শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:৪৭, রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২০

কেমন হতে পারে আগামী দিনের বিএমএ?

ডা. আবুল হাসনাৎ মিল্টন
অনলাইন ভার্সন
কেমন হতে পারে আগামী দিনের বিএমএ?

দেখতে দেখতে অনেক বেলা হলো। সামান্য একজন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে দেশে-বিদেশে কাজ করার অভিজ্ঞতাও কম হলো না। পেশা ও বাস্তবতার স্বার্থে অস্ট্রেলিয়ায় বসত গড়লেও একটা দিনের জন্যও বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকি নি। যখনি পৃথিবীর কোথাও ভালো কিছু দেখি, মনে হয় বাংলাদেশেও তো এরকম করা যেতো। তবে এরকম ভাবার আগে আমি বাংলাদেশের বাস্তবতাটাও বিবেচনায় রাখি। রাতারাতি বাংলাদেশের সবকিছু বদলে যাবে তা যেমন ভাবি না, তেমনি পরিবর্তনের যে সূচনা হয়েছে তাও যেন ঠিকঠাক গতি পায়।

কদিন আগে একটা কাজে অস্ট্রেলিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের ওয়েবসাইটে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়েই আমার অকারণে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) কথা মনে পড়লো। ঢাকা মেডিকেলের ছাত্র থাকাকালীন আমরা মাঝেমধ্যে বিএমএতে যেতাম। তখন এরশাদের শাসনকাল, সে সময়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বিএমএর খুব সাহসী এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। নব্বইয়ে গণঅভূত্থানের মুখে স্বৈরশাসক এরশাদের পতনের মূলেও ছিল বিএমএর স্বাস্থ্যনীতি বাতিলের দাবিতে আন্দোলন এবং শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলনের আত্মদান। নব্বইয়ের ২৭ নভেম্বর ডা. মিলনের মৃত্যুতে সারা দেশে প্রতিবাদের আগুন জ্বলে উঠেছিল। সেই আগুনে পুড়ে ছারখার হয়ে গিয়েছিল এরশাদের তখতে তাউস।

বিএমএ আমার খুব প্রিয় সংগঠন। এখনো দেশে গেলে বিএমএ ভবনে যাই। অনেক সন্ধ্যায় বসে সবার সাথে আড্ডা দেই, ঝালমুড়ি খাই। কিন্তু আশিনব্বই দশকের সেই বিএমএকে খুঁজে পাই না। ব্যক্তিজীবনে জেনেছি, স্মৃতিকে খুঁজতে যেতে নেই। কোন কিছুই নাকি আর আগের মতো হয় না। কিন্তু এটি একটি শীর্ষ পেশাজীবী সংগঠনের ক্ষেত্রে পুরোপুরি প্রযোজ্য হবার কথা না।

ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অনেক তফাৎ। যুগের দাবি মিটিয়েই প্রতিষ্ঠানকে চলতে হয়। আর তা যদি হয় বিএমএর মতো পেশাজীবী সংগঠন, তাহলে তো তাকে বিশ্বের চিকিৎসা পেশার অগ্রগতির সাথে তাল মিলিয়েই এগোতে হবে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে আমরা ভবিষ্যতে বিএমএর কাছে কেমন ভূমিকা প্রত্যাশা করতে পারি, তা নিয়ে আলোচনা হওয়া জরুরি।

আশির দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় সকল চিকিৎসকই সরকারি চাকরিতে ছিলেন। বিএমএর সে সময়ের একুশ দফা বা অন্যান্য দাবিগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, অধিকাংশই সরকারি চাকরিরত চিকিৎসকদের পেশাগত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ছিল। বর্তমানে দেশে কর্মরত চিকিৎসকদের সংখ্যা পচাঁত্তর হাজারের বেশি, যার অধিকাংশই বেসরকারি খাতে কর্মরত। বিএমএকে এখন আর কেবলমাত্র সরকারি চিকিৎসকদের দাবি দাওয়া নিয়ে ব্যস্ত থাকলেই চলবে না।

বেসরকারি স্বাস্থ্যখাত ক্রমশ বিস্তৃত হলেও এখাতের প্রতি না সরকার, না বিএমএ, কারোই পর্যাপ্ত আগ্রহ দেখা যায় না। অথচ এই খাতের ভবিষ্যত সম্ভাবনাও কিন্তু প্রচুর। বেসরকারি স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন প্রতিনিধিদের সাথে মিলে বিএমএ এক্ষেত্রে উদ্যোগী ভূমিকা নিতে পারে। সরকারকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করে বেসরকারি খাতকে কী করে আরও দায়বদ্ধ এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে আরও সম্পৃক্ত করতে পারে, সেটা নিয়ে বিএমএর ভাবা উচিত।

স্বাস্থ্য-চিকিৎসা সেবা একটি বিজ্ঞানভিত্তিক পেশা। আমাদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অনেকের ব্যক্তিগত জ্ঞান ও দক্ষতা আন্তর্জাতিক মানের হলেও সামগ্রিকভাবে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবায় বিশ্বের তুলনায় আমরা অনেক পিছিয়ে। এর জন্য সম্পদের সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি নীতি নির্ধারণী বিষয়ে
আমাদের চিন্তা-ভাবনা অনেক পেছানো। স্বাস্থ্যখাতের সামগ্রিক উন্নয়ন ছাড়া জনগণকে মানসম্মত সেবা প্রদান করা কঠিন। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু কাজ করলে তাতে না বাড়বে গণসন্তুষ্ঠি, না কমবে চিকিৎসকদের অসন্তোষ। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত পুনর্গঠনে বিএমএ এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে। জনগণের চিকিৎসা সেবার মানোন্নত করতে কতকিছু যে করার আছে, বিএমএর উচিত তার কিছুটা অন্তত করা। একবার যদি সেই কাজগুলো শুরু হয়, তাহলে চারদিক থেকে আরও অনেক উদ্যোগী সংগঠন ও মানুষ তাদের পাশে এসে দাঁড়াবে বলে আমার বিশ্বাস।

এখনো স্বাস্থ্যখাতের যে কোন ইস্যুতে আমি অনেককেই বলতে শুনেছি, ‘বিএমএ কী করে?’। অথচ দেখা যায় যে, সে সব বিষয় সম্পূর্ণ সরকারের বা অন্য কারো এখতিয়ার। এর মধ্য দিয়ে বোঝা যায়,   সাধারণ জনগণের কাছে বিএমএর গুরুত্ব এখনো অপরিসীম। বিএমএকে তার অবস্থানের গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে। যদিও তারা বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান নয়, তবে জনগণ ও চিকিৎসকদের স্বার্থে তাদের কার্যকরী প্রভাবকের ভূমিকা রাখতে হবে। এটাই বিএমএর কাছে সময়ের দাবি।

বর্তমানে স্বাস্থ্যখাতে প্রশাসন ক্যাডারের আমলাদের পদায়নের ব্যাপারে বিএমএ খুব সোচ্চার। এই ইস্যুতে অনেকদিন পরে প্রকৌশলী-কৃষিবিদ-চিকিৎসকদের যৌথ সংগঠন প্রকৃচিও জেগে উঠেছে। অনেক চিকিৎসককেই আমি বলতে শুনেছি, ‘স্বাস্থ্যখাতে আমলাদের পদায়ন ঠেকাতে বিএমএ যতটা তৎপর, চিকিৎসকদের স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট অন্যান্য ইস্যুতে তারা এতটা সক্রিয় নয় কেন?’। আন্তক্যাডার বৈষম্য নিয়ে অনেকেই বিভিন্ন সময়ে কথা বলেন। অনেকেই প্রশাসন ক্যাডারের মত স্বাস্থ্যক্যাডারেও সুযোগ-সুবিধা চান। কিন্তু আমার মনে হয়, বিষয়টা এতো সরল নয়। চরিত্রগতভাবে স্বাস্থ্য ক্যাডার অন্যান্য ক্যাডারের চাইতে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখন তাই সময় এসেছে নতুন করে ভাবার। হয় বিচার বিভাগের মত স্বতন্ত্র ক্যাডার হিসেবে, নতুবা ক্যাডার ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে দেশব্যাপী ‘ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস’ গড়ে তুলতে হবে।

