শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:৪৪, বুধবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৩

আমরা কেমন এমপি চাই?

আব্দুল্লাহ আল নোমান শামীম
অনলাইন ভার্সন
আমরা কেমন এমপি চাই?

এক পুরাতন ঐতিহ্যবাহী জনপদ আদি বিক্রমপুর। বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার মাথার তাজ এই বিক্রমপুর। অধুনা মুন্সীগঞ্জ জেলা হিসেবে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার সবচেয়ে কাছের এলাকা মুন্সীগঞ্জ। তার ওপর সংসদীয় আসন মুন্সীগঞ্জ-১ ঢাকার আরও কাছে। কাজেই, গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসন হিসেবে এর আলাদা মর্যাদা আছে, আছে হাজার বছরের ইতিহাস, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান। তবে স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে এই গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ক্রমেই তার মর্যাদা হারায়। ঐতিহাসিকভাবে সিরাজদীখান উপজেলা কেন্দ্রিক সংসদীয় আসনটি প্রার এক যুগ আগে পাশের শ্রীনগরের সঙ্গে একীভূত হয়। 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সপরিবারে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর এই এলাকায় ব্যক্তি নেতৃত্ব ও আধিপত্যের যে প্রতিযোগিতা ছিল তা প্রকাশ্য হয়ে পড়ে। এলাকা কেন্দ্রিক রাজনীতির বাইরে ব্যক্তি কেন্দ্রিক রাজনীতি অত্র এলাকার উন্নয়ন ও প্রতাশিত অগ্রগতি ব্যাহত করে। মূলত আওয়ামী আদর্শের বাইরের রাজনৈতিক বলয়ে নেতৃত্ব চলে আসায় মাটি ও মানুষের সঙ্গে সম্পর্কিত রাজনীতিবিদরা মূলধারার বাইরে চলে যান, আওয়ামী রাজনীতি ক্রমশ তৃণমূল কেন্দ্রিক হয়ে পড়ে। এমন না যে এই এলাকায় বড় নেতা ছিলেন না, তবে জাতীয় রাজনীতিতে বেশি ব্যস্ত নেতারা নিজ এলাকার কথা ভুলে যেতে বসেন। ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদকই বলেন বা সাবেক রাষ্ট্রপতি, সবার জাতীয় রাজনীতি কেন্দ্রিক ব্যস্ততায় হারিয়ে যেতে বসে মুন্সীগঞ্জ-১ এলাকার জনপদের ভাগ্য ও তার ঐতিহ্যের প্রতি সম্মানপূর্বক উন্নয়ন। 

তৃণমূলে আওয়ামী রাজনীতির শক্তিশালী প্রবাহ থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী ধারার এমপি না থাকার কারণে এলাকায় ঐতিহ্যবাহী কর্মকাণ্ড ও উন্নয়ন ধারা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সার্বিক স্থবিরতা নেমে আসে। ধর্মীয় উগ্রতায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় সিরাজদিখান, সংসদীয় আসনের বেশির ভাগ ভোটার হওয়ার পরেও পিছিয়ে পড়তে থাকে সিরাজদিখান, ব্যবস্যা-বাণিজ্যের প্রাণ হওয়ার পরেও আধুনিক রূপ পায়নি শ্রীনগর। এর মূল কারণ, এই আসনে সাবেক এমপি সুকুমার রঞ্জন ছাড়া মাটি ও মানুষের সঙ্গে সম্পর্কিত নেতৃত্বের অনুপস্থিতি। বেশির ভাগ এমপিই ঢাকা কেন্দ্রিক বা আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্কহীন ছিলেন-আছেন, এটি একটি বড় কারণ। 

সাবেক জনপ্রিয় এমপি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ থাকার সময়ে কেন্দ্রের সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্ক বাড়তে থাকলেও তা জাতীয় রাজনীতির কারণে পরবর্তীতে বাধাগ্রস্ত হয়। কেবল, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সর্বব্যাপী উন্নয়নের ছোঁয়ায় মুন্সীগঞ্জ ১-এর সামনের দিকের চেহারা পাল্টে যায়। তবে এলাকার ভেতরের অবস্থা এখন সঙ্গীণ। মুন্সীগঞ্জ-১ এই সরকারের ব্যাপক উন্নয়নের সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি শুধু এলাকার সর্বোচ্চ নেতৃত্বের দুর্বলতায়। এর উত্তরণে এলাকার মানুষ যেকোনো শর্তে নৌকার প্রার্থী চান, তারা বলছেন, একমাত্র নৌকার প্রার্থীই পারবে এ এলাকার চেহারা পাল্টে দিতে। তারা বলেছেন, আমরা কেমন এমপি চাই? আমি দীর্ঘদিন মুন্সীগঞ্জ-১ এর মাটি ও মানুষের সঙ্গে মিশেছি, বোঝার চেষ্টা করেছি তাঁদের চিন্তা ও ভাবনাকে। করোনা মহামারির সময়ে দেখেছি অসহায় এক জনগোষ্ঠীকে। এমপির প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, এলাকার এমপির অনুপস্থিতি ছিল অবাক করার মতো, অভিভাবকহীন মুন্সীগঞ্জ ১-এর মানুষ ছিল এতিমের মতো, দুর্ভাগ্যজনক হলেও, এখনো তাই। এলাকার জনসাধারণ বলছেন, আমরা এমন এমপি চাই, যিনি বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়াবেন, মৃত্যুকে মেনে নেবেন, কিন্তু মানুষের হাত ছাড়বেন না। যিনি সপ্তাহের অন্তত তিন-চার দিন এলাকায় থাকবেন। দুই-দুইটি উপজেলা সমন্বয়ে তৈরি এই সুবিশাল সংসদীয় আসনের জন্য যোগ্য প্রার্থী দরকার। 
আমরা কেমন এমপি চাই? আমরা চাই এমন এমপি যিনি এলাকার প্রতিটি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতি মাসে মতবিনিময় করবেন, শিক্ষকদের উৎসাহিত করবেন, বোঝার চেষ্টা করবেন ছেলেমেয়েরা কেন ভালো রেজাল্ট করছে না! জানার চেষ্টা করবেন, মাদ্রাসা বা কলেজের যে ছেলেটি বিদেশে কাজের জন্য গেল, সে কোনো ধরনের কারিগরি শিক্ষা পেল কিনা যা দিয়ে সে বেশি রোজগার করতে পারবে। তিনি চেষ্টা করবেন, স্কুল-কলেজ থেকে যেন শিক্ষার্থীরা ঝরে না পড়ে, তারা যেন অন্তত উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাটা সাফল্যের সঙ্গে শেষ করে। তিনি চেষ্টা করবেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেন দেশসেরা খেলোয়াড় তৈরি করতে পারে। তিনি সরকারকে দোষ দেবেন না, তিনি এলাকার অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। 

আমরা কেমন এমপি চাই? আমরা চাই, আমাদের এমপি এ এলাকার অন্তত দুইটি পাইকারি বাজার তৈরি করুন। পদ্মা সেতুর সুবিধা নিতে এই পাইকারি বাজারে পাঁচ হাজার থেকে ১৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হবে, যা সরকারকে দেবে বিপুল অঙ্কের কর। অত্র এলাকার ব্যবসায়ীরা আবারও বিক্রমপুরের আদি ব্যবসায়ীদের মতো সারা দেশে প্রভাব বিস্তার করতে পারবেন। মালয়েশিয়ায় বা অন্য দেশে সস্তা শ্রমের জন্য মুন্সীগঞ্জের তারুণ্যের দেশ ত্যাগ আমাকে ব্যথিত করে, অথচ তারা ওই দেশের সেই সব বেতনের চেয়েও বেশি দেশেই আয় করতে পারে। 

আমরা কেমন এমপি চাই? আমরা চাই আমাদের এমপি অসংখ্য চর-এর সুবিধা নিয়ে ব্যাপক আকারে সোলার বিদ্যুৎ তৈরির ব্যবস্থা করবেন এবং এই বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করে, সোলার বিদ্যুৎ তৈরির অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে এলাকার মানুষের মধ্যে শেয়ার ব্যবস্থার মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে ৩০ থেকে ৫০ বছরের স্থায়ী আয়ের সুযোগ তৈরি করে দেবেন। 

আমরা কেমন এমপি চাই? আমরা চাই আমাদের এমপি গত ৪৮ বছরের মতো বারে বারে তদবির করার ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠে সত্যি সত্যি মানুষের অতীব প্রয়োজনীয় সরকারি হাসপাতালটি এনে দেবেন। কথা বা ওয়াদা বা ছলচাতুরির আশ্রয় নেওয়া নিয়ে সম্মানিত এমপি হিসেবে এলাকার একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবেন বা সক্ষমতা দেখাবেন। যদি বিশ্ববিদ্যালয় আনতে না পারেন, তাহলে শ্রীনগর সরকারি কলেজ ও কুচিয়ামোরা কলেজে অনার্স লেভেলে কোর্স চালু করতে পারেন। বিশেষ করে, সারা বিশ্বের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে উচ্চমানের নার্সিং ইনস্টিটিউট বাস্তবায়ন করা আজ অতি দরকার, এবং তা মুন্সীগঞ্জেই সম্ভব। 

আমরা কেমন এমপি চাই? আমরা চাই আমাদের এমপি মহোদয় যেই হোন, তিনি পুরো এলাকার রাস্তাঘাট এমনভাবে করবেন, যাতে তা আগামী ৫০ বা ১০০ বছরের উপযোগী হয়, সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের আদলে নির্মিত এই যাতায়াত ব্যবস্থা সারা দেশের মানুষের কাছে প্রশংসার কারণ হয়। 

আমরা কেমন এমপি চাই? আমরা চাই শ্রীনগর-সিরাজদিখানের উৎপাদিত ফসল সুরক্ষার জন্য সরকারি ব্যবস্থা বাড়ুক, বেসরকারি খাতে হিমঘর তৈরিতে সহজ শর্তে ও এমপির বিশেষ ব্যবস্থায় ব্যাংক লোনের ব্যবস্থা হোক। আগামী ১০ বছরের মধ্যে রাজধানীর উপকণ্ঠে এই হিমঘর ব্যবস্থার ব্যাপকতার মাধ্যমে মুন্সীগঞ্জ ১-এর ব্যবসা বাড়াবেন এমপি।

আমরা কেমন এমপি চাই? আমরা চাই আমাদের এমপি সারা দুনিয়ার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমে আইটি-র ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য এই এলাকায় আইটিতে ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ-১ এলাকাকে বাংলাদেশের মধ্যে এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণে সেরা পাঁচ-এ নিয়ে আসবেন। আমরা চাই শ্রীনগর ও সিরাজদিখান এলাকায় আইটির ওপর বিশেষায়িত আইটি ট্রেনিং সেন্টার তৈরি হবে। 

আমরা কেমন এমপি চাই? আমরা চাই আমাদের