শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৩৬, শনিবার, ১২ মার্চ, ২০১৬

স্বপ্নগুলো যেন হারিয়ে না যায়

প্রভাষ আমিন
অনলাইন ভার্সন
স্বপ্নগুলো যেন হারিয়ে না যায়

ছেলেটি চুপচাপ থাকত। হৃদয়জুড়ে রাজ্যের অভিমান। সেই অভিমান থেকেই কবিতা লিখত। ভালোবাসত ক্রিকেট। বাংলাদেশ বলতেই অজ্ঞান। ছেলেটির মা কবিতা-ক্রিকেট বুঝতেন না। তার সব ধ্যান-জ্ঞান ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে। তিনি সারাক্ষণ ছেলেকে বকাঝকা করেন পড়াশোনার জন্য। এসব নিয়ে ছেলেটির অভিমান আরও তীব্র হয়। ছেলেকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে মা ছেলের জন্মদিনটিও ভুলে যান। অভিমানে ছেলেটি কান্নায় বুক ভাসায়।  এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বাংলাদেশের খেলা। দারুণ খেলে জিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু মা তবুও পড়াশোনার জন্যই চাপ দেন। কেন তিনি বাংলাদেশের জয়ে উল্লসিত নন, কেন হাততালি দিচ্ছেন না— এ নিয়ে মায়ের সঙ্গে তর্ক বাধে ছেলেটির। মায়ের হাতে অনেক কাজ। খেলা নিয়ে ভাবার সময় নেই তার। এ নিয়ে বকা দেন ছেলেকে। এবার ছেলের অভিমান বাঁধ ভেঙে যায়। বাংলাদেশের জয় যাকে উল্লসিত করে না, তার সঙ্গে আর থাকার কোনো মানে হয় না। বেরিয়ে যায় বাসা থেকে। চলে যায় ধানমন্ডি লেকে। মায়ের প্রতি তীব্র অভিমানে ভেসে যাচ্ছে বুক। আস্তে আস্তে লেকের পানিতে নেমে যায় ছেলেটি। চোখের জল আর লেকের জল মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। আস্তে আস্তে অতল জলে হারিয়ে যায় ছেলেটি।

এই হলো আমাদের অভিমানী অর্জুনের গল্প। পুরো নাম সুদীপ্ত দত্ত অর্জুন। এবার তার এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। অর্জুনের বাবা অসীম কুমার দত্ত কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন, আমাদের সন্তানের ইমোশনটা আমরা বুঝতে পারিনি। নিজেদের খুব ব্যর্থ মনে হচ্ছে। মামলা করবেন কিনা জানতে চাইলে অসীম দত্ত বলেন, কার বিরুদ্ধে মামলা করব। করলে তো নিজের বিরুদ্ধেই মামলা করতে হবে। অসহায় এই পিতার হাহাকার আমার বুকে বিঁধেছে। গভীর বেদনায় আর্দ্র হয়ে যায় আমার হৃদয়।

অর্জুনের মা ছন্দা দত্ত নিশ্চয়ই ছেলের ভালো চাইতেন। বনশ্রীর অরনী আর আলভীর মা মাহফুজা মালেক জেসমিনও নিশ্চয়ই তার সন্তানদের ভালোবাসতেন। সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা ছিল তার মধ্যে। এখনো পুরো রহস্যটা আমরা জানি না। এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে, তাতে সন্তানদের ভবিষ্যৎ ভাবনায় উদ্বিগ্ন হয়েই মাহফুজা তার দুই সন্তানকে হত্যা করেছেন। এ দুটি ঘটনাই আমাদের নতুন করে ভাবাচ্ছে। আমরা কি আমাদের সন্তানদের নিয়ে বেশি ভেবে ভেবে নিজেরাই অসুস্থ হয়ে পড়ছি? আমরা কি সন্তানদের মনের কথা না বুঝে ভবিষ্যতের কথা ভেবে ভেবে তাদের বর্তমানকে অন্ধকার করে ফেলছি? আমরা কি বুঝে না বুঝে তাদের মেরে ফেলছি বা মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছি?

