শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৫১, শুক্রবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২১

নিটশে’র 'দ্য গে সায়েন্স' এবং ইশ্বরের মৃত্যু তত্ত্ব

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
নিটশে’র 'দ্য গে সায়েন্স' এবং ইশ্বরের মৃত্যু তত্ত্ব

ইশ্বরের মৃত্যু সম্পর্কে জার্মান দার্শনিক ফ্রেডারিক নিটশে’র সংশয়বাদী তত্ত্ব উনিশ শতকে যে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল এখনও সে বিতর্কের অবসান ঘটেনি। তাঁর এ ধারণার ভিত্তি হচ্ছে, মানুষ আলোকপ্রাপ্ত হয়ে ওঠার সঙ্গে ইশ্বরের অস্তিত্বের সম্ভাবনা নির্মূল হয়েছে বলে তিনি যে ধারণা পোষণ করেন তা ব্যক্ত করার উদ্দেশে তিনি বলেছেন ''ইশ্বর মৃত।'' তবে ''ইশ্বরের মৃত্যু'' তত্ত্বের প্রবল প্রবক্তারা নিটশের ধারণার সঙ্গে সামান্য ভিন্নমত পোষণ করে বলেছেন এক পর্যায়ে খ্রিস্টান ইশ্বরের অস্তিত্ব থাকলেও এখন তিনি আর নেই। নিটশের পুরো বক্তব্য হচ্ছে, ''ইশ্বর মৃত। ইশ্বর মৃতই আছেন এবং আমরাই তাঁকে হত্যা করেছি। আমরা যারা সকল খুনির মাঝেও খুনি, তাদের পক্ষে কীভাবে পরিতৃপ্ত থাকা সম্ভব? যিনি ছিলেন পবিত্রতম এবং পৃথিবীতে ছিলেন প্রচন্ড ক্ষমতাধর, আমরা আমাদের ছুরির আঘাতে তাঁকে হত্যা করেছি, এই রক্ত কে মুছবে? এমন কোন পানি আছে, যা দিয়ে আমরা আমাদের পরিচ্ছন্ন করবো? আমাদের শুধরানোর জন্য কোন উৎসব আছে, আমাদেরকে কোন পবিত্র খেলার উদ্ভাবন করতে হবে? এই কর্মের মহত্ব কি আমাদের জন্য অতি বিরাট নয়? আমরা কী আমাদেরকে ইশ্বরে পরিণত করার মতো উপযুক্ত করে তুলতে পারি না?''

ফ্রেডারিক নিটশের কথাগুলো ১৮৮২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় ''দ্য গে সায়েন্স'' নামে তাঁর নিবন্ধ সংকলনে। গ্রন্থটির ইংরেজি নাম অনেককে চমকে দেবে যে এটি ''সমকামমূলক'' বিষয়ের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ-কেন্দ্রিক কোনো গ্রন্থ কিনা। জার্মান ভাষায় নিটশে'র গ্রন্থের নাম ''ডাই ফ্রহলিশে উইজেনশাফট'' (Die fröhliche Wissenschaft), যাকে ইংরেজিতে অনুবাদ করা হয়েছে ''দ্য গে সায়েন্স'' হিসেবে এবং অনেকে এই গ্রন্থটির ব্যাখ্যামূলক নাম দিয়েছেন ''জ্ঞান ও উপলব্ধির আনন্দময় উদ্যোগ'' (The Joyful Pursuit of Knowledge and Understanding) অথবা ''আনন্দপূর্ণ জ্ঞান বা আনন্দপূর্ণ বিজ্ঞান''  (The Joyful Wisdom or The Joyous Science)।  ''গে'' শব্দটি যখন থেকে ব্যাপকভাবে পুরুষ ''সমকামী'' অর্থে ব্যবহার করা শুরু হয়েছে, তার আগে এই শব্দটি সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হতো। ইংরেজিতে ''গে'' (Gay) শব্দটির ব্যবহার অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিশেষণমূলক এবং অভিধানে যা আছে তা কোনোভাবেই ''সমকামী'' অর্থে প্রয়োগের সুযোগ নেই।  

