রবিকাকা বলে ছেলেবেলায় ডাকতাম), লুত্ফর রহমান, আমিনুল ইসলাম, গোলাম মোর্তজা চ্যাণ্ঠা, অনন্ত মিত্র, সৈয়দ আফজাল হোসেন ও আবদুর রহমান।

এসব রাজনৈতিক নেতা এবং শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা গ্রেফতার হলে তাদের দাবিতে বিকাল বেলা আবার মিছিল বের হয়। মিছিল চলাকালীন পূর্ব পাকিস্তানের পেটোয়া বাহিনী অর্থাত্ পুলিশ বাহিনী মিছিলে চড়াও হয়ে বেপরোয়াভাবে লাঠিচার্জ করে। পুলিশের অহেতুক অত্যাচারে যাশোরবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। শহরের সমস্ত দোকানদার এই অত্যাচারের প্রতিবাদে তাদের দোকানপাট বন্ধ করে দেন। কিন্তু পুলিশের ধড়পাকড় চলতে থাকে। এ সময় আরও তেইশজনের মতো ছাত্র এবং ভাষা আন্দোলনের সমর্থকদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের এরকম অহেতুক আক্রমণের প্রতিবাদে ছাত্ররা আবার বারোই মার্চ এমএম কলেজ প্রাঙ্গণে পূর্ণ ধর্মঘট পালন করেন এবং পরদিন অর্থাত্ তেরোই মার্চ সারা শহরে হরতাল পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

উনিশশো আটচল্লিশ সালে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে যশোরের তেরোই মার্চের হরতাল ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য। এদিন শহরের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রীরা সকাল থেকে সাইকেলে মধুসূদন কলেজের প্রাঙ্গণে সমাবেত হতে থাকে। বেলা আনুমানিক দশটার দিকে মিছিল যখন শহর প্রদক্ষিণ করছিল তখন অসংখ্য পথচারী, খেটে খাওয়া মানুষ, অসংখ্য দোকানদার, রিকশাওয়ালা, মুটে মজুর মিছিলে অংশগ্রহণ করতে শুরু করেন। মিছিল যত কালেকটরেট ভবনের দিকে এগোতে থাকে ততই জনতার সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে।

মিছিলে কিছু কিছু জনতা ও ছাত্র যখন কালেকটরেট ভবনের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করে, তখন দিশেহারা পুলিশ প্রথমে লাঠিচার্জ এবং পরে গুলিবর্ষণ শুরু করে। গুলিবর্ষণ করলে জনতা হতভম্ব হয়ে যায়। এরকম কোনো সহিংস আক্রমণ তারা ধারণা করতে পারেনি। জনতা এরপর ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পুলিশের এরকম বর্বর আক্রমণে সেদিন সারা যশোরবাসী ক্রোধে ফেটে পড়ে। উত্তেজিত জনতা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এদিকে পুলিশ মিছিলকারীদের গ্রেফতার করার জন্য শহরের বাড়িতে বাড়িতে অভিযান চালায়। স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েদের বিপদ ঘনায় বেশি। শুনলে এখন আশ্চর্য বোধ হতে পারে যে সেদিন যশোর শহরের ঝালাই পট্টির পতিতাপল্লীর মেয়েরাও এই আন্দোলনে শামিল হয়েছিলেন। পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে তারা প্রায় চল্লিশজন ছাত্রকে তাদের ঘরের ভিতরে গোপনে আশ্রয় দিয়ে বাইরে থেকে দরজায় তালাবন্ধ করে রাখেন। এর ফলে সেসব ছাত্র গ্রেফতার এড়াতে সেদিন সক্ষম হয়। তবুও শেষ রক্ষা হয় না। কারণ পুলিশের অত্যাচারে এই তারিখে প্রায় দুশো ছাত্র ও জনগণ আহত হয়েছিলেন। কিন্তু জিহাদি জনতাকে ঠেকিয়ে রাখা যায় না। পরদিন আবার হরতাল আহ্বান করা হয় এবং তা যথারীতি পালন করা হয়। এরপর যখন আঠারোই মার্চ রাজবন্দী মুক্তি দিবস পালন করার প্রস্তুতি চলছিল এবং ছাত্ররা যখন মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, সেই সময় যশোরে বসবাসরত বিহারিরা মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাঙালিদের ওপর আকস্মিকভাবে আক্রমণ শুরু করল। এতে বেশ কিছু বাঙালির প্রাণহানি ঘটল। এর পেছনে সেদিন ইন্ধন জুগিয়েছিল ঘরশত্রু বিভীষণ মুসলিম লীগ।

