শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৩১, মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই, ২০২১ আপডেট:

শেখ হাসিনার অর্জন কোনো দিন মুছে ফেলা যাবে না

অধ্যাপক ডা. দীন মোহাম্মদ নূরুল হক
অনলাইন ভার্সন
শেখ হাসিনার অর্জন কোনো দিন মুছে ফেলা যাবে না

মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী এবং দেশ বিরোধী একটি অশুভ শক্তি ঘৃণ্য প্রতিহিংসার রাজনীতি ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে হেয় প্রতিপন্ন ও বিতর্কিত করে বাংলাদেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। জাতির পিতার কন্যাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার এমনকি সুযোগ পেলে তাঁর জীবন নাশেরও এক বিরামহীন পরিকল্পনা হয়তো তাদের রয়েছে।

জাতির পিতার পবিত্র রক্ত জননেত্রী শেখ হাসিনার ধমনীতে প্রবাহিত। ১৯৮১ সালে পিতার স্বপ্ন পূরণে দিগন্ত আলোকিত করে গর্বিত কন্যা - বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার আবির্ভাব। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হবে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, অসম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ। জাতির পিতার এই স্বপ্ন পূরণে জননেত্রী শেখ হাসিনা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জীবন বাজি রেখে তিনি জনগণের কাছে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করে যাচ্ছেন।

পিতার স্বপ্ন পূরণের মহান দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ, অসীম সাহসী ও দৃঢ় মনোবলের অধিকারী শেখ হাসিনা একাই দেশটাকে টেনে একের পর এক উন্নয়নের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে যাচ্ছেন। বর্তমানে জননেত্রী শেখ হাসিনার রয়েছে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ বিশ্বাস করে দেশের স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থই জননেত্রী শেখ হাসিনার একমাত্র লক্ষ্য এবং এই লক্ষ্য পূরণে তিনি অবিচল ও অপ্রতিরুদ্ধ। মানুষ বিশ্বাস করে জাতির পিতার কন্যা অকুতোভয়, উদারচিত্ত ও মানবিক। তাই আজ তাঁর সততা ও নিষ্ঠা নিয়ে দেশের জন্যে তাঁর ত্যাগ নিয়ে কারো মনে কোন প্রশ্ন নেই। 

জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের যোগ্যতা নিয়ে এবং জনগণকে অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ গর্বিত। তারা মনে করে কোন অশুভ শক্তির বা স্বার্থনেশি মহলের ফন্দিবাজি, তাদের মিথ্যা অপবাদ বা ক্ষমতা দখলের আস্ফালন জননেত্রী শেখ হাসিনার কোনই ক্ষতি করতে পারবে না। বরং মানুষ তাদের পরান্নভোজী ফন্দিবাজ হিসাবেই চিহ্নিত করেছে। 

মিথ্যা অনুসন্ধানী রিপোর্টে কোন কাজ হবে না। জাতির পিতার কন্যার বিচরণ জনগণের হৃদয়ের গভীরে। তাঁকে থামিয়ে দেওয়ার কোন প্রচেষ্টাই সফল হবে না। ওদের তো একটাই ভয়-মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা যে ভাবে দেশটাকে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন-তাঁর এই যাত্রা যদি অব্যাহত থাকে তা হলে তো বঙ্গবন্ধু কন্যা বিশ্বের কিংবদন্তি নেতা হবে-একটি বিস্ময়কর ইতিহাসের সৃষ্টি হবে। 

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার অর্জন কোনদিন মুছে ফেলা যাবে না। স্বপ্নের মেট্রোরেল ও পদ্মা সেতু, ডিজিটাল বাংলাদেশ, অবিশ্বাস্য বিদ্যুৎ উৎপাদন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কর্ণফুলী টানেল, ১০০টি অর্থনৈতিক জোন, পায়রা সমুদ্র বন্দর, সমুদ্র জয়, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, কমিউনিটি ক্লিনিক, নতুন স্থাপিত মেডিকেল কলেজ সমূহ, শেখ হাসিনা বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট, নিউরো সাইন্স ইনস্টিটিউট, শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, শেখ আবু নাসের স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ল্যাবরেটরি মেডিসিন এন্ড রিসার্চ সেন্টার, ঢাকা, চিটাগাং, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনায় মেডিকেল ইউনিভার্সিটি - এ ধরণের আরো অনেক অর্জন তো সর্বজন বিদিত হয়েছে। বাংলার মাটিতে মানুষের হৃদয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার অবস্থানকে চিরস্থায়ী করে ফেলেছে। 

বর্তমানে বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার বিশালতা, দেশকে নিয়ে তাঁর স্বপ্ন দেখা এবং আগামী দিনে দেশের জন্যে তাঁর মহাপরিকল্পনা বুঝা বা অনুধাবন করার ক্ষমতা তো ওদের কোনদিন হবে না। দেশ বিদেশে বাংলাদেশের কিছু মানুষ কেন জানি বর্তমান সরকারের করা বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখেও না দেখার ভান করছেন। তারা হয়তো ইচ্ছাকৃতভাবে অথবা কিছুই না জেনে মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন। যেখানে অনেক বিদেশী রাষ্ট্রনায়করাও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী সাফল্যে বিস্মিত হয়ে স্বয়ং তাঁকেই প্রশ্ন করে - তাঁর সাফল্যের রহস্য জানতে চান। এই প্রশ্নের উত্তর তো বঙ্গবন্ধু কন্যা বরাবরই একটাই দেন - "আমি আমার দেশ ও দেশের মানুষকে ভালবাসি এবং দেশ ও দেশের মানুষের কল্যানে আমি নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।"

ইতিমধ্যে দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিয়ে জনগণের মনে একটি চমৎকার অনুভূতি কাজ করছে। দেশে সকল স্তরের মানুষ মনে করে যে আগের বাংলাদেশ আর নেই। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অপ্রতিরুদ্ধ গতিতে অগ্রযাত্রার মহাসড়কে বাংলাদেশ - একটি অত্যন্ত শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার জনকল্যাণমুখী পরিকল্পনার ফলে বিশ্বকে চমকে দেওয়ার মত আরো বহু সাফল্য বাংলাদেশের রয়েছে। 

১। বাংলাদেশে এখন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শতভাগ ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়।

২। দেশের ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ইতিমধ্যে জাতীয়করণ করা হয়েছে। 

৩। শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ফলে দেশের শতভাগ শিশুর শিক্ষা সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে। 

৪। ইউনিয়ন পর্যায়ে নির্মিত ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে দেশের মানুষ ৩২ রকমের ঔষধ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাচ্ছে। 

৫। বর্তমান সরকারের গণমুখী স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ফলে দেশে মাতৃ মৃত্যু, শিশু মৃত্যু ও নবজাতকের মৃত্যু হার উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে। বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়ে বর্তমানে ৭২.৮ বছর হয়েছে। 

৬। বাংলাদেশে এখন ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহীতাদের ৮০% নারী, কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত স্বাস্থ্য কর্মীদের ৮০% নারী কর্মী এবং পোশাক শিল্পে সিংগভাগই নারী কর্মী। 

৭। দেশে নারী ও শিশু স্বাস্থ্যের ব্যাপক উন্নয়নের জন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। 

৮। বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নে মানুষ এখন ডিজিটাল সেন্টার, ই-পেমেন্ট ও মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিধা পায়। বাংলাদেশের ১৩ কোটি মানুষ এখন মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ও প্রায় ১২ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। 

৯। ১৭ কোটি জনগোষ্ঠীর বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ। 

১০। স্বল্প সুদে অভিবাসন ঋণ সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশ বিদেশে শ্রমিক প্রেরণ করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। 

১১। জাতিসংঘ শান্তি মিশনে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে খ্যাতি ও সম্মান অর্জন করেছে। 

১২। বাংলাদেশে এখন সর্বত্র নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকে। পোশাক শিল্পের পাশাপাশি জাহাজ ও ঔষধ শিল্পে, আইটি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত করণে বাংলাদেশ বহির্বিশ্বে অভূতপূর্ব সুনাম কুড়িয়েছে। 

১৩। হত দরিদ্র মানুষের বেঁচে থাকার অবলম্বন হিসাবে বাংলাদেশ সরকার বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, স্বামী পরিত্যক্তা ও দুঃস্থ মহিলা ভাতা, অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা ও মাতৃত্বকালীন ভাতা চালু করেছে। 

১৪। জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রতিটি গৃহহীন মানুষকে গৃহ প্রদানের এক ঐতিহাসিক ঘোষণা দিয়েছেন। ইতিমধ্যে প্রায় এক লক্ষ্য পঁচিশ হাজার গৃহহীনকে গৃহ প্রদান করা হয়েছে।

এতসব অর্জনের পর বর্তমান বাংলাদেশের জনগণের মনে বঙ্গবন্ধু কন্যার আসন দেশ বিরোধী কোন অশুভ শক্তি এতটুকুও টলাতে পারবে না। এতে কারো মনে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই। আমাদের বঙ্গকন্যার আলো এখন দিগন্ত প্রসারিত। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কূটনৈতিক দক্ষতার কোন বিকল্প নাই। মানুষ মনে করে ব্যক্তি শেখ হাসিনা সকল সমালোচনার উর্ধ্বে।

তাই দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে আস্থা ও বিশ্বাসের সাথে বলতে চাই - আপনারা যারা দেশের বিরুদ্ধে বিনা কারণে কুৎসা রটনায় ব্যস্ত এবং দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত - দয়া করে আপনাদের আজগুবি চিন্তা ও আষাঢ়ে গল্প বলা বন্ধ করুন। এসব করে বাংলাদেশের মানুষের মন বিষিয়ে তোলা যাবে না, বিশ্বাসও অর্জন করা যাবে না। বাংলাদেশের মানুষ এখন অনেক শান্তিতে আছে - তাদের অশান্তির বার্তা দিবেন না। এদেশের গরিব দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে জাতির পিতার কন্যা বজ্রকঠিন সংকল্প আর দৃঢ় অঙ্গীকারে ছুটে চলেছেন দুনির্বার।

যারা সরকারের চরিত্র হননে ব্যস্ত সময় পার করছেন, গুজব ছড়িয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে ঘায়েল করতে সচেষ্ট তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই - শেখ হাসিনার প্রতি মুহূর্তের মূল্য অনেক বেশি। পারলে গঠনমূলক সমালোচনা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সাহায্য করুন আর না হয় দেশের স্বার্থে অনুগ্রহ করে চুপ থাকুন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কাজ করতে দিন - আপনাদের সন্তানদের জন্যে, আমাদের সবার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যে। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মানে এখন জননেত্রী শেখ হাসিনাকেই আমাদের দরকার। তাঁর বিকল্প এই মুহূর্তে বাংলাদেশে নেই।

জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পদে পদে বাধাগ্রস্থ হয়েই পথ চলতে হয়েছে। বার বার মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সাফল্যে যারা মন থেকে খুশি হতে পারেন না - আপনাদের অভিপ্রায় স্পষ্ট। জাতির পিতার কন্যার জনপ্রিয়তার কাছে আপনাদের অস্তিত্ব সঙ্কট দেখা দিয়েছে। সময়ের পরিক্রমায় আপনাদের মনে হারিয়ে যাওয়ার ভয়।

"যে জীবন অপরের জন্যে না সেটি কোন জীবন না।" বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার জীবনটিও তো অনেক আগেই এদেশের মানুষের জন্যে বিলিয়ে দিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর সততা দিয়ে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেছেন, কঠোর শ্রম, চেষ্টা ও ত্যাগের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সফল নেতা হয়েছেন। জেদ ও আত্মবিশ্বাসই তাঁর সফলতার মূল।

জাতির পিতার গর্বিত উত্তরাধিকার জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের প্রিয় জন্মভূমির সাথে কোনদিন প্রতারণা করবে না - দেশের মানুষ তা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে। দেশ বিরোধী অপশক্তির সমালোচনা যত বেশি হবে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার কাজের সফলতা ততই বেড়ে যাবে - মানুষের হৃদয়ে তাঁর অবস্থান আরো বেশি গ্রথিত হবে। জাতির পিতার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের জন্যে শ্রেষ্ঠত্বের পরীক্ষায় সর্বদা উত্তীর্ণ হয়েছেন। মহান আল্লাহর উপর শেখ হাসিনার রয়েছে অগাধ বিশ্বাস। কাজেই তাঁর পথ রুদ্ধ করে সাধ্য কার?

তাই তো একজন বাঙালি হিসাবে আজ গর্বভরে বলতে চাই -

"মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক, আমি বঙ্গবন্ধুরই লোক, আমি শেখ হাসিনারই লোক, আর কিছু নয়। সে মোর প্রথম পরিচয়, এই হোক শেষ পরিচয়।"

লেখক: চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সাবেক মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়