শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:১৬, রবিবার, ০৩ অক্টোবর, ২০২১

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নিরপেক্ষ নির্বাচন অসম্ভব

খায়রুল কবীর খোকন
অনলাইন ভার্সন
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নিরপেক্ষ নির্বাচন অসম্ভব

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী জি এম কাদের স্বৈরাচার এরশাদের ছোট ভাই। শুনেছি তাঁর বুয়েট ব্যাচমেট স্থপতি (এবং চলচ্চিত্র-পরিচালক) মসিহউদ্দীন শাকের সাহেবের এক সূত্রে- তিনি চট্টগ্রামে প্রকৌশলী হিসেবে চাকরির দায়িত্ব পালনের সময় এক বদমায়েশ-ঠিকাদারের রোষানলে পড়ে ‘নিজের ন্যায়নিষ্ঠার কারণে’ জানমাল হারানোর সংকটে পড়েছিলেন। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস! সেই ‘সৎ ব্যক্তিটিকে’ (!) এখন স্বৈরাচার এরশাদের মতো দুর্নীতিবাজ এবং দানবতুল্য ব্যক্তির রাজনৈতিক দলের (তথাকথিত রাজনৈতিক দল/অনেকেই এটাকে ‘যাত্রা পার্টি’ বলে বিদ্রƒপ করতেন) ‘উত্তরাধিকারী নেতা’ হতে হয়েছে।

জি এম কাদের মানে গোলাম মোহাম্মদ কাদের ক্ষমতার লোভে (অর্থ বা অন্য কোনো কিছুর লোভ কতটা জানা যায়নি) এ দেশের সবচেয়ে বিতর্কিত একটি রাজনৈতিক দলের চেয়ারম্যান হয়েছেন রীতিমতো দলের কিছু নেতার সঙ্গে যুদ্ধ করে। তিনিই বলেছেন, সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে- এ দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আর প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন নির্বাচন কমিশন আইন শক্তিশালী করার মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন।

গোলাম মোহাম্মদ কাদের হয়তো ভুলে গেছেন তার পূর্বসূরি তারই সহোদর জ্যেষ্ঠ-ভ্রাতা (স্বৈরাচার নামেই যিনি বিখ্যাত!) সেই লে. জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলেই প্রমাণিত হয়ে গেছে- কর্তৃত্ববাদী শাসকদের সরকারের অধীনে কোনোভাবেই নির্বাচন সুষ্ঠু করা সম্ভব হয় না। কারণ স্বৈরতন্ত্রী বা কর্তৃত্ববাদী শাসক তিনি যিনিই হোন না কেন- তিনি ক্ষমতাশীর্ষে আরোহণের সময়ই ‘বাঘের-পিঠে চড়ে বসেন’। এই ব্যক্তিদের গণতন্ত্রসম্মত পন্থায় ক্ষমতা ত্যাগ করে জনগণের কাতারে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে দাঁড়ায়, এমনকি সংসদে প্রধান বিরোধী দলের নেতা হওয়ার সাহসও তারা হারিয়ে ফেলেন। কারণ তারা ক্ষমতার দর্পে-দাপটে অপরিসীম দুর্নীতি আর অনাচার করে বসেন, তাই তাদের সুষ্ঠু গণতন্ত্রের পন্থায় জনগণের আসল ভোটের নির্বাচনে ক্ষমতায় ফিরে আসা সম্ভব হয় না; আবার ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া মানে দাঁড়াচ্ছে- অবধারিতভাবে চৌদ্দ শিকের বেড়ার ভিতরে প্রবেশ, প্রবেশ মানে তো কিছুকালের মধ্যে আর বেরোনোর জন্য নয়, দশককাল কিংবা দশক দশক ধরে জেলে কাটানোর জন্যই তার প্রবেশ সেখানে। একেই বলে ‘স্বৈরতন্ত্রীর ক্ষমতায় আরোহণ হচ্ছে বাঘের পিঠে চড়ে বসা’। মানে নামতে গেলে বাঘটাকেই হত্যা করতে হবে, না হলে বাঘই তাকে খেয়ে ফেলবে।

জি এম কাদের সাহেব যে নির্বাচনী আইন শক্তপোক্ত করে শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চেয়েছেন তা চলে সত্যিকার গণতন্ত্রের চর্চা হয় যেসব দেশে সেসব জায়গায়। বাংলাদেশের মতো দেশে এ ধরনের আসল গণতন্ত্রের চর্চা আশা করাই ভুল। নব্বই সালের ডিসেম্বরে স্বৈরাচার এরশাদের পতনের পর নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনগুলো জনগণের অংশগ্রহণে মোটামুটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। ২০০৭-২০০৮ (দুই বছরের) সময়ের ফখরুদ্দীন-মইন উ আহমেদের আরেক কর্তৃত্ববাদী সরকার প্রকৃত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের চরিত্র হারিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতেছিল। তারপর তো স্বৈরতন্ত্রের ইতিহাস রচিত হলো- নতুন কর্তৃত্ববাদের ইতিহাস, আওয়ামী লীগের মাথায় ভূত চাপল- যে কোনোভাবে ক্ষমতা দখল করে রাখতে হবে; তখন তারা জনসমর্থন হারিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়ল। একের পর এক সংসদ নির্বাচনে ভোট জালিয়াতি করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখল তারা। গত ১৩ বছর ধরে তারা নির্বাচন কমিশনকে অর্থহীন একটা ‘পাপেট’ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে ছেড়েছে। জনগণ তাদের ভোটের অধিকার হারাল চিরতরে। এখন জাতীয় সংসদ থেকে ধরে নিচের পর্যায়ে উপজেলা পরিষদ, সব সিটি করপোরেশন-পৌরসভার মেয়র-কাউন্সিলর এমনকি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বর নির্বাচন অবধি ভোটারদের কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে হয় না, সব ভোট আগের রাতেই হয়ে যায়- সরকারি কর্মকর্তা আর পুলিশ মিলে ‘সিল মারো ভাই সিল মারো, নৌকা মার্কায় সিল মারো’ উৎসব চলে। ভোটের দিন সরকারি দলের মস্তানসদৃশ কিছু কর্মী অল্প ভোটার জড়ো করে (সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ) লাইন বানিয়ে প্রদর্শনী করে কিছু নির্বাচন পর্যবেক্ষক এবং ইলেকট্রনিক আর প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের সামনে। তারপর সন্ধ্যায় বা রাতে ঘোষণা করতে থাকে ফলাফল। ৯০-৯৫ ভাগ ভোট সরকারি দলের প্রার্থীর সমর্থনে হিসাব দেখায়। দু-চারটি ব্যতিক্রম দেখায় সেটাও সাজানো নাটকের অংশ। ভোটার উপস্থিতি অবিশ্বাস্য রকমের- যা কল্পনা করাও কঠিন, কোথাও ৮০ ভাগ, কোথাও ৯০/৯৫ ভাগ, কোথাও কোথাও শতভাগ দেখিয়েও ছাড়ে তারা। আসলে সবটাই চমৎকার নাট্য প্রহসন। জি এম কাদের সাহেবরা কি এসব ঘটনা জানেন না! তাদের অবশ্য জানার প্রয়োজনও নেই, কারণ আপসে কয়েকবার সংসদে কিছু আসন লাভ করে বিরোধী দলের অবস্থান পেয়ে গেছেন, তাদের তো ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট ভোজন চলছেই। ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত পরপর যে তিনটি সংসদ নির্বাচন হয়েছে তাতে জাল-জালিয়াতি না ঘটলে জাতীয় পার্টির ক্ষমতার-উচ্ছিষ্ট ভোজন নিশ্চিত হতো না। তাই তো জি এম কাদের সাহেবরা কর্তৃত্ববাদী আওয়ামী লীগের অনাচারের সমর্থনে এ রকম বক্তব্য দিয়ে ক্ষমতাসীন নেতাদের হাতকে শক্তিশালী করবেন সেটাই স্বাভাবিক। এটা জলের মতো সহজবোধ্য ঘটনা, বুঝতে হলে সাধারণ-জ্ঞান থাকলেই চলে, কোনো বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার পড়ে না।

এ নিবন্ধের মূল বক্তব্যে ফিরে আসি। জাতীয় পার্টি বা তার চেয়ারম্যান কী বললেন না বললেন তাতে জাতির কিছু যায়-আসে না। দেশবাসী আমরা প্রমাণ পেয়েছি দীর্ঘকালের অভিজ্ঞতায়- এ দেশে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য সব অনাচারে অভ্যস্ত একটি রাজনৈতিক দল সব মূল্যবোধ, ন্যায়নীতি বিসর্জনে মরিয়া। সেটা তারা বারবার প্রমাণ করেছে। ১৯৭৩ সালের নির্বাচনেই তারা তার চমৎকার নজির সৃষ্টি করেছিল! গায়ের জোরে সংসদের সব আসনে দলের লোকদের বসানোর লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ ২৯৩ আসন ‘নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমেই’ দখলে নিয়েছিল। মাত্র সাতটি আসন তারা বিরোধী দলের কয়েকজন নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ছেড়ে দিয়েছিল। স্রেফ দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও মিডিয়া- সাংবাদিকদের চোখে ধুলো দেওয়ার জন্যই সেই সাতটি আসনে আওয়ামী লীগের বাইরের লোকদের নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ দিয়েছিল। তখনকার ওয়াকিবহাল দেশবাসীর, এমনকি বিদেশিদেরও সবারই জানা ছিল- সুুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিরোধী দলগুলোর নেতারা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সব মিলিয়ে প্রায় ১০০ আসন পেয়ে যেতেন। আওয়ামী লীগ নিশ্চিতভাবেই সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে পারত এবং মোটামুটিভাবে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাদের অর্জিত হতো। সবারই জানার মধ্যে ছিল তা। বিরোধী দলের ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে এলাকাভিত্তিক সমর্থন প্রকাশ্য ছিল যা- তাতে ১০০-এর মতো আসন তাদের নিশ্চিত ছিল, তবে তার বেশিও নয়। তখনকার সাংবাদিকদের মধ্যে যারা কাছে থেকে আওয়ামী লীগের ‘ভোট-মস্তানি’ দেখেছিলেন তাদের কয়েকজনের কাছ থেকে জেনেছি সেসব কাহিনি। ১৯৭৩ সালের সেই নির্বাচনের পরে আওয়ামী লীগ সরকারকে তাদের নিজেদের লোকদের অনাচারের ফলে বিশেষভাবে ‘চাটার দল’-এর পাল্লায় পড়ে শেষাবধি একদলীয় বাকশাল সিস্টেমে যেতে হয়। বহুদলীয় গণতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে ও সরকারি-মালিকানায় চারটি সংবাদপত্র রেখে অন্য সব পত্র-পত্রিকা বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। পরিণামে আওয়ামী লীগ নিজেকে নিজেই উচ্ছেদ করে ফেলে, ভাগ্যের এ-ও এক নির্মম পরিহাস! সে যাই হোক! আমাদের দেশে গণতন্ত্র অনুসরণের সংস্কৃতি ধসিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন কেউ অন্যের কথা শুনতেই চান না, নিজের কথা অন্যকে ঘাড় ধরে হলেও শোনাতে ব্যস্ত। আমাদের সমাজে পরমতসহিষ্ণুতার সংস্কৃতি ‘শূন্য’ পর্যায়ে। এ অবস্থায় প্রমাণিত হয়ে গেছে আরও অন্তত পাঁচ-সাতটি সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে হতে হবে। নির্বাচনী আইন শক্তিশালী করে প্রকৃত শক্তিমান ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন অবশ্যই করতে হবে। তবে তাদের পেছনে কোনো দলীয় সরকার থাকলে নির্বাচন কমিশন ‘ঢাল-তলোয়ারবিহীন নিধিরাম সর্দার’ হয়ে যাবে। হতে হবে প্রকৃত নির্দলীয় সরকার, অন্তর্বর্তীকালীন এবং সার্বিকভাবে নিরপেক্ষ- যথার্থ ‘তত্ত্বাবধায়ক’।

লেখক : বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও সাবেক সংসদ সদস্য এবং ডাকসু সাধারণ সম্পাদক।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়