মুসলিম লীগ চেষ্টা করেছিল ঘটনাটা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য। বাঙালি ও অবাঙালিদের ভিতরে রায়ট সৃষ্টি করা ছিল তাদের গোপন উদ্দেশ্য, কিছু না হলেও অন্তত হিন্দু মুসলমানে রায়ট হলেও তারা খুশি হতো। এ ব্যাপারে অবাঙালি ম্যাজিস্ট্রেট মিস্টার নোমানি এবং পুলিশের সক্রিয় সহযোগিতা ছিল অবিশ্বাস্য রকমের সত্য।

এ খবর লোক মারফত ছাত্রদের কাছে আগেই পৌঁছে গিয়েছিল। সেদিন তারা এক বিজ্ঞ সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের প্রোগ্রাম বাতিল করেন। ফলে যশোর শহর সেদিন ভয়াবহ এক দাঙ্গার হাত থেকে রক্ষা পায়। কিন্তু তবুও আন্দোলন থেমে যায় না। সেদিন দুপুরেই শহরে বের হয় দাঙ্গা প্রতিরোধ মিছিল। তারা স্লোগান দিতে দিতে সমস্ত শহর প্রদক্ষিণ করে।

যশোরের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে এরপর আইন পরিষদের আলোচনা হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর চুক্তি হয়। এর ফলে সব ছাত্রবন্দীর মুক্তি ঘটে। এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন পূর্ব পাকিস্তান আইন পরিষদের বিরোধীদলীয় নেতা দেশপ্রেমিক ও ভাষাপ্রেমিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। পশ্চিম পাকিস্তান এ জন্য এই নেতার প্রতি এতই ক্ষুব্ধ ছিল যে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের প্রাণহরণ করে। এ কথা এখানে উল্লেখ করতে হবে যে, যশোরের এই ভাষা আন্দোলনের মূল নেতৃত্বে ছিলেন যশোরের সংগ্রামী ছাত্রসমাজ এবং পেছন থেকে তাদের সমর্থন দিয়েছিলেন কমিউনিস্ট পার্টি, সোস্যালিস্ট রিপাবলিকান পার্টি, কংগ্রেস, ফরোয়ার্ড ব্লক, এমনকি মুসলিম লীগের সোহরাওয়ার্দী সমর্থকরাও।

কিন্তু যশোর থেকে ভাষার বিরুদ্ধে কুত্সা রটনাকারীদেরও অভাব ছিল না। এক্ষেত্রে যিনি সংগ্রামী ভূমিকা রেখে প্রতিবাদ করেছিলেন তিনি একজন ছাত্র ফেডারেশনের নেতা ভাষাসৈনিক হামিদা রহমান। বিগত এগারোই মার্চ কেন্দ্রীয় সংগ্রাম পরিষদ গোটা পূর্ববাংলার শিক্ষাঙ্গনে ছাত্র ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত নিলে যশোর ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ এই কর্মসূচির প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করে। কিন্তু সরকার এই সিদ্ধান্ত বাতিলের জন্য সেদিন একশো চুয়াল্লিশ ধারা জারি করে।

ছাত্র ফেডারেশনের নেতা হামিদা রহমান এই আইন ভঙ্গের পক্ষে তার জোরালো মতবাদ প্রকাশ করেন। হামিদা রহমান ছিলেন যশোর এমএম কলেজের ছাত্রী। তিনি এগারোই মার্চের হরতালে ছাত্রীদের মিছিলের পুরোভাগে থেকে নেতৃত্ব দেন। পোস্টারিং, দেয়াল লিখন, জ্বালাময়ী বক্তৃতা ইত্যাদিতে তার সক্রিয় অংশ ছিল। তোরোই মার্চের হরতালেও তার অবদান ছিল অবিস্মরণীয়। সরকারের ভাষানীতির প্রতিবাদে তিনি যে প্রবন্ধ লেখেন তা তখনকার কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র স্বাধীনতায় প্রকাশিত হয়েছিল।  শুধু তাই নয়, তার এই লেখনী ছাত্র মহলে নতুন এক অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদে তার অবদান চিরকালের জন্য যশোরবাসী স্মরণে রাখবে।

     লেখক : কথাসাহিত্যিক।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়