ইংরেজি অভিধানে 'গে'র সমার্থবোধক শব্দগুলোর মধ্যে রয়েছে: Light-hearted বা হাসিখুশি, carefree  -  ভাবনাহীন, active - সক্রিয়, brisk - চটপটে, jaunty - ফূর্তিবাজ, peppy - উদ্যমী, energetic - প্রাণশক্তিসম্পন্ন, jazzy-জমকালো, perky - দাম্ভিক/আমুদে, pert  - ধৃষ্ট, vivacious - উচ্ছসিত, kinetic - গতিময়, zippy - প্রাণোচ্ছল, spirited -চেতনাদীপ্ত, pizazzy - তেজস্বী/আগ্রহী, ইত্যাদি। ইংরেজি বাক্য He is in a gay mood এর অর্থ দাঁড়ায় ''সে ফুরফুরে মেজাজে আছে,'' অথবা A bird's gay spring song এর অর্থ ''একটি পাখির বসন্তের সমধুর বসন্তের গান।'' 
১৯৬০ এর দশকে সমকামীরা নিজেদেরকে ''গে'' হিসেবে বর্ণনা করতে প্রাধান্য দেওয়ার পর থেকে ''গে'' শব্দটি ''সমকামী'' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় এবং এখন সমগ্র বিশ্বে ''গে'' বলতে পুরুষ “সমকামী” ছাড়া আর কিছু বোঝায় না। ''গে'র অন্যান্য বিশেষণমূলক প্রয়োগ এখন আর নেই বললেই চলে। নারী সমকামীদের ক্ষেত্রে ''লেসবিয়ান'' শব্দটির প্রয়োগ হলেও কোনো কোনো প্রেক্ষাপটে তাদের ক্ষেত্রে ''গে'' শব্দের প্রয়োগ রয়েছে। অতএব নিটশের গ্রন্থের ইংরেজি নামকরণের সঙ্গে প্রচলিত অর্থে ব্যবহৃত ''গে'' শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।

ইতিহাস জুড়ে বিজ্ঞান ও দর্শনের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল ছিল। সত্যের সন্ধান দিতে দর্শন যেখানে ব্যর্থ হয়েছে, তখন মানুষ সত্য অনুসন্ধানে বিজ্ঞানের দ্বারস্থ হয়েছে। বর্তমানে যে কোনো দার্শনিকের কাছে স্পষ্ট যে বিজ্ঞান ও দর্শন দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের সত্যের সন্ধান করে। কিন্তু নিটশের সময়ে মানুষ জানতে চাইতো যে কোনটি তুলনামূলকভাবে অধিক সত্য। মানুষ এমন ভেবে ভুল করে যে বিজ্ঞানের সত্যানুসন্ধান অধিক প্রত্যক্ষ এবং এর ফলে দর্শন মানুষের সমর্থন ও মনোযোগ হারিয়ে ফেলছে। নিটশের সমালোচকদের বিশ্বাস বিজ্ঞানেই সকল উত্তর রয়েছে। নিটশের উচ্ছাস ও স্বস্থির অংশের মধ্যে বিজ্ঞানিরা সত্য খুঁজে পেয়েছেন, যা দর্শন পারেনি। বিজ্ঞান যেহেতু সত্যকে বিজ্ঞানের বিষয়ে পরিণত করেছে, সেজন্য নিটশের ''গে'' অথবা উচ্ছাস বা আনন্দ ব্যঙ্গার্থে ''অভিনন্দন'' হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এরপর থেকে সত্যের জন্য বিজ্ঞান আর কারও দ্বারস্থ হয়নি। বাস্তবে এখন দর্শন একই সত্য খুঁজতে বিজ্ঞানের মুখাপেক্ষী থাকে। সে বিচারে দর্শনকে কখনো বিজ্ঞান হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয় বলে আধুনিক বিজ্ঞানিদের অভিমত।

১৯৬৬ সালের ৮ এপ্রিল 'টাইম' ম্যাগাজিনের কভার স্টোরি ''ইশ্বর কি মৃত?'' প্রকাশিত হওয়ার সাড়ে সাত মাস আগে একই ম্যাগাজিনের ১৯৬৫ সালের ২২ অক্টোবর সংখ্যায় ''ধর্ম'' বিভাগে ''ধর্মতত্ত্ব : ইশ্বর মৃত আন্দোলন'' (Theology: The God Is Dead Movement) শিরোনামে একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। নিবন্ধে ফরাসি অস্তিত্ববাদী দার্শনিক ও সাহিত্যিক জিন পল সাত্রের বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়: ''আমাদের স্বীকার করতে হবে যে ইশ্বরের মৃত্যু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। আমাদের সময়েই, আমাদের ইতিহাসে, আমাদের অস্তিত্বে ইশ্বরের মৃত্যু ঘটেছে।'' তাঁর বক্তব্য অনেককে মর্মাহত করেছে, যা তিনি না হয়ে সাধারণ কোনো দার্শনিক বা স্বঘোষিত নাস্তিকের বক্তব্য হলে খ্রিস্ট জগতের পন্ডিতরা এতোটা ব্যথিত হতেন না। কিন্তু ইশ্বরের অস্তিত্বহীনতার বিতর্ক শেষ হয়নি। আমেরিকান প্রোটেস্টান্ট শিবিরে এখনো এ বিতর্ক বিদ্যমান এবং স্রষ্টার অস্তিত্বের প্রচলিত ধারণাকে পুরনো ও অসার ধারণা বলেও যুক্তি দিতে দ্বিধা করে না। তারা বলেন, ''মানব ইতিহাসের সর্বক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করেন এমন একজন অপ্রতিদ্বন্দ্বী ইশ্বরের ধারণা পোষণ বা বিশ্বাস করা আদৌ সম্ভব নয় এবং তাঁকে ছাড়া খ্রিস্টবাদ টিকে থাকবে না, এ ধারণারও কোনো ভিত্তি নেই।''

পঞ্চাশের দশকে ইন্ডিয়ানার ওয়াবাশ কলেজে ধর্মতত্বে শিক্ষকতার সময় থমাস আলটিজার নতুন ধরনের “ইশ্বরহীন খ্রিস্টবাদকে এককভাবে আমেরিকান ধ্যানধারণা বলে বর্ণনা করেছেন। বিংশ শতাব্দীর ডেনিশ ধর্মতত্ত্ববিদ সোরেন কার্কেগার্দ ইশ্বরের মৃত্যুর ধারণা ব্যাপ্তি দান করতে গিয়ে বলেছেন যে, বর্তমানে সংগঠিত খ্রিস্টবাদ এক ধরনের মূর্তি পূজার বিকাশ ঘটিয়েছে এবং যিশুর বাণীকে অস্পষ্ট করে ফেলেছে। তারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি বিরোধী শহীদ ডিয়েটিচ বনহোফারের পদাঙ্ক অনুসরণ করছে, যিনি তাঁর কারাকক্ষের প্রাচীরে লিখে গেছেন যে চার্চগুলোর উচিত বাইবেলের ধারণার ধর্মহীন ব্যাখ্যার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা। তিনি আরো লিখেছেন যে যুগের চাহিদা মেটাতে ধর্মনিরপেক্ষতার বিকাশ ঘটছে, যেখানে সূর্য এবং নক্ষত্র সম্পর্কিত ব্যাখ্যা প্রদান অথবা মানুষের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সমাধান খুঁজতে ইশ্বর আর আবশ্যকীয় কোনো অস্তিত্ব নয়। 
'টাইম' এর নিবন্ধে আরো বলা হয়েছে: ''ইশ্বরের মৃত্যু ঘোষণা এই নতুন প্রগতিশীল ধর্মতত্ত্বের নেতিবাচক সূচনা মাত্র। এই ধর্মতাত্ত্বিকরা ইশ্বরকে বাদ দিয়ে বিভিন্ন উপায়ে খ্রিস্টধর্মের অন্যান্য মতবাদকে পুন:সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা চালাচ্ছে' এবং আলটিজার ছাড়াও এ আন্দোলনের প্রবক্তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন: টেম্পল ইউনিভার্সিটির পল ভ্যান বুরেন, কোলগেট রচেস্টার ডিভাইনিটি স্কুলের উইলিয়াম হ্যামিলটন ও সাইরাক্যুজ ইউনিভার্সিটির গ্যাব্রিয়েল ভাহানিয়ান।'' নিবন্ধে আলটিজারের ইশ্বরহীনতার যুক্তি উল্লেখ করে বলা হয়েছে: ''মধ্যযুগে পবিত্রতার সঙ্গে জড়িত বিষয়গুলোর ওপর মানুষের আর আস্থা নেই। এখন মানুষ ইশ্বরকে মানুষের জীবনে ফিরিয়ে আনার পরিবর্তে খ্রিস্টানদের উচিত আধুনিক বিশ্বের ধর্মনিরপেক্ষকরণকে স্বাগত জানানো।''

আলটিজার তাঁর ''দ্য গসপেল অফ ক্রিশ্চিয়ান এথিজম'' গ্রন্থে বিশ্লেষণ করেছেন যে ইশ্বরের মৃত্যু অনিবার্যভাবে ধর্মান্ধতা থেকে মুক্তি। গ্যাব্রিয়েল ভাহানিয়ান আরো এক ধাপ এগিয়ে বলেছেন, ''যে ইশ্বরকে মানুষ তার পরিচিত একজন বলে জানে, তাহলে সে ইশ্বর তার নিজের সংস্কৃতির মধ্যে আছে এবং সেটি মূলত একটি প্রতিমূর্তি। ধর্মতাত্ত্বিক বিবেচনায় ইশ্বর সম্পর্কিত কোনো ধারণা একটি অনুমান মাত্র। ইশ্বর সম্পর্কে ধারণা শুধু ইশ্বরেরই থাকতে পারে। ইশ্বর সম্পর্কে চার্চের বর্তমান ধারণা প্রাথমিক যুগের খ্রিস্টবাদ ও গ্রিক দর্শনের মধ্যে সংঘাত থেকে উৎসারিত। একটি মূর্তি ধর্মনিরপেক্ষ সংস্কৃতির সঙ্গে এখন আর সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে না এবং ইতোমধ্যে তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। অতএব ইশ্বর মৃত এবং চার্চগুলো কাঠামোগত ও চিন্তাভাবনার দিক থেকে যথেষ্ট পরিমাণে ধর্মনিরপেক্ষ না হওয়া পর্যন্ত ইশ্বর মৃতই থাকবেন।''

অনেক ইশ্বর-মনস্ক প্রোটেস্টান্ট খ্রিস্টান চিন্তাবিদও ইশ্বরের মৃত্যুর আন্দোলনের যৌক্তিকতা স্বীকার করছেন। তারা ইশ্বর সম্পর্কিত প্রতীকি সকল শব্দ ব্যবহার পরিহার করেছেন। তারা বলছেন যে আসলে ইশ্বরের কোনো অস্তিত্ব নেই এবং যিশু প্রাপ্ত পুত্র ছাড়া কিছু নন। তবে অনেক ধর্মপ্রাণ প্রোটেস্টান্টের অভিযোগ হচ্ছে, ''ইশ্বরের মৃত্যুর ধারণা সৃষ্টিকারীরা খ্রিস্টধর্মকে শুধুমাত্র যিশু দ্বারা অনুপ্রাণিত এক ধরনের নৈতিক মানবতাবাদে পরিণত করেছে, যা বাইবেলের শিক্ষার সম্পূর্ণ বিরোধী।'' যারা এখনো ইশ্বরের সঙ্গে রয়েছেন, তারা নিটশের বক্তব্য থেকেই ইশ্বরের মৃত্যু নিয়ে সংশয়ের উত্তর দিতে পছন্দ করবেন। 
''ইশ্বর মারা গেছেন!'' : স্বাক্ষর : নিটশে। ''নিটশে মারা গেছেন!'' : স্বাক্ষর : ইশ্বর।

বিডি-প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

২ মিনিট আগে | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

২২ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

৩১ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৪০ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা