শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৫১, শুক্রবার, ১১ মার্চ, ২০১৬ আপডেট:

একটি কাল্পনিক গল্প

মুহম্মদ জাফর ইকবাল
Not defined
অনলাইন ভার্সন
একটি কাল্পনিক গল্প

১. রিকশাটা থামতেই সামিয়া দেখতে পেল হাসান কফি হাউসের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। সামিয়াকে দেখেই হাসান লম্বা পায়ে এগিয়ে এসে সামিয়ার দিকে হাত বাড়িয়ে দেয়। সামিয়া হেসে বলল, ‘তোমার ধারণা আমি নিজে নিজে রিকশা থেকে নামতে পারব না?’ হাসান বলল, ‘কেন পারবে না? একশবার পারবে! কিন্তু ঢাকা শহরে রিকশার কথা চিন্তা করলেই ভয়ে আমার হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে যায়।’  সামিয়াকে হাতে ধরে রিকশা থেকে নামিয়ে হাসান বলল, ‘আর একদিন! তারপর তোমাকে আর কোথাও রিকশা করে যেতে হবে না।’

আগামীকাল তাদের বিয়ে, বিয়ের পর সামিয়া যখন হাসানের বাসায় উঠে আসবে তখন তাকে আর রিকশায় উঠতে হবে না। হাসানদের বাসায় প্রত্যেকের জন্য আলাদা গাড়ি।  সামিয়া আর হাসান যখন ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করেছে তখন তাদের ক্লাসে শুধু হাসানই নিজের গাড়ি ড্রাইভ করে ক্লাস করতে আসত।

সামিয়া বলল, ‘বিয়ের আগের দিন এভাবে কফি হাউসে লুকিয়ে দেখা করতে এসেছি, কেউ দেখে ফেললে কী লজ্জার ব্যাপার হবে।’ হাসান শব্দ করে হেসে বলল, ‘এর ভিতরে লজ্জার কী আছে?’ সামিয়া বলল, ‘তুমি বুঝবে না। ছেলেরা এগুলো বোঝে না।’

তারা দুজনে কফি হাউসের এক কোণায় বসে কফির অর্ডার দেয়, কফি খেতে খেতে দুজনে নিচু গলায় কথা বলে। বিয়েতে একশ রকম ঝামেলা থাকে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। অনেক ছেলেবেলায় সামিয়ার বাবা গাড়ি এক্সিডেন্টে মারা গেছেন, বাসায় তার মা আর ছোট বোন ছাড়া আর কেউ নেই। বিয়ের ঝামেলার বড় অংশটাই সামিয়ার নিজেকেই করতে হচ্ছে। সামিয়ার কথা শুনতে শুনতে হাসান একটু অন্য মনস্ক হয়ে পড়ে, হঠাৎ করে সামিয়ার চোখের দিকে তাকিয়ে বলে, ‘সামিয়া তোমাকে একটা কথা বলব ভাবছি!’ সামিয়া হাসল— বলল, ‘সরি হাসান, আমি একাই কথা বলে যাচ্ছি, তোমাকে কথা বলার কোনো সুযোগই দিচ্ছি না। বল, তুমি কথা বল।’ হাসান একটু ইতস্তত করে বলল, ‘বিয়ের পর তুমি নিশ্চয়ই তোমার চাকরিটা ছেড়ে দেবে?’

সামিয়া চমকে উঠল, কেমন যেন ভয় পেয়ে সে হাসানের দিকে তাকাল, শুকনো গলায় বলল, ‘কী বলছ তুমি? আমি চাকরি ছেড়ে দেব?’ হাসান মাথা নাড়ল, বলল, ‘হ্যাঁ, বিয়ের পর তোমার চাকরি করার দরকার কী? তোমার তো তখন আর টাকা-পয়সার দরকার হবে না।’ সামিয়া কেমন যেন অবাক হয়ে হাসানের দিকে তাকিয়ে রইল, কোনো কথা বলতে পারল না। হাসান বলতে থাকল, ‘মেয়েদের চাকরি করার বিষয়টা জানি কেমন, একেবারে মানায় না। মেয়েরা তখন কেমন জানি খিটখিটে হয়ে যায়। তাদের কথাবার্তা, চালচলনে কোনো সুইটনেস থাকে না।’ সামিয়া কিছুক্ষণ শুকনো মুখে হাসানের দিকে তাকিয়ে রইল, তারপর বলল, ‘ইউ আর নট সিরিয়াস, তুমি নিশ্চয়ই আমার সাথে ঠাট্টা করছ। তাই না?’ হাসান মাথা নাড়ল, বলল, ‘না। আমি ঠাট্টা করছি না। আমি সিরিয়াস।’ সামিয়া বলল, ‘আমি চার বছর ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করেছি। দুই বছর থিসিস করেছি। আমার জার্নালে তিনটা পাবলিকেশন্স। আমি গোল্ড মেডেল পেয়েছি। ইউনিভার্সিটিতে আমি চাকরি পেয়েছি। আমি ফোর্থ ইয়ারের ছাত্রছাত্রীদের একটা কোর্স পড়াই— আর তুমি বলছ আমি সেই চাকরি ছেড়ে দেব?’

হাসান বলল, ‘হ্যাঁ। আমি তাই বলছি। ইউনিভার্সিটিতে ছাত্র পড়িয়ে তুমি কয় টাকা বেতন পাও? আমি প্রতি মাসে তোমাকে তার দ্বিগুণ টাকা হাত খরচ দেব।’ সামিয়া কিছুক্ষণ কথা বলতে পারল না, তারপর একটু কষ্ট করে বলল, ‘তোমার ধারণা আমি টাকার জন্য ইউনিভার্সিটির মাস্টার হয়েছি?’ হাসান একটু অবাক হওয়ার ভঙ্গি করে বলল, ‘তুমি কী ভলান্টারি কর? বেতন নাও না? তাহলে সেটা টাকার জন্য হলো না?’

সামিয়া অবাক হয়ে হাসানের দিকে তাকিয়ে থাকে, হঠাৎ করে তার হাসানকে কেমন যেন অচেনা মনে হতে থাকে। তারা চার বছর একসঙ্গে পড়াশোনা করেছে, বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে হৈচৈ করেছে, লেখাপড়ায় ভালো বলে কতবার সে নিজে হাসানের হোমওয়ার্ক করে দিয়েছে। যখন ইউনিভার্সিটিতে চাকরি পেয়েছে সে তখন সবাইকে নিয়ে চাইনিজ খেতে গিয়েছে— এখন সেই হাসান বলছে বিয়ের পর চাকরি ছেড়ে দিতে? সামিয়া নিচু গলায় বলল, ‘হাসান তুমি আগে আমাকে কখনো বলনি কেন যে তুমি চাও না যে আমি চাকরি করি?’ হাসান বলল, ‘আমি ধরে নিয়েছি তুমি সেটা জান। আমাদের ফ্যামিলিতে কখনো কোনো মেয়ের চাকরি করতে হয়নি। তুমি যখন আমাদের ফ্যামিলিতে আসবে তখন আমাদের ফ্যামিলির নিয়ম মেনেই আসবে।’

সামিয়া বিবর্ণ মুখে হাসানের দিকে তাকিয়ে থাকে। হাসান জোর করে মুখে হাসি টেনে এনে বলল, ‘বাদ দাও এই আলোচনা। পরে দেখা যাবে। কাল আমাদের বিয়ে এখন এসব আলোচনা করে মুড অফ করার কোনো দরকার নেই।’ সামিয়া কোনো কথা না বলে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে রইল।

ঘণ্টাখানেক পর হাসান সামিয়াকে তাদের বাসায় নামিয়ে দেওয়ার জন্য তার গাড়িতে নিয়ে বের হলো। দুজনের কথাবার্তা হচ্ছে খুব কম, কোথায় জানি সুর কেটে গেছে। সামিয়াদের বাসা মোহাম্মদপুরে, হাসান যখন হঠাৎ গাড়িটা ঘুরিয়ে বনানীর দিকে রওনা হলো, সামিয়া একটু অবাক হয়ে বলল, ‘তুমি কোথায় যাচ্ছ?’ হাসান হাসল, বলল, ‘চাকরি ছাড়ার কথা বলে তোমার মন খারাপ করে দিয়েছি, তাই চল তোমার মন ভালো করে দিই?’ সামিয়া জিজ্ঞেস করল, ‘কেমন করে আমার মন ভালো করে দেবে? হাসান বলল, ‘তোমাকে আমাদের বাসায় নিয়ে যাই। আমাদের বাসার উপরের ফ্ল্যাটটা আমাদের জন্য রেডি করা হয়েছে! তোমার নতুন সংসার কেমন করে সাজানো হয়েছে তুমি দেখবে।’ সামিয়া বলল, ‘না হাসান, কাল আমার বিয়ে আর আজ আমি ঢ্যাং ঢ্যাং করে শ্বশুরবাড়ি যাব এটা হয় না। আমাকে বাসায় নামিয়ে দাও। প্লিজ!’

হাসান রাজি হলো না, একরকম জোর করেই সামিয়াকে নিজের বাসায় নিয়ে গেল। গাড়িটা গ্যারেজে রেখে দুজন যখন চুপি চুপি করে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠছে তখন হঠাৎ করে দোতলার দরজা খুলে হাসানের মা বের হয়ে এলেন। সামিয়া ভয়ানক চমকে উঠে, এই ভদ্র মহিলাকে সে একটু ভয় পায়। হাসানের মা একবার হাসানের দিকে তাকালেন তারপর সামিয়ার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘ছিঃ মা! এটা তুমি কী করছ? কাল তোমার বিয়ে আর আজকে শ্বশুরবাড়িতে চলে এলে?’

সামিয়া একেবারে ফ্যাকাসে হয়ে গেল, আমতা আমতা করে বলল, ‘আমি আসতে চাইনি আন্টি— আমাকে হাসান জোর করে নিয়ে এসেছে।’ হাসানের মা বললেন, ‘প্রথমত, আমি তোমার আন্টি না, আমি তোমার মাদার ইন ল, আমাকে মা ডাকবে। দ্বিতীয়ত হাসান তোমাকে আনতে চাইলেই তুমি চলে আসবে?’ সামিয়া কী বলবে বুঝতে পারল না, অপমানে তার মুখ লাল হয়ে উঠল। ভদ্র মহিলা বলতে থাকলেন, ‘যাই হোক এসে যখন পড়েছ ভিতরে ঢোকো। তোমার সঙ্গে আমার কথা আছে।’

সামিয়া আচ্ছন্নের মতো ভিতরে ঢুকল। ভিতরে ঢুকে থতমত খেয়ে গেল। সোফাতে বেশ কয়েকজন বয়স্ক ভদ্র মহিলা বসে আছেন। হাসানের মা বললেন, ‘এরা তোমার খালা, চাচি এবং ফুফু শাশুড়ি। সালাম কর।’

সামিয়া উবু হয়ে সবাইকে পা ধরে সালাম করল। হাসানের মা একটা সোফায় বসে সামিয়াকে তার সামনে একটা সোফায় বসতে বললেন। সামিয়া জড়োসড়ো হয়ে বসে নিচের দিকে তাকিয়ে রইল। ঠিক কী কারণ জানা নেই, হঠাৎ করে তার মনে হতে লাগল সে বুঝি একজন আসামি এবং সে একটি বিচারের কাঠগড়ায় বসেছে।

হাসানের মা কেশে একটু গলা পরিষ্কার করে বললেন, ‘দেখ মা তুমি আমার বাড়ির বউ হয়ে আসছ, তুমি বুঝতে পারছ কিনা আমি জানি না, এটা কিন্তু খুব ছোটখাটো কথা না। হাসানের জন্য কত জায়গা থেকে বিয়ের আলোচনা এসেছে তুমি চিন্তা করতে পারবে না। আমি ভেবেছিলাম দেখেশুনে এই ফ্যামিলির উপযুক্ত একটা মেয়ে বেছে নেব। তখন হাসান বলল, সে তোমাকে বিয়ে করতে চায়। আমি মিথ্যা কথা বলব না মা, আমি প্রথমে রাজি হতে চাইনি, তুমি বাপমরা একটা মেয়ে, তোমাকে বিয়ে করা মানে তো শুধু তোমার দায়িত্ব নেওয়া নয়, তোমার ফ্যামিলির দায়িত্ব নেওয়া। তাছাড়া ছেলেদের যখন বিয়ে হয়, শ্বশুরবাড়িতে একটু জামাইয়ের আদর পেতে চায়, তোমার বাবা নেই, আমার ছেলের আদর-যত্ন কে করবে?’

সামিয়া নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারে না সে সত্যিই এরকম একটা কথা বসে বসে শুনছে। তার মনে হলো প্রতিবাদ করে একটা কিছু বলা উচিত কিন্তু কী বলবে ভেবে পেল না। হাসানের মা একটু দম নিয়ে আবার বলতে শুরু করলেন, ‘দেখ মা, আমার হাসান অনেক আদরের ছেলে। সে কিন্তু জীবনে এক গ্লাস পানিও নিজে ঢেলে খায়নি। এই বাড়িতে তুমি যদি বউ হয়ে আস, তোমার প্রথম দায়িত্ব হবে আমার ছেলেকে যত্ন করে রাখা। দেখাশোনা করা। আমি শুনলাম তুমি নাকি স্কুল না কলেজে মাস্টারি কর’—  সামিয়া খুবই দুর্বলভাবে প্রতিবাদ করার চেষ্টা করল, বলল, ‘ইউনিভার্সিটিতে’। হাসানের মা বললেন, ‘একই কথা। মাস্টারি হচ্ছে মাস্টারি। আমার বাড়ির বউ মাস্টারি করবে সেটা মেনে নেওয়া সম্ভব না। এই বাড়ির বউ হয়ে এলে তোমার কীসের অভাব থাকবে যে তোমাকে মাস্টারি করতে হবে? কাজেই স্পষ্ট করে বলে রাখি, তোমাকে চাকরি ছেড়ে ঘরে থাকতে হবে। তোমার ব্যবহারের জন্য গাড়ি থাকবে, ড্রাইভার থাকবে, কাজে সাহায্য করার জন্য বুয়ারা আছে, তোমার জন্য হাত খরচ আছে, তোমার কীসের অভাব?’

সামিয়া কিছু একটা বলার চেষ্টা করল কিন্তু ভদ্র মহিলা কথা বলতে দিলেন না, ‘আমার বংশে বাতি দিতে হবে, আমি চাই বছর না ঘুরতেই তোমার কোলে বাচ্চা আসবে। প্রথম পুত্র সন্তান— তখন কোথায় যাবে তোমার চাকরি?’ সামিয়া আতঙ্কিত চোখে তার ভবিষ্যৎ শাশুড়ির দিকে তাকিয়ে রইল। ভদ্র মহিলা গলার স্বর নিচু করে বললেন, ‘আর তোমাকে কিন্তু পোশাক-আশাকের ব্যাপারে আরও কেয়ারফুল থাকতে হবে। কপালে দেখি টিপ দিয়েছ— আমাদের ফ্যামিলিতে এসব হিন্দুয়ানি চলবে না। ছেলের ফেসবুকে তোমার ছবি দেখলাম জিন্সের প্যান্ট আর ফতুয়া পরে আছ। ছিঃ ছিঃ মা— এটা কী একটা পোশাক হলো? বড় ঘরে আসছ এখন বড় মানুষের মতো চিন্তা করবে।’

সামিয়া হাসানের দিকে তাকাল, ভাবল হাসান নিশ্চয়ই তার মাকে থামাবে কিছু একটা বলবে, কিন্তু হাসান কিছুই বলল না, নির্লিপ্ত মুখে বসে রইল। হাসানের মা টানা কথা বলতে লাগলেন, হঠাৎ করে সামিয়া লক্ষ করল সে আর কিছুই শুনতে পাচ্ছে না। মনে হচ্ছে অনেক দূর থেকে কেউ বুঝি কথা বলছে।

২. রিকশা করে বাসায় আসার সময় সামিয়া তার বিয়েটা ভেঙে দিল। ছোট একটা এসএমএস পাঠিয়ে একটা বিয়ে আগের দিন ভেঙে দেওয়া যায় সামিয়া সেটা জানত না। সে আবিষ্কার করল এত বড় একটা সিদ্ধান্ত সে খুব সহজেই নিতে পেরেছে, খুবই ঠাণ্ডা মাথায় নিতে পেরেছে। সেটা নিয়ে তার ভিতরে কোনো চাপ নেই, কোনো দুর্ভাবনা নেই, বরং হঠাৎ করে নিজেকে কেমন জানি ভারমুক্ত মনে হতে থাকে।

সামিয়ার মা বিয়ে ভেঙে দেওয়ার কথা শুনে কেমন যেন রক্তশূন্য হয়ে গেলেন। বসার ঘরের দরজাটা ধরে অবিশ্বাসের গলায় বললেন, ‘তুই কী বলছিস? বিয়ে ভেঙে দিয়েছিস?’ সামিয়া শান্ত গলায় বলল, ‘হ্যাঁ মা, আমি বিয়ে ভেঙে দিয়েছি।’ সামিয়ার মা আবার জিজ্ঞেস করলেন, ‘বিয়ে ভেঙে দিয়েছিস? আগের দিন কেমন করে বিয়ে ভেঙে দেয়?’ সামিয়া হাসার চেষ্টা করল, বলল, ‘খুব সোজা মা। আমি এসএমএস করে দিয়েছি। আমার বন্ধুকে ফোন করে দিয়েছি, সে আসছে। ডায়মন্ডের এনগেজমেন্ট রিংটা ফেরত দিয়ে আসতে।’

সামিয়ার মা মেঝেতেই বসে পড়লেন, হাহাকারের মতো শব্দ করে বললেন, ‘তুই এটা কী করলি সর্বনাশী! এখন আমাদের কী হবে? আমি লোকজনের কাছে মুখ দেখাব কেমন করে?’ কথা শেষ করে মা মাথা ঠুকতে ঠুকতে বললেন, ‘এর আগে আমি মরে গেলাম না কেন? কেন আমি মরে গেলাম না?’

সামিয়া তার মাকে ধরতে গেল, মা ঝটকা মেরে তাকে সরিয়ে দিয়ে হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলেন। সামিয়ার ছোট বোন লামিয়া একটু দূরে দাঁড়িয়ে পুরে দৃশ্যটি দেখছিল, এবারে সে কাছে এসে সামিয়াকে হাত ধরে সরিয়ে নেয়, তারপর কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিস ফিস করে বলল, ‘আপু তুমি যেটা করেছ সেটা ঠিক করেছ। এক্কেবারে ঠিক। আম্মু তোমাকে যাই বলুক না কেন— তুমি মন খারাপ করো না, আর কেউ থাকুক আর না-ই থাকুক, আমি তোমার সঙ্গে আছি।’  সামিয়া লামিয়ার দিকে তাকিয়ে হাসার চেষ্টা করল, বলল, ‘থ্যাংকু লামিয়া।’

৩. এটি একটি কাল্পনিক গল্প। বিশ্ব নারী দিবসে বসে কিছু একটা লিখতে গিয়ে কেন এরকম একটি গল্প লেখার ইচ্ছা করল আমি জানি না। মনে হয় গল্পটি কাল্পনিক হলেও যে বিষয়টির কথা বলা হয়েছে সেটা কাল্পনিক নয়, আমাদের চারপাশে প্রতি মুহূর্তে এগুলো ঘটছে এবং আমরা দেখেও না দেখার ভান করছি— সেটি একটি কারণ।  আশা করে আছি আমাদের দেশে একদিন এরকম একটি গল্প সত্যি সত্যি পুরোপুরি কাল্পনিক একটা গল্প হয়ে যাবে। বিশ্ব নারী দিবসে সেটি আশা করা নিশ্চয়ই খুব অন্যায় কোনো আশা নয়!

     লেখক : অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়