শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:২৮, শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ আপডেট:

তুরস্কের আদলে চীনেও জিন্নার মূর্তি বসাবে পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
তুরস্কের আদলে চীনেও জিন্নার মূর্তি বসাবে পাকিস্তান

চীনে মহম্মদ আলি জিন্নার মূর্তি স্থাপন করবে পাকিস্তান। দু-দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০ বছর উদযাপনের অঙ্গ হিসেবেই এই উদ্যোগ। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জিন্নার মূর্তি স্থাপনের তৎপরতা। ভালো কথা। জাতির পিতার মূর্তি বসানো নিয়ে আপত্তি থাকার কথা নয়। পাকিস্তানের জন্মলগ্ন থেকেই চীন তাদের বন্ধু। এমনকি, বাঙালিদের ওপর পাক-সেনারা গণহত্যা চালানোর সময়ও মদত চিয়েছে কমিউনিস্ট চীন। তাই চীনে উইঘুর মুসলিমদের ওপর কমিউনিস্ট সরকার গণহত্যা চালালেও মুসলিম দেশ হয়েও নীরব পাকিস্তান। পাকিস্তানের দ্বিচারিতা এবং বাংলাদেশের প্রতি তাদের বিদ্বেষ এখনও অব্যহত। একই অবস্থান তাদের বাংলাদেশি দোসরদের। নব্য রাজাকাররাও পাকিস্তানের মতোই আজও স্বাধীনতাবিরোধী কাজ করে চলেছে।

পাকিস্তানপন্থী নব্য রাজাকাররা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যের ওপর আঘাত হেনে দেশের স্বাধীনতার প্রতি অসম্মান করেছেন। কারণ জাতির পিতার ভাস্কর্যের সঙ্গে ধর্মীয় অনুশাসনের কোনও সম্পর্ক নেই। বিভিন্ন মুসলিম দেশেই রাষ্ট্রনায়কদের ভাস্কর্য রয়েছে। ঐতিহাসিক কারণেই তাদের অবদান দেশের নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বানানো হয় ভাস্কর্য। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্মই হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের নেতৃত্বে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি তিনি। কোটি কোটি বাঙালি তাকে মুক্তিদাতা হিসেবে মনে করেন। বাঙালির আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তার নাম। গোটা বাংলাদেশের মানুষ তার কাছে ঋণী। তাই বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে প্রতিটি প্রান্তরে সাধারণ মানুষই এগিয়ে আসছেন নিজেদের ঋণ পরিশোধে। বঙ্গবন্ধুর আত্মত্যাগ ভুলবার নয়। পাকিস্তানি বর্বরতার হাত থেকে জাতিকে রক্ষা করেছেন তিনি। তাই তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে অনেকেই মেতে উঠেছিলেন ভাস্কর্য স্থাপনে।

কিন্তু ধর্মের জিগির তুলে পাকিস্তানপন্থী নব্য জামাতিরা জাতির পিতাকে অসম্মান করে দেশের স্বাধীনতাকেই কালিমালিপ্ত করতে চেয়েছে। ধর্মের সঙ্গে ভাস্কর্যের কোনও দ্বন্দ্ব নেই। পাকিস্তান-সহ বহু ইসলামিক দেশেই রয়েছে রাষ্ট্রনায়কদের মূর্তি। মহম্মদ আলি জিন্নার মূর্তি বহুকাল ধরেই পাকিস্তানে রয়েছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে পাকিস্তানপন্থীরা ফের মাথাচাড়া দিতে চাইছে। এর পিছনে মদত রয়েছে পাকিস্তানের। বিএনপিও ভাস্কর্য নিয়ে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়েছে। অথচ, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রথম হত্যাকারী, সামরিক শাসক জেনারেল জিয়াউর রহমানেরও ভাস্কর্য রয়েছে চট্টগ্রামে। কাঁচের ঘরে বাস করে ঢিল মারতে নেই। এই কথা মাথায় না রেখে বঙ্গবন্ধুর মূর্তিতে আঘাত হেনে কূচক্রীরা বাংলাদেশের স্বাধনীতার ভীতকেই দুর্বল করতে চেয়েছিল। কিন্তু মুজিব কন্যা, দেশনেত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফলভাবেই সেই চক্রান্ত ভেস্তে দিতে সক্ষম হয়েছে।

সূত্রের খবর, পাকিস্তান সরকার ইতিমধ্যেই তুরস্কের আঙ্কারায় নিজেদের দূতাবাসের কাছে জিন্নার সুদৃশ্য মূর্তি বানানোর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়েছে। কারণ আঙ্কারায় রয়েছে জিন্নার সুদৃশ্য বিশাল একটি মূর্তি। চীনের মাটিতে সেই ধরনেরই একটি মূর্তি স্থাপন করতে চায় ইসলামাবাদ। আঙ্কারার দূতাবাসের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে সেখানকার মূর্তির আয়তন থেকে শুরু করে কী ধরনের সামগ্রী ব্যবহৃত হয়েছে তার বিশদ বিবরণ। সঙ্গে মূর্তিটির বিভিন্ন ধরনের ছবিও চেয়ে পাঠানো হয়েছে। 

উল্লেখ্য, তুরস্কও মুসলিম দেশ। আর সেখানেও রয়েছে একাধিক মানুষের মূর্তি। খোদ জিন্নার মূর্তি তো রয়েছেই। এই নিয়ে মুসলিম দুনিয়ার কোনও আপত্তি নেই। আপত্তি থাকার কথাও নয়। কারণ ইসলাম ধর্মে হজরত মহম্মদের ছবি বা মূর্তি নিয়ে আপত্তির কথা বলা হলেও মানুষের ভাস্কর্য নিয়ে কোথাও কোনও  আপত্তি নেই। এমনকি, আরব আমিরাতেও একাধিক ভাস্কর্যের দেখা মেলে। ধর্মের নামে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের আপত্তি তোলা আসলে বাংলাদেশকে ফের অশান্তির দিকে ঠেলে দেওয়ারই চক্রান্ত। পাকিস্তানপন্থীরা মুক্তিযুদ্ধের পরাজয় আজও মেনে নিতে পারেনি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হলেও তাদের শিক্ষা হয়নি। আজও পাকিস্তানের মন জয় করতে গিয়ে জাতির পিতাকে অসম্মান করার মতো অপরাধ তারা করার সাহস পাচ্ছে। অথচ, খোদ পাকিস্তানই তাদের জাতির পিতার নতুন করে মূর্তি বানাচ্ছে। পাকিস্তানের দ্বিচারিতা অবশ্য নতুন কিছু নয়।

পাকিস্তানের সঙ্গে চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় ১৯৫১ সালের মে মাসে। তারপর থেকেই উভয় দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব বাড়তে থাকে। ১৯৭১ সালে সাবেক পূর্ব পাকিস্তানে পাক-সেনারা গণহত্যা চালায় চীনের অস্ত্র ব্যবহার করে। বাঙালি নিধন যজ্ঞে চীন পাকিস্তানকে সর্বতোভাবে সাহায্য করে। ভারত বারবার পাক-বর্বরতার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেও চীন নিজেদের অবস্থান বদল করেনি। বরং ভারতকে চোখ রাঙাতেও শুরু করে। কিন্তু ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধি চীনের সেই চোখ রাঙানিকে বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দেননি। অগণিত মুক্তিযোদ্ধার আত্মত্যাগে স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ। জাতির পিতা শেখ মুজিবুরকে সামনে রেখে বাঙালি সেদিন নিজেদের জাতিকে রক্ষার জন্য রণাঙ্গনে নিজেদের বীরত্ব দেখান। পাকিস্তানি সেনারা মহান মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর যৌথ প্রতিরোধের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। ৩০ লাখ শহীদের বিনিময়ে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। বাঙালিকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র উপহার দেন বঙ্গবন্ধু।

পাকিস্তানের বর্বরতার হাত থেকে বাঙালিকে মুক্তি দাতার নাম শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও চীন স্বীকৃতি দিতে চায়নি। বঙ্গবন্ধুর প্রতি চিরকাল অশ্রদ্ধা প্রকাশ করে এসেছে চীনা রাষ্ট্রনায়কেরা। বিশ্বের বহু দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনেও আগ্রহ দেখায়নি চীন। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের ওপর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরই পাকিস্তানের বন্ধু চীন বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। নিজেদের দেশের লাভের কথা চিন্তা করে চীন এখন বন্ধু সাজার চেষ্টা করলেও বাংলাদেশের মানুষ জানেন মুক্তিযুদ্ধে তাদের অবস্থানের কথা। চীন যে বঙ্গবন্ধুর প্রতি কখনওই শ্রদ্ধাশীল নয়, সেটাও বাঙালি মাত্রই জানেন। সেই চীনেই পাকিস্তান কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০ বছর পূর্তি পালন করতে চলেছে।

কমিউনিস্টশাসিত দেশটিতে চলছে উইঘুর মুসলিমদের ওপর বর্বরোচিত অত্যাচার। আমেরিকা-সহ বিশ্বের বহু অমুসলিম দেশ সেই বর্বরতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব। কিন্তু মুসলিম দেশ হয়েও নীরব পাকিস্তান। আসলে চীন টাকা দিয়ে কিনে রেখেছে পাকিস্তানের বিবেককে।

পাকিস্তান চীনের মাটিতে তাদের জাতির পিতা জিন্নার মূর্তি বসাবে। এতে আপত্তির কিছুই নেই। যেকোনও দেশই তাদের রাষ্ট্রনায়কদের মূর্তি বসাতেই পারে। ধর্মের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। এমনকি, অ-ধর্মের সঙ্গেও মূর্তির কোনও যোগ নেই। চীন বা অন্যান্য কমিউনিস্ট রাষ্ট্রেও রয়েছে মূর্তির প্রচলন। জাতির পিতা সবদেশেই বিশেষ ভূমিকা রাখেন। সব দেশের মানুষই সম্মান করেন তাদের রাষ্ট্রনায়কের মূর্তিকে। কিন্তু বাংলাদেশের জাতির পিতার মূর্তি নিয়ে জামাত বা হেফাজতের আপত্তি নিয়ে কোনও যুক্তি খুঁজে পাওয়া যায় না। পাকিস্তানের মূর্তি নিয়ে এদের কোনও আপত্তি নেই। তাদের দ্বিচারিতা স্পষ্ট। আসলে পাকিস্তানপন্থীরা বাংলাদেশে ভালো নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে চলেছে তাতে তাদের পাক-প্রেম বিঘ্নিত হচ্ছে। বাংলাদেশের মাটিতে বসবাস করলেও তাদের হৃদয় বন্দক রয়েছে পাকিস্তানের কাছে। তাই এখনও অখণ্ড পাকিস্তানের স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশের অগ্রগতিতে সুখী নয় তারা। তাই বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যকে কালিমালিপ্ত করতেও কার্পণ্য করেনি নব্য রাজাকারের দল। পাকিস্তান জিন্নার মূর্তি বানালেও এদের ধর্মীয় ভাবাবেগকে আঘাত করে না। কিন্তু শেখ মুজিবুর হলেই তাদের আপত্তি! হাস্যকর ধর্মীয় ব্যাখ্যা।

আসলে নব্য রাজাকাররা আজও বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধী। বঙ্গবন্ধুর মূর্তিতে আঘাত আসলে কোনও ধর্মীয় আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ওপরই আঘাত আনার কল্পবিলাস মাত্র। তাই কড়া হাতে দেশদ্রোহীদের দমন করাটাই রাষ্ট্রের মহান কাজ। ধর্মের মোড়কে মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি আজও সক্রিয়। পাকিস্তানের দালালদের স্বাধনীতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও পবিত্র মুজিববর্ষে খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি দেওয়াই বাঙালির কর্তব্য। মনে রাখতে হবে, মহান রাষ্ট্রনায়কদের ভাস্কর্যের সঙ্গে অন্য কোনও ধর্মের মিল বা অমিল খুঁজতে চাওয়াটাই মুর্খামি। কারণ প্রায় সব মুসলিম দেশেই রয়েছে দেশনায়কদের মূর্তি। অমুসলিম দেশও এর ব্যতিক্রম নয়।

বিডি প্রতিদিন/কালাম

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

২ মিনিট আগে | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

২২ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

৩১ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৪০ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা