শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৫১, সোমবার, ১০ জুলাই, ২০২৩ আপডেট:

দিল্লির চিঠি

শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ ও ভারত যৌথভাবে কাজ করছে

জয়ন্ত ঘোষাল
অনলাইন ভার্সন
শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ ও ভারত যৌথভাবে কাজ করছে

একটি জীবন যখন সমাজজীবনের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন নানা ধরনের সামাজিক প্রতিষ্ঠান, অ্যাসোসিয়েশন, ক্লাব ও গোষ্ঠীর ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এক ব্যক্তির যে সামাজিকীকরণ, ছোট থেকে বড় হওয়া, সেখানে দেখা যায় ছোটবেলায় ফুটবল বা ক্রিকেট ক্লাব থেকে শুরু করে জিমনেসিয়াম, বয়সকালে নানা ধরনের সংগঠন ও সংস্থা, তার সঙ্গে ব্যক্তি নাগরিক যুক্ত হয়। যেমন—বাংলাদেশে ঢাকা ক্লাব একটি অভিজাত ক্লাব। সাংবাদিকদের রয়েছে জাতীয় প্রেস ক্লাব।

ঠিক এমনটাই কিন্তু সার্বভৌম রাষ্ট্রের জীবনেও হয়। অনেক সার্বভৌম রাষ্ট্র নিয়ে যখন দুনিয়া তৈরি হয়, তখন সেই দুনিয়াকে কখনো বলা হয় পশ্চিমী দুনিয়া, কখনো বলা হয় উত্তরের দুনিয়া। এখন দক্ষিণের দুনিয়াও কিন্তু উত্তরের দুনিয়ার মতোই সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। নানা দেশ মিলে যেমন ইউনাইটেড নেশনস তৈরি হয়, নিউ ইয়র্কে হাডসন নদীর তীরে পৃথিবীর সব সার্বভৌম রাষ্ট্রের একটা ক্লাব লিগ অব নেশনস থেকে বিশ্বযুদ্ধের মাধ্যমে কিভাবে ইউনাইটেড নেশনসে রূপান্তর হলো, সে আরেক ইতিহাস।

এই বিভিন্ন ক্লাব বা বিভিন্ন সংস্থা, সেগুলোর মধ্য দিয়ে কিন্তু বিশ্বরাজনীতিতে একজন আরেকজনের ওপরে নিয়ন্ত্রণ বাড়ায়। একটা গোষ্ঠী আরেকটি গোষ্ঠীর ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ায়। বিশ্বরাজনীতি ও কূটনীতির যে লীলাখেলা, সেই লীলাখেলার একটা বড় হাতিয়ার হয় এই ধরনের সংস্থা।

সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন সংস্থাটি তৈরি করার পেছনে নেপথ্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছিল চীন।

এই সাংহাই ক্লাবে প্রথমে ছিল পাঁচ সদস্য। তারপর সদস্যসংখ্যা বাড়ল। ১৯৯৬ সালে চীন, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, রাশিয়া আর তাজিকিস্তান নিয়ে তৈরি হয়েছিল সাংহাই ক্লাব। একদিকে পশ্চিমী দুনিয়া জি২০ থেকে জি৭, এমনকি অধুনা অস্ট্রেলিয়া-ভারত-জাপান মিলেও আরেকটি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী তৈরি করে ফেলেছে। অনেকে মনে করছে, চীনের সম্প্রসারণ নীতি কাউন্টার করার জন্যই এই সংস্থা তৈরি হয়েছে।

আবার ঠিক একইভাবে সাংহাই কো-অপারেশনের গুরুত্বটাও চীন ও রাশিয়া বাড়াতে চেয়েছে। ভারত, উজবেকিস্তান, পাকিস্তান এসসিওর সদস্য হয়েছে। কেন্দ্রীয় এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার যে রাজনীতি, তাতে কিন্তু সাংহাই কো-অপারেশন একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়ার উদ্দেশ্যে কার্যকর হয়েছে। 
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জি২০ সম্মেলনে এবারের প্রধান হোস্ট। তার আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্টেট ভিজিট হলো। সেখানে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ আলাপচারিতা হয়েছে। জি২০ সম্মেলন উপলক্ষে সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাইডেন এবং চীন, রাশিয়াসহ সব দেশের রাষ্ট্রনায়করা ভারতে আসছেন। মোদি যখন আমেরিকা গেলেন, তার আগে আমেরিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আবার চীনে এসে চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। একদিকে সভ্যতার পরাকাষ্ঠা কথোপকথন চলছে, আবার অন্যদিকে চলছে এক নতুন ধরনের ঠাণ্ডা যুদ্ধ। সাবেকি ঠাণ্ডা যুদ্ধ বদলে তৈরি হচ্ছে আরেকটা নতুন ঠাণ্ডা যুদ্ধ কাহিনি।

এ রকম একটা পরিস্থিতিতে সাংহাই কো-অপারেশনের শেষ যে বৈঠক হয়েছিল ইন্দোনেশিয়ায়, সেখানে ভারত গিয়েছিল। সেখানে ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার পুতিনের বৈঠক হয়। ওখানে গিয়েই মোদি পুতিনকে বলেছিলেন, এটা যুদ্ধের সময় নয়। তিনি যুদ্ধের পক্ষে নন। যুদ্ধ থামানোর পক্ষেই তিনি তাঁর বক্তব্য পেশ করেছিলেন। সে বক্তব্য প্রচারিতও হয়েছিল। আবার সম্প্রতি জি৭-এর যে বৈঠক জাপানে হয়, সেখানে মোদি গিয়েছিলেন, ইউক্রেন এসেছিল। হিরোশিমায় ইউক্রেনের সঙ্গে ভারতের বৈঠক হয়। ভারত একটা গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালনের চেষ্টা করে। যুদ্ধ থামানোর ব্যাপারে ইউক্রেনের সঙ্গেও ভারতের কথাবার্তা হয়।

অনেকে মনে করছেন, জি২০ সম্মেলনেও এই যুদ্ধবিরোধী অবস্থান গ্রহণের একটা চেষ্টা করা হবে। এর মাঝখানে সাংহাই কো-অপারেশনের বৈঠকটা ভারতে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কেন হলো না এই বৈঠক, তা নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা হচ্ছে। বৈঠকটা হয়েছে ভার্চুয়াল। অর্থাৎ দিল্লিতে যে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল ফিজিক্যাল, সেটা হয়ে গেল ভার্চুয়াল। কেন? এটা কি ভারত চাইল না বলে?

এককথায় যদি বলা হয় ভারত চায়নি, তাহলে একটু অতি সরলীকরণ হবে। চীন ও রাশিয়া ভারতকে জানায় যে তাদের পক্ষে বারবার আসা সম্ভব নয়। রাশিয়ার পুতিনও এসসিও বৈঠকে  আসতে রাজি হননি। জি২০-এ তিনি ভারতে আসতে চেয়েছেন। চীনের শি চিনপিংও বলেছিলেন, এবারে যদি ফিজিক্যালি বৈঠক করা হয়, তাহলে তাঁদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতে যাবেন। ভারতের মনে হয়েছিল, তাতে বৈঠকটা লঘু হয়ে যাবে। আবার এখন ঘটা করে সদ্য মোদি জি৭ সেরে এসেছেন। এখন রাশিয়া ও চীনকে নিয়ে মাতামাতি করার কোনো মানে হয় না। তার চেয়ে বৈঠকটা ভার্চুয়াল হোক। তাতে রাষ্ট্রপ্রধানরাও থাকবেন, আবার বৈঠকটাও সেরে ফেলা যাবে। যে কারণে দুই দিন ধরে বৈঠক হয়নি, এমনকি একটা গোটা দিনও বৈঠক হয়নি। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৈঠক সমাপ্ত করে দেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকে একেবারে সাংঘাতিক যুগান্তকারী নতুন কথা বেরিয়েছে, তা-ও নয়। মোটামুটি সবাই নিরাপত্তার কথা বলেছে, এমনকি ভারত ঠারেঠোরে পাকিস্তানের সন্ত্রাসের কথাও উল্লেখ করেছে। বাইডেনের সঙ্গে আলোচনায়ও সেই সন্ত্রাসবিরোধী বক্তব্য ভারত রেখেছিল।

এ রকম একটা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে কিন্তু ভারত বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশকে জি২০-এর আমন্ত্রিত সদস্য করা হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) সম্প্রতি ঢাকা গিয়েছিলেন। তিনি ঢাকায় গিয়ে এই মোদির সফরের পর এসসিও পর্যন্ত কার্যক্রমের একটা ব্রিফিং করেছেন। বেশি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে আসন্ন বিমসটেক নিয়ে।

বিমসটেক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। সংস্থাটির যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। সদর দপ্তর বাংলাদেশে। ২০১৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা সেই দপ্তর উদ্বোধন করেন। বিমসটেক শব্দটার মানে হচ্ছে, বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন। এই সংস্থা এ জন্য গুরুত্বপূর্ণ যে এখানে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথভাবে অঙ্গীকার নেওয়া পররাষ্ট্রনীতি কার্যকর করার জন্য, বিশেষ করে চীন যখন তাদের যে দক্ষিণ চীন সমুদ্রনীতি নিয়ে আক্রমণাত্মক হচ্ছে, যখন সেটার মোকাবেলা করার জন্য জাপান, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়ার মতো রাষ্ট্রের সঙ্গে সাহায্য নিতে চাইছে ভারত, তখন বিমসটেক নিয়েও অনেক রাজনীতি আছে। কেননা বিমসটেকের প্রথমে যারা সদস্য ছিল, তার থেকে সদস্যসংখ্যা অনেক বেড়েছে। প্রথমে ছিল ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশ। পরবর্তীকালে নেপাল, মিয়ানমার ঢুকল। এখন এই বিমসটেক নিয়ে পশ্চিমী দুনিয়ারও আগ্রহ কম। বিমসটেককে তুলে দিতে পারলেই যেন তারা খুশি হয়। কেননা তারা সম্পূর্ণ পশ্চিমী দুনিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার জি২০-এর মাধ্যমে পৃথিবীটাকে চালানোর কথা ভাববে। জি৫ থেকে জি৭ হয়েছে। কিন্তু বিমসটেকের যে প্রাসঙ্গিকতা সেটা ভারত ও বাংলাদেশ—এই দুটি দেশের কাছেই খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইউরোপের কয়েকটি দেশ, তারা বিমসটেক নিয়ে উৎসাহ দেখাচ্ছে। ফ্রান্স তো বিমসটেকের আমন্ত্রিত সদস্য হতে চেয়েছে এবং বৈঠকে যোগ দিতে চেয়েছে। আমেরিকা সেটা ভালো চোখে দেখেনি। ইউরোপ কেন বিমসটেক নিয়ে মাথা ঘামাবে, সেটা আমেরিকার একটা প্রশ্ন। ভারত মনে করে, বিমসটেকের যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক গুরুত্ব, সেটাকে  বজায় রাখতে পারলেই আমাদের পশ্চিমী দুনিয়ার সঙ্গেও একদিকে দর-কষাকষি করতে সুবিধা হবে। যে কারণে সাংহাই কো-অপারেশনটাকেও সম্পূর্ণ অবলুপ্ত করে দেওয়া, সেটাও ভারতের আকাঙ্ক্ষা নয়। আবার খুব বেশি গুরুত্ব দিয়ে এখন রাশিয়া, চীনকে মাথায় তুলে আসন্ন জি২০-এর যে যুদ্ধবিরোধী পথে এগোনোর প্রচেষ্টা, সেখানে ভারত একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে সেটাও আবার গড়বড় হয়ে যেতে পারে। সে কারণে খুব সাবধানে পা ফেলতে চাইছে ভারত। কাজেই বাংলাদেশে এবারে যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সচিবের যাওয়া এবং সেখানে যে বৈঠক, সেটাও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

বিমসটেকের পরবর্তী সভাপতি বাংলাদেশ এবং মহাসচিব ভারত—এটা মাথায় রেখে এগোচ্ছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব সচিব সৌরভ কুমারের সঙ্গে বৈঠকে বিমসটেক সম্পর্কিত বিষয়ে বিভিন্ন আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন। আগামী ৩০ নভেম্বর থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্ককে বিমসটেকের পরবর্তী শীর্ষ সম্মেলন হবে। এটা সামনে রেখে এই মাসের ১৭ তারিখে সম্ভবত বিমসটেক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি রিট্রিট হবে। এটা প্রথমবারের মতো থাইল্যান্ড আয়োজন করতে যাচ্ছে।

সাংহাই কো-অপারেশনের চেয়েও এই মুহূর্তে বিমসটেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে সচিব পাঠিয়ে ভারত সেটা বুঝিয়ে দিয়েছে। বিমসটেকের নেতৃত্বে এখন আনুষ্ঠানিকভাবে নেপাল থাকলেও বাংলাদেশের ভূমিকা এখানে সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ এবং সদর দপ্তরও সেখানে। ভারত ও বাংলাদেশ যৌথভাবে বিমসটেক নিয়ে জি২০-এর পথে এগোচ্ছে। একটা যুদ্ধবিরোধী শান্তি প্রচেষ্টা এই অঞ্চলে যাতে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, তার চেষ্টা বাংলাদেশ-ভারত যৌথভাবে করছে।

লেখক: ভারতীয় সাংবাদিক

বিডি প্রতিদিন/কালাম

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়