শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:১৩, বুধবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২২

শ্রীলঙ্কায় আগুন জ্বলছে, চীনা লাড্ডু খেয়ে উদরাময়

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক
অনলাইন ভার্সন
শ্রীলঙ্কায় আগুন জ্বলছে, চীনা লাড্ডু খেয়ে উদরাময়

চীনের এক অতি মহাপরিকল্পনার নাম ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রজেক্ট’, যার দ্বারা চীন বিশ্বজুড়ে তার প্রভাব বলয় সৃষ্টি এবং ঋণের ফাঁদে ফেলে বিভিন্ন দেশের ভূমি দখলের পাঁয়তারায় ব্যস্ত। এ প্রকল্পে আগ্রহী দেশগুলোকে উচ্চসুদে, উঁচু অঙ্কের ঋণ দিয়ে চীন ঋণগ্রহীতা দেশগুলোর উন্নয়নের চেয়ে দেশগুলোকে ঋণের জালে জর্জরিত করছে বলে অনেক দেশই এ প্রকল্প থেকে পিছু হটছে, যার একটি বড় প্রমাণ মিলল সম্প্রতি চীনের প্রকল্পের প্রতি নেপালের দৃঢ় ‘না’ সূচক সিদ্ধান্ত থেকে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে চীনের এ বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রজেক্টে আকৃষ্ট করে চীন থেকে অঢেল ঋণ নেওয়ার জন্য সম্প্রতি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ে তাঁর সফরের অংশ হিসেবে নেপাল গমন করলে এবং এ প্রকল্প ও ঋণ নেওয়ার জন্য নেপালকে চুক্তিবদ্ধ হতে প্ররোচিত করার উদ্যোগ নিলে নেপাল চীনা মন্ত্রীর মুখের ওপর বলে দেয় তারা এ চুক্তি করবে না।

বর্তমান পরিস্থিতিতে চীনের ঋণের ফাঁদে না জড়াতে নেপালের শীর্ষ অর্থনীতিবিদরা তাঁদের সরকারকে এ পরামর্শ দেওয়ার কারণে নেপাল এহেন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তাঁরা বলেছেন উন্নয়নের নামে ঋণের পসরা সাজিয়ে বসেছে চীন। তাঁরা উপলব্ধি করেছেন, বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রজেক্টের আওতায় চীনের ঘনিষ্ঠতম বন্ধু পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ এশিয়ার দেশগুলোয় ‘ডেট ট্র্যাপ’ বা ‘ঋণের ফাঁদ’ বিস্তার করে চীন সেসব দেশের সর্বনাশের কারণ হয়েছে। ইতোমধ্যে চীনের এ প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বেশ কটি দেশ। চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে পাকিস্তানেই। চীনের মদদে একটি উচ্চাকাক্সক্ষী পরিকাঠামোর প্রকল্প ইতোমধ্যে মালয়েশিয়া সরকার বাতিল করে দিয়েছে। চীনের ঋণ গ্রহণ করে কোনো গ্রহীতা দেশই উপকার পাচ্ছে না, বরং এর ফলে দেশগুলো বাণিজ্যিক ঘাটতির মুখে পড়ছে, যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ শ্রীলঙ্কা। চীনের ঋণের অভিশাপগ্রস্ত দেশটির অর্থনীতি আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, দেশটি দেউলিয়া হয়ে গেছে। আর তারই স্বাভাবিক পরিণতিতে দেশটিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। রয়টার্স জানিয়েছে, হাজারো মানুষ শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি ভবন আক্রমণ করলে দেশটি জরুরি অবস্থা জারি করে। বহু লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে, দাবি উঠেছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের।

ভারতের প্রখ্যাত দৈনিক আনন্দবাজারের খবরে প্রকাশ, হাজার হাজার মানুষ দেশটির রাষ্ট্রপ্রধানের ভবন আক্রমণ করে সেখানে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করেছে। পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর বেশ কয়েকটি গাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে, কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাকে আহত করেছে। পুলিশ ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হওয়ার পর একটি বিশেষ বাহিনীকে নামানো হয়েছে এবং সেখানে সান্ধ্য আইন জারি করা হয়েছে। অনেক দিন থেকেই এ ধরনের কিছু ঘটার কথা নিয়ে সবাই শঙ্কিত ছিল। কেননা অভাবের তাড়নায় মানুষের পীঠ যখন দেয়ালে ঠেকে যায় তখন এমনটিই হয়। আনন্দবাজার ছাড়াও পৃথিবীর বেশ কয়েকটি নামিদামি পত্রিকায়ও এ খবর ছাপা হয়েছে। দেশটির বিদেশ থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ বিপুল, যার অর্ধেকই চীনের। চীনা ঋণ নিয়ে শ্রীলঙ্কা শুধু তাদের একটি বন্দরই চীনকে দিতে বাধ্য হয়নি, বরং নিক্ষিপ্ত হয়েছে অর্থনীতির সংকটে এবং দারিদ্র্যের অতল সাগরে। অতীতে একটি সুন্দর দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা এখন ধ্বংসের মুখোমুখি, যে দেশে শিক্ষার হার ছিল অতি উঁচুতে, চিকিৎসাব্যবস্থা ছিল খুবই সন্তোষজনক, সে দেশে এখন বিরাজ করছে চরম দুর্ভিক্ষ, খাবার এবং ওষুধ হয়ে গেছে দুষ্প্রাপ্য। বিদ্যুতের অভাবে প্রতিনিয়ত চলছে ‘ব্ল্যাক আউট’। মিলছে না রান্নার গ্যাস, এমনকি কাগজের অভাবে অনেক পত্রিকা বন্ধ হয়ে গেছে, পাঠ্যবই প্রকাশ করাও দুষ্কর হয়ে গেছে, ছাত্রদের পরীক্ষা বন্ধ হয়ে গেছে। পেট্রোল স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিতে হচ্ছে গাড়িচালকদের। ওষুধের অভাবে, চিকিৎসার অভাবে, হাসপাতালে ভর্তি না হতে পেরে বহু লোক মৃত্যুর মুখোমুখি। বিদ্যুতের অভাবে হাসপাতালে অপারেশন ও রোগ নির্ণয় বন্ধ হয়ে গেছে। অনেকেই শ্রীলঙ্কা ছেড়ে পাশের রাষ্ট্রগুলোয় পাড়ি দিচ্ছে নেহাতই বেঁচে থাকার জন্য।

দেশটি গত সাত দশকে সবচেয়ে কঠিন অর্থ সংকটে নিমজ্জিত, আর এর জন্য দায়ী মূলত চীনা ঋণ। চীনের টাকার বস্তা দেখে লোভ সামলাতে না পেরে যত ইচ্ছা তত ঋণ নেওয়ার সময় দেশের সরকার ভেবে দেখেনি চীনা ঋণ তারা পরিশোধ করতে পারবে কি না। আর চীনও গ্রামের মহাজনদের মতো নিজ দেশের স্বার্থ চিন্তা করে শ্রীলঙ্কা যত চেয়েছে ততই ঋণ দিয়েছে, বলেছে আরও নাও। শ্রীলঙ্কার ভবিষ্যতের কথা ভাবেনি। শ্রীলঙ্কা এখন ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে দেশে দেশে ঘুরছে। কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ থেকে ঋণ নেওয়ার পর আবার নতুন করে ২৫ কোটি ডলার ঋণের জন্য হাত পেতেছে। হাত পেতেছে ভারতের কাছেও। এ ছাড়া দেশটি বাঁচতে পারবে না। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সফররত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্ডার-সেক্রেটারি ভিক্টোরিয়া ন্যুল্যান্ড শ্রীলঙ্কার অবস্থার কথা মনে করিয়ে দিয়ে চীনের ঋণের বিষয়ে বাংলাদেশকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের ঘাটতি ও বিপুল ঋণের বোঝায় বেসামাল শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি। শ্রীলঙ্কার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির জন্য ভারতের কাছে ১৫০ কোটি ডলারের ঋণ চেয়েছেন। তদুপরি শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠকে ঋণ পুনর্গঠনের জন্য অনুরোধ করেছেন। মুদ্রাস্ফীতি, উচ্চ বেকারত্ব ও খাদ্য থেকে ওষুধ পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিসেরই ঘাটতি। অনেক লোক অনাহারে বা অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে।

শ্রীলঙ্কার জনপ্রিয় ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য আইল্যান্ড’ জানিয়েছে ঠিকমতো বিদ্যুৎ না পাওয়ায় সেখানকার মানুষ কাপড় ইস্ত্রি করছে পুরনো পদ্ধতির কাঠ-কয়লার ইস্ত্রি দিয়ে, অন্ধকার দূর করতে ব্যবহার করছে কেরোসিনের হ্যারিকেন বাতি। পত্রিকাটি আরও লিখেছে জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, গ্যাস ও পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে কেরোসিন বাতি ও কয়লার ইস্ত্রির দামও বহুগুণ বেড়েছে। এসবের কারণ চীন থেকে প্রচুর ঋণ নিয়ে কয়েকটি মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়া। কলম্বো বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক শ্রীমাল আবিরত্নে বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, কিছু বিশাল প্রকল্প ছিল শ্রীলঙ্কার জন্য সাদা হাতি, যার মধ্যে রয়েছে হাম্বানটোটা সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দর। শ্রীলঙ্কার অন্য গণমাধ্যমগুলো একই কথা বলে যাচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছিল, সে দেশের ক্রমবর্ধমান আর্থিক ও খাদ্য সংকটের কারণে একসময় জনগণের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যেতে পারে, আর সে আশঙ্কাই এখন বাস্তব রূপ নিয়েছে। লন্ডনভিত্তিক থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশন বলছে, ১৯৪৮ সালে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে শ্রীলঙ্কা ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দায় পড়েছে। বৈদেশিক ঋণের ভারে জর্জরিত শ্রীলঙ্কায় খাদ্যের দাম আকাশ ছুঁয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের মতে ২০২০ সালে আনুমানিক ৫ লাখের বেশি লোক দারিদ্র্যের মধ্যে পড়েছে। বহু অর্থনীতিবিদ আশঙ্কা করছেন দেশটি ঋণখেলাপি হওয়ার পথে। গত এক দশক ধরে সড়কপথ, সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দরসহ শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য বিশাল অঙ্কের ঋণ দিয়েছে চীন। সমালোচকরা বলছেন, ঋণের অর্থ অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পে খরচ করা হয়েছে যেখান থেকে নেহাতই সামান্য পরিমাণ আয় হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী সমালোচিত চীনা ডেট ট্র্যাপ ডিপ্লোম্যাসি বা চীনের ঋণের ফাঁদ কথাটির বাস্তব উদাহরণ দিতে অনেকেই শ্রীলঙ্কার প্রসঙ্গ টানেন। চীনা বিনিয়োগে শ্রীলঙ্কা হাম্বানটোটায় বৃহদাকারের বন্দর নির্মাণের প্রকল্প শুরু করে। কয়েক শ কোটি ডলারের ওই প্রকল্পে চীনা ঋণ ও চীনা ঠিকাদারদের ব্যবহার করা হচ্ছে। সারা বিশ্বেই এ প্রকল্প কতটা বাস্তবায়নযোগ্য তা ঘিরে বহু বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছিল এর ফলে শ্রীলঙ্কা ক্রমবর্ধমান ঋণের চাপে জর্জরিত হয়ে পড়বে। সে আশঙ্কা যে অমূলক নয় তা প্রমাণ করতেই যেন বছর পাঁচেক আগে শ্রীলঙ্কা আরও চীনা বিনিয়োগের বিনিময়ে বন্দরটির ৭০ ভাগ নিয়ন্ত্রণ চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চায়না মার্চেন্ট কোম্পানির কাছে ৯৯ বছরের জন্য ইজারা মালিকানায় ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। চীনের ঋণ শোধ করতে না পারার কারণে শ্রীলঙ্কা এমন অবস্থায় পড়ে যায় যখন চীনের নির্দেশনা ছাড়া শ্রীলঙ্কার পক্ষে এক পা এগোনো সম্ভব হয়নি, সোজা কথায় দেশটি চীনের বাহুবলে আবদ্ধ হয়ে যায়। চীনা নির্দেশনা অনুযায়ী শ্রীলঙ্কা চীন থেকে বহু টাকা দিয়ে জৈব সার আমদানি করতে বাধ্য হয়, কিন্তু পরে যখন দেখা গেল সেই সার শ্রীলঙ্কার ভূমির জন্য অনুপযুক্ত, তখন শ্রীলঙ্কার অনুরোধ উপেক্ষা করে চীন সারগুলোও ফেরত নেয়নি, টাকাও ফেরত দেয়নি। এর ফলে শ্রীলঙ্কায় শস্য উৎপাদন বিঘ্নিত হয়। এর বাইরেও আর্থিক বিপর্যয় মোকাবিলা করতে চীনের কাছ থেকে আরও ১ বিলিয়ন ডলার ধার করে শ্রীলঙ্কা। কলম্বো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক উমেস মুরা মুদালি উল্লেখ করেছেন, ‘আমরা বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করছি। আমাদের জীবন দুর্বিষহ করে তোলার জন্য (তাদের) কখনই ক্ষমা করব না। বিদ্যুৎ নেই, গ্যাস নেই, পানি নেই, জ্বালানি নেই।’

বাংলাদেশের সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের এক গবেষক বলেছেন, শ্রীলঙ্কায় যে রিজার্ভ আছে তা দিয়ে সপ্তাহ-খানেকের পেমেন্ট মেটাতে পারবে। এমন দুর্বল রিজার্ভ দিয়ে জ্বালানি আমদানি করতে হিমশিম খাচ্ছে দেশটি। বাংলাদেশের সাবেক এক সচিব ও অর্থনীতিবিদ বলেছেন, ‘শ্রীলঙ্কা পারিপার্শ্বিক বিষয়গুলো খেয়াল না করে দ্রুত এগোতে চেয়েছে আর সেজন্যই আজকের এ ফল। না ভেবে-চিন্তে তারা প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে। আমাদের দেশেও এমন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।’ সিপিডির এক গবেষক বলেছেন, শ্রীলঙ্কায় বেশ কিছু বড় বড় প্রকল্প দেশটির জন্য সাদা হাতিতে রূপান্তরিত হয়েছে। বিদেশি ঋণে সেসব বড় বড় অবকাঠামো করতে গিয়ে যেমন ঋণের বোঝায় পড়েছে তেমনি সেগুলো থেকে আশানুরূপ কোনো অর্থনৈতিক লাভও হয়নি। আমাদের দেশেও ঋণের টাকায় বিভিন্ন বড় প্রজেক্ট হাতে নেওয়া হয়েছে যেগুলোয় অপচয়ের খবর এসেছে। অনেক প্রজেক্টের ঋণের টাকা শোধের সময় হয়ে গেছে। অপ্রয়োজনীয় প্রজেক্ট যাতে না হয় কিংবা প্রজেক্টের অতিরিক্ত বা অযাচিত খরচ যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শ্রীলঙ্কার গণমাধ্যমগুলো বলছে, চীনের মেগা প্রকল্প আর ঋণ তাদের ভিক্ষার ঝুলি হাতে নিতে বাধ্য করেছে।

সম্প্রতি আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে পাঠানো এক বার্তায় চীনের স্বৈরশাসক শি জিন পিং বলেছেন, ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ প্রকল্প বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে আরও উন্নত করবে। চীন এমনই ধরনের মিষ্টি কথা দিয়ে শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, জিবুতি প্রভৃতি দেশকে ঋণের ফাঁদে ফেলে ফায়দা লুটেছে। তাদের মিষ্টি কথায় ভুলে যাওয়ার আগে সবকিছু গভীরভাবে পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে বইকি, যাতে আমরা শ্রীলঙ্কার মতো অবস্থায় না পড়ি। নেপাল ও মালয়েশিয়া এটা উপলব্ধি করে তাদের দেশকে চীনা ঋণের ফাঁদ থেকে বাঁচিয়ে যে দূরদৃষ্টির পরিচয় দিয়েছে, সেটাই বাঞ্ছনীয়। অন্যান্য দেশকেও বিশেষ করে দরিদ্র, স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোকে চীনের ঋণের ফাঁদ থেকে সাবধান হতে হবে, নইলে তাদের অবস্থাও শ্রীলঙ্কার মতোই হবে। একটি প্রবাদ আছে- ‘ঘুঘু দেখেছ, ফাঁদ দেখনি’। চীন তাদের টাকার বস্তা দেখিয়ে ঘুঘুই দেখাচ্ছে, সে বস্তার পেছনে যে ফাঁদ রয়েছে তা দেখাচ্ছে না। এখন অন্তত শ্রীলঙ্কার অবস্থা দেখে প্রতিটি দেশেরই উচিত ঘুঘুর পেছনের সে ফাঁদ দেখা।

লেখক : আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়