শিরোনাম
প্রকাশ: ১৮:৪২, শনিবার, ২৩ জুলাই, ২০২২ আপডেট:

মন্ত্রীকে সিইসি-ইসি ‘স্যার’ কেন বলবেন না?

আরিফুর রহমান দোলন
অনলাইন ভার্সন
মন্ত্রীকে সিইসি-ইসি ‘স্যার’ কেন বলবেন না?

কেন এভাবে বিতর্কে জড়াচ্ছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার? সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছেন সমালোচকদের? বিষয়টি কি শুধুই কাকতালীয়? না-কি এর পেছনেও আছে পরিকল্পিত কোনো মস্তিষ্ক? 

কেনই বা দু-একজন নির্বাচন কমিশনারের কণ্ঠেও শোনা যাচ্ছে ভিন্ন সুর? কেমন যেন তালগোল পাকানোর একটা আলামত পাওয়া যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের কথাবার্তা এমন বেসুরো কেন? তারা নিজেরাই তাদের কর্মকাণ্ডকে প্রশ্নবোধক করে তুলছেন না?

এই মুহূর্তে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পাখির চোখে দেখা হচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে। কিন্তু বর্তমান কমিশন ফাইনাল পরীক্ষার আগেই কেমন যেন নার্ভাস! সত্যিই কি তাই!

হইহই কাণ্ড। রইরই ব্যাপার। ঢাকা টাইমসের নিউজরুমের মাধ্যমে যখন প্রথম খবরটা পেলাম তখন মনে হলো কানের কাছে বোমা ফাটালো কেউ। সিইসি সত্যিই কি এমন কিছু বলেছেন? কানখাড়া করে টেলিভিশন অন করলাম। পরিষ্কার শুনতে পেলাম সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলছেন, তলোয়ারের জবাব রাইফেলে দিতে। ধাক্কা খেলাম। এ কি শুনলাম! এ কেমন রসিকতা? ভ্যাবাচ্যাকাও খেলাম। এই মন্তব্যের তাৎপর্য যে গভীর তা-কি আসলে না বুঝেই বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার? আমার অনুসন্ধিৎসু মন তা বিশ্বাস করতে চাইলো না। বরং এই নির্বাচন কমিশনের ব্যাপারে তৈরি হলো গভীর সংশয়।

সংশয়ের মাত্রাটা একটু বাড়লোও বৈ-কি। যখন সিইসি, ইসির সাম্প্রতিক কিছু কথাবার্তা নিয়ে অভিজ্ঞ কয়েকজন সরকারি আমলার মন্তব্য, প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলাম। একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বললেন, একাধিক মাধ্যমে তিনি আভাস পেয়েছেন, এবার নির্বাচনের আগেই নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করে ফেলার সবরকম চেষ্টা হবে। ওই কর্মকর্তার সন্দেহ, নির্বাচন কমিশনে নেতিবাচক মানসিকতার কেউ কেউ ঢুকে পড়েছে। আঁতকে উঠি। এসব কি শুনছি। রীতিমতো গা হিম হিম করতে থাকে। একজন গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী বলেন অবাক হবেন না। বরং তৈরি থাকুন। দেখবেন, শেষ মুহূর্তে কেটে পড়তে পারেন দায়িত্বরত কেউ কেউ। তাহলে এসব কি সেই প্রেক্ষাপট তৈরিরই আলামত?

তাই যদি না হবে তাহলে সিইসি কি করে বলেন রাজনীতিতে পচন ধরেছে। এটা কি যেই সেই কথা? এটা তো তাদের কথা যারা দেশে বিরাজনীতিকরণ চান। ১/১১-তে দেশে সেনাসমর্থিত তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাজনীতি, রাজনীতিককে নিয়ে এমন কটাক্ষ আমরা অনেক শুনেছি। নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাতারাতি দল গঠন করলেন তখন। প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়ার নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

তথাকথিত সংস্কারের নামে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দল ভাঙার কত তৎপরতাই না আমরা দেখলাম। এক শ্রেণির অভিজ্ঞ, প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক নেতৃত্ব পর্যন্ত সেই সময়কার অনির্বাচিত ক্ষমতাধরদের পাতা ফাঁদে পা দিলেন। সংস্কারপন্থীদের খাতায় নাম লিখিয়ে আম-ছালা দুইই হারালেন। যার জেরে এক ধরনের রাজনৈতিক নেতৃত্বের দুর্বলতা আজও ভেতরে ভেতরে চলমান।

দু’বছরের ওপরে অনির্বাচিত সরকার দেশ শাসনও করলো তখন। রাজনীতিতে পচন ধরেছে, সেই পচন থেকে দেশকে, জাতিকে রক্ষা করার বুলি আউড়িয়ে সীমাহীন ক্ষমতা চর্চা করেছেন কেউ কেউ। এখন রাজনীতির পচনের কথা শুনলে কিছু ক্ষমতালিপ্সু জনগণের সঙ্গে সম্পর্কহীন, সুবিধাবাদী গোষ্ঠীর কথা মনে হয়।

তলে তলে কি তাহলে অনেক কিছু হচ্ছে? যতদূর মনে করতে পারি বর্তমান সিইসির সঙ্গে একবার দেখা হয়েছিল। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে। ওষুধ শিল্পের একজন উদ্যোক্তার অফিসে। তখন তিনি সদ্য অবসরপ্রাপ্ত সচিব। মনে হয়েছিল পরিমিত একজন মানুষ। মেপে, মেপে কথা বলেন, তাঁর বন্ধু শিল্পপতিকে বলেছিলাম হাবিবুল আউয়ালসুলভ আমলাই আমাদের চাই। আসলেই কি তাই? এখন আমি কনফিউজড! সিইসি হওয়ার পর সেই হাবিবুল আউয়ালসুলভ কথাবার্তায় এত ঘাটতি! কিন্তু কেন?

সিইসি এবং কোনো কোনো ইসি বোধ হয় কখনো কখনো একটু বাড়তি কথাই বলছেন। যা তাদের কাছ থেকে আমরা কেউই আশা করছি না। ঢালাও মন্তব্য করা কি দায়িত্বশীল আচরণের মধ্যে পড়ে? দেশের মানুষ তো বটেই, আন্তর্জাতিক মহলও নির্বাচন কমিশনের কাছে আশা জাগানিয়া কথা শুনতে চায়। ইতিবাচক কাজ দেখতে চায়। বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনার বা প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেন তাদেরকে অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচন কমিশনার করে দিতে বলবেন? এটা তো বাংলাদেশ, বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থাকেই ছোট করার নামান্তর।

বাংলাদেশের ইসি যখন বলেন, ‘এখানে নির্বাচন করা অনেক কঠিন কাজ। এটা হচ্ছে আমাদের রাজনীতি। অর্থশক্তির কথা বলা হচ্ছে, অর্থশক্তিকে আমরা কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করবো? আমি জানি, ১২ কোটি টাকা, ১৫ কোটি টাকা নিয়ে আপনারা...’ কাজী হাবিবুল আউয়ালের এসব কথায় আমরা কিন্তু হতাশ। কথাগুলো নিঃসন্দেহে ইঙ্গিতপূর্ণ।

নির্বাচন কমিশনের কাছে দেশের সাধারণ মানুষ একটি অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট চায়। বক্তৃতা করা, কথার পৃষ্ঠে কথা বলে এগিয়ে থাকার চেষ্টা কি তাদের কাজ? কৌতুক আমরা কে না পছন্দ করি। কিন্তু সিইসির মতো একটি সংবেদনশীল পদে থেকে অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কৌতুক কতটা মানানসই? এই প্রশ্ন এসেই যাচ্ছে। যদিও সিইসি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তবুও অনেকের মধ্যে যে দ্বিধা-দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হলো তা কি সহজে কাটবে?

নির্দিষ্ট মেয়াদ পূরণের আগে কেন বিদায় নিতে চান সিইসি? এখন যদি বিদায় নিতে পারতাম, এই হতাশাব্যঞ্জক কথা কিন্তু শুভ লক্ষণ নয়। নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরি করাই নির্বাচন কমিশনের কাজ। সেই কমিশনের প্রধানকে আমরা আরও পরিমিত আরও দায়িত্বশীল আচরণ করতে অনুরোধ করবো।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের অভিজ্ঞতা কিন্তু আমাদের স্মৃতিতে দগদগে ঘা’এর মতোই গেঁথে আছে। আ. ক. ম. বাহাউদ্দীন বাহারকে এলাকা ছাড়তে বলেছিল নির্বাচন কমিশন। আবার নিজেরাই বলছে, এই সিদ্ধান্ত ছিল হঠকারী। আর এসব নিয়ে একের পর মিডিয়া কেন প্রশ্ন তুললো সেটাই নাকি দোষ! আমাদের দেশে গণমাধ্যমকে ধোলাই করতে পারা কখনো কখনো নিজের বাহাদুরি জাহির করার সবচেয়ে সহজ উপায় মনে করেন ক্ষমতাধরেরা। সিইসি’ইবা সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করবেন না কেন? আর সব বিচারেই তিনি তো মহা ক্ষমতাধর।

আর তাই যদি না হবে তাহলে একজন মন্ত্রীকে সিইসি কেন স্যার বলেছেন? এ নিয়ে আরেকজন ইসি তাঁর দিকে আঙুলই বা তুলবেন কেন? মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে স্যার সম্বোধন করে ভুল করেছিলাম, সিইসি’র এমন বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করছি। ‘স্যার’ সম্বোধন করে কাউকে সম্মান প্রদর্শন করলে এটি কখনোই নিজের ব্যক্তিত্বের দুর্বলতা প্রকাশ হয় না। মন্ত্রীকে ‘স্যার’ সম্বোধন করলে নিরপেক্ষতাও ক্ষুণ্ন হয় না। কেন আরেকজন নির্বাচন কমিশনার (মোহাম্মদ আলমগীর) এ নিয়ে সিইসিকে জ্ঞান দান করলেন তা আমার মাথায় আসছে না।

বরং ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুসারে সিইসি, ইসি একজন মন্ত্রীকে স্যার ডাকবেন এটিই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের সর্বশেষ স্বীকৃত ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স বলছে, একজন পূর্ণমন্ত্রীর অবস্থান ৫ নম্বরে। আর সিইসির অবস্থান ৮ নম্বরে। নির্বাচন কমিশনারদের অবস্থান ৯ নম্বরে। তাহলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদার প্রশ্নে মন্ত্রী তো সিইসির বেশ ওপরেই। তাহলে ‘স্যার’ সম্বোধনে আপত্তি, বাধাটা কোথায়। 

ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এটা যেমন ঠিক তেমনি সরকারের একজন মন্ত্রী সেটা কি অস্বীকার করা যাবে?মর্যাদার প্রশ্নকে বড় করে না দেখে, অহংবোধকে পাশ কাটিয়ে নিরপেক্ষ আচরণ খুবই সম্ভব। আশাকরি আমাদের সিইসি, ইসি পরিমিতবোধকে আরও বাড়াবেন।

লেখক : সম্পাদক, দৈনিক ঢাকা টাইমস, ঢাকাটাইমস২৪.কম ও সাপ্তাহিক এই সময়।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়