শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:০২, শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২

কমিউনিটি ক্লিনিক : সুশাসন ও কল্যাণ রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি

হোসেন আবদুল মান্নান
অনলাইন ভার্সন
কমিউনিটি ক্লিনিক : সুশাসন ও কল্যাণ রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি

আধুনিক বিশ্বে সুশাসন (good governance) বলতে বোঝায়, রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে শাসক ও শাসিতের মধ্যে দৃশ্যমান সেতুবন্ধন। একটু পরিস্কার করে বললে, ক্ষমতার সুষ্ঠু চর্চায় সুশীল সমাজ তথা সাধারণ মানুষের স্বাধীন অংশগ্রহণ। তবে এগুলো জবাবদিহিতা ও আইনের শাসনের সাথে সম্পর্কযুক্ত। অন্যদিকে, কল্যাণ রাষ্ট্র  (welfare state) বলতে যেখানে জনগণের ন্যূনতম মৌলিক চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা বিদ্যমান। দরিদ্র অভাবগ্রস্ত সুবিধাবঞ্চিত বার্ধক্যপীড়িত বা দুস্থ নাগরিকের জীবনে সামান্য হাসি ফোটানোর সক্ষমতা সম্পন্ন রাষ্ট্র। 

২) বাংলাদেশে বিদ্যমান আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সূচকের প্রেক্ষাপটে নাগরিকের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি
খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। এর দায় রাষ্ট্রকে বহন করতে হয়। সংবিধানের ভাষ্য মতে "রাস্ট্র নিশ্চিত করিবেন "। আমাদের সংবিধানেও এর ব্যতিক্রম
নেই। ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক গণপরিষদে গৃহীত ও পাশকৃত মূল সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি অংশের অনুচ্ছেদ ১৫ (ক)তে বলা হয়েছে, "রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হবে অন্ন বস্ত্র আশ্রয় শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবন ধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা করা"। ১৮ (১) এ আরও স্পষ্ট করা হয়েছে, "জনগণের পুষ্টির স্তর উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন সাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গন্য করিবেন"।  
সে সময় বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, "যতদিন না এদেশের সকল মানুষের অন্ন বস্ত্র বাসস্থান চিকিৎসা নিশ্চিত হবে ততদিন আমার মুখে হাসি ফুটবে না"। 

৩) বাংলাদেশের স্বাধীনতার পূর্বে ও পরে স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামোগুলো ছিল মূলতঃ শহরকেন্দ্রিক। অথচ সে সময় ৮৫% মানুষ গ্রামে
বাস করতেন। বঙ্গবন্ধুই স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় অর্থাৎ সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। তিনিই প্রতিটি থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল চালু করেছিলেন। যা পরবর্তীতে যথাক্রমে ৩১, ৫০ ও ১০০ শয্যা হয়েছে। 
১৯৭২ সালের ৮ অক্টোবর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে প্রথম রক্তসংরক্ষণাগার ও মহিলা ওয়ার্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বলেছিলেন," ডাক্তারগন যখন তখন ছুটিতে যাবেন না। আপনাদের সকল সুবিধা, বড় বড় অফিস, বড় বড় ডিগ্রি সবই আমার গরীব মানুষের পয়সায় হয়েছে। তাদের দেখলে তাড়াইয়া দিবেন না, দরজা বন্ধ করবেন না। তাদেরকে কাছে টানুন, সবার মনোভাব পরিবর্তন করুন "।

৪) আজকের বাংলাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে তৃণমূলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার এমন অভূতপূর্ব ধারণার রূপকার বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। এটি তাঁর একক অবদান। বলা যায়, স্ব মস্তিষ্কপ্রসূত (own brain child) যা এখন অনস্বীকার্য এবং দিবালোকের মতো সত্য। এর মাধ্যমে গ্রামীণ প্রান্তিক মানুষকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অধীনে আনাই প্রধান টার্গেট। জাতির পিতার মহাপ্রয়ানের ২১ বছর পরে ১৯৯৬ সালের মাঝামাঝি আওয়ামী লীগ যখন দলীয় সরকার গঠন করে তখনই তাঁর কন্যা পিতার আদর্শিক চেতনাকে অদৃশ্য প্রণোদনা ও শক্তির আধার হিসেবে গ্রহণ করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই দার্শনিক আইডিয়াকে সম্বল করেই তৎকালীন স্বাস্থ্য কর্মীগন মাঠে নামেন। যা গ্রামীণ জনপদের সুবিধাবঞ্চিত মানুষ বিশেষ করে নারীদের কাছে দেখা দেয়, উষর মরুভূমিতে আঁচলভর্তি শীতল জলের ফল্গুধারার মতন। যদিও পরবর্তীতে সরকারের আকস্মিক পরিবর্তনের কারণে বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো এমন জনবান্ধব ও গণহিতৈষী কার্যক্রম মুখথুবড়ে পড়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় প্রান্তিক মানুষের জন্য এমন অভিনব সৃষ্টি তথা কল্যাণকর এ অভিযাত্রা। হঠাৎ যেন হতাশার কালো মেঘে ছেয়ে যায় গ্রামবাংলার স্বচ্ছ নীলাকাশ। হাজার প্রশ্নের একটাও জবাব মিলেনি। তখন সাধারণ মানুষের জানার সুযোগ ছিলনা কেন ক্লিনিকগুলোর দরজায় তালা পড়ে।  

৫) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পুনরায় সরকার গঠিত হলে কমিউনিটি ক্লিনিক ব্যবস্থাকে একটি আইনি কাঠামোতে ঢেলে সাজানো হয়। ২০১৮ সালে 'কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট' নামে একটি আইন করা হয়। যা ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর সংসদে পাশ হয়। এটা ছিল ৫২ নং আইন। অল্প সময়ের ব্যবধানে ট্রাস্টি বোর্ড গঠনের প্রজ্ঞাপন হয়। ২০১৮ সালেই ১৬ সদস্য বিশিষ্ট বোর্ড হয়। এতে একটি উপদেষ্টা পরিষদেরও বিধান রাখা হয়। যার সভাপতি স্বয়ং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে দেশে ১৪,১২০টি ক্লিনিক চালু আছে। এ মুহূর্তে আরও ২০০টি নির্মাণাধীন রয়েছে। 
আগামী জুন ২০২৩ সালের মধ্যে ১৪,৮৯০টি চালু করার (অপারেশন প্ল্যানে) পরিকল্পনা আছে। প্রতি ৬০০০ মানুষের জন্য একটি কমিউনিটি ক্লিনিক তৈরি করা হচ্ছে। এ বিপুল সংখ্যক কমিউনিটি ক্লিনিকের বিপরীতে সরকার ইডিসিএল (EDCL) থেকে প্রতি বছর ২৫০ কোটি টাকার ঔষধ সরবরাহ করছে। ক্লিনিক প্রতি বছরে ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার ঔষধ দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে ৩১ প্রকার ঔষধ বিতরণ করা হচ্ছে। উল্লেখ করা যায়, বিগত জুলাই ২০২১ থেকে জুন ২০২২ পর্যন্ত ক্লিনিকসমূহে মোট ভিজিট হয়েছে ১০৬,৩৫৩,৭২৯। গড়ে ৩৮ জনের বেশি ভিজিট করেছে। যার অধিকাংশই নারী ও শিশু। এ যাবৎ ৪০০ কমিউনিটি ক্লিনিকে ১০০০০০ (এক লক্ষের) কাছাকাছি মায়ের নিরাপদ ডেলিভারি সম্পন্ন হয়েছে। এতে কর্মরত সিএইচসিপি দের ৫৪% নারী আর ৪৬% পুরুষ। ভবিষ্যতে এ দায়িত্বে নারীদেরই অগ্রাধিকার দেয়া হবে। কেননা বেশির ভাগ সমস্যা মাতৃত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো এখন ৮ শতক জমিতে নতুন অবয়বে সৃষ্টি করা হচ্ছে। যা দেখতে চার কক্ষবিশিষ্ট মিনি হাসপাতালের নমুনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও উপদেষ্টা নিজেই এর নকশা অনুমোদন করে দেন। ক্লিনিক ভবনের সর্বশেষ স্থাপত্যশৈলী খুবই নান্দনিক এবং আকর্ষণীয়। পূর্বের তুলনায় সাধারণ মানুষকে অধিক পরিমাণে আকৃষ্ট করছে। 

৬) দৃষ্টান্ত হিসেবে - গ্রামীণ জনপদে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বিনিময় করা যায়। ২০২০ সালের জুন মাসে প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে আমার স্ত্রী অকাল প্রয়াত হন। তাঁর স্মৃতির স্মারক হিসেবে একটি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের নিমিত্ত উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি থেকে ১০ শতক জমি সরকারের কাছে রেজিস্ট্রি মূলে হস্তান্তর করি। বলা বাহুল্য, এক্ষেত্রে ৮ শতক জমি প্রদান করলেই চলে। প্রাথমিক পর্যায়ে নানাবিধ বাধা ও সামাজিক জটিলতা অতিক্রম করে অবশেষে ক্লিনিকটি আলোর মুখ দেখে। খানিকটা বিলম্বের পরেও এটি কাঙ্খিত লক্ষে পৌঁছে যায়। গ্রামের পথ হিসেবে যোগাযোগের চমৎকার এক মোহনায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় শুরু থেকেই ক্লিনিকে স্থানীয় উপকার ভোগীদের উপচে পড়া আগমন ঘটে। তাছাড়া আধুনিক নকশায় চার কক্ষবিশিষ্ট সেন্টার বিধায় এটা সহজেই মানুষের নজর কাড়ে। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এ কাজে অনন্য সাধারণ ভূমিকা পালন করে। আজ এখান থেকেই মা ও শিশুদের জন্য বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ঔষধ পথ্যসহ করোনার টিকাও সরবরাহ করা হচ্ছে। নিয়মিত সিএইচসিপি'র উপস্থিতি এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে যেন সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ হিসেবে দেখা দিয়েছে। 
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের হালনাগাদ তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা যায়, আলোচ্য কামরুন্নাহার জেবু কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে বিগত ১২-০৭-২০২১ খ্রিঃ থেকে 
০৮-০৯-২০২২ পর্যন্ত (মোট ১৩ মাসে) ২০,৪৪৬ জন নারী,পুরুষ ও শিশু বিনামূল্যে ঔষধ উত্তোলন করেছে। এতে ৭,১৬৩ জন পুরুষ, ১১,৫২৪ জন নারী, ১,১৫৩ জন শিশু এবং ৬০৬ জন গর্ভবতী নারী। তথ্য মতে, দিন দিন ভিজিটের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। যা ইতোমধ্যে একটি মডেল কমিউনিটি ক্লিনিকে পরিণত হয়েছে। 

৭) উল্লেখ্য যে, কমিউনিটি ক্লিনিকসমূহ বিদ্যমান গ্রামীণ অবকাঠামোয় অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টিকে আছে। এতে প্রান্তিক জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন থাকলেও স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিগন এখনো স্বয়ংক্রিয় ভাবে এর সঙ্গে জড়িত নন। আইনের আওতায় এনে এদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্র তৈরি করা প্রয়োজন। পদ-পদবি সৃষ্টিসহ জনবলের সংকট নিরসনে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা, বিদ্যুৎ সরবরাহ, দুর্গম এলাকা বিবেচনা, জমির অপ্রতুলতা, এনজিওদের সমর্থন ইত্যাদি বিষয়েও নজর দিতে হবে। তবেই এর স্থায়ীত্বতা (sustainability) নিশ্চিত হতে পারে। স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর ছাড়া এসবের ভবিষ্যৎ গন্তব্য এখনো অজানা বলেই মনে হয়। 
তবে এ কথা আত্মবিশ্বাসী হয়ে বলা যায় যে, দেশে কমিউনিটি ক্লিনিকের অভূতপূর্ব সেবাদান পদ্ধতিতে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে গরীব অসহায় ছিন্নমূল নারীরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হচ্ছেন। এর পরই শিশুদের অবস্থান। তারা এখন বিনা খরচে, বিনা বাধায় হাতের নাগালেই বাঁচার এক টুকরো অবলম্বন পেয়েছেন। যার পরোক্ষ প্রভাব পড়েছে মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হারে। এই যুগান্তকারী ও মানবতাবাদী পরিষেবা খাতকে সবার ওপরে স্থান দেয়ার কোনো বিকল্প নেই। 


লেখক : সাবেক সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।
২৫ ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ। 

বিডি-প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়