শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:১৩, শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১

জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি প্রতিরোধে ভেটেরিনারি সেবা : প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ

নাছরীন সুলতানা জুয়েনা
অনলাইন ভার্সন

জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি প্রতিরোধে ভেটেরিনারি সেবা : প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ

কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ রোধে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর প্রতি বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে, যার জন্য আমাদের সকলের নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার দরকার। শরীরে প্রানীজ প্রোটিনের যোগানের লক্ষ্যে দুধ, মাংস এবং ডিমের সুরক্ষিত সরবরাহের জন্য আমরা যথাক্রমে গবাদিপশু এবং হাঁস-মুরগির উপর নির্ভর করি। ভেটেরিনারিয়ানগন নিরাপদ খাদ্যের উৎস হিসাবে ফুড এনিম্যালের স্বাস্থ্য সংরক্ষন, ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

ভেটেরিনারি শিক্ষার প্রকৃতি ও এতে অন্তর্ভূক্ত বিস্তৃত বিষয়-জ্ঞান এর কারণে ভেটেরিনারিয়ানগণ বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত গবেষণা, জুনোটিক রোগ প্রতিকার, পরিবেশ ও জীব নিরপত্তায় সরাসরি অংশগ্রহণ করে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ করে মানব স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ অবদান রাখছে এবং বিশ্ব জুড়ে জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। ২০২০ সালে বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবসে বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থা গবেষণা থেকে শুরু করে মানব নমুনা পরীক্ষার পাশাপাশি গবেষণার রিসোর্স আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন মানবিক সহযোগিতায় ভেটেরিনারি পেশার অবদান বিশ্বের সামনে অতি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরে। এবার ২০২১ সালে বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে “Veterinarian response to the Covid-19 crisis”। ২০২০ সালের ১ এপ্রিল বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থা দ্বারা প্রকাশিত গাইডলাইন অনুসরণ করে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহুদেশে ভেটেরিনারিয়ানগণ এই কোভিড-১৯ অতিমারি প্রতিরোধে বিভিন্ন উপায়ে অবদান রাখছে।

অতিমারির শুরুতেই প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর,বাংলাদেশ এর অধীনে বিভিন্ন উপাজেলা ভেটেরিনারি হসপিটাল প্রায় ১৬ হাজার ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম (পিপিই) এবং ভেন্টিলেটরের মতো প্রয়োজনীয় সামগ্রী দান করে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভেটেরিনারিয়ানদের মতো বাংলাদেশেও তারা কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ রোধে জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের কাজে সাহায্য করছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স ইউনিভার্সিটি (সিভাসু) এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের ভেটেরিনারিয়ানগন তাদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিজস্ব ল্যাবে কোভিড রোগীর নমুনা সংগ্রহ ও সনাক্তকরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ময়মনসিংহ এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলে কোভিড-১৯ সন্দেহভাজনদের নমুনা পরীক্ষা করতে যথাক্রমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের মাইক্রোবায়োলজি এবং হাইজিন বিভাগ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে এবং সিভাসু চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের কাছে রিয়েল-টাইম পিসিআর মেশিন সরবরাহ করে। শুধু তাই নয়, ভেটেরিনারি অধ্যাপকসহ বিজ্ঞানীরা হাসপাতাল ও পরীক্ষাগারগুলিতে কভিড-১৯ পরীক্ষা করতে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছে। জনস্বাস্থ্য ও জীবন রক্ষার্থে, ভেটেরিনারি বিজ্ঞানীরা মানবদেহে এই রোগের প্রভাব জানতে এবং পর্যবেক্ষণ করতে গবেষণায় (জাতীয় পাট গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথভাবে সিভাসুর ভেটেরিনারি বিজ্ঞানীগণ কোভিড জীবাণুর জিন সিকোয়েন্স সনাক্তকরণ) সহায়তা করছেন, র্যাপিড একশন কিট ও টিকা উদ্ভাবনে কাজ করছেন। দুইজন ভেটেরিনারিয়ানের নাম এখানে অবশ্যই উল্লেখযোগ্য- স্বল্পমূল্যে কোভিড টেস্ট কিট আবিস্কারক ভেটেরিনারিয়ান ডঃ বিজন কুমার শীল এবং ফাইজারের কোভিড টিকা আবিস্কারক টিম এর প্রধান ভেটেরিনারিয়ান ডঃ আলবার্ট বোরলা। শুধু জনস্বাস্থ্যেই নয়, জনসাধারণের প্রাণিজ খাদ্যের সম্ভাব্য ঘাটতি এড়াতে ও সরবরাহ নিশ্চিন্ত করতে গবাদি-প্রাণি ও হাঁস-মুরগী খামারিদের জীবন-জীবিকা নির্বাহের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সাবলীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রাণিচিকিৎসকগণ অসুস্থ প্রাণিদের চিকিৎসা সেবাসহ খামারিদের পরামর্শ দিয়ে অপরিহার্য ও প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছেন। আমি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি সেইসব ভেটেরিনারিয়ানদের যারা নিজ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছে এবং তাদের আরোগ্য কামনা করছি।

এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা থেকে সার্স, সোয়াইন ফ্লু, মার্স, ইবোলা পর্যন্ত বিগত কয়েক দশকে একের পর এক জুনোটিক রোগের প্রাদুর্ভাব বিশ্বে দেখা গেছে। বাণিজ্যের বিশ্বায়ন,আন্তর্জাতিক ভ্রমণ, অনিয়ন্ত্রিত নগরায়ন, জনসংখ্যা বিস্ফোরণ, কৃষিকাজে আধুনিক-কৃত্রিমতার কারণে ইকোসিস্টেমের পরিবর্তন- এই সমস্ত কারণগুলি জুনোটিক প্যাথোজেনগুলির উত্থান এবং দ্রুত প্রসারণে জন্য প্রভাবশালী ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। বিভিন্ন মহামারীর ঘটনা একটি প্রশ্ন উত্থাপন করছে- যদি কোন ভ্যাকসিন বা চিকিৎসা বিকশিত হয়, মহামারীটি কি চিরতরে চলে যাবে? উত্তরটি সোজা, তবে পরিশীলিত ও সীমিত। কারণ, প্রকৃতি এই মহামারীর সময় তার সৌন্দর্য উপভোগ করছে, হয়তোবা আবার করোনার মতো নতুন কোন এক জীবানু প্রকৃতির পক্ষে কাজ করবে-কে জানে? মহামারী পরিস্থিতি থেকে শেখা ব্যবহারিক, সমসাময়িক চিন্তাভাবনা এবং আলোচনা আমাদের একটি বিশেষ কার্যের দিকে ইঙ্গিত করছে-সেটি হচ্ছে জুনোটিক রোগের প্রাদুর্ভাবের জন্য ঝুঁকি পর্যালোচনা, তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও সংরক্ষণ, মহামারী প্রতিরোধের জন্য কৌশল এবং কৌশলগুলি বাস্তবায়নের জন্য মানসিক ও অর্থনৈতিক প্রস্তুতি। এ কাজটি যথাযথভাবে সম্পন্ন করার জন্য বাংলাদেশে এখন জাতীয় নীতি-নির্ধারণে ভেটেরিনারি দক্ষতার সমন্বয় ঘটানো খুব প্রয়োজন।

কাজের প্রকৃতি, বৈচিত্র্যময় ও বিস্তৃত জ্ঞানের কারণেই প্রাণী চিকৎসকগণ প্রাণিজ খাদ্যের উৎস প্রাণীদের ব্রুসিলোসিস, যক্ষ্মা, অ্যানথ্রাক্স, ক্ষুরা রোগ, এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা, সোয়াইন ফ্লু এবং জলাতঙ্কসহ আরও অনেক জুনোটিক ও অতিমারি রোগের প্রাদুর্ভাব ও রোগজীবাণু নিয়ন্ত্রণে সফলভাবে পরিচালনায় অভিজ্ঞ। প্রাণিচিকিৎসা ও রোগ প্রতিরোধের জন্য ভেটেরিনারিয়ানগণ এপিডেমিওলোজিক্যাল স্টাডিতে অভ্যস্ত। তাই, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকিপূর্ণ রোগগুলির প্রতিরোধের জন্য এপিডেমিওলজিকাল মডেলিং-এ ভেটেরিনারিয়ানগণ অগ্রণি ভূমিকা পালন করতে পারে। উন্নত বিশ্বের দেশগুলিতে জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত উদ্বেগ মোকাবেলায় প্রাণিচিকিৎসকরা দুর্দান্ত অবস্থানে আছেন এবং তাদের কর্মকাণ্ড প্রশংসিত। বাংলাদেশে ভেটেরিনারি জনস্বাস্থ্য কর্মসূচির যথাযথ পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও তদারকি নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় নীতি পর্যায়ে ভেটেরিনারি দক্ষতার সাথে সমন্বয় হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
ইকোসিস্টেম বা পরিবেশকেকে আঘাত করে যতক্ষণ মানবতা প্রকৃতিকে একটি বৃহৎ আকারের কৃত্রিম কৃষিতে রূপান্তরিত করে রাখবে, বন্য প্রাণী এবং মানুষের মধ্যে যত যোগাযোগ বাড়বে এবং ক্রমবর্ধমানভাবে তা অব্যাহত থাকবে, কোভিড ১৯-এর মতো মহামারী বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি ও মানবজীবনের জন্য হুমকি হয়ে থাকবে।

গবেষণায় উদ্ভাবিত হয়েছে, SARS-CoV, MERS-CoV কভিড ভাইরাসের মধ্যবর্তী হোস্ট হিসাবে আছে যথাক্রমে বাদুড়, পাম সিভেটস এবং ড্রোমেডারি উট এবং টার্মিনাল হোস্ট হচ্ছে মানুষ। SARS-CoV-2 এর মধ্যবর্তী হোস্ট হিসেবে চীনের উহানে অবস্থিত সিফুডের বাজারে বিক্রি হওয়া অজানা বন্য প্রাণী বলে মনে করা হচ্ছে । প্রাণী মানুষের বিভিন্ন সংক্রামক বা উদীয়মান রোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসাবে কাজ করে। এ কারণেই, নিরাপদ জনস্বাস্থ্যের জন্য মানুষ, প্রাণী এবং পরিবেশের স্বাস্থ্য একই বন্ধনে আবদ্ধ। তাই  “One Health” কনসেপ্ট অর্থাৎ “এক স্বাস্থ্য” ধারনা বিগত ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে জীব বিজ্ঞান, ভেটেরিনারি মেডিসিন এবং বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তবে এটি বাংলাদেশে সাধারণ জনগণের কাছে অনেকটাই অজানা। ১৯৬০ সালে “ওয়ান হেলথ” ধারণায় বিশ্ব প্রাণী স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একমত হওয়ার পর থেকে উন্নত দেশে প্রশাসনে জুনোটিক রোগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় “ওয়ান হেলথ” বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে বিবেচিত হয়। কিন্তু নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে এর প্রয়োগে বেশ সীমাবদ্ধতা পরিলক্ষিত হয়। পূর্ববর্তী মহামারী হতে লব্ধ জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করা সত্ত্বেও, বাংলাদেশসহ আরও অনেক স্বল্পোন্নত দেশে জনস্বাস্থ্যের সাথে জড়িত সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিতে “ওয়ান হেলথ” প্রসঙ্গে পশুচিকিৎসকদের অবস্থান এখনো শক্তভাবে গুরুত্ব পায়নি। কিন্তু,“ওয়ান হেলথে এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স প্রতিরোধ ছাড়াও ভেটেরিনারিয়ানদের আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে। আরেকটি বিষয় গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করতে চাই। জলবায়ু পরিবর্তন ও রোগের বিরুদ্ধে লড়াই, খাদ্য সুরক্ষা, দারিদ্র্য হ্রাস এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণসহ  আমরা যে সকল সংজ্ঞায়িত চ্যালেঞ্জগুলির মুখোমুখি হয়েছি তার অনেকগুলি বিশ্বায়নের ফলস্বরূপ হতে পারে। তাই কোন দেশ নিজেরাই এই সমস্যাগুলি সমাধান করতে পারে না। বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক পদ্ধতি এবং নীতিগুলি অবশ্যই ক্রমবর্ধমান বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নে মানিয়ে নিতে হবে। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য আমাদের বৈজ্ঞানিক অঙ্গনে বিজ্ঞান কূটনীতি বা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন। সুতরাং ওয়ান হেলথ কনসেপ্ট বাস্তবায়নের সাথে সাথে বহিঃবিশ্বে গড়ে উঠা বিজ্ঞান কূটনীতিতেও বাংলাদেশের ভেটেরিনারি গবেষণা ও গবেষকরা বিশেষ ভাবে ভূমিকা রাখতে পারে বলেও আমি বিশ্বাস করি।

বাংলাদেশের প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়ান হেলথ এর কো-চেয়ারপার্সন হয়েছেন ২০২০ সালে। তার প্রতি আমি বিনীতভাবে অনুরোধ জানাতে চাই, বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য স্বার্থে চিকিৎসা, গবেষণা ও সামাজিক কর্মকাণ্ড আরও প্রসারিত ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মানুষের চিকিৎসা সেবার মতো বাংলাদেশে ভেটেরিনারি পেশাকে জরুরি সেবায় অন্তর্ভূক্ত করুন। এই সময়ে ভেটেরিনারি পেশা ও সেবাকে মূলায়্যন করা দেশের জন্যও জরুরি।

 

লেখক : ভেটেরিনারিয়ান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষক
 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

২ মিনিট আগে | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

২২ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

৩১ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৪০ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা