শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:৪০, শনিবার, ০৩ জুলাই, ২০২১ আপডেট:

৫ ডলারে হইচই, ১০ ডলারে চুপ!

হাসান ইবনে হামিদ :
অনলাইন ভার্সন
৫ ডলারে হইচই, ১০ ডলারে চুপ!

এক,

করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাকাল দক্ষিণ এশিয়া। গত বছরের শুরুতে যখন উহানে এর ব্যাপকতা ছড়িয়ে পড়ে, ইউরোপ আমেরিকাকে বিপর্যস্ত করে করোনা যখন দক্ষিণ এশিয়ায় প্রবেশ করে তখন কিন্তু মহামারী আতংকে ভুগেছিলো এই অঞ্চলের মানুষ! কিন্তু ইমুইনিটি স্ট্রং এবং শক্তিশালী ভ্যারিয়েন্টের প্রভাব খুব একটা না পড়ার কারণে ভারত-বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার মানুষকে ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করতে হয়নি। এভাবে আতংক আর বিষাদের মধ্য দিয়ে গত বছর অতিবাহিত হলেও শেষদিকে টিকা আবিস্কারের সুসংবাদ মানুষকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেয়। একটি নয় বরং একাধিক কার্যকরী টিকা আবিস্কারের সংবাদে মানুষও কিছুটা উচ্ছ্বসিত ছিলো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তড়িৎ গতিতে ফাইজার, মডার্না ও অক্সফোর্ডের করোনা টিকার জরুরি ব্যবহারে অনুমোদন দিয়েছিলো। তারপর দ্রুততার সাথেই বিশ্বের প্রভাবশালী এবং টিকা আবিস্কৃত রাষ্ট্রসমূহের নাগরিকেরা সেই টিকা কর্মসূচিতে অংশ নিতে শুরু করে। তবে বাংলাদেশের মানুষ টিকা পাওয়ার বিষয়টা নিয়ে অনেকটা অনিশ্চিত ছিলো, আদৌ টিকা পাবে কিনা তা নিয়েও ছিলো নানা জল্পনা। সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের সহায়তায় বাংলাদেশে শুরু হলো টিকা কার্যক্রম। কিন্তু হঠাৎ করেই এ বছরের মার্চে ভারতে ব্যাপক হারে করোনা রোগী ও মৃতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এই টিকা সরবরাহ ভারতের পক্ষ থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়। বাংলাদেশ সরকার দ্রুততার সাথেই বিকল্প ব্যবস্থায় টিকা পেতে চীন, রাশিয়া ও আমেরিকার সাথে যোগাযোগ করে এবং উপরোক্ত তিন দেশ থেকেই বাংলাদেশ ইতিবাচক সাড়া পায়। বর্তমানে ফাইজার, সিনোফার্ম ও আমেরিকা থেকে অক্সফোর্ডের টিকা আমদানি কার্যক্রম শুরুও হয়েছে। গণমাধ্যম মারফতে জানা গেছে চীনের টিকার প্রতি ডোজ দাম পরবে ১০ ডলার করে। 

দুই, 
২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি বিশ্বের ৫৪তম দেশ হিসেবে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু করে বাংলাদেশ। কিন্তু টিকা কার্যক্রমের শুরু থেকেই নানামুখী অপপ্রচারের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে যেতে হয়েছে। অক্সফোর্ডের টিকা যেখানে সোনার হরিণ সেখানে বাংলাদেশ সরকার উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে প্রথমদিকের দেশ হিসেবে ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম শুরু করলেও ভারতকে জড়িয়ে নানা প্রোপাগান্ডা শুনতে হয়েছে। শুরুতে বলা হলো এই ভ্যাকসিন বাংলাদেশ বিনা কারণে ভারতের কাছ থেকে বেশি দামে কিনছে। এরপর বলা হলো, ভ্যাকসিন কিনলেও ভ্যাকসিন দেবেই না বাংলাদেশকে ভারত। কিন্তু যখনই দেখা গেল নির্দিষ্ট কম দামে সঠিক সময়েই ভ্যাকসিন বাংলাদেশ পাচ্ছে এবং বন্ধুরাষ্ট্র ভারত উল্টো উপহার হিসেবে বাংলাদেশকে ২০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দিচ্ছে, তখন অপপ্রচারকারীরা বলতে শুরু করলো এটা ভারতের তৈরি নিম্নমানের অপরীক্ষিত ভ্যাকসিন! এই ভ্যাকসিন প্রয়োগে ভারতেই অনেক মানুষ অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। তাই এই ভ্যাকসিন নিলে নিশ্চিত শরীর খারাপের দিকে যাবে! মূল কথা, যেহেতু ভারতের কাছ থেকে এই ভ্যাকসিন বাংলাদেশ নিচ্ছে তাই সোশ্যাল মিডিয়ায়তে একদল উঠেপড়ে লেগেছে এই ভ্যাকসিনকে বিতর্কিত করতে, পুরো ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমকে বিতর্কিত করতে। আমি বরাবরই বলছি, ভারত-বাংলাদেশ যেকোন চুক্তি করুক একদল প্রোপাগান্ডা চালাবেই। আর ভ্যাকসিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জিনিস বাংলাদেশ আনবে ভারত থেকে কিন্তু সেটা বিতর্ক ছাড়াই চুপিসারে চলে আসবে তা হতেই পারে না! সাম্প্রতিক সময়ে ভ্যাকসিন নিয়ে নানামুখী অপপ্রচার বা ভারত-বাংলাদেশ এর যেকোন দ্বিপক্ষীয় ইস্যুতে সার্বিক যে অপপ্রচার হয় সে অভিজ্ঞতা থেকে এটা প্রত্যাশিতই ছিলো! আর তাই করোনা ভ্যাকসিনের শুরু থেকেই নানামুখী গুজব চলমান ছিলো, যা শুনে মানুষ অনেকটা বিভ্রান্তও হয়েছে। তবে ধীরে ধীরে মানুষ বুঝতে পেরেছে এবং টিকা কার্যক্রমে অংশও নিয়েছে। কেবলমাত্র ভারতের সাথে ভ্যাকসিন চুক্তির কারণেই যে এতো প্রোপাগান্ডা হয়েছে তার আরও কিছু উদাহরণ আমি আপনাদের সামনে আজকে তুলে ধরছি। বেশকিছু প্রশ্নের উত্তর মিলিয়ে নিলেই বুঝতে পারবেন অযথা ভারতবিরোধীতা করার মাধ্যমে কি উপায়ে বাংলাদেশের ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমকে বিতর্কিত করতে চেয়েছে একদল।

তিন, 
গত ১৩ জুন চীনের ৬ লাখ টিকা বাংলাদেশে এসেছে। এই টিকার মূল্য নিয়ে অনেক জলঘোলাও হয়েছে। সবশেষে গণমাধ্যমের সহায়তায় আমরা জানতে পেরেছি প্রতিডোজ টিকা বাংলাদেশ চীনের কাছ থেকে কিনছে ১০ ডলার করে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই কিছুদিন আগে যখন ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে বাংলাদেশ সরকার মাত্র ৫ ডলারে টিকা কিনেছিলো তখন কিন্তু একদল হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলো। সোশ্যাল মিডিয়ায় ও গণমাধ্যমে তারা বলে বেড়াচ্ছিলো, এতো চড়া দামে কেনো টিকা কিনছে সরকার, কেনো ভারতকে টাকা দিয়ে দিচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি! এমনকি তারা এটাও বলেছে, এই টিকা ইউরোপ-আমেরিকার চাইতেও অনেক বেশি দামে কিনছে সরকার। অথচ পরে দেখা গেলো ইউরোপ আমেরিকার থেকে মাত্র এক ডলার বেশি দামে তা কিনেছে সরকার আবার এই এক ডলার বেশি লাগার পেছনেও কারণ রয়েছে আর তা হলো সেই দেশের সরকার এই ভ্যাকসিনেশনে আলাদা বিনিয়োগ করেছে, তাছাড়া তাদের দেশে ট্রায়াল হওয়াতে নিয়ম অনুযায়ী তারা কিছুটা কমে টিকা পেয়েছে। অথচ দেখুন, আজ যখন চীনের সিনোফার্মার টিকা কিনতে ১০ ডলার খরচ হচ্ছে তখন কিন্তু সেই হইচই করা গোষ্ঠীর অস্তিত্ব আমরা খুঁজে পাচ্ছি না! অথচ তখন সেই ৫ ডলারের জন্য তাদের আহাজারিতে মনে হচ্ছিলো দেশের সকল স্বার্থ বুঝি সরকার জলাঞ্জলি দিয়ে দিয়েছে! এখানে দিনের আলোর মতো একটা কথা স্পষ্ট যে, শুধুমাত্র ভারতবিরোধীতা থেকেই তখন ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমকে একদল মানুষ বিতর্কিত করতে চেয়েছে, দেশের জন্য মায়াকান্না করেছে! অথচ আজ যখন এতো বেশি দামে চীনের টিকা কেনা হচ্ছে তখন সেই প্রোপাগান্ডাকারীরাদের অস্তিত্ব আমরা খুঁজে পাচ্ছি না, কেন পাচ্ছি না? এই কেন-এর উত্তরেই লুকায়িত আছে অকারণে ভারতবিরোধী রাজনীতি! 

চার, 
বাংলাদেশ ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউটের থেকে যে টিকা কিনেছিলো তা হলো অক্সফোর্ড-অস্ট্রেজেনিকার টিকা। যে টিকা গতবছরেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদন দিয়েছিলো ব্যবহারের। অথচ এই পরীক্ষিত, অনুমোদিত টিকা কেবল ভারত থেকে আনার কারণে ভারতবিরোধী চক্র এই টিকাকে ভারতের নিম্নমানের টিকা হিসেবে অভিহিত করেছিলো। আর আজ যখন সিনোফার্মার টিকা আসছে যে টিকা কেনা মাত্র গত মাসেই (৭ মে, ২০২১) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমতি পেল, সেই টিকা নিয়ে কেউ কোন অপপ্রচার কিন্তু করছে না। বা কেউই চীনের এই টিকাকে বিতর্কিত করতে সোশ্যাল মিডিয়া উঠেপড়ে লাগেনি! গোটা বিশ্বে পরীক্ষিত এবং সর্বজনস্বীকৃত অক্সোফোর্ডের টিকাকে যে গোষ্ঠী নিম্নমানের টিকা বলে অপপ্রচার চালায় তারা আজ কেবল গতমাসে জরুরি ভিত্তিতে অনুমোদন দেয়া টিকা নিয়ে কেনো সন্দীহান নয়! এই প্রশ্নগুলো আজ উত্থাপন করছি কেবল আপনাদেরকে হৃদয়াঙ্গম করানোর জন্য, আপনাদের ভাবনার বিস্তার ঘটানোর জন্য। কেননা বাংলাদেশ ভারতের যেকোন চুক্তি বা সম্পর্ককে একদল বিতর্কিত করতে গিয়ে ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমকেই যে বিতর্কিত করতে চেয়েছিলো তা জানা বা বুঝার সময় এখন এসেছে। শুধুমাত্র ভারতবিরোধীতা করতে গিয়ে তারা যে দেশ ও জাতির বড় ক্ষতি করতে চেয়েছিলো সেব্যাপারে সবাইকে জানতে হবে। এই অপশক্তি যে দেশ ও জাতির শত্রু সেব্যাপারে আমাদের জানা এবং তাদের বিরুদ্ধে সজাগ দৃষ্টি রাখার সময় এসেছে।

পাঁচ, 
এখন আরেক নতুন প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে এই বলে যে, ভারত সরকার শুরুতে আমাদের টিকা দিলেও এখন আর দেবে না! অথচ এই গোষ্ঠীই কিন্তু প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলাদেশ ৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সেরাম ইন্সটিটিউট থেকে কেনার ঘোষণা দিলে বলেছিলো, এক ডোজ টিকাও বাংলাদেশকে ভারত দেবে না! যখন উপহারসহ ৭০ লাখ পেয়ে গেলো তারপর আর কিছুই বলার ছিলো না তাদের। তবে হ্যাঁ, এখন আবার কিছুদিন তারা এই অপপ্রচারটা চালাবে যে, ভারত টিকা দেবে না। কারণ ভারত সরকার সম্প্রতি নিজ দেশের বাইরে অন্যান্য সকল দেশে আপাতত করোনা টিকার সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু কোন পরিস্থিতিতে আপাতত ভারত সরকার বাইরের সকল দেশে টিকা সরবরাহ বন্ধ রেখেছে তা আমাদের জানতে হবে। জানতে হবে ভারতের বর্তমান অবস্থা কি। আজ গোটা ভারত যেনো এক মৃত্যুপুরী! ভারতের পবিত্রতম নদী গঙ্গায় যেন গত কিছুদিন ধরে লাশ উপচে পড়ছে। শত শত লাশ গঙ্গার স্রোতে ভেসে এসেছে, নদী তীরে যেমন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে মৃতদেহ তেমনি তীর সংলগ্ন বালিতে চাপা দেয়া অবস্থায়ও পাওয়া যাচ্ছে মানুষের নিথর দেহ! দিনরাত চব্বিশ ঘণ্টা জ্বলতে থাকা চিতাগুলো এবং শ্মশানগুলোতে জায়গার অভাব- দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও প্রিয়জনকে শেষকৃত্য করতে বেগ পেতে হচ্ছে ভারতবাসীর। করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ছোবলে বিপর্যস্ত ভারতের এই চিত্র এখন গোটা দক্ষিণ এশিয়ার এক বড় দুঃসংবাদ। দেশটিতে ভেঙে গেছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। অক্সিজেনের অভাবে মারা যাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। ভারতে এ পর্যন্ত প্রায় দুই কোটি ৮০ লাখ মানুষের সংক্রমণ ধরা পড়েছে এবং মারা গেছে প্রায় তিন লাখ ২৬ হাজার মানুষ। ভারতের এই দুঃসময়ে প্রায় ৪০টি দেশ ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে। বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে তার পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশও। যে ভারত টিকা কার্যক্রমে আমাদের সবার আগে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সেই ভারত এখন আক্রান্ত। আর সেকারণেই ভারত এখন এই লাশের মিছিল ঠেকাতে আগে নিজেদের ভ্যাক্সিনেশন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে চাইছে। তারা নিজেদের চাহিদা আগে এখন মিটাতে চাইছে। তাছাড়া সেরাম ইনস্টিটিউট কাঁচামালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল। টিকার কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নিষেধাজ্ঞার কারণে ভারত চাহিদা অনুযায়ী টিকা উৎপাদন করতে পারছে না। ফলে চুক্তি অনুযায়ী টিকা রপ্তানির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন অবস্থায় বাংলাদেশ বা যেকোন দেশের উচিত এই মহামারী থেকে ভারতকে বাঁচতে সম্পূর্ণ সহায়তা করা। বাংলাদেশের নিজ থেকেই উচিত টিকা কার্যক্রমে ভারতকে সহায়তা করতে নিজেদের বিকল্প ব্যবস্থার দিকে হাত বাড়ানো। কারণ এটা সত্য যে, আমরা এখনো ভারতের মতো বাজে অবস্থায় যাইনি। আর বাংলাদেশ সেটাই করেছে, বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন থেকে টিকা নিচ্ছে। তাই ভারতের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি না জেনে যারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছে তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। 

ছয়,
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এক অদ্ভূত রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর দাঁড়িয়ে। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নীতির উপর ভিত্তি করে এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নানা সময়ে আমরা পরিবর্তন হতে দেখেছি। এরকম এক অদ্ভুত গোলকধাঁধাতেই কাটছে এ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, যাচ্ছে দিন। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক যখনই এক সুনির্দিষ্ট মাত্রা নিতে শুরু করে তখনই সর্বত্র ‘গেল গেল’ রব উঠে! দু’দেশের প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গের কোন সফর বা চুক্তি সম্পাদনের মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়া ও গণমাধ্যমে এক শ্রেণির মানুষের অপপ্রচার শুরু হয়ে যায়। এবার করোনা ভ্যাকসিন কার্যক্রমের বেলাতেও ঠিক তাই ঘটেছে। আর সেকারণেই আমরা দেখতে পাই, টিকা কেনার ক্ষেত্রে এই ভারতবিরোধী অংশের ৫ ডলারে সমস্যা হলেও ১০ ডলারে সমস্যা হচ্ছে না! সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমে ৫ ডলার নিয়ে হইচই, চিৎকার-চেঁচামেচি করলেও ১০ ডলারের ক্ষেত্রে তারা একেবারেই শান্ত, মনে হচ্ছে তারা বুঝি গর্তে ঢুকেছে, শীতনিদ্রায় আছে!

লেখক : রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়