শিরোনাম
প্রকাশ: ১৮:৪৯, বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৩ আপডেট:

শেখ রাসেল : একটি বিয়োগান্তক অধ্যায়

ড. মো. মতিউর রহমান
অনলাইন ভার্সন
শেখ রাসেল : একটি বিয়োগান্তক অধ্যায়

শেখ রাসেল একটি নিষ্পাপ শিশুর নাম। ব্যক্তিগত জীবনে সে ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র। মাত্র দশ বছরের এই শিশু রাজনীতির আশেপাশে না থাকলেও পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টে ঘাতকরা তাকে রেহাই দেয়নি। মায়ের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তাকে খুন করে। এ যেন চৌদ্দশ বছর আগে সংঘটিত কারবালার পুনরাবৃত্তি। সে সময় হযরত মুহাম্মদ (সা.) -এর দৌহিত্র ইমাম হোসেন (রা.) -এর সঙ্গে খুনিরা তাঁর শিশুপুত্র আসগরকে যেমন খুন করেছিল, পঁচাত্তরের সীমাররা তেমনই শিশু রাসেলকেও হত্যা করে। আসগরের মতোই শিশুর রাসেলও পরিবার সকল সদস্যের সঙ্গে শাহাদতবরণ করেন। ইতিহাসের এই বর্বরোচিত দুটি হত্যাকান্ডের একটি সংঘটিত হয়েছিল কারবালার ফোরাত নদীর তীরে, আরেকটি হয়েছে ঢাকার ধানমন্ডি লেকের তীরে। এ ধরনের হত্যা একাধারে অমানবিক এবং পবিত্র ধর্ম ইসলামে পুরোপুরি নিষিদ্ধ।

শেখ রাসেল হত্যা কতটা স্পর্শকাতর তা আমরা সাম্প্রতিককালে প্রত্যক্ষ করেছি। প্রয়াত কথাশিল্পী  হুমায়ূন আহমেদ মৃত্যুর কিছুদিন আগে ‘দেয়াল’ নামে একটি উপন্যাস লিখে গেছেন। দূরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত অবস্থায় ১৯৭৫ -এ সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড ও অন্যান্য রাজনৈতিক ঘটনার পটভ‚মিতে রচিত এ উপন্যাসে বর্ণিত শেখ রাসেল হত্যা নিয়ে শুধু বিতর্ক নয়, বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। ২০১৩ সালে বাংলা একাডেমির বইমেলায় ‘দেয়াল’ বই আকারে পাঠকের হাতে পৌঁছে। কিন্তু তার আগেই হুমায়ূন আহমেদ মারা যান। তার মৃত্যুর আগে উপন্যাসের তিনটি অধ্যায় তিনি একটি জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোতে ছাপাতে দেন। আমেরিকায় ক্যান্সারের চিকিৎসা নেওয়ার ফাঁকে লেখক যখন দেশে আসেন তখন উপন্যাসের দুটি অধ্যায়, ওই পত্রিকায় ১১ মে ২০১২ তারিখে প্রকাশিত হয়। তবে উপন্যাসের দুটি অধ্যায় পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার মাত্র তিন দিনের মাথায় হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ ওই উপন্যাস প্রকাশের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বেঞ্চ উপন্যাস সংক্রান্ত একটি সুয়োমোটো রুল জারি করে। তাতে বলা হয় বঙ্গবন্ধুর ছোটছেলে রাসেল হত্যা সম্পর্কে উপন্যাসে যে কথা বলা হয়েছে সেটা সঠিক নয়। এই ভূল সংশোধন না করা পর্যন্ত লেখক উপন্যাসটি প্রকাশ করবেন না বলে হাইকোর্ট আশা করে। একই সঙ্গে আদালত রাসেল হত্যা সম্পর্কিত সব দলিলপত্র হুমায়ূন আহমেদকে দেওয়ার নির্দেশ দেয় যাতে লেখক সেগুলোর মাধ্যমে তার ভুল সংশোধন করতে পারেন।

দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত ‘দেয়াল’ উপন্যাসে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিতে গিয়ে এক পর্যায়ে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু দুই পুত্রবধূ তাদের মাঝখানে শিশুর রাসেলকে নিয়ে বিছানায় জড়াজড়ি করে শুয়ে থরথর করে কাঁপছিল। ঘাতক বাহিনী দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকল। ছোট রাসেল দৌড়ে আশ্রয় নিল আলনার পিছনে। সেখান থেকে শিশু করুণ গলায় বলল, তোমরা আমাকে গুলি করো না। কিন্তু শিশুটিকে তার লুকানো জায়গা থেকে ধরে নিয়ে গুলিতে ঝাঝরা করে দেওয়া হল।

বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র রাসেল হত্যা সংক্রান্ত ‘দেয়াল’ উপন্যাসে বর্ণিত এই অংশের বিরোধিতা করে অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতকে জানান, দলিলপত্র এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারে রায়ে বলা হয়েছে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে খুনিরা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের ১৩ জন সদস্যকে হত্যা করে। তারা শেখ রাসেলকে বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত সহকারী এএফএম মোহিতুল ইসলামের কাছ থেকে এই বলে ছিনিয়ে নেয়, তারা তাকে মায়ের কাছে নিয়ে যাবে। সেই সময় রাসেল মোহিতুল ইসলামকে জিজ্ঞেস করে তারা তাকে মেরে ফেলবে কিনা। মোহিতুল তাকে বলেন, ওরা সেটা  করবে না। কিন্তু ঘাতকরা রাসেলকে নিচেরতলা থেকে দোতলায় নিয়ে হত্যা করে। ‘দেয়াল’ প্রকাশের ক্ষেত্রে আদালতের নিষেধাজ্ঞা আরোপের সময় হুমায়ূন আহমেদ দেশেই ছিলেন, তবে এ নিয়ে তাকে তেমন উচ্চবাচ্য করতে দেখা যায়নি। 

তবে জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই উপন্যাস প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, “দেশের উচ্চ আদালত আমাকে কিছু জিনিস পরিবর্তন করতে বলেছে। তাদের প্রতি সম্মান রেখে আমি অবশ্য সেটা করব। আগস্ট খুব পুরনো ঘটনা নয়। আমি বাদশা নামদার লিখতে পারি কারণ ওগুলো অনেক পুরনো কোন ঘটনা। কিন্তু অল্প পুরনো বিষয় নিয়ে লিখলে সেটা শতভাগ নিখুঁত হওয়া উচিত” অন্যদিকে প্রায় একই সময় দৈনিক যায়যায়দিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, “হুমায়ূন আহমেদের (তখনও জীবিত) উপর আমার আস্থা আছে। তার কাছে এটাই প্রত্যাশা তিনি জাতির ইতিহাসের সবচেয়ে বিয়োগান্তক ঘটনাটিকে এমনভাবে তুলে ধরবেন যাতে জাতির চেতনা জাগ্রত হয়।” 

একই সাক্ষাৎকারে তদানীন্তন অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, হুমায়ূন আহমেদকে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার পেপার বুক দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ১৯৯৮ সাল থেকে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা মামলার প্রক্রিয়ায় জেলা জজ পর্যায় ৬১ দিন, হাইকোর্টে ৬৩ দিন, তৃতীয় বিচারক বেঞ্চে ২৩ দিন ও মহাজোট সরকার গঠনের পর আরো ২৫ দিন শুনানি চলে। এই শুনানিতে বাদী ও স্বাক্ষীদের বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত চিত্র উঠে এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে হৃদয় বিদারক ছিল শিশু রাসেল হত্যার ঘটনাটি। যা শুনে মামলার শুনানির একপর্যায়ে তিনি নিজেও বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। 

সে ঘটনা প্রসঙ্গে মাহবুবে আলম বলেন, “বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বাদী মোহিতুল ইসলামের বক্তব্যে জানা যায় রাসেলকে যখন নিচে নামিয়ে এনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয় তখন সে বার বার মায়ের কাছে যেতে চেয়েছিল। এক পর্যায়ে তাকে ভেতরে পাঠানো হয়। এর পরক্ষণেই শোনা যায় গুলির শব্দ। পরে ভেতরে গিয়ে দেখা যায় রাসেলের মরদেহ। একটি চোখ বের হয়ে এসেছে, মস্তিষ্ক ছিন্নভিন্ন।” মাহবুবে আলম আরো বলেন, “সেদিন আমি আদালতে কেঁদেছিলাম। একজন অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতে কাঁদছেন এমন দৃশ্য হয়তো অনেককে অবাক করেছে কিন্তু আমি আমার আবেগ ধরে রাখতে পারিনি। এই রাসেল হত্যার অংশটুকু হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের যেভাবে এসেছে তা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়, সেকারণেই আমি তা আদালতের গোচরে এনেছি।”

বলাবাহুল্য, শেখ রাসেল হত্যার বিষয়ে যথাযথ সংশোধনীর পর ‘দেয়াল’ উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছিল। তবে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের বক্তব্য থেকে আমরা উপলব্ধি করতে পারি, শেখ রাসেল হত্যা কতটা স্পর্শকাতর। যে কোনো শিশু হত্যা আমাদের কাম্য নয়। উপরন্ত শেখ রাসেল ছিলেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র। বঙ্গবন্ধু তাঁর ছোট ছেলের নাম রেখেছিলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ লেখক-দার্শনিক বাট্রান্ড রাসেলের অনুসারে। যিনি বিশ শতকের বিশিষ্ট মনীষী হিসেবে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় পারমাণবিক যুদ্ধ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। ছোট ছেলের প্রতি বঙ্গবন্ধুর কতটা টানছিল সেটা আমরা আঁচ করতে পারি বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ রেহানার স্মৃতিচারণ থেকে, “আব্বা খুব আদর করতেন ওকে। বাইরে থেকে ঘরে ফিরেই প্রথম রাসেলকে খুঁজতেন। ওকে কোলে বসিয়ে কত কথা বলতেন। রাসেলও কত কথা জিজ্ঞেস করত।” শেখ রেহানা বলেন, “আব্বা তখন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দি। যেদিন সবাই মিলে মায়ের সাথে কেন্দ্রীয় কারাগারে আব্বাকে দেখতে যেতাম সেদিন রাসেল ফেরার সময় খুব কাঁদত। একবার খুব মন খারাপ করে ঘরে ফিরল। জিজ্ঞেস করতে বলল আব্বা আসলো না। বলল ওটা তার বাসা এটা আমার বাসা। এখানে পরে আসবে। (শেখ রেহানা- রাসেল আমার ভালোবাসা- ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত ‘রাসেল : হারিয়ে যাওয়া প্রজাপতি’ জাতীয় শিশু দিবস ১৭ই মার্চ ২০১২) বঙ্গবন্ধু নিজেও রাসেল সম্পর্কে অত্যন্ত দুর্বল ছিলেন। জেলখানায়  বন্দি অবস্থায় লেখা ‘কারাগারের রোজ নামচা’ বইতে আমরা দেখেছি তিনি অনেকবার রাসেলের কথা বলেছেন। ছোট্ট ছেলেটি তাঁর অত্যন্ত প্রিয় ছিল। পিতা হিসেবে তাকে সময় দিতে না পারার জন্য মাঝে মধ্যে বঙ্গবন্ধু নিজেকে বিবেকের কাঠগড়ার দাঁড় করাতেন। 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জীবনে কখনো বিশ্বাস করতে পারেননি যাদের জন্য বছরের পর বছর জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, ফাঁসির ঝুঁকি নিয়ে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন সেই বাঙালি তাঁকে হত্যা করতে পারে। যে কারণে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে কখনো মাথা ঘামাননি। বঙ্গবন্ধু কখনো স্বপ্নেও ভাবেননি যে বাঙালিদের মধ্যে ঘাপটি মারা মোনাফেক শুধু তাঁকেই নয়, তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যের সঙ্গে অতি প্রিয় ছোট্ট শিশু রাসেলকেও হত্যা করবে! আসলে এটা যেকোন বিবেকবান মানুষের পক্ষে কখনো কল্পনা করাও দূরহ ছিল। শেখ রাসেলের বর্বরোচিত হত্যা আমাদের কাছে অত্যন্ত হৃদয়বিদারক হয়ে ওঠে যখন তারই বড়বোন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কণ্ঠে শুনতে পাই, “১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট ঘাতকের নির্মম বুলেট কেড়ে নিল ছোট্ট রাসেলকে। মা, বাবা, দুই ভাই, দুই ভাবী, চাচা সকলের লাশের পাশ দিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে ঘাতকরা সকলের শেষে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করল রাসেলকে। ঐ ছোট্ট বুকটা কি কষ্টে বেদনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল? যাদের সান্নিধ্যে ¯েœহ আদরে হেসেখেলে বড় হয়েছে নিথর দেহগুলো পড়ে থাকতে দেখে ওর মনের মধ্যে কি অবস্থা হয়েছিল, কী কষ্টই না ও পেয়েছিল। কেন কেন কেন আমার রাসেলকে এত কষ্ট দিয়ে কেড়ে নিল ঘাতকরা? আমি কি কোনদিন এই কেনোর উত্তর পাবো?” (শেখ হাসিনা, আমাদের ছোট্ট রাসেল সোনা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত ‘রাসেল : হারিয়ে যাওয়া প্রজাপতি, প্রাগুক্ত)

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই প্রশ্নের মুখে আমরা সত্যিই নির্বাক, জবাব দেওয়ার কোনো ভাষা আমাদের নেই। তবে সান্তনা এই যে দেশরত্ন শেখ হাসিনা নেতৃত্বে আমরা খুনিদের রক্ষাকবচ কুখ্যাত ইনডেমনিটি অ্যাক্ট বাতিল করে যথাযথ বিচারের মাধ্যমে জাতিকে অভিশাপমুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। শেখ রাসেলের ঘাতকদের ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করেছি।

লেখক : সিনিয়র কমিশনার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
              সদস্য, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড পরিচালনা পর্ষদ

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়