শিরোনাম
প্রকাশ: ১৯:৩৯, শনিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

বেগম জিয়ার পুরস্কার, বাহ কি চমৎকার

সৈয়দ বোরহান কবীর
অনলাইন ভার্সন
বেগম জিয়ার পুরস্কার, বাহ কি চমৎকার

ইদি আমিন। উগান্ডার একনায়ক হিসেবে ১৯৭১ থেকে ’৭৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছিলেন তিনি। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল প্রাথমিক পর্যন্ত। ক্ষমতায় এসে তিনি নিজেকে ডক্টরেট ডিগ্রিধারী দাবি করেন। ইদি আমিনের খুব পুরস্কার এবং পদকের শখ ছিল। টাকা-পয়সা দিয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে পদক কিনতেন। আর পদকপ্রাপ্তি উপলক্ষে ঘটা করে অনুষ্ঠান করতেন। রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় করে নিজেকে জাহির করতেন। কিন্তু তাঁর নিষ্ঠুর একনায়কতান্ত্রিক শাসনের কারণে অল্প সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি সমালোচিত হতে থাকেন। একসময় ছোটখাটো সংস্থাও তাঁকে পদক দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এ রকম পরিস্থিতিতে ইদি আমিনকে খুশি করতে তাঁর চামুণ্ডা এবং চামচারা নতুন কৌশল নেয়। তারা নিজেরাই বিভিন্ন সংগঠন তৈরি করে। এই সংগঠনগুলোর একমাত্র কাজ ছিল বিভিন্ন বিষয়ে ইদি আমিনকে পুরস্কার দেওয়া। এ নিয়ে টাইম ম্যাগাজিনে এক চমকপ্রদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৭ সালে। শিরোনাম ছিল-‘ওন অ্যাওয়ার্ড (আত্মপুরস্কার)’। গত ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম জিয়াকে ‘মাদার অব ডেমোক্র্যাসি’ সম্মাননা দেওয়ার খবরে ইদি আমিনের কথা এত বছর পর মনে পড়ল। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপি মহাসচিব। প্রায় প্রতিদিনই নানা বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। এসব সংবাদ সম্মেলনের সারকথা একটাই-সরকারকে গালাগালি করা। তবে এসব সংবাদ সম্মেলনের আরেকটি গুরু তাৎপর্য আছে। দল হিসেবে বিএনপি এবং নেতা হিসেবে তিনি (মির্জা ফখরুল) যে এখনো বেঁচে আছেন, তা জনগণকে জানান দেওয়া। কিন্তু ৮ ফেব্রুয়ারির সংবাদ সম্মেলনে আচমকা তিনি ঝুলি থেকে বেগম জিয়ার জন্য পুরস্কার আবিষ্কার করলেন। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব বললেন, গণতন্ত্রের প্রতি অসামান্য অবদানের জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ‘মাদার অব ডেমোক্র্যাসি’ সম্মাননা দিয়েছে কানাডিয়ান হিউম্যান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন (সিএইচআরআইও)। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ক্রেস্ট এবং সনদপত্র সাংবাদিকদের দেখান। সনদপত্র দেখে অনেকে বিস্মিত, হতবাক। ২০১৮ সালে এই সনদপত্র দেওয়া হয়েছে। বেগম জিয়া এত বড় এক স্বীকৃতি পেলেন, অথচ কেউ কিছু জানল না। প্রায় সাড়ে তিন বছর তা একান্ত গোপনীয় করে রাখা হলো। কি চমৎকার। এখন মুহূর্তের মধ্যেই যে কোনো খবর বিশে^র এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চলে যায়। সেখানে বিএনপি চেয়ারপারসনের এত বড় পদকপ্রাপ্তির খবর বিশ্ব গণমাধ্যম বেমালুম চেপে গেল। এ ভারি অন্যায়। আমার মনে হয়, সিএনএন, বিবিসি, আলজাজিরাসহ বিশে^র তাবৎ প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া এখন ‘আওয়ামী লীগের দালাল’ দিয়ে ভরে গেছে। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ খবরটি তারা বেমালুম চেপে গেছে। এ জন্যই বাধ্য হয়ে প্রায় চার বছর পর পদকপ্রাপ্তির খবরটি নিজেই জানালেন বেচারা বিএনপি মহাসচিব। এ রকম খবর তো জানার অধিকার আছে প্রতিটি নাগরিকের। বেগম জিয়ার পদকপ্রাপ্তিতে দেশের আমজনতার মতো আমিও পুলকিত হলাম, শিহরিত হলাম। পুরস্কার যেই পাক দেশের সুনাম হচ্ছে, এটাই তো বড় কথা। খুশিতে বাকবাকুম হয়ে আমি খুঁজতে লাগলাম কারা এই মহতী সংগঠন। কিন্তু এই সংগঠনের অস্তিত্ব খুঁজতে গিয়ে আমার ভিড়মি খাওয়ার মতো অবস্থা হলো। কানাডার এ মানবাধিকার সংগঠনের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখা গেল, খুবই কাঁচা একটা ওয়েবসাইট। তা হতেই পারে, মানবাধিকার সংগঠনের তো কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা নেই যে তারা অ্যামাজনের মতো ওয়েবসাইট বানাবে। এই সংগঠনের স্টাফ মাত্র একজন। বাহ, কি চমৎকার। একজন করিৎকর্মা মানুষই সবকিছু করতে পারে, তাই একজন স্টাফ থাকাও দোষের কিছু নয়। পোর্টফোলিওতে বিভিন্ন দেশের যুদ্ধের ছবি। কিন্তু এই সংগঠন কী কাজ করে, তাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ কী- এ সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই। তবে আশার কথা হলো, বেগম জিয়াকে পুরস্কার দেওয়া এই সংগঠনটির একটি ফেসবুক পেজ রয়েছে। এই ফেসবুক পেজে লাইকের সংখ্যা ৮০টি। তা তো হতেই পারে। সমাজে ভালো কাজের প্রশংসা করার লোক কমে যাচ্ছে। এতে বিভিন্ন পোস্টে লাইকের সংখ্যা গড়ে ৩০টি। তবে সবচেয়ে বিস্ময়কর তথ্য হলো লাইক প্রদানকারীরা সবাই বাংলাদেশি। বাহ! কানাডার মানবাধিকার সংগঠন সম্পর্কে বাংলাদেশের জনগণের এত আগ্রহ। আমি মুগ্ধ, অভিভূত। তবে যারা এই ওয়েবসাইটের দেখভাল করেন, তারা একটা ভারি অন্যায় করেছেন। এই ওয়েবসাইটে বেগম জিয়ার পুরস্কারপ্রাপ্তি সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই। এমনকি নেই এ সংক্রান্ত কোনো প্রেস বিজ্ঞপ্তি পর্যন্ত।

এত বছর পর বেগম জিয়াকে এ রকম একটা পুরস্কার দিয়ে বিএনপি আসলে কী প্রমাণ করতে চায়? বিএনপি মহাসচিব কি বুঝেশুনে এটা করেছেন? বেগম জিয়াকে জাতির সামনে হাস্যকর প্রমাণের জন্যই কি এসব কাণ্ড? কিছুদিন আগে বিএনপি মহাসচিব বেগম জিয়াকে নিয়ে আরেক কাণ্ড করেছিলেন। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনকে মুক্তিযোদ্ধা বলে ঘোষণা করেছিলেন। এ নিয়ে সারা দেশে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, যিনি এ দেশের মুক্তিযুদ্ধের এক জীবন্ত কিংবদন্তি ‘বাংলাদেশ প্রতিদিনে’ কলাম লিখে এর সমালোচনা করেছিলেন। স্পষ্টবাদী, নির্ভীক বঙ্গবীরের সমালোচনার পর বিএনপি বেগম জিয়াকে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ বানানোর প্রকল্প থেকে সরে আসে। বেগম জিয়ার অসুস্থতা নিয়েও বিএনপি নেতারা এবং চিকিৎসকরা অর্বাচীনের মতো নাটক করেছেন। গত বছরের ১৩ নভেম্বর যখন বেগম জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, তখন বিএনপিপন্থি চিকিৎসক এবং বিএনপি নেতাদের অভিনয় ছিল দেখার মতো। তারা এমন এক আবহ তৈরি করেছিলেন যে আমার মতো অনেক বেকুব মনে করেছিল বেগম জিয়া বোধহয় যে কোনো সময়ই মারা যাবেন। এক দিন দেখলাম বিএনপিপন্থি চিকিৎসক ডা. এফ এম সিদ্দিকী ডুকরে ডুকরে কাঁদছেন। তিনি সেদিন বেগম জিয়ার চিকিৎসা সম্পর্কে জাতিকে যে তথ্য দিয়েছিলেন, তা অসত্য বিভ্রান্তিকর এবং চিকিৎসাশাস্ত্রের নীতি-নৈতিকতা পরিপন্থী। এ জন্য তাঁর বিএমডিসির সনদ বাতিল হওয়া উচিত। কিন্তু বেগম জিয়ার অসুখ নিয়ে অসুস্থ রাজনীতি করে বিএনপি বেগম জিয়ার প্রতি সাধারণ মানুষের শেষ সহানুভূতিটুকু নিংড়ে নিয়েছে। ‘বাঘ এবং রাখাল বালক’-এর গল্পের মতো অবস্থা হয়েছে। এখন যদি সত্যি সত্যি বেগম জিয়ার অবস্থা গুরুতর হয় তাহলে তা কজন বিশ্বাস করবে, এ নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। বেগম জিয়া কি তাহলে বিএনপির নোংরা এবং অসত্য রাজনীতির বলি হচ্ছেন? নাকি পরিকল্পিতভাবে তাঁকে খেলো করা হচ্ছে?

বেগম জিয়ার রাজনীতি থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়। অসত্য তথ্য দিয়ে মানুষকে কিছুদিন বোকা রাখা যায়, চিরদিন নয়। এখন তাঁর পদক, তাঁর অসুখ ইত্যাদি প্রমাণ করে অসততার আবরণে বেগম খালেদা জিয়াকে নেতা বানানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। ’৯১-এর নির্বাচনের আগে বেগম জিয়া বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ফেনী পর্যন্ত ভারতের দখলে যাবে। মসজিদে উলুধ্বনি হবে। কিন্তু ’৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেখা গেল এ সবই অসত্য। প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা, তুখোড় সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে এক ভাষণে বেগম জিয়ার নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। আমজাদ হোসেনের ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ চলচ্চিত্রের একটি সংলাপ বলেছিলেন বেগম জিয়ার উদ্দেশে- ‘একটা কিছু ক গোলাপী, একটা কিছু ক।’ বেগম জিয়ার রাজনীতি আশ্চর্য নীরবতার। তিনি কথা বলেন কম, এখন তো তাও বলেন না। কারও ইশারায় যেন তিনি চলেন। তাঁর ডাকনাম পুতুল। পুতুল নাচের পুতুলের মতো বেগম জিয়ার রাজনীতির সুতো কার হাতে এ এক গবেষণার বিষয়। যখনই তিনি গণ্ডির বাইরে কথা বলতে চেয়েছেন, তখনই বিপত্তি হয়েছে। সংসদে তাঁর ‘চুপ থাক বেয়াদব’ কিংবা গুলশান অফিসের সামনে জনৈক পুলিশ কর্মকর্তাকে হুমকি ‘গোপালগঞ্জের নামই পাল্টে দেব’ বলে প্রতিহিংসার আগুন ঝরা বেগম জিয়ার উক্তিগুলো প্রমাণ করেছে, বেগম জিয়া অনেকটা চাঁদের মতো তাঁর নিজের আলো নেই। অন্যের আলোয় তিনি আলোকিত। যারা তাঁকে আলো দিয়ে রাজনীতিতে ‘আপসহীন নেতা’ বানানোর প্রকল্প হাতে নিয়েছিল, তারা যে দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব বিশ্বাস করে না, বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না, এ নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। বেগম জিয়ার নেপথ্যে যারা কলকাঠি নাড়ায় তারাই বেগম জিয়াকে যুদ্ধাপরাধীদের নেতা বানিয়েছে। তারাই বেগম জিয়াকে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিলের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। এদের নির্দেশেই বেগম জিয়া ক্ষমতায় এসে ’৭৫-এর খুনিদের কূটনীতিক চাকরিতে পদোন্নতি দিয়েছে। এদের প্রকল্প বাস্তবায়নে বেগম জিয়া জাতির শোকাবহ দিন ১৫ আগস্টকে নিজের ভুয়া জন্মদিন বানান। কেক কেটে বীভৎসতার নোংরা উৎসব করেন। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি হয়েছিল ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর। বাংলাদেশের বিজয় পূর্ণতা প্রায় ’৭২-এর ১০ জানুয়ারি জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে। কিন্তু ’৭১ পরাজিত শক্তি ভিতরে ভিতরে যুদ্ধটা অব্যাহত রেখেছিল। পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের বিভিন্ন দলিলে দেখা যায়, ’৭১-এর পরাজয়ের পরও বাংলাদেশে তারা তাদের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছিল। বাংলাদেশকে আবার পাকিস্তান বানানোর মিশনে তাদের প্রথম সাফল্য আসে ’৭৫-এর ১৫ আগস্টের মাধ্যমে। জিয়াউর রহমানকে দিয়ে বাংলাদেশকে ‘নতুন পাকিস্তান’ বানানোর মিশনে অনেকটাই সাফল্য এসেছিল। আমাদের সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা উপড়ে ফেলা হয়। ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে পুনর্বাসিত করেন জিয়াউর রহমান। যুদ্ধাপরাধী, রাজাকারদের জেল থেকে মুক্ত করেন। তাদের বিচার বন্ধ করেন। রাজাকার শাহ আজিজুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী বানান। কিন্তু জিয়ার মৃত্যুর পর এই প্রকল্প বাস্তবায়ন অনিশ্চিত হয়ে যায়। এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব নেন শেখ হাসিনা। ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করে তিনি এক নতুন গণজাগরণে নেতৃত্ব দেন। এ জন্যই পাকিস্তানপন্থিরা বেগম জিয়াকে সামনে আনে। কিন্তু সমস্যা হয় বেগম জিয়া গৃহবধূ। সংসার, সন্তান নিয়েই তিনি ব্যস্ত ছিলেন। তাই রাজনীতির মাঠে তাঁকে ‘তোতা পাখি’ বানানো হয়। তিনি সেটুকুই বলতেন, যেটুকু তাঁকে শিখিয়ে দেওয়া হতো। এভাবেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বেগম জিয়ার অভ্যুদয়। বাংলাদেশে একটি সুশীল গোষ্ঠী আছে, যারা ছদ্মবেশী। এরা দেশপ্রেমের কথা মুখে বলেন কিন্তু মনে মনে দেশকে ঘৃণা করেন। বাংলাদেশের উন্নয়নে এদের হৃদয় ভাঙে। এদের প্রধান কাজ বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ, অকার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে বিশে^ উপস্থাপন। বাংলাদেশে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, মানবাধিকার লঙ্ঘন দেখিয়ে এরা বিদেশ থেকে টাকা আনেন। এই টাকায় এরা বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন। দারিদ্র্যই এদের আরাধ্য। এরা বিশে^র সামনে বাংলাদেশকে সবসময় বিকৃত করে ছোট করে দেখতে চান। বেগম জিয়াকে পেয়ে এরা খুশিতে আত্মহারা। এমন ‘বোবা নেতা’ থাকলেই তো তাদের পোয়াবারো। এই সুশীলরা বেগম জিয়ার ইমেজ বৃদ্ধির মিশনে যোগ দিলেন। বেগম জিয়া কথা বলেন না, কী দারুণ। বেগম জিয়া থুঁতনিতে হাত দিয়ে শুধু শুনে যান, কী বিচক্ষণ। এভাবেই বেগম জিয়ার এক খোলস বানানো হয়। কিন্তু রাজনীতিতে নিজের যোগ্যতা ছাড়া বেশি দিন টিকে থাকা যায় না। বেগম জিয়া সম্ভবত তার বড় প্রমাণ। বেগম জিয়াকে নিয়ে যা করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তা তাঁর জন্য বুমেরাং হয়েছে। ১৫ আগস্ট ভুয়া জন্মদিন পালন নিয়ে দেশে যখন নিন্দার ঝড় তখন বাধ্য হয়েই এই জন্মদিনের কুৎসিত উৎসব বন্ধ করা হয়েছে। কিন্তু এই জন্মদিনের উৎসব পালন করতে গিয়ে দেখা গেল, তাঁর আসলে জন্মতারিখ পাঁচটা। অসুস্থতা নিয়েও একই নাটক হলো। এখন দেখা যাচ্ছে বেগম জিয়া তাঁর ফিরোজায় নাতনিকে নিয়ে ভালোই সময় কাটাচ্ছেন। সব শেষে পদক। দেখা গেল ইদি আমিনের মতো বিএনপির নেতারাই ভুয়া সংগঠন বানিয়ে পদক দিয়েছেন। কিন্তু এই পদক নাটকটাও বিশ্বাসযোগ্য করতে পারেনি বিএনপি। আপসহীন নেত্রী এখন জাতির কাছে কৌতুক নেত্রীতে পরিণত হচ্ছেন। এটাই হলো ভুল রাজনীতির পরিণতি।

বেগম জিয়াকে নিয়ে বিএনপি নেতারা যে তামাশা করছেন, তার  পেছনে আরেকটি কার্যকারণও থাকতে পারে বলে আমি মনে করি। বিএনপির প্রধান নেতা কে এ নিয়ে আমার বিভ্রম আছে। যেদিন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বেগম জিয়াকে বিএনপি চেয়ারপারসন সম্বোধন করলেন। আবার তারেক জিয়াকে বললেন ‘ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন।’ বিএনপির কমিটি বিন্যাস অনুযায়ী তারেক জিয়া বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। বিএনপির গঠনতন্ত্রে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলে কোনো পদ নেই। বিএনপি নেতাদের বক্তৃতা-বিবৃতি শুনে যা বুঝি তা হলো, তারেক জিয়াই এখন বিএনপির সর্বৈসর্বা। কিন্তু বিএনপির নেতারা তার কথায় ওঠাবসা করলেও জনগণের মধ্যে তার প্রচণ্ড ইমেজ সংকট। সাধারণ মানুষ মনে করে, তারেক জিয়া দুর্নীতিবাজ। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও তার ব্যাপারে নানা সমালোচনা শুনি। আজন্ম দেশকে ভালোবাসা কিংবদন্তি কাদের সিদ্দিকীর টাঙ্গাইলের বাড়িতে গিয়েছিলাম কদিন আগে। একটি গবেষণার কাজে টাঙ্গাইলে যাই। প্রেস ক্লাবে বসে কথা বলছিলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি নাসির ভাইয়ের সঙ্গে। তিনি বললেন, পাশেই বঙ্গবীরের বাড়ি। আমি দাদাকে ফোন করলাম। দাদা সবসময় কথা বলেন ভীষণ মমতায়। আমি বললাম, আমি তো টাঙ্গাইলে। দাদা জানালেন আমি তো কিছুক্ষণের মধ্যে টাঙ্গাইলে আসছি। তোমরা সবাই দুপুরে আমার বাড়িতে খাবে। কালিহাতীর একটি হাসপাতাল পরিদর্শন করে, অনেক বেলায় আমরা এই অসাধারণ মানুষটির বাড়িতে গেলাম। খাওয়া-দাওয়া আড্ডা হলো। তখন বঙ্গবীর বলছিলেন, ‘তারেক দেশের নেতা হবে, এটা কিছুতেই মানতে পারব না। এটা হতে দেওয়া যাবে না কখনো।’ এটাই হলো দেশের প্রায় প্রতিটি মানুষের অভিপ্রায়। তাই দলে যতই ক্ষমতাবান হোন না কেন, দেশের জনগণের কাছে তারেক জিয়ার গ্রহণযোগ্যতা নেই। দলেও শুনি তাকে নিয়ে অস্বস্তি আছে। বিশেষ করে, ২০১৮ সাল থেকে তারেক জিয়াকে নিয়ে বিএনপিতেই অনেক প্রশ্ন। জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলার রায়ের আগে বেগম জিয়া লন্ডনে গিয়েছিলেন। এ সময় বিএনপির অনেকে খালেদা জিয়াকে পরামর্শ দিয়েছিলেন যে বেগম জিয়া যেন এখন দেশে না যান। কিন্তু তারেক জিয়ার আগ্রহে বেগম জিয়া দেশে আসেন এবং আদালতের রায়ে কারাগারে যান। বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ কারাবাসে তারেক জিয়া, তার স্ত্রী, কন্যা কেউ একবারের জন্য দেশে আসেননি। এমনকি বেগম জিয়া তিন দফা হাসপাতালে ভর্তি হলেও তারা আসেননি। বাংলাদেশের মতো পরিবারকেন্দ্রিক আবেগতাড়িত সমাজে এ বিষয়গুলো কেউই ভালোভাবে নেয়নি। অনেক সাধারণ মানুষকে বলতে শুনেছি, যে মায়ের জন্য ঝুঁকি নিতে পারে না, সে দেশের জন্য ঝুঁকি নেবে কীভাবে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, আচ্ছা তারেক জিয়ার না হয় মামলা আছে, আদালতের দণ্ড আছে। কিন্তু তার স্ত্রী, কন্যা কেন একবারও বেগম জিয়াকে দেখতে এলো না। ২০১৮-এর নির্বাচন, খালেদা জিয়ার গ্রেফতার এবং তাঁর অসুস্থতা তারেক জিয়ার ক্ষয়িষ্ণু ইমেজকে আরও সংকুচিত করেছে। রাজনীতির আদি এবং চিরন্তন তত্ত্ব, এক গ্রামে দুই মোড়ল থাকতে পারে না। এক দলে দুই নেতা চলতে পারে না। বিএনপিতে এখন দুই নেতা। আর এ জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে মাইনাস করে কি তারেক জিয়া বিএনপির মসনদ দখল করতে চান? এ জন্যই কি বেগম জিয়াকে কখনো অসুস্থ বানিয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে। আবার কখনো ভুয়া পদক দিয়ে হাস্যকর করা হচ্ছে? আগে দেখতাম স্কুলে শিক্ষকের বিদায়ের সময় মানপত্র, ক্রেস্ট এবং ছাতা দিয়ে তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হতো।  খালেদা জিয়াকেও ২০১৮ সালের পদক আর মানপত্র দিয়ে কি রাজনীতি থেকে বিদায় করে দেওয়া হলো?

লেখক : নির্বাহী পরিচালক, পরিপ্রেক্ষিত।

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়