শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:০৮, সোমবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

কেন থামছে না ‘সেক্সটরশন’?

মনিরা নাজমী জাহান
অনলাইন ভার্সন
কেন থামছে না ‘সেক্সটরশন’?

সেক্সটরশন ভয়াবহতা নিয়ে জানার আগে আমাদের সর্বপ্রথম যে বিষয়টি জানা প্রয়োজন তা হচ্ছে সেক্সটরশন বলতে আসলে কী বুঝায়? সেক্সটরশন বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকলে এর ভয়াবহতা নিরুপণ করা সম্ভব না। আসুন আমরা আলোকপাত করার চেষ্টা করি ‘সেক্সটরশন’ বলতে আসলে কী বুঝায়?

একটি সময় পর্যন্ত ‘সেক্সটরশন’ বলতে বুঝানো হতো কোনো সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে যৌন লিপ্সা চরিতার্থ করাকে। কোনো উচ্চপদস্থ বা প্রভাবশালী কেউ যদি তার নিম্নপদস্থ বা তার কাছে সাহায্যপ্রার্থী কাউকে বিশেষ কোনো সুবিধা বা সাহায্য করার বিনিময়ে তার যৌন লিপ্সা চরিতার্থ করতো তাকে ‘সেক্সটরশন’ বুঝানো হতো।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ২০১৯ সালের জুলাই মাসে নরওয়ের সাবেক মন্ত্রী Svein Ludvigsen সেক্সটরশনের দায়ে ৫ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। একই অপরাধে কানাডায় দণ্ডিত হন কানাডিয়ান ইমিগ্রেশন আদালতের বিচারক Stevan Ellis।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধের ব্যাপকতার বিষয়টি মাথায় রেখে এই ‘সেক্সটরশন’ নামক অপরাধের সংজ্ঞার ব্যাপকতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে সেক্সটরশন নামক ভয়াবহ মরণ ফাঁদটি সাইবার ক্রাইমের ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং এই ব্যবহার হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে বর্তমানে ‘সেক্সটরশনে’র  হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহত হচ্ছে যৌনতার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছবি এবং ভিডিও। এমনকি এই অপরাধের উদ্দেশ্যেও এসেছে ব্যাপকতা।

আগে যেখানে শুধু যৌন লিপ্সা চরিতার্থ করার জন্য এই অপরাধ করা হতো, কিন্তু বর্তমানে যৌন লিপ্সা চরিতার্থ করা ছাড়াও যোগ হয়েছে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে ভিকটিমের কাছ থেকে অর্থ আদায় এবং ছবি বা ভিডিও দেখিয়ে ভিকটিমের ওপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করে  নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা। বিভিন্ন ধরনের সামাজিক মাধ্যমের সহজলভ্যতার কারণে এই ধরনের সাইবার ক্রাইম খুব সহজেই সংগঠিত হচ্ছে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হচ্ছে বর্তমানে এই অপরাধ এক দেশে বসে সংগঠিত করে আরেক দেশের জনগণকে ভিকটিম করা হচ্ছে।

তথ্য প্রযুক্তির এই উৎকর্ষ সাধনের যুগে মানুষের জীবনের এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ছোঁয়া মানুষের জীবনকে সহজতর করেনি। তবে এই উৎকর্ষতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ও দুষ্টু চক্র এই প্রযুক্তির উৎকর্ষতা ব্যবহার করছে অসাধু উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য। দুষ্টচক্র দ্বারা কৃত এমনই এক মরণ ফাঁদের নাম ‘সেক্সটরশন’। এই ভয়াবহ মরণ ফাঁদের কবলে পড়ে পৃথিবীর বহু মানুষের জীবনে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়।

ইন্টেলিজেন্স কোম্পানি সেনসিটির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে এক লাখের বেশি নারীর ছবি সংগ্রহ করে সেগুলো দিয়ে ভুয়া নগ্ন ছবি তৈরি করা হচ্ছে এবং অনলাইনে তা শেয়ার করা হচ্ছে। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ব্যবহার করে এসব ছবি থেকে নারী দেহের পোশাক সরিয়ে ফেলা হচ্ছে এবং মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামের মাধ্যমে নগ্ন ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এসব বিবস্ত্র নারীর অধিকাংশই অল্পবয়সী।

কিন্তু যারা এসব করছে তাদের বেশিরভাগ একে শুধুমাত্র ‘বিনোদন’ হিসেবে বর্ণনা করে থাকে। বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী পরিষদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর গড়ে ১১ জন নারী সাইবার ক্রাইমের কারণে আত্মহত্যা করেন। দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক ক্ষেত্রে একজন নারী সাইবার সেক্সটরশনের শিকার হন তার খুব কাছের ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারও দ্বারা।

তবে এখানে আরেকটি উল্লেখ করার মতো বিষয় হচ্ছে, বাংলাদেশে যারা সাইবার সেক্সটরশনের ভিকটিম হয় তারা শুধু ব্ল্যাক মেইলিং বা পূর্ব শত্রুতার কারণে হয় না। একটা বড় অংশ স্ক্যামিং-এর শিকার হয়। এই স্ক্যামিংটা হয় মূলত ফিশিং লিংকের মাধ্যমে! ভিকটিমের বয়স বেশিরভাগ ক্ষেত্রে থাকে ১৬-২৫ বছরের মধ্যে এবং তারা জানেই না কীভাবে আইডি হ্যাক হলো।

তবে এই কথাও সত্যি যে বাংলাদেশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ এবং  সিআইডি’র সাইবার পুলিশ সেন্টারসহ আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত বাহিনী সেক্সটরশনসহ অন্যান্য সাইবার ক্রাইমের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করছে। সম্প্রতি সাইবার জগতে সংঘটিত নারীর প্রতি হয়রানিমূলক অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও আইনি সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন (Police cyber support for women) নামে ফেসবুক পেজ, ইমেইল আইডি ও হটলাইন নম্বর চালু করেছে পুলিশ সদর দফতর।

যেসব নারী সাইবার বুলিং, আইডি হ্যাক, স্পর্শকাতর তথ্য-ছবি-ভিডিও প্রকাশ, সাইবার স্পেসে যৌন হয়রানি ইত্যাদি অপরাধের শিকার হচ্ছেন, তারা এখানে অভিযোগ জানাতে পারবেন। সম্পূর্ণ নিরাপত্তার সঙ্গে ভিকটিমের তথ্য গোপন রেখে প্রয়োজনীয় সেবা ও আইনি সহায়তা দেবে পুলিশ সদর দফতর। তবে এই সাপোর্ট সেন্টারের উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে এই সাপোর্ট সেন্টারে যারা সেবা দেবেন, তদন্ত করবেন, তারা সবাই পুলিশের নারী সদস্য। যেখানে ভিকটিমরা নির্দ্বিধায় তাদের সমস্যাগুলো বলতে পারবেন।

স্বাভাবতই প্রশ্ন জাগে এত উদ্যোগের পর কেন থামানো যাচ্ছে না সেক্সটরশন? এর পেছনে রয়েছে বহুমাত্রিক কারণ। এই প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে প্রথম একটি বিষয়ের দিকে আমাদের নজর দিতে হবে সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনের দিকে। যেখানে উল্লেখ করা হয় যে দেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন হলেও সাইবার হয়রানির শিকার হয়েও দেশের আক্রান্তদের ৮০.৬ শতাংশ আইনের আশ্রয় নেন না।

সেই একই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আশ্রয় না নেওয়ার কারণ। অভিযোগ কেন করেন না- এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগীদের ২৩ শতাংশই বিষয়টি ‘গোপন রাখতে’ চেপে যান বলে জানান। ২২ দশমিক ৭ শতাংশই জানেন না কিভাবে আইনি সহায়তা নেওয়া যায়। আর ১৯ দশমিক ৩ শতাংশ আইনি ব্যবস্থা নিয়ে উল্টো হয়রানির আশঙ্কায় ভোগেন। এছাড়াও অভিযোগ করেও লাভ হবে না বলে মনে করেন ১৬ শতাংশ।

ওই একই প্রতিবেদনের জরিপে দেখা গেছে, ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ সামাজিক ভাবমর্যাদা ক্ষুণ্ণের ভয়ে এবং ৩ দশমিক ৯ শতাংশ ভুক্তভোগী অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে আইনের আশ্রয় নেন না। অন্যদিকে সাইবার অপরাধের প্রতিকার বিষয়ক আইন সম্পর্কে জানেন না ৬৩ শতাংশ ভুক্তভোগী।

এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে প্রতিকার বিষয়ক আইন সম্পর্কে জানেন না ৬৩ শতাংশ ভুক্তভোগী। তার মানে বিশাল একটি অংশ প্রতিকার বিষয়ক আইন সম্পর্কে অন্ধকারেই থেকে যাচ্ছেন, যার ফলে তারা অপরাধের স্বীকার হলেও কি করা উচিৎ তা বুঝতে পারছে না। এই জন্য প্রয়োজন সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা। এই সচেতনতামূলক কার্যক্রম ২টি ভাবে বিভক্ত হতে হবে।

একটি ভাগে সচেতনতামূলক কার্যক্রমে থাকবে ইন্টারনেট ব্যবহার নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখার জন্য কি করতে হবে সেই বিষয়টি নিয়ে। আরেকটি ভাগে থাকতে হবে কেউ আক্রান্ত হলে বা ভিকটিম হলে তার করণীয় সম্পর্কে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে এই পুরো সচেতনতামূলক কার্যক্রমটি হতে হবে সাধারণ মানুষের বোধগম্য ভাষায়। এই জন্য প্রয়োজনে বিশেষ কোনো মাস বা সপ্তাহকে সচেতনতামূলক মাস বা সপ্তাহ ঘোষণা দেওয়া যেতে পারে।

সেক্সটরশন নিয়ন্ত্রণে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তৈরিকৃত আইন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা। সাইবার সেক্সটরশনের ক্ষেত্রে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে পেনাল কোড, ১৮৬০ প্রভৃতি আইন রয়েছে বটে কিন্তু যেহেতু অপরাধটা প্রযুক্তি নির্ভর এবং প্রযুক্তির উৎকর্ষতা সাধনের সাথে সাথে অপরাধের ধরনেও আসছে পরিবর্তন, তাই এই ধরনের অপরাধ মোকাবিলার আইনেও আসতে হবে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় প্রণীত আইনের দিকে লক্ষ করলেই আমরা দেখবো আমাদের আইনটির আরও কত যুগোপযোগী এবং পরিবর্তন করা দরকার। সাইবার অপরাধের বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা এই মুহূর্তে একটি। যার কারণে সারা দেশের মামলা একটি ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ফলশ্রুতিতে বিচার পাবার ক্ষেত্রে  দীর্ঘসূত্রিতা সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়। অবশ্যই বিভাগীয় পর্যায়ে দ্রুত সাইবার ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করে সেখানে যোগ্য প্রসিকিউটর নিয়োগ দিতে হবে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সাইবার থানা স্থাপন। যেখানে ভুক্তভোগীরা সরাসরি মামলা করতে পারবে। সেই থানাতে সাইবার অপরাধের ওপর প্রশিক্ষিত যথেষ্ট জনবল থাকতে হবে যাতে তারা যেকোনো ধরনের সাইবার অপরাধের সমাধান দিতে পারেন।

ইন্টারনেটের নিজস্ব কোনো পরিসীমা নেই। তাই চাইলেই এক দেশে বসে আরেক দেশে ইন্টারনেট ব্যবহার করে অপরাধ করা সম্ভব। সম্প্রতি আমরা এমনটি লক্ষ করেছি সেক্সটরশনের ক্ষেত্রেও। অপরাধী এক দেশে বসে আরেক দেশের নাগরিককে ভিকটিম বানাচ্ছে। তাই সেক্সটরশনের মতো বাউন্ডারিলেস একটি ক্রাইম মোকাবিলায় যেমন চাই জনসচেতনতা ঠিক তেমনি চাই মোকাবিলার জন্য চাই যুগোপযোগী আইন এবং প্রশিক্ষিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সমন্বিত প্রচেষ্টা ছাড়া এই অপরাধ নির্মূল সম্ভব নয়।

লেখক : শিক্ষক, আইন বিভাগ, ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

২ মিনিট আগে | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

২২ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

৩১ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৪০ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা