শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৩২, রবিবার, ০২ জানুয়ারি, ২০২২ আপডেট:

পড়েছি মোগলের হাতে...

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
অনলাইন ভার্সন
পড়েছি মোগলের হাতে...

সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট জোসেফ স্টালিন বলেছিলেন, ‘দেশের জনগণের জন্য এটা জানাটাই যথেষ্ট যে দেশে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। যারা ভোট দেয় তারা কোনো ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয় না। যারা ভোট গণনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকে তারাই সিদ্ধান্ত নেয় ফলাফল কী হবে।’ ২০ ডিসেম্বর, ২০২১, ফের শুরু হয়েছে মহামান্য রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়া। প্রথম দিনে সর্বাধিক সুবিধাভোগী বিরোধী দল জাতীয় পার্টির আটজনের একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করে তাদের মতামত ব্যক্ত করেছেন। ২০২২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিদায় নিচ্ছে ‘নিশিরাতের নির্বাচন’ উদ্ভাবক নূরুল হুদা কমিশন। ২০১২ সালের ঠিক এই সময়ই রকিবউদ্দীন কমিশন গঠন করা হয়েছিল। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫৩টিতে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দল এ নির্বাচন বর্জন করে। তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে ২০১৭ সালে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। আমাদের অহংকার, গৌরব ও ভাষার জন্য আত্মত্যাগের মাস ফেব্রুয়ারিতে গঠিত হয়েছিল স্বাধীনতা উত্তর এ যাবৎকালের সর্বাধিক বিতর্কিত নূরুল হুদা কমিশন, যা জাতির ললাটে কলঙ্কের তিলক হয়ে আছে।

বরাবরের মতো এবারও নিবন্ধিত ৩৯টি দলের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির আলাপ-আলোচনা করার কথা। গত দুবারের সার্চ কমিটির প্রধান ছিলেন সদ্য বিদায়ী প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। যদিও তিনি কমিটির প্রধান থাকাকালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ছিলেন এবং পরে প্রধান বিচারপতি হন কিন্তু তিনি মাননীয় বিচারপতি নিয়োগসংক্রান্ত ৯৫ (গ) অনুচ্ছেদের বিধানটি ও ১১৮ (১) নির্বাচন কমিশন গঠনের আইনটি বিগত ৫০ বছর যাবৎ লঙ্ঘিত হওয়ার পরও কোনো ব্যবস্থা নেননি। এমনকি দেশের কোনো সচেতন নাগরিক জনস্বার্থে এ বিষয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হননি কিংবা কোনো বিচারপতির সুয়োমোটো রুলের নজির আমরা দেখিনি। অথচ সার্চ কমিটি গঠনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া পাশের দেশ নেপাল ও পাকিস্তানে রয়েছে।

নেপালের শাসনতন্ত্রে ২৪৫ থেকে ২৪৭ অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন গঠনের ক্ষমতা ও প্রক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি, স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতাসহ অন্যদের সমন্বয়ে গঠিত সাংবিধানিক কাউন্সিল, যাকে সুপারিশ করবেন তার সামাজিক মর্যাদা, নৈতিক চরিত্র, ভোটারদের ধারণা, অতীতের কার্যক্রম বিবেচনায় এনে নামগুলো সংসদীয় কমিটিতে শুনানির জন্য উত্থাপন করা হয়।

পাকিস্তানে শাসনতন্ত্রের ২১৩ অনুচ্ছেদের ক্ষমতায় রাষ্ট্রপতিই নিয়োগ দেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে প্রাসঙ্গিক আলোচনার পর তিনজনের নাম নির্ধারণ করেন। প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার মতের অমিল হলে তাদের পছন্দনীয় নামের তালিকা পৃথকভাবে পার্লামেন্টারি কমিটির কাছে উপস্থাপন করেন। কমিটি তিনটি নামের মধ্যে একটি সুপারিশ করে।

বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশের দাবিদার ভারত, বিগত ৭৫ বছর ধরে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতায় গৌরবান্বিত। তাদের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন ও আস্থাশীল, সাংবিধানিক ক্ষমতার ভারসাম্য কঠোর। এ ক্ষেত্রে পাশের দেশের সঙ্গে তুলনা করে লাভ নেই। আমাদের দেশে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার টি এন সেশানের মতো প্রফেশনাল আমলা নেই। বাংলাদেশের আমলারা সাধারণত সরকারের আজ্ঞাবহ।

১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি চতুর্থ সংশোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো হয়। সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি-শাসিত শাসন পদ্ধতি চালু এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন করাই ছিল এ সংশোধনের মূল বিষয়। অথচ সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- প্রজাতন্ত্র হবে গণতন্ত্র, মৌলিক মানবাধিকার, স্বাধীনতার নিশ্চয়তা, মানবসত্তার নিশ্চয়তা, মানবিক মর্যাদা ও মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ। পরবর্তীতে ১৭ বছর পর দেশে দ্বাদশ সংশোধনের মাধ্যমে ১৯৯১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় ও উপরাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা হয়।

বিশ্বমোড়ল মার্কিনিরা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সাত সমুদ্র পাড়ি দিতে পারে কিন্তু নিজ দেশের নাগরিকরা রাস্তা পার হয়ে কেন্দ্রে ভোট দিতে যায় না। দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন করোনাকালে মহামারিতে গণতান্ত্রিক এজেন্ডা নিয়ে ভার্চুয়াল সম্মেলনে বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোকে আলোচনায় ডেকেছেন। সেখানে বাংলাদেশের ডাক মেলেনি। যদিও গণতন্ত্রের সূচকে ভারত ৫৩, শ্রীলঙ্কা ৬৮, বাংলাদেশ ৭৬, ভুটান ৮৪, নেপাল ৯২ ও পাকিস্তান ১০৫। স্বভাবতই প্রশ্ন আসে সূচকে নেপাল ও পাকিস্তানের অবস্থান বাংলাদেশের পরে হয়েও আমন্ত্রণ পেল কীভাবে! অবশ্য মার্কিনিরা আগেই শর্ত সাপেক্ষে ঘোষণা দিয়েছিল, যেসব দেশে আইনের শাসন, মানবাধিকার ও দুর্নীতির সূচকে অবস্থান খারাপ সেসব দেশের এ সম্মেলনে যোগদানের সুযোগ নেই। দি ইকোনমিস্টের পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের অবস্থান ৭৬তম বা হাইব্রিড গণতন্ত্রের দেশ, এর অর্থ রাজনৈতিক দমন-নিপীড়ন ও কর্তৃত্ববাদী শাসন। গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত হলো আইনের শাসন, মানবাধিকার, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, দুর্নীতি ও দমন-নিপীড়নের সামগ্রিক অবস্থান। ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্টের বৈশ্বিক আইনের শাসন সূচক-২০২১মতে ১৩৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১২৪তম। দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ চতুর্থ। সুইডেনভিত্তিক ভ্যারিয়াস ডেমোক্র্যাসি ইনস্টিটিউটের গণতন্ত্রের সূচক-২০২১মতে বিশ্বের ১৭৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১৫৪তম, স্কোর ০.১। বাংলাদেশের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে ‘নির্বাচিত একনায়কতন্ত্র’ বিভাগে রাখা হয়েছে। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসের বিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম সূচক-২০২১মতে ১৮০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১৫২তম। আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে এসবের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান তলানিতে।

ঐতিহ্যবাহী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সমাজের বুনিয়াদি ব্যক্তিরা অংশ নেন। প্রান্তিক জনগণ মনে করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনই গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত। কিন্তু বাংলাদেশের অধুনা রাজনীতিতে নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্র ও দলীয় আধিপত্যবাদ বিস্তারের বীজ বপন করা হয় প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে। দলীয়ভাবে যিনি নৌকা প্রতীক পান তার বিপরীতে দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীর প্রতিযোগিতা। একপেশি নির্বাচন, দলীয় প্রভাব বিস্তারে এক অভিনব পদ্ধতি। সাধারণ ভোটারকে পরোক্ষভাবে হয় নৌকায় ভোট দিতে হবে, না হয় আওয়ামী লীগ দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীকে সমর্থন করবেন। অর্থাৎ নৌকা বনাম নৌকা। বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কার নয়। অপকৌশলের বেড়াজালে সাধারণ মানুষের মধ্যে একদলীয় কমিউনিস্ট কায়দায় আধিপত্যবাদ বিস্তার করা। একই ছকে দ্বিতীয় ধাপে মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচনে সেমিফাইনাল খেলা ও তৃতীয় ধাপে জাতীয় নির্বাচন অর্থাৎ ফাইনাল খেলা। ২০১২ ও ২০১৭ সালের সার্চ কমিটি গঠনের অভিজ্ঞতার আলোকে এবার ২০২১ সালে সুবর্ণজয়ন্তীর বিজয়ের মাসে মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে, দন্তবিহীন বাবুরাম সাপুরে খোঁজা।

রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটির মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রথম প্রহরে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জাতীয় পার্টিকে। স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক- আন্দোলনে তিন জোটের রূপরেখা হয়েছিল আওয়ামী লীগসহ আট দল, বিএনপিসহ সাত দল ও বামপন্থি পাঁচ দল নিয়ে। অগণতান্ত্রিক সরকারের পতন হয়েছিল ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে। তিন জোটের সমন্বয়ে, জাতির প্রয়োজনে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য ডকট্রিন অব নেসিসিটির কথা শুনেছিলাম। গণঅভ্যুত্থানে এইচ এম এরশাদের পতনের পর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন ও পরিশেষে প্রধান বিচারপতির আসনে ফের প্রত্যাবর্তন করেছিলেন ১৯৯১ সালের ১০ আগস্ট একাদশ সংশোধনের মাধ্যমে। শুরু হলো গণতন্ত্রের যাত্রা। জামায়াতের আবিষ্কার, আওয়ামী লীগ দাবিদার ও জাতীয় পার্টি শরিকদার হয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলনের ফসল সংবিধানে সন্নিবেশিত হয়েছিল ১৩তম সংশোধনের মাধ্যমে। তারই ধারাবাহিকতায় সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছিল সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদের। পরিতাপের বিষয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপস্থিতিতে আাওয়ামী লীগ ২১ বছর পর ক্ষমতায় এলো কিন্তু সংবিধান সংশোধনের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ আসন পায়নি। ২০০৭ সালে কথিত সেনাসমর্থিত ১/১১ সরকারের সময় বিকল্প পন্থায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে পঞ্চদশ সংশোধনের মাধ্যমে ক্ষমতা বদলের ধারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে বাতিল করে গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেকটি মারা হলো। শুরু হলো ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতায় টিকে থাকার নতুন পদ্ধতি ডিজিটাল ইলেকশন।

ইতিহাস বলে, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তদানীন্তন শাসক গোষ্ঠীর সময় আওয়ামী লীগ ১৬৭ আসনে জয়ী হয়েও ক্ষমতার মসনদে বসতে পারেনি। গণতন্ত্র ও স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য শুরু হয় স্বাধীনতার সংগ্রাম। স্বাধীনতা-উত্তর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ১৯৭৩ সালে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে জয়ী হয়। একই ধারাবাহিকতায় ক্ষমতাসীনরা ১৯৮৬, ১৯৮৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে বিজয়ী হয়। দৃশ্যপট দেখে মনে হচ্ছে, এবারের সার্চ কমিটি গঠনে ২০১২ ও ২০১৭ সালের কমিটি প্রণেতাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করা হচ্ছে। তাহলে কোনো অবস্থায় বলা যাবে না ক্ষমতাসীনরা জয়ী হবে না। কমিশনের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা নির্ভর করছে সরকারের পছন্দের ওপর। তাই বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকারের ইচ্ছামতো নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। তাহলে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আমাদের আলোচনায় গিয়ে রাবার স্ট্যাম্প হয়ে লাভ কী? সংবিধানের ৪৮ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ছাড়া অন্যসব দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন। সে ক্ষেত্রে দলীয় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী দল বিএনপিকে ছাড় দেবে, এটি বিগত দিনের পরপর দুটি কমিশন দেখলে কি বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়? সে ক্ষেত্রে বিএনপিকে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনায় বসার অর্থ হলো পাতানো খেলায় অংশ নেওয়া। তা ছাড়া সংবিধানের ১১৮ থেকে ১২৬ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনকে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ক্ষমতায়ন করা হয়েছে। তাহলে কমিশনের ব্যর্থতার কারণ কী?

ইতিমধ্যে হুদা কমিশন গুরুতর আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অসদাচরণে লিপ্ত থাকায় সুশীলসমাজের নেতৃত্বদানকারী ৪২ বিশিষ্ট নাগরিক রাষ্ট্রপতির কাছে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠনের আবেদন জানিয়েছেন। বিগত নির্বাচনগুলো বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয় নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া কেবল নির্বাচন কমিশনের দ্বারা এককভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন করা অলীক কল্পনা মাত্র। যদিও বিগত ৫০ বছরেও সংবিধানের ১১৮(১) অনুযায়ী ‘কোন আইনের বিধানবলি-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগ দান করিবেন’ তাহার জন্য নতুন আইন প্রণীত হলেও শুধু নির্বাচন কমিশনের একার পক্ষে সুষ্ঠু নির্বাচন আদৌ সম্ভব নয়, যদি সরকার নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ না থাকে।

তা ছাড়া বাংলাদেশের প্রতিটি নির্বাচন থেকে আমরা যা শিখি তা হলো আগের নির্বাচন থেকে কিছুই শিখিনি। যেহেতু সময়ের স্বল্পতা সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করে সুশীলসমাজ ও রাজনৈতিক পরিমন্ডল থেকে একটি কাউন্সিল গঠন করে এ পালায় আইন প্রণয়নের আগেই ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

আমাদের নিজস্ব অবস্থা বিবেচনায় ব্যবস্থা নিতে হবে। সব দল ও নাগরিকসমাজের মিলিত প্রচেষ্টায় একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান আনতে হবে। সদিচ্ছা ও দেশপ্রেমকে প্রাধান্য দিতে হবে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের যাত্রায় সব শ্রেণি ও পেশার মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে সরকারকে বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনের মাধ্যমে চাপ দিতে হবে। ইতিহাস কখনো নির্দিষ্ট কাল বা সময়ের জন্য থেমে থাকে না। তাই রাষ্ট্রপতিকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাঁর শপথবাক্যের চুক্তিনামার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বাংলাদেশের গণতন্ত্র সুসংহত রাখার প্রয়াস থাকতে হবে। ‘তারাই বোধসম্পন্ন লোক যারা প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করে এবং অঙ্গীকার ভঙ্গ করে না।’ [সুরা রাদ আয়াত ২০]। তবে ২০১২ ও ২০১৭ সালের গঠিত সার্চ কমিটির প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে প্রতীয়মান হয়, যিনি সার্চ কমিটির কর্তা তিনি নন বরং মোগলই সিদ্ধান্ত নেয় ফলাফল কী হবে। ‘দেশের জনগণের জন্য এটা জানাটাই যথেষ্ট যে দেশে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। যারা ভোট দেয় তারা কোনো ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয় না।’ পড়েছি মোগলের হাতে, খানা খেতে হবে তার সাথে...।

লেখক : সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও চেয়ারম্যান, ইআরআই।

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

এই মাত্র | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪৫ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়