শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:০৮, সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ আপডেট:

বারে বারে ট্রাম্প তুমি খেয়ে যাও ধান

ড. মোস্তফা সারওয়ার
অনলাইন ভার্সন
বারে বারে ট্রাম্প তুমি খেয়ে যাও ধান

১৩ ফেব্রুয়ারি সিনেটের ইমপিচমেন্ট বিচার সমাপ্ত হল। যথেষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও ট্রাম্পকে দোষী সাব্যস্ত করা গেল না। সংবিধান অনুযায়ী ইমপিচমেন্টের জন্য প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ৬৭টি ভোট। পার্টি লাইনের ভোটে সব ডেমোক্র্যাটদের পঞ্চাশ এবং রিপাবলিকানদের সাতটি মিলে সর্বমোট সাতান্ন ভোট ছিল ইমপিচমেন্টের পক্ষে আর বাকী রিপাবলিকান তেতাল্লিশ ভোট বিপক্ষে। দলীয় ভিত্তিতে বর্তমানে তীব্রভাবে বিভক্ত যুক্তরাষ্ট্রে এমনি ঘটবে এটা আগেই আঁচ করা যাচ্ছিল। অতীতে এর নিদর্শন রয়েছে। 

১৭৯৮ সালে সিনেটর উইলিয়াম ব্লাআউন্ট (William Blount) সিনেট থেকে বরখাস্ত হওয়ার পরও সিনেটে তার বিচার হয়েছিল। কিন্তু সে দোষী সাব্যস্ত হয়নি। তার দলের সিনেটররা নিরপেক্ষতা জলাঞ্জলি দিয়ে তার পক্ষে ভোট দিয়েছিল। অতীতে ঠিক এমনি আরেকবার ঘটেছিল ১৮৭৬ সালে যুদ্ধ মন্ত্রী উইলিয়াম বেলন্যাপ (William Belknap) এর ব্যাপারে।  ইমপিচমেন্ট বিচারের আগেই সে পদত্যাগ করেছিল। তথাপি তার ইমপিচমেন্ট বিচার সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু ব্লাআউন্টের মতই তার সাজা হয়নি পার্টি লাইন ভোটে।

প্রেসিডেন্ট এ্যানড্রু জনসন (Andrew Johnson)  হল যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট যাকে ইমপিচ করা হয়েছিল ১৮৬৮ সালে। কিন্তু সিনেটের বিচারে তার শাস্তি হয়নি। সাম্প্রতিক ১৯৯৯ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি সিনেটে ইমপিচমেন্টের বিচার হয়েছিল প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের। তখনও সাজা হয়নি। ট্রাম্পের ব্যাপারে দুই বার একই ঘটনা ঘটল। ইমপিচমেন্ট জন্য রয়েছে দুটো পদক্ষেপ। 

প্রথমটি হল কংগ্রেসের নিম্ন কক্ষে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে পাশ করতে হবে ইমপিচমেন্ট আর্টিক্যাল। দ্বিতীয় পদক্ষেপে সিনেটে হবে ইমপিচমেন্ট আর্টিক্যাল অথবা নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য বিচার। এ বিচারে নিম্ন কক্ষের পক্ষ থেকে বাছাই করা কংগ্রেস সদস্যরা প্রসিকিউটর হিসেবে সিনেটে অভিযোগ উত্থাপন করবে আর তার সমর্থনে সাক্ষী ও যুক্তি প্রয়োগ করবে। দুই তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ৬৭ জন সিনেটর অভিযোগের পক্ষে ভোটদান করলেই প্রেসিডেন্টের অথবা উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের অপরাধ প্রমাণিত হবে এবং অপসারণ ধার্য হয়ে যাবে। এর পর সিনেট ইচ্ছে করলে দোষী (convicted) প্রেসিডেন্ট অথবা উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদেরকে শুধু অপসারণ নয়, তার চেয়ে অধিক শাস্তি প্রদান করতে পারে। এই পর্যায়ে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্থাৎ ৫১ ভোটে দোষীকে চিরতরে অযোগ্য করা যাবে যে কোন সরকারি পদ, সম্মান, ট্রাস্ট অথবা লাভজনক প্রতিষ্ঠানের পদ থেকে। ৫১ ভোটের দ্বিতীয় ধাপ প্রয়োগের জন্য বাধ্যতামূলক পূর্বশর্ত হল ৬৭ ভোট অর্জনের মাধ্যমে অভিযুক্তকে প্রথমে দোষী সাব্যস্ত করা। ১৩ ফেব্রুয়ারি সিনেটের ইমপিচমেন্ট বিচারে ট্রাম্পের অপরাধ প্রমাণিত হয়নি অতএব তাকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখার সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট গ্রহন করা গেল না।

যুক্তরাষ্টের ইমপিচমেন্টের ইতিহাসে আমরা একটা প্যাটার্ন অতি সহজেই লক্ষ্য করতে পারি। দলীয় আনুগত্যের কারণে কংগ্রেসের নিম্ন কক্ষে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সহজেই ইমপিচ করা যাবে। দুই তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ৬৭ জন সিনেটর পদে কোন দলের বিজয় প্রায় অসম্ভব। তাই অপরাধের সরাসরি প্রমাণ থাকলেও সিনেটে শাস্তি দেওয়া মোটামুটি অসম্ভব। অতএব মোদ্দা কথায় এটা বিচারের নামে প্রহসন ছাড়া অন্য কিছু নয়। যুক্তরাষ্ট্রসহ পৃথিবীর লক্ষ কোটি মানুষ টেলিভিশনের পর্দায় ৬ জানুয়ারির ঘটনা দেখেছে ঠিক যখন এই ভয়ংকর ব্যর্থ অভ্যুত্থান ঘটছিল। এই ঘটনার আগের দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে অনেকেই পর্যবেক্ষণ করছিল ট্রাম্পের উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। নির্বাচনে জয়ী না হলেও সে যেন জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল করে একনায়কত্ত্ব কায়েম করতে পারে সেজন্য অনবরত মিথ্যাচার করে যাচ্ছিল। নির্বাচনী বোর্ড, স্টেট পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সুপ্রিম কোর্ট সহ বিভিন্ন স্তরের আদালত, বিচার বিভাগ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গুলর উপর অন্যায় দাবি ও জোড় পূর্বক বাইডেনের লক্ষ লক্ষ ভোট বাতিল করার চেষ্টা চালিয়েছিল। মিথ্যা প্রচার ও সরাসরি প্ররোচনার মাধ্যমে বর্ণবাদী শ্বেতাঙ্গ দুর্বৃত্তদের ট্রাম্প লেলিয়ে দিয়েছিল সন্ত্রাসী আক্রমণে।

সিনেটের পার্টি লাইন ভোটে ট্রাম্প পার পেয়ে গেল। তার অর্থ হল প্রেসিডেন্ট হিসেবে গুরুতর অপরাধ করলে তার দায় দায়িত্ব থাকছে না। ভবিষ্যতে কোন প্রেসিডেন্ট যদি জোর পূর্বক ক্ষমতা দীর্ঘ স্থায়ী করতে চায়, তবে তার পথ উন্মুক্ত হয়ে গেল। যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যতের জন্য এটা একটি অশনি সংকেত। এখন প্রশ্ন হল ট্রাম্পের এই অপরাধের দায় দায়িত্বের শাস্তি স্বরূপ অন্য কোন বিধান অথবা উপায় রয়েছে কিনা। মনে হয় তিনটি পথ খোলা রয়েছে। (১) কংগ্রেসে বস্তুগত ফলাফল বিহীন সেন্সর (censure), অন্য কথায় নিন্দা প্রস্তাব। সাধারণ সংখ্যা গরিষ্ঠতায় কংগ্রেসের দুই কক্ষে অথবা আলাদাভাবে যে কোন কক্ষে এটা পাশ করা যেতে পারে। এর কোন বস্তুগত দন্ড অথবা ফলাফল (material consequences) নেই। রয়েছে শুধু জন সমক্ষে প্রকাশ্য অপমান। ইংরেজিতে বলা হয় পাবলিক শেইমিং (public shaming)। তাই এ ধরণের সাজা ট্রাম্পের জন্য হবে নামকা ওয়াস্তের সাজা যার কোন দাঁত নেই। 

অতীতে ভারত উপমহাদেশে সামাজিক ভাবে প্রচলিত ছিল পাবলিক শেইমিং। বর্তমানে বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে শালিস বিচারে পাবলিক শেইমিং আছে বলে শোনা যায়। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির একজন প্রতিনিধি হিসেবে ১৯৮৬ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনে গিয়েছিলাম। সাংহাই শহরে আমাদের হোটেলের সামনে একটি বিলবোর্ডের প্রতি আমার দৃষ্টি পড়েছিল। পোস্টারে মনে হল একই পরিবারের ছবি। একটু অদ্ভুত ধরণের। চীনা ভাষা বুঝতে পারিনি। গাইডের কাছে জানতে চেয়েছি। সে গম্ভীর কণ্ঠে বলল মাঝখানের করুণ ছবিটি একটি চোরের। চারপাশে আত্মীয় স্বজনদের ছবি। ওটা ছিল নিদারুণ নির্দয় পাবলিক শেইমিং। এটা যুক্তরাষ্ট্রে প্রযোজ্য নয়। যদি হত। পাঠক ভেবে দেখুন, মাঝখানে পরচুলা এবং কমলা রঙের ট্যান বিহীন ট্রাম্প আর চারিদিকে ট্রাম্প জুনিয়র, এরিক, ইভাংকা, মেলানিয়া, জ্যারেড, রুডি জুলিয়ানী এবং স্টর্মি ড্যানিয়েল। 

অনর্গল মিথ্যায় অভ্যস্ত ট্রাম্পের লজ্জা শরম আছে বলে মনে হয় না। চৈনিক ওষধিও নির্ঘাত ফেল মারত বলে মনে হয়। (২) অতএব চলুন দেখা যাক দ্বিতীয় বিকল্প। সংবিধানের চতু্র্দশ সংশোধনীর ৩য় বিভাগ অনুযায়ী সেন্সর। যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের পর রাষ্ট্র্রদ্রোহী এবং পরাজিত কনফেডারেট নেতৃবৃন্দ যাতে কোন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে বহাল হতে না পারে তার নিশ্চয়তা দিয়েছিল উপরোক্ত ধারা। ঐ যুগের পর এই ধারাটি কদাচিৎ আলোচিত হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী কংগ্রেসের উভয় কক্ষে আলাদাভাবে সাধারণ সংখ্যা গরিষ্ঠতায় সেন্সর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাবে। এর ফলে ট্রাম্পকে ভবিষ্যতে নির্বাচনে অংশগ্রহণে অথবা সরকারি পদে যোগদানে অযোগ্য করা যাবে। ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর টিম কেইন (Tim Kaine) এবং রিপাবলিকান সুজান কলিন্স (Susan Collins) এবিষয়ে উদ্যোগ নিচ্ছে। (৩) তৃতীয় বিকল্প হল ক্রিমিনাল ইনডাইটমেন্ট। ইমিউনিটি অথবা রেহাই থাকার জন্য প্রেসিডেন্ট পদে থাকাকালীন সময়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কোন ক্রিমিনাল অভিযোগ দেওয়া যায়নি। যে মুহূর্তে সে প্রেসিডেন্ট পদে বহাল নেই, তারপর থেকেই অতীতের কৃত অপরাধের বিচারের অভিযোগ গঠন করা যায়। ঘটনা ঘটার পাঁচ বছরের মধ্যে বিচার শুরু করতে হবে। এটাকে বলা হয় স্ট্যাটিউট অব লিমিটেশন (Statute of Limitation)। 

৯ ফেব্রুয়ারির এক প্রবন্ধে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের জুডিসিয়ারী কমিটির প্রাক্তন কৌঁসুলি (Counsel) মাইকেল কনওয়ে (Michael Conway) মতামত দিয়েছে, সিনেটের বিচারে ট্রাম্পের সাজা হয়নি অতএব তার বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল বিচারের ব্যবস্থা করা যাবে। সিনেটের রিপাবলিকান নেতা মিচ মেকনাল ১৩ ফেব্রুয়ারি সিনেটের বক্তৃতায় ক্রিমিনাল বিচারের ইঙ্গিত দিয়েছে। ট্রাম্প বিরোধী কৌঁসুলিরা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিচ্ছে।এছাড়াও নিউ ইয়র্ক, জর্জিয়াসহ অন্যান্য স্টেটে মামলা টুকে দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

১৭ ফেব্রুয়ারি এনবিসি (NBC) নিউজের চার এ্যাডামস (Char Adams) প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মিসিসিপি থেকে নির্বাচিত কংগ্রেস সদস্য বেনি টমসন (Benni Thompson) এবং এনএএসিপি (NAACP) যৌথভাবে একটি দেওয়ানী মকদ্দমা দিচ্ছে ১৮৭১ সালে গৃহীত কু ক্লাক্স ক্ল্যান এ্যাক্ট অনুযায়ী। এই মকদ্দমায় আসামি হচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প, রুডি জুলিয়ানী, বর্ণবিদ্বেষী শ্বেতাঙ্গ সংগঠন প্রাউড বয়েজ (Proud Boys) এবং ওথ কিপারস্ (Oath Keepers)। যুক্তরাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধের পর পুনর্গঠনের সময়কালে ঘৃণা কারবারি বর্ণবাদী সংগঠনগুলকে শক্তি প্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দ্বারা নেতৃস্থানীয় কর্মকর্তাদের সরকারি কাজ সম্পাদনে বাধা সৃষ্টির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আইন। এই আইন এখনও বহাল রয়েছে। কংগ্রেস সদস্য বেনি টমসনের মকদ্দমাটি খুবই জোড়াল। ভীতি প্রদর্শন, হুমকি ও হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে টমসনের ৬ জানুয়ারির ভোট গণনা কাজে অভ্যুত্থানকারীরা জোরপূর্বক বাধার সৃষ্টি করেছিল। ট্রাম্প ও জুলিয়ানী ইন্ধন, উসকানি এবং নেতৃত্ব দিয়েছিল। দুষ্কৃতিকারীদের মধ্যে যারা ধড়া পড়েছে তাদের অনেকেই রাজসাক্ষী হতে চাচ্ছে। আরও অনেক মামলা দায়ের করা হবে।  মনে হচ্ছে এবার ট্রাম্প ধরা খেয়ে যাচ্ছে। টেফলন ট্রাম্প সব সময় পিছলে যায়। এবার মনে হয় ডেমোক্র্যাট এবং এস্টাবলিস্টমেন্ট রিপাবলিকানরা মনের আনন্দে বাংলা ভাষায় কবিতা আবৃত্তি করবে বিশ্ব মাতৃভাষার মাসে! 'বারে বারে ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান, এবার ঘুঘু তোমার কাটব দুই কান'।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক এবং সাবেক উপ-উপাচার্য, ইউনিভার্সিটি অব নিউ অরলিয়েন্স।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

১০ মিনিট আগে | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

১০ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

২৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৩০ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৩৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

৩৯ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৪৯ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা