শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৩৩, রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২০

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম স্বেচ্ছাচার বনাম দায়িত্বশীলতা

আসিফ নজরুল, অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
Not defined
অনলাইন ভার্সন
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম স্বেচ্ছাচার বনাম দায়িত্বশীলতা
এই অভূতপূর্ব উন্নয়ন আমাদের নানা বিপদেও ফেলছে। সবচেয়ে বড় বিপদ হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জবাবদিহিতার অভাব...

প্রায় একযুগ আগে আমি আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বা আইডি খুলি। প্রথম যে ছবিটা দেই তাতে লাইক দেয় তিনজন মানুষ। তখন নিতান্ত অবহেলায় সাত আট দিন পর পর দেখতাম আর ভাবতাম এই নিষ্প্রাণ নির্বিকার জিনিসটার আসলে দরকার কি!

এর বছর খানেক পর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্র পিয়াস আহমেদ আমার নামে একটা ফ্যান পেজ খোলেন। সে আমার টক-শোর ভক্ত এবং এ পরিচয়ে সে আমাকে ফ্যান পেজটির জয়েন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর করে দেয়। বছর তিনেক পরে বোস্টনের নামকরা অনকোলজিস্ট কামরুল হাসান শুভ্রের পরামর্শে আমি প্রথম এ পেজটিতে টুকিটাকি লিখতে থাকি। তখন থেকে গত আট বছরে এর ফলোয়ার বাড়তে থাকে দ্রুতগতিতে।

এখন এ পেজে ফলোয়ারের সংখ্যা ছয় লাখের ওপরে। আমার স্নেহভাজন ছাত্রনেতা ডাকসু ভিপি নূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করি মাস ছয়েক আগে। দেখি চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে সেটা পছন্দ করে লাইক দিয়েছে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক তাই আমার কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। টেলিভিশন টক-শোতে আমার এখন যাওয়া হয় না বহু বছর ধরে। পত্রিকার লেখালেখিতেও রয়েছে নানা সীমাবদ্ধতা। আমার তাতে অসুবিধা হয় না তেমন। আমার ফ্যানপেজে কিছু একটা মন্তব্য করলে তা নিমিষে পৌঁছে যায় কয়েক লাখ মানুষের কাছে, এমনকি সেটা দেশের কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় পত্রিকায় ছাপা হয়ে যায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যে। কোনো কোনো মন্তব্য ইউটিউবে পড়ে শোনানো হয় আমার ছবি দিয়ে। আশ্চর্য হয়ে দেখি সেটিও কখনো কখনো দেখে লক্ষাধিক মানুষ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যে কতটা শক্তিশালী তা আমি নিজের জীবনের ঘটনা থেকে বুঝতে পারি। এ ছাড়া বহু ঘটনা যেমন তনু হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ, আবরার হত্যার বিরুদ্ধে আন্দোলন, কোটা সংস্কার বা নিরাপদ সড়ক আন্দোলনকালে দেখেছি এর প্রভাব কতটা প্রবল, শক্তি কতটা জোরালো। 

২.

একটা জিনিস প্রথমেই পরিষ্কার নেওয়া উচিত যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলতে এ দেশে মূলত ফেসবুককেই বোঝায়। পশ্চিমের দেশগুলোতে টুইটার বা ইউটিউব ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়। বাংলাদেশে টুইটার ব্যবহৃত হয় খুব কম, ইউটিউব ব্যবহৃত হয় মূলত বিনোদন মাধ্যম হিসেবে। যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে আমরা মূলত ফেসবুককেই বুঝি বাংলাদেশে।

ফেসবুক বাংলাদেশে এতটা শক্তিশালী হয়েছে যে, কখনো মূলধারার সংবাদমাধ্যম অনুবর্তী হয়েছে এর। ভীত, ভ্রান্ত বা অনীহ হয়ে যে সংবাদ ছাপাতে দ্বিধায় থাকে মুদ্রিত সংবাদপত্র সেটিই আবার ফেসবুকে তুমুল আলোচিত হওয়ার পর তা প্রকাশে শামিল হয়। সংবাদপত্রের একজন কর্মীকে পাওয়া যাবে না যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংযুক্ত নয়। ফলে ভাইরাল হওয়া বিষয় কারও নজর এড়িয়ে যাওয়াও সম্ভব হয় না।

ফেসবুক ও অন্যান্য কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আরেকটি সুবিধা হচ্ছে এটি সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশ করে দেওয়া যায়। ব্যবসায়িক সুনাম নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে না বলে, প্রকাশে কোনো সময়, অর্থ বা আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন হয় না বলে এতে যে কোনো পত্রিকার অনলাইনের চেয়েও দ্রুত সংবাদ বা মতামত প্রকাশ করা যায়। লাইক, কমেন্ট আর শেয়ার করা খুব সহজ বলে এতে সংবাদ ও মতামতের প্রতিক্রিয়াও যাওয়া যায় অবিশ্বাস্য দ্রুত গতিতে।

এসব সুবিধা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে এমন অমিত শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুক, টুইটার, ইন্সট্রাগ্রাম আর ইউটিউবের কারণে প্রথাগত যোগাযোগ মাধ্যম পাঠক ও বিজ্ঞাপন হারিয়ে পড়েছে মহাদুর্যোগে। ইউরোপ, আমেরিকা বা ভারতেও মূল ধারার পত্রিকার আকার সংক্ষিপ্ত হয়েছে, অধিকাংশ পত্রিকা এখন বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে, কোনো কোনো মুুদ্রিত সংবাদপত্র বিলুপ্ত হয়ে শুধু ডিজিটাল ভার্সনে বা অনলাইনে প্রকাশিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কেন্দ্রিক পেশাদারি সাংবাদিকতা সৃষ্টি হচ্ছে। আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রতিটি ব্যবহারকারী হয়ে পড়ছেন এক একজন নাগরিক সাংবাদিক।

এই অভূতপূর্ব উন্নয়ন আমাদের নানা বিপদেও ফেলছে। সবচেয়ে বড় বিপদ হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জবাবদিহিতার অভাব। যা ইচ্ছে যা খুশি সেখানে ছাপিয়ে দেওয়া যায়। সত্যি বটে মাঝে মাঝে ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অভিযোগ পেলে কিছু পোস্ট সরিয়ে ফেলে, দেশের প্রচলিত আইনেও এজন্য বিচারের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু এর পরিমাণ খুব কম। এত বিশাল ফেসবুকের বিস্তার যে এর পুরোটা জবাবদিহিতার আওতায় আনাও প্রায় অসম্ভব বিষয়।

বাংলাদেশের মতো অনুন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অপব্যবহারের জন্য দায়ভোগও করতে হয় শুধু সরকারবিরোধী বক্তব্যের জন্য। ফেসবুকে সরকারের লোকজন বিরোধীদের সম্পর্কে অবমাননাকর বা আক্রমণাত্মক মন্তব্য করে বিচারের মুখোমুখি হয়েছে এটি অতিবিরল। আবার ফেসবুকে গুজব রটানোর জন্য এ দেশে ছেলেধরা অপবাদে নির্দোষ মায়ের গণপিটুনিতে মৃত্যুর মতো ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এসব দায়িত্বহীন গুজব রটানোর জন্য কারও শাস্তি হয়নি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সে কারণে সেলফ-রেগুলেশন বা নিজে নিজে কিছু আচরণবিধি মেনে চলা জরুরি হয়ে পড়েছে। জরুরি হয়ে পড়েছে এসব আচরণবিধি সম্পর্কে আলোচনা। কিন্তু তার আগে এটি জানা প্রয়োজন যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বাংলাদেশের সংবিধানেও অবাধ বা সীমাহীন নয়।

৩.

বাংলাদেশের সংবিধানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ যে কোনো মাধ্যমে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও আশা করা হয়েছে যে, এই স্বাধীনতা ব্যবহার করতে গিয়ে প্রত্যেক নাগরিক যেন দায়িত্বজ্ঞানের পরিচয় দেয়। এ স্বাধীনতার সঙ্গে সঙ্গে সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা বা নৈতিকতা, আদালতের মর্যাদার প্রতি সম্মান প্রদর্শন, মানহানি অথবা অপরাধে উসকানি প্রদান হতে বিরত রাখার স্বার্থে যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ আরোপের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে জাতীয় সংসদকে।

অর্থাৎ আমাদের দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিঃশর্ত নয়। শালীনতা, নৈতিকতা, মানহানি বা অপরাধে উসকানি প্রদান হতে বিরত থাকা ইত্যাদি কিছু নিয়মনীতি মেনে চলা সাপেক্ষে এই স্বাধীনতাটি উপভোগ করা যেতে পারে।

সংবিধানের এই অনুচ্ছেদটির সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইনের কিংবা বিশ্বের অন্যান্য আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সমাজ ব্যবস্থার কোনো দ্বন্দ্ব নেই। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদসমূহে বলা হয়েছে, বাকস্বাধীনতা কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্যেরও জন্ম দেয়। আর তাই আইন দ্বারা আরোপিত এবং গণতান্ত্রিক সমাজে প্রয়োজনীয় কিছু আনুষ্ঠানিকতা, শর্ত ও বাধানিষেধ সাপেক্ষে এই স্বাধীনতা উপভোগ করা উচিত।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মতপ্রকাশের ওপর তাই রাষ্ট্র রেসট্রিকশন বা সীমাবদ্ধতা আরোপ করতে পারে। তবে এ সীমাবদ্ধতা ইচ্ছামতো আরোপ করা যাবে না। আমাদের সংবিধান অনুসারে এসব রেসট্রিকশন অবশ্যই যুক্তিসঙ্গত হতে হবে, আইন দ্বারা আরোপিত হতে হবে এবং জনস্বার্থ বা জনশৃঙ্খলার মতো কারণভিত্তিক হতে হবে। কোনো অযৌক্তিক আইন করে বাক-স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে হাই কোর্টের ক্ষমতা রয়েছে সেই আইনকে সংবিধান পরিপন্থী ও অবৈধ ঘোষণা করার।

আমাদের প্রচলিত আইনগুলোর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর সবচেয়ে বেশি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে আইসিটি আইন ও সাম্প্রতিক ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে। এসব নিয়ন্ত্রণের অনেক কিছুই যুক্তিসঙ্গত বা সমানুপাতিক নয়। এগুলো জনস্বার্থে নাকি শুধু শাসকগোষ্ঠীর স্বার্থে আরোপ করা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপনের সুযোগ রয়েছে।    

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে আমাদের জন্য প্রাসঙ্গিক কিছু বিধান রয়েছে প্রেস কাউন্সিল প্রণীত আচরণবিধিতে। এ আচরণবিধি সাংবাদিকদের জন্য প্রণীত হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা সিজিটেন জার্নালিজম করেন তাদের ক্ষেত্রেও দিক-নির্দেশনা প্রদান করার মতো।

গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় যে সংস্থাটি কাজ করছে সেটি হচ্ছে প্রেস কাউন্সিল। এটি ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ আইনে সাংবাদিকদের জন্য আচরণবিধি তৈরির কথা বলা হলেও আচরণবিধি তৈরি করা হয়েছে ১৯৯৩ সালে। ২০০২ সালে এর কিছু সংস্কারও হয়েছে। এর আগে ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠা লাভের পর থেকেই কাউন্সিল অনেক অভিযোগের নিষ্পত্তি করেছে এবং সেগুলো নিষ্পত্তি করা হয়েছে কাউন্সিলের সুবিবেচনার ওপর ভিত্তি করে। পরবর্তীতে প্রবর্তিত আচরণবিধির মধ্যে আগে নিষ্পত্তিকৃত সিদ্ধান্তের নীতিসমূহের উল্লেখযোগ্য প্রতিফলন রয়েছে।

বর্তমান বিশ্বে বেশির ভাগ দেশেই সাংবাদিকদের জন্য আচরণবিধি রয়েছে। কিছু কিছু দেশে আইন প্রণয়ন করে এই আচরণবিধি তৈরি করা হয়েছে। কিছু কিছু দেশে এই আচরণবিধি নিয়োগদাতা, গণমাধ্যম সংঘ অথবা সাংবাদিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট  পেশাদারি সংগঠন বা প্রতিষ্ঠান নিজেরা তৈরি করে নিয়েছে।

১৯৯৩/২০০২ সালের প্রেস কাউন্সিলের আচরণ বিধিমালায় সবচেয়ে বেশি যে নীতিটির কথা বলা হয়েছে সেটি হচ্ছে- জাতীয় সংহতি, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রীয় অখন্ডতা এবং বাংলাদেশ সংবিধানের পক্ষে ক্ষতিকর কোনো সংবাদ প্রকাশ না করা। এই নীতিটি অন্য অনেক নীতিতেও প্রতিফলিত হয়েছে।

তত্ত্বগত যেসব নীতির কথা ওই আচরণবিধিতে বিবৃত হয়েছে, সেগুলো হচ্ছে :

ক) সংবাদের সত্যতা নিরীক্ষণ : যতদূর সম্ভব সংবাদের সত্যতা এবং বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখতে হবে। এই উদ্দেশ্যে গুজব অথবা অনিশ্চিত সংবাদের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বা অন্যান্য ধরনের অনিয়ম-সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রাপ্ত তথ্য অবশ্যই নিরীক্ষণ করতে হবে।

খ) সংবাদ উৎসের বিশ্বাসযোগ্যতা : একজন সাংবাদিককে অবশ্যই প্রতিবেদন প্রস্তুত করার সময় সংবাদের উৎসের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। ঝুঁকি এড়ানোর জন্য যে সমস্ত সূত্রের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হচ্ছে সেই সমস্ত সূত্রসমূহ সংরক্ষণ করতে হবে। 

গ) সংবাদ প্রকাশ না করার বাধ্যবাধকতা : কুরুচিপূর্ণ, অবমাননাকর, বিকৃত ও ভিত্তিহীন সংবাদ ও চিত্র প্রকাশ হতে সংবাদপত্রসমূহকে বিরত থাকতে হবে। ধর্মীয় বা অন্য কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্রুপাত্মক, অশ্রদ্ধাকর বা বিদ্বেষপূর্ণ সংবাদ প্রকাশ করা যাবে না। জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখার জন্য সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো থেকে দূরে থাকতে হবে।

ঘ) মতামত প্রকাশ : সংবাদপত্র এবং সাংবাদিক উভয়েরই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে। বিতর্কিত বিষয়সমূহের ওপরও তারা মতামত প্রকাশ করতে পারে। তবে মতামতটি অবশ্যই পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করতে হবে। কোনো বিকৃত বা বিদ্বেষপূর্ণ সংবাদের ওপর মতামত প্রকাশ করা উচিত হবে না।

৪.

উপরের নীতিগুলোর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সব প্রতিফলন একই মাত্রায় সম্ভব নয়। যেমন : ফেসবুকে কেউ একজন কোনো সংবাদ পেলে তা একজন পেশাদার সাংবাদিকের মতো যাচাই করে দেখবে এতটা আমরা আশা করতে পারি না। তবে একজন স্বাভাবিক বিচারবোধসম্পন্ন মানুষ যুক্তিসঙ্গতভাবে যেমন আচরণ পরিহার করবে তা যে কাউকে করতে হবে। কোনো সেতু নির্মাণের মতো বলিদান লাগবে বা চাঁদে কাউকে দেখা গেছে এটা কোনো স্বাভাবিক বিচারবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষের বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। এ ধরনের সংবাদ পরিবেশন করে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অধিকার কারও থাকতে পারে না।

তবে উপরের নীতিগুলোর মধ্যে কয়েকটি পরিপূর্ণ মাত্রায় পালনীয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও। যেমন : কুরুচিপূর্ণ, অবমাননাকর, অশ্লীল, ভিত্তিহীন সংবাদ ও চিত্র প্রকাশ না করা বা ধর্মীয় বা অন্য কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্রুপাত্মক, অশ্রদ্ধাকর বা বিদ্বেষপূর্ণ সংবাদ প্রকাশ না করা। বা এ-সংক্রান্ত বেপরোয়া মন্তব্য প্রকাশ না করা।

শেষে যেটা বলতে চাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এখন আর খুব নতুন কোনো বিষয় নয়। কী প্রকাশ করলে কী প্রতিক্রিয়া হয় তার বহু নজির আমরা এরই মধ্যে দেখেছি। প্রাথমিক অভিজ্ঞতা যা হওয়ার তা ইতিমধ্যে হয়ে যাওয়ার কথা।

আমাদের সবার তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত। প্রকাশ করতে খরচ হয় না, সম্পাদকের নজরদারি নেই, বা বৈষয়িক ঝুঁকি নেই বলে যা ইচ্ছে আমার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারি না। তাতে শুধু নিজের না, মাধ্যম হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অমিত সম্ভাবনাও বিঘ্নিত হয় বা হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৫৬ মিনিট আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৯ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়