শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:২১, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২০ আপডেট:

বাংলাদেশকে ভালোবেসে

সুলতান মাহমুদ শরীফ
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশকে ভালোবেসে

বাংলাদেশে থেকে, এদেশকে ভালোবাসতে শিখতে হবে। জন্মের পর থেকেই সকলের কাছে এটাই এদেশের মানুষের প্রত্যাশা। জন্মলাভ করে, যে দেশ, যে মাটি, যে মানুষকে দেখেছি তারাই আমাদের সব। এই দেশের মাটির গন্ধের স্বাদ নিয়েই আমরা সবাই বড় হয়েছি। এদেশের মানুষ ধনী-দরিদ্র, গরীব-দুখী, সুস্থ-অসুস্থ, সবল-দুর্বল, পূর্ণাঙ্গ আর বিকলাঙ্গ সব মানুষই নারী পুরুষ নির্বিশেষে একত্রে মিলেই আমরা ১৯৫৪ সালে, ১৯৭০ সালে সিদ্ধান্ত নিয়ে এদেশের মানুষ সমস্ত দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে নিয়েছিল। সবাই মিলে রাজী হয়েছিলাম "কেউ আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারবে না"। আমরা যখন দেশের মুক্তির জন্য "মরতে শিখেছি" সেই ব্রত নিয়েই মাত্র একজন মানুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপর অবলম্বন করে পরম করুণাময়ের উপর নির্ভর করে ৭১ সালে জীবনপণ সংগ্রামে অংশ নিয়েছিলাম। 

কি দেশ-কি বিদেশ, কি দূর-কি নিকট, এর কোন কিছুই চিন্তা করিনি। মাত্র একটা চিন্তা ছিল আমরা মা ও মাটিকে শত্রুমুক্ত করব-কোটি কোটি হাত শক্ত করে, সাড়ে সাত কোটি প্রাণ বাজি রেখে যে সম্মুখ সমরে অবতীর্ন হয়েছিলাম, তা আমাদের জন্য মুক্তি এনে দিয়েছিল। সে মুক্তির প্রথম সোপাণ ছিল-দেশকে দখলদার পাকিস্তানীদের ও তাদের বিদেশী অনুচর আমেরিকা- সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের অপদার্থ, অমানুষ ক্লিবদের উৎখাত করা। এদেরকে ঠিকই পরাজিত করেছিলাম, তাদের মূলোৎপাঠন করতে পেরেছিলাম। কিন্তু তাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে যখন গেলাম, তখনই নীতি নৈতিকতা আর আইনের শাসনের বেড়াজালে আটকা পড়ে যেতে হলো আমাদের। যে বা যারা এটাকে শুধু কথার কথা বলে ছিল কেবল তারা নয়, যারা ভেবেছিল যে যদি বা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফিরে আসেন, পাকিস্তানী বন্দীদশা থেকে, তখনও তারাই বঙ্গবন্ধু আর বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে পারবে। কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু এদের প্রত্যাশাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে, দিবানিশি এই সদ্য স্বাধীন দেশটাকে শক্ত অবস্থানে নিতে, বিশ্বের কাছে পরিচিত করতে, জনগণকে সাথে নিয়ে নিয়োজিত হলেন দেশ গোছাতে। 

১০ জানুয়ারি ৭২ সালে বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে আসার আগেই দেশবিরোধী বিশ্বাসঘাতকদের একটি অংশ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে অনুপ্রবেশ ঘটালো। আমরা তাদের সে সময় নাম দিয়েছিলাম "১৬ ডিভিশন" অর্থাৎ ৭১ সালে যারা দেশের বিভিন্ন সেক্টরে যুদ্ধ করেছিল-সারা বিশ্বে যারা বাংলার মানুষের পক্ষাবলম্বন করে এই দেশের মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় সহযোগীতা করেছিল, তাদের ঘাড়ের উপরে এসে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের বিকালে দলবদ্ধভাবে "জয় বাংলা স্লোগাণ" দিতে দিতে সেই মুক্তি পাগল মানুষের ভিড়ে এরা মিশে গেল। বাংলাদেশে "এই ১৬ ডিভিশনের" সেই থেকে শুরু হলো অনুপ্রবেশ। স্বার্থ উদ্ধারে তৎপর এই গোষ্ঠীর অনুপ্রবেশ আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে এভাবেই।   

দেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার দীর্ঘ ২৫ দিন পর বাঙালি তার স্বপ্নপুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ফিরে পেল। পাকিস্তানী কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে নেতা দেশের প্রিয় মানুষের কাছে এলেন। তার আগমণের অপেক্ষায় আমাদের উত্তেজনা প্রকাশ করার কোন ভাষা ছিলো না। কর্মীদের সাথে বঙ্গবন্ধু সারাজীবন একটি আন্তরিক সম্পর্ক রাখতেন, আমাদের সকল আবদার এবং অভিযোগ তিনি শুনতেন, দরদ দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করতেন সর্বতোভাবে। আমরাই ছিলাম নেতার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ। সেই অধিকার তিনি আমাদের দিয়েছিলেন সারাজীবন। ১০ জানুয়ারী দেশে ফিরে এসে সেই রাতে বেগম মুজিবসহ পরিবারের সকলের কারারুদ্ধ থাকা ধানমন্ডির ৮নং বাড়িটিতে সহকর্মীদের বিদায় করে তিনি একান্তে বসেছিলেন তার প্রিয় কর্মীদের সাথে। আমরা তার পাকিস্তান কারাগারের অসহ্য জীবনের কিছু বিবরণ শুনলাম তার কাছ থেকে। তারপর আমাদের অনেক কথার মধ্যে যুদ্ধাপরাধী ও দালালদের কথা এলো। কথা এলো, যারা এসময়টা মুক্তিযুদ্ধের সাথে জড়িত থাকার নামে পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন করেছিল বা পক্ষ নিয়েছিল সে প্রসঙ্গও। বঙ্গবন্ধু আমাদের কথা শুনলেন মনযোগ দিয়ে। আমাদের প্রবোধ দেওয়ার সুরেই তিনি দুটো মন্তব্য করলেন। প্রথমটি হলো যে "এখন তো আর পাকিস্তান নাই সুতরাং তারা আস্তে আস্তে দেশকে ভালোবাসতে শুরু করবে"। আর দ্বিতীয়টি হলো "তোমরা মরনপণ সংগ্রাম করে স্বাধীনতা এনেছো যারা ভুল করেছে তারা অনুতপ্ত হবে, দেশের জন্য শেষমেষ কাজ করবে, কারণ তারা তো পরাজিত ও সংখ্যায় কম"।            

৭৩ সালের মার্চ মাসে তিনি বাংলাদেশকে একটি নতুন সংবিধান দিলেন, সেই অনুসারেই একটি সাধারণ নির্বাচন হলো, নির্বাচনে জনগণ আওয়ামী লীগকে বিপুল ভোটে জয়ী করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিলো। বঙ্গবন্ধুর গতিশীল ও বিপ্লবী নেতৃত্বে আমরা বিশ্ব দরবারে সংসদীয় গণতন্ত্রের মাধ্যমে সরকার গঠন করে একটি স্বাধীন দেশের পূর্ণ মর্যাদা পেলাম। আমরা যখন বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশকে উন্নত করার সার্বক্ষণিক কাজ করছি, যুদ্ধ বিদ্ধস্ত দেশটাকে পুনর্গঠন ও উন্নত করার যারপরনাই সংগ্রামে লিপ্ত তখনই এলো সেই ভয়াভহ আগস্ট ৭৫ এর কালো রাত।
আমাদের মানুষের সকল আশা আকাঙ্খা ভুলুন্ঠিত হলো। পুরো দেশটাকে আবার ৭১ সালের বিধ্বস্ত অবস্থায় তারা ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। আরেকবার শুরু হলো ৭১এর ঘাতক দালাল ও তাদের অনুচরদের অত্যাচার ও নির্যাতন। হত্যা করা হলো লক্ষ, লক্ষ মুক্তিযোদ্ধাকে নির্বিচারে নৃশংসভাবে। শুরু হলো যুদ্ধাপরাধী এবং তাদের অনুগতদের পূনর্বাসনের, সরকারের প্রতিটি স্তরে। ৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন করা, চাকুরীচ্যুত সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পূনর্বাসন করা হলো ও পদোন্নতি দেওয়া হলো এদেশে মোস্তাক ও জিয়ার স্বৈরাচারী শাসনামলে। নতুনভাবে সাজানো হলো প্রশাসনকে রাজাকার ও আলবদরদের নেতৃত্বে। দেশের প্রধানমন্ত্রী করা হলো ৭১ এর রাজাকার শাহ আজিজকে-উত্ত্বান হলো ধর্ম ব্যবসায়ী জামাত, নেজামী ইসলামীদের।

বাংলাদেশকে মুক্ত করতে পরম করুণাময় আল্লাহতায়ালা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আশীর্বাদকে সম্বল করে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননত্রেী শেখ হাসিনা রাজনৈতিক অঙ্গনে তার অবস্থান প্রতিষ্ঠা করলেন। ১৯৮১ সালের এক অপরাহ্নে বৃষ্টি ভেজা বাংলাদেশে তিনি ফিরে এলেন। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার পরিজনের নৃশংস হত্যাকারীদের রক্তচক্ষু অগ্রাহ্য করে তাদের হাতে নিজের জীবন বিপন্ন হওয়ার সকল সম্ভাবনাকে বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা না করে। শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বৃটেনের একটি বহুল প্রচারিত পত্রিকার মতে ইতিহাসের সর্ববৃহৎ জনসংবর্ধনায় পরিণত হয়েছিলো। ক্ষমতা দখলকারী শাসকগোষ্ঠী ও তাদের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রকরা এই গণসংবর্ধণা দেখে প্রমাদ গুনতে শুরু করলো। অল্প কয়েকদিনে মধ্যেই আরেকটি সামরিক অভ্যুথানের মাধ্যমে বিশ্বাসঘাতক খুনী জিয়াকে সরিয়ে তারই আজ্ঞাবহ অনুচর বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের আরেক এজেন্ট তদানীন্তন সেনাবাহিনীর প্রধান হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদকে নিহত জিয়ার স্থলাভিষিক্ত করে। রাজাকার আলবদরদের রাষ্ট্রক্ষমতার কতৃত্ব বহাল রইলো।                        
জননেত্রী শেখ হাসিনার জীবনের উপর সেই থেকে আজ পর্যন্ত ২১ বার আঘাতের চেষ্টা চালায় খুনীরা, বিভিন্ন সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে। জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠণে সক্ষম হন। দেশে সংবিধানকে ৭৫ পরবর্তী সময় যে সব সংশোধন করা হয়েছিল, তা বাতিল করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে-বঙ্গবন্ধুর প্রত্যক্ষ হত্যাকারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসেন এবং পরবর্তীতে শাস্তি বিধানের ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হন। ১৯৭১ সালের পাকিস্তানী দালালদের কিছু কিছু লোকের শাস্তি বিধান করেন যে প্রক্রিয়া এখনও চলছে। যদিও বঙ্গবন্ধু, তার পরিবার পরিজন ও জাতীয় নেতাদের হত্যার সাথে যারা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলো ও ১৫ই আগস্ট, ৩রা নভেম্বরে জেল হত্যাকারীদের সহযোগীদের (হত্যাকাণ্ডের আগে এবং ঘৃণ্য হত্যার পরে) শাস্তি বিধানের কোন ব্যবস্থা আজও হয় নাই। হত্যাকারীদের অনুচরেরা আজও শাসনযন্ত্রসহ রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল পর্যায়ে বিচরণ করছে ও রাষ্ট্রযন্ত্রকে প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এ অবস্থার অবসান আনতে হলে আইনের শাসনকে সমুন্নত রেখে দেশবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতেই হবে। শেখ ফজলুল হক মণির ভাষায় আমাদের ৭৫ পূর্বকালের স্লোগান ছিলো "মোনায়েমের আমলা দিয়ে মুজিবের শাসন সুরক্ষা করা সম্ভব না"। আজও তাই স্বৈরাচারী শাসকদের চিন্তা চেতনা ও পাকিস্তানী ভাবধারার লোকদের অনুপ্রবেশকে বন্ধ না করে শেখ হাসিনার শাসনকে স্থায়ী করতে চেষ্টা করা যাবে, কিন্তু এরা সর্বদাই বাংলাদেশকে অকার্যকর করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকবে। এটা স্মরণে রেখে, এদেরকে রাষ্ট্রযন্ত্র ও সমাজ নিয়ন্ত্রণের সকল কর্মকান্ড থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে হবে। এদের রাজনৈতিক ও আদর্শিক ভাবশিষ্যরা বাংলাদেশকে গ্রহণ করেনি ভবিষ্যতেও করবেনা। আজও তাদের একটা প্রচেষ্টা বাংলাদেশকে অকার্যকর করা- হেনরি কিসিঞ্জারের "আন্তর্জাতিক বাস্কেট কেসকে" সফল করার জন্য এরা আজও লেগে আছে। এদের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে হবে, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।   

এ কাজটি করার পথে যে অন্তরায় তা ২য় মহাযুদ্ধ শেষে বৃটেনকে ও মুখোমুখি হতে হয়েছে। জেমস জয়েস যে নিজেকে লর্ড হ-হ নাম দিয়ে নাৎসি জার্মানীর পক্ষাবলম্বন করে এলাইড ফোর্সের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা করতো ২য় মহাযুদ্ধের পুরো সময়টা, সেই জেমস জয়েসকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো হয়েছিলো যুদ্ধাপরাধী বিচারের মাধ্যমে। এছাড়া আরোও বহু ব্রিটিশ নাগরকিককে একই অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে জননেত্রী শেখ হাসিনা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ক্ষমতায় এসে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করেছেন। বাংলাদেশে জন্মেও এদেশের মানুষেকে নির্বিচারে হত্যায় পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর সাথে যারা প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছিল তাদের শাস্তি বিধান করা হয়েছে এখনও সেই শাস্তিবিধান প্রক্রিয়া দেশে চালু আছে। পাকিস্তানী দোসররা ও তাদের বংশধরদের তত্ত্বাবধানে আজ মূখোশের আড়ালে থেকে নতুন নতুন নাম দিয়ে কিছু ভুঁইফোড় সংগঠন প্রতিদিনই গজিয়ে উঠছে। এইসব সংগঠনের মাধ্যমে নতুন নতুন পদ পদবী সৃষ্টি করে লোভীদের একটা অভয়ারণ্যে পরিণত করে বাংলাদেশের অগ্রগতিকে পরাভূত করার প্রচেষ্টা চলছে। রাজনৈতিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক লেবাসে সংগঠন সৃষ্টি করে আমাদের স্বাধীনতার মূল্যবোধকে পদদলিত করার চেষ্টায় লিপ্ত এরা। দেশও দলকে এদের হাত থেকে মুক্ত করতে চাইলে ও দেশপ্রেমিক মানুষের হাতে দেশকে রেখে যেতে হলে জননেত্রী শেখ হাসিনাকেই এইসব পরগাছার মূলোৎপাটন করার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিতে হবে। মুক্তিযুদ্ধকালের বৃটিশ সাংবাদিক মার্ক টালি অতিসম্প্রতি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতিকে "ছাই থেকে জন্ম নেওয়া ফিনিক্স পাখির মতো উড়ছে" বলে মন্তব্য করেছেন। এ সম্ভাবনা আজ বাস্তবায়নের পথে।  

লক্ষ, কোটি দেশপ্রেমিক মানুষের কঠোর পরিশ্রমের ফলে আজ দেশটি সর্বোতভাবে উন্নতির দিকে গিয়ে বিশ্ববাসীর বিস্ময়ে পরিণত হয়েছে। এই অবস্থান ধরে রাখতেই হবে। একে স্থায়ী করতেই হবে। এজন্য যারা দিবানিশি কাজ করছেন তাদেরকে, তাদের স্বপ্নকে বিফল হতে দেয়া যাবে না। এখন আর সংগঠনের কর্মী সংখ্যা বাড়িয়ে ক্ষতি ছাড়া লাভ নেই। নতুন প্রজন্মের প্রকৃত দেশদরদী মানুষদের হাতে রাজনৈতিক সংগঠনকে রেখে যেতে হবে-যারা স্বার্থের দাস না হয়ে দেশের সেবক হিসেবে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আত্মনিয়োগ করবে। তারাই হবে এদশের চালিকাশক্তি।  
গড়ে হরিবল সকলকে বিনা পরখে সংখ্যা বাড়ানোর জন্য দলে লোক জড়ো করলে, আগাছা ছাড়া আর কিছুই জোগাড় করা যাবে না এবং এরা দেশ ও জাতিকে বিদেশীে বেনিয়োদের মতোই লুট করে অভাবী করে রাখবে অনন্তকাল। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা "শশ্মান" হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করার ব্রত নিয়ে যারা কাজ করবে তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি করে, আগাছাদের বিতাড়িত করে, দেশপ্রেমিকদের দিয়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করলেই আমাদের ভবিষ্যৎ বংশধরদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ রেখে যেতে পারবো। এই হোক আজকের দিনে আমাদের প্রত্যাশা।  

লেখক : সভাপতি, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়