অর্জুন পড়ত বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ কলেজে। অরনী পড়ত ভিকারুননিসা নূন স্কুলে। আর আলভী পড়ত হলি ক্রিসেন্ট স্কুলে। তিনটিই দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এমন প্রতিষ্ঠানে চান্স পাওয়াটাই কঠিন। সেখানে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়েও বাবা-মাদের এত উদ্বেগ কেন? দেশের লাখ লাখ শিশু-কিশোর তো স্কুলে যাওয়ারই সুযোগ পায় না, ভালো স্কুল তো অনেক পরের কথা। কিন্তু আমরা শহুরে মধ্যবিত্তরা নিজেরা অনেক বেশি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগী। সেই নিরাপত্তাহীনতার বোধ ছড়িয়ে দিই সন্তানের ওপর। আমরা নিজেদের অপূর্ণতাকে পূর্ণতা দিতে চাই সন্তানের মাধ্যমে। নিজেরা যা হতে পারিনি, তা বানাতে চাই সন্তানকে। কিন্তু আমরা বুঝতে চাই না, প্রতিটি মানুষ আলাদা, মানুষের পছন্দ আলাদা। ছন্দা দত্তের কাছে ক্রিকেট মানে সময় নষ্ট, অর্জুন দত্তের কাছে ক্রিকেট মানেই জীবন। এই গ্যাপ আমরা কমাতে পারি না। বরং তা বাড়তে বাড়তে এমন দূরত্ব তৈরি করে, সন্তান হয়ে যায় অচেনা। আমরা বুঝতে চাই না, সময় বদলে গেছে। আমরা আমাদের ছেলেবেলার সঙ্গে মিলিয়ে আমাদের সন্তানদের বড় করতে চাই। আগে সন্তানকে স্কুলে দেওয়ার সময় অভিভাবকরা শিক্ষকদের বলতেন, মাংসগুলো আপনার, হাড্ডিগুলো আমার। তখন যত কড়া, তত ভালো শিক্ষক। কোন শিক্ষক কয়টা বেত মারেন, মারতে মারতে কে বেত ভেঙে ফেলেন, কোন শিক্ষক ডাস্টার ছুড়ে মারেন, কোন শিক্ষক মাথায় গাট্টা মারেন, কোন শিক্ষক কত সৃজনশীলভাবে শাস্তি দিতে পারেন; সেটাই ছিল মানদণ্ড। এখন যুগ পাল্টে গেছে। শারীরিক শাস্তি তো দূরের কথা মানসিক নির্যাতনও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু আমরা কিন্তু ঘরে সন্তানের ওপর নির্যাতন চালিয়েই যাচ্ছি। তোমাকে কিন্তু এই হতে হবে, সেই হতে হবে, অমুকের রেজাল্ট কেন তোমার চেয়ে ভালো হলো, তোমাকে তো আমরা সবই দিচ্ছি— এমনতর হাজার প্রশ্ন প্রতিদিন কেড়ে নিচ্ছে আমাদের সন্তানদের শৈশব, কৈশোর। আমরা বুঝতে চাই না, জানতেও চাই না; আমার সন্তান কী ভালোবাসে, তার কী পছন্দ। স্কুল-কোচিং-পরীক্ষায় আমরা সন্তানের পুরো সময়টা ঠেসে দিই। সেখানে গান নেই, কবিতা নেই, খেলা নেই, বই নেই; আছে শুধু অনন্ত চাপ।

আপনি নিশ্চয়ই আপনার সন্তানকে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন। সেটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু সেই ভালোবাসা আপনার সন্তান নিতে পারছে কিনা, তাতে তার ভালো হচ্ছে কিনা, সেটা একটু ভেবে দেখুন আগে। শুধু ভালো স্কুলে ভর্তি করলে, ভালো শিক্ষকের কাছে পড়ালে, ভালো বাসায় রাখলে, ভালো রেস্টুরেন্টে খাওয়ালেই ভালোবাসা হয় না। সন্তান কী চায়, সেটাও মাথায় রাখতে হবে। তাকে ভালোবাসতে হবে তার মতো করে। তেমন শিক্ষা দিন, যাতে আপনার সন্তান ভালো-মন্দের পার্থক্যটা ধরতে পারে; তাহলে আর তার ওপর গোয়েন্দাগিরি করতে হবে না। সন্তানের ওপর আস্থা রাখুন, তাকে বিশ্বাস করুন। তার ভালোলাগার জায়গাগুলো বের করুন, তার শক্তির জায়গাটা জাগিয়ে দিন। সব শিশুর মেধা এক রকম নয়। সবাই ভালো রেজাল্ট করবে না। কেউ অঙ্কে ভালো, কেউ ইংরেজিতে ভালো, কেউ খেলায় ভালো, কেউ ভালো গায়, কেউ ভালো আঁকে। যার যেটা ভালো লাগে, তাকে সেটাই করতে দিন। শুধু জিপিএ-৫ এই জীবনের সার্থকতা নয়। জিপিএ-৫ এর পেছনে ছোটাতে গিয়ে সন্তানের শৈশব-কৈশোর, বর্তমান-ভবিষ্যৎ ধ্বংস করবেন না। নিশ্চয়ই আপনি আপনার সন্তানের ওপর নজর রাখবেন। সে কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে, কেমন পড়াশোনা করছে। কিন্তু সেটা যেন গোয়েন্দাগিরি না হয়। সে যেন বুঝতে না পারে, আপনি তাকে অবিশ্বাস করছেন, সন্দেহ করছেন।

প্লিজ আপনার স্বপ্ন আপনার সন্তানের ওপর চাপিয়ে দেবেন না। তাকে তার মতো স্বপ্ন দেখতে দিন। সে যাতে বড় স্বপ্ন দেখতে পারে, সে ব্যাপারে তাকে অনুপ্রেরণা দিন। সন্তানদের নিয়ে আনিসুল হকের অনুবাদে কাহলিল জিবরানের কবিতার কয়েক লাইন

‘তোমার সন্তানেরা তোমার সন্তান নয়।

জীবনের নিজের প্রতি নিজের যে তৃষ্ণা, তারা হলো তারই পুত্রকন্যা।

তারা তোমাদের মাধ্যমে আসে, তোমাদের থেকে নয়।

এবং যদিও তারা থাকে তোমাদের সঙ্গে, কিন্তু তাদের মালিক তোমরা নও।

তুমি তাদের দিতে পারো তোমার ভালোবাসা,

কিন্তু দিতে পারো না তোমার চিন্তা, কারণ তাদের নিজেদের চিন্তা আছে।

তুমি তাদের শরীরকে বাসগৃহ জোগাতে পারো, কিন্তু তাদের আত্মাকে নয়।’

তাদের ওপর আমাদের স্বপ্ন চাপিয়ে দেব না। কিন্তু সন্তানদের ঘিরেই আমাদের সব স্বপ্ন। তাদের সাফল্যে আমাদের আনন্দ, তাদের কৃতিত্বেই আমাদের গর্ব।  আমাদের সেই স্বপ্নগুলো যেন অর্জুনের মতো, অরনীর মতো, আলভীর মতো হারিয়ে না যায়।

লেখক : সাংবাদিক

ই-মেইল : [email protected]


বিডি-প্রতিদিন/ ১২ মার্চ, ২০১৬/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়