শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:৪৮, বুধবার, ২৬ জুন, ২০১৯ আপডেট:

বাংলাদেশে আজ সবাই ডাক্তার

ডা. এ কে এম মহিউদ্দিন ভুঁইয়া মাসুম
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশে আজ সবাই ডাক্তার

বাংলাদেশের চিকিৎসক ও চিকিৎসা ব্যবস্থার অনিয়ম নিয়ে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা ও সমালোচনার ঢেউ বয়ে যাচ্ছে। আবার বরগুনাসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপর হামলা শুরু হয়েছে। চিকিৎসকদের উপর হামলা যেমন মেনে নেওয়া যায় না, তেমনি আমরা যারা চিকিৎসক তাদের মেডিকেল ইথিকস্ লঙ্ঘন করে চিকিৎসা সেবা দেওয়াও মানা যায় না। আনইথিক্যাল চিকিৎসা সেবা বন্ধ করতে হবে। চিকিৎসা সেবা আইনের বিষয় নয়। চিকিৎসক ও চিকিৎসা সেবা মেডিকেল ইথিকসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত মানবিক বিষয়। প্রত্যেক চিকিৎসক মেডিকেল ইথিকস্ মেনে চলতে বাধ্য। 

কিন্তু আমরা চিকিৎসকরা মেডিকেল ইথিকস্ কি সেটাই ভুলে গিয়েছি। বাংলাদেশের চিকিৎসকরা দেশ-বিদেশে আজ প্রশংসিত, কিন্তু আমাদের কতিপয় চিকিৎসকের আনইথিক্যাল কাজের জন্য আমাদের পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থাই সমালোচনার মুখে। আমাদের চিকিৎসকদের ত্যাগ, সুনাম, সব হারিয়ে যাচ্ছে এই সব সমালোচনার জন্য। উন্নত বিশ্বে আমাদের চিকিৎসকদের সুনাম ও সুখ্যাতিতে আমরা গর্ববোধ করি। আমাদের চিকিৎসকরা উন্নত বিশ্বে সুনাম অর্জন করতে পারলে, নিজ দেশে কেন পারবেন না?

আমার বিশ্বাস আমাদের হেলথ সিস্টেমকে ঢেলে সাজাতে পারলে আমরা দেশীয় চিকিৎসকরা আরো বেশী দক্ষতা ও সুনাম অর্জন করতে পারবে। 

প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে- আল কোরআন।
আমার হুকুম ছাড়া মৃত্যু হয়না- আল কোরআন।

এটা যেমন চিরসত্য, আবার কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া যাবে না। আলেকজেন্ডার দি গ্রেটের মৃত্যুর পর তার শেষ  ইচ্ছানুযায়ী শবদেহ বহন করেছিলেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা, কারণ তিনি পৃথিবীর মানুষকে শিক্ষা দিতে চেয়েছিলেন যে- চিকিৎসকরা কোন মানুষের জীবন দান করতে পারেন না। এটা সবার বুঝতে হবে। তাই বলে চিকিৎসকরা চিকিৎসায় অবহেলা করবেন তা হবে না। 

আমাদের চিকিৎসকরা সীমিত সামর্থের মধ্যে জাতিকে যে সেবা দিয়ে আসছেন তা সারা বিশ্বে প্রশংসিত। তারপরেও চিকিৎসকরা তীব্র সমালোচনার মুখে। এর জন্য দায়ী কে? চিকিৎসক নাকি চিকিৎসা ব্যবস্থা?

আমাদের বলতে লজ্জা হয়, এদেশে এখনো একটা জাতীয় স্বাস্থনীতি প্রণীত হয়নি। প্রণীত হয়নি সার্বজনীন মেডিকেল শিক্ষা ব্যবস্থা। এ সুযোগে একটি মহল চিকিৎসা ব্যবস্থাকে বাণিজ্যকরণ করে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। 

দেশে এখন ৪ ধরনের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বিদ্যমান:
১। গ্রামীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: যা ফার্মেসী ম্যান বা পল্লী চিকিৎসক নিয়ন্ত্রিত।
২। উপজেলা ও জেলা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: যা সরকারী-বেসরকারি চিকিৎসক ও হাসপাতাল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
৩। মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ পর্যায়ের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: যা সরকারী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারী-বেসরকারি মেডিকেল কলেজ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
৪। ফাইভ স্টার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা- যা রাজধানী ও বিভাগীয় শহরে গড়ে উঠা ফাইভ স্টার হোটেলের মতো হাসপাতাল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

এক এক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় এক এক রকম সেবা প্রদান করা হয়, তবে সব ধরনের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বেসরকারিভাবে নিয়ন্ত্রিত।

একটি দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা থাকবে সম্পূর্ণ সরকারের নিয়ন্ত্রণে, সারা বিশ্বে সরকারী বেসরকারি সব ধরনের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকে, কিন্তু আমাদের দেশে কার নিয়ন্ত্রণে আছে তা বোঝা কষ্টকর। এক এক জায়গায় চিকিৎসা সেবা ও ব্যয় এক এক রকমের। কোন জায়গায় কারো কোন নিয়ন্ত্রণ নেই।
 
ফাইভ স্টার হোটেল সদৃশ বেসরকারী হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মান ও খরচ নিয়ে কারো কোন প্রশ্ন নেই। কেন তারা একটা সিজারের বিল ২ লাখ টাকা নেন, কেউ কি কোনদিন জিজ্ঞেস করেছেন।

দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় কেন ব্যাঙের ছাতার মত মানদণ্ডহীন বেসরকারী ক্লিনিক ও হাসপাতালের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। ডাক্তার নার্স ছাড়া কিভাবে বেসরকারী হাসপাতাল ও ক্লিনিক অনুমোদন পায়?

দেখলাম একজন আইনজীবি রীট করেছেন সিজার বন্ধ করার জন্য, এটার জন্য আইনজীবিকে রীট করতে হবে কেন?
 
ইন্ডিকেশন ছাড়া কেন সিজার হবে? ইন্ডিকেশন ছাড়া সিজার অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। এটা যারা মনিটর করার কথা তারা করছেন না কেন? কেন এন্টিবায়োটিক প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি করা যাবে না তা আজ হাইকোর্ট কে বলতে হয়? প্রসক্রিপশন ছাড়া এন্টবায়োটিক পৃথিবীর কোন দেশে বিক্রি হয় না, শুধু হয় বাংলাদেশে। বাংলাদেশে আজ সবাই ডাক্তার। রাষ্ট্র ব্যবস্থাপকদের সবার আগে বুঝতে হবে কে চিকিৎসক, আর কে চিকিৎসক না। একজন ঔষধ ব্যবসায়ী কি চিকিৎসক? অথচ সবচেয়ে বেশী ঔষধ প্রেসক্রাইব তারা করে থাকেন। তারপর করে থাকেন পল্লী চিকিৎসকরা। এমন তো হবার কথা নয়। হচ্ছে এই জন্যই “আমারা এখনো জানিনা চিকিৎসক কাদের বলে।”

মফস্বলের সরকারী হাসপাতালের চিকিৎসক ভালো চিকিৎসা দিলে ঔষধ ব্যবসায়ী, পল্লী চিকিৎসক বা কোন মফস্বল পত্রিকার সাংবাদিক  কিভাবে বলেন যে চিকিৎসা ভুল দিয়েছেন।

ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু বা ক্ষতি হয়েছে কিনা তা নির্ধারণ করবেন কোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক টিম। আমি একজন সাবেক মন্ত্রীকে চিনি যিনি এখনো তার গ্রামের পল্লী চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। যারা চিকিৎসক নন তারা হয়তো বুঝবেন না চিকিৎসক হবার কি জ্বালা এদেশে।

এদেশের চিকিৎসা ও চিকিৎসা ব্যবস্থা জিম্মি হাতেগোনা কয়েকজন চিকিৎসক, বেসরকারী হাসপাতালের মালিক ও ঔষধ ব্যবসায়ীর হাতে। বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার কেন দালাল নিয়োগ করবে? কেন তারা ডাক্তার ও চিকিৎসকদের কমিশন দেবেন। কেন এক এক হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যয় এক এক রকম? সরকারী হাসপাতালের ৩-৪ গুন বেশী কেন নেবে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো। এই সব ক্লিনিকে সদ্য পাশ করা ডাক্তার চেম্বার করতে গেলেই তাকে কমিশন প্রথা শিখিয়ে দেওয়া হয়। তাইতো টাকার লোভে অনেক চিকিৎসক অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নীরিক্ষা করিয়ে থাকেন। এটা বন্ধ করা জরুরী।

দেশের সকল হাসপাতালের পরীক্ষার ফি এর একটা লিমিট নির্ধারণ করা জরুরী। আইসিডিডিআরবিসহ সব প্রতিষ্ঠানকে বিএসএমএমইউর মানদণ্ডে এনে  বিএসএমএমইউ চিকিৎসা সেবায় যে ফি নেয়, সবার বেলায় তা চালু করতে হবে। ফাইভ স্টার হাসপাতালগুলোর সেবার ফি নির্ধারণ করা জরুরি।

সারা বিশ্বে চিকিৎসকরা অতি সম্মানীয়। আমাদের দেশে কেন হবে না? আমাদের এ পেশার গৌরব ফিরে পেতে হলে রাষ্ট্র্রযন্ত্র ও চিকিৎসকদের একযোগে কাজ করতে হবে। 

রাষ্ট্রকে কিছু দৃঢ পদক্ষেপ নিতে হবে, তেমনি আমরা যারা চিকিৎসক তাদের এই মহান পেশার ইথিকস্ মেনে চলতে হবে। 

রাষ্ট্রকে চিকিৎসা পেশায় জড়িতদের নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি, চিকিৎসকদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ পরিহার করে এই পেশার জন্য জাতীয় নীতিমালা বা জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি প্রনয়ণ করে এর দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

আসুন, আমরা বদলে যাই। আমরা মানবিক হই। 
মানবিকতাই হল চিকিৎসা পেশা।

লেখক: হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়