স্বাস্থ্য প্রশাসন চালানোর জন্য নিজেদের ভেতর থেকেই স্বাস্থ্য-প্রশাসক তৈরি করতে হবে। একজন ব্যস্ত প্রফেসরকে হঠাৎ করে এনে স্বাস্থ্য পরিচালক বা মহাপরিচালক বানিয়ে দিলে যে ভালো ফল পাওয়া যায় না, এটা এতদিনে নিশ্চয়ই আমরা বুঝতে পারছি। এরকম আরও অনেক কিছুই নতুন করে ভাবতে হবে। বিএমএর উচিত হবে, এসব ব্যাপারে গুরুত্ব সহকারে ভাবা এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এসব বিষয়ে আলোচনার সূত্রপাত করা।

দীর্ঘদিন বিএমএর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, বিএমএ তখনি সফল হয়েছে, যখনি সেখানে একটা টিম হিসেবে সবাই কাজ করেছে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনের মত একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ সভাপতি থাকা সত্বেও বিএমএতে টিমওয়ার্কটা অনুপস্থিত। অথচ যে কোন সংগঠনের সাফল্যের জন্য টিমওয়ার্ক খুব জরুরি। নিজস্ব কাজ না থাকলে খুব কম চিকিৎসককেই আজকাল বিএমএমুখী হতে দেখা যায়। বিএমএতে এখন দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও পেশার স্বার্থে গতানুগতিকতার বাইরে গিয়ে আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তা-ভাবনা করার মত লোকের খুব অভাব। দু'বছর আগে অক্টোবর মাসে গণভবনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে চিকিৎসকদের একটি বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

বিএমএর পক্ষ থেকে তখন বিভিন্ন দাবি-দাওয়া উপস্থাপিত হলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনপূর্ব বিধানের প্রসঙ্গ তুলে বলেছিলেন, যদি পুনর্নির্বাচিত হন, তাহলে যেন দাবিগুলো পেশ করা হয়। আমি জানি না, সেদিনের পেশকৃত সেই দাবিগুলো নিয়ে পরবর্তীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে কি বিএমএ নেতৃবৃন্দের আর কোন আলোচনা হয়েছিল নাকি?

সবশেষে একটি কথা বলতে চাই। বিএমএ সর্বস্তরের চিকিৎসকদের জাতীয় সংগঠন। এটি কোন রাজনৈতিক দলের অঙ্গ সংগঠন নয়। চিকিৎসকদের রাজনৈতিক আদর্শ চর্চার জন্য স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদসহ (স্বাচিপ) অন্যান্য সংগঠন রয়েছে। গত বিএমএ নির্বাচনে বর্তমান ক্ষমতাসীন ডা. জালাল-ডা. দুলাল প্যানেলের ‘রাজনীতি যার যার বিএমএ সবার’স্লোগানটি খুব মনে ধরেছিল। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে বিএমএ তার সার্বজনীন গ্রহণযোগ্য অবস্থানটি বজায় রেখেই জনগণের স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসকদের পেশার স্বার্থ বজায় রাখবে। চিকিৎসকদের অভিভাবক সংগঠন হিসেবে বিএমএ বাংলাদেশের চিকিৎসক সমাজের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে, ভবিষ্যতে বিএমএর কাছে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

লেখক: চেয়ারম্যান, ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি, রাইটস এন্ড রেস্পন্সিবিলিটিজ (এফডিএসআর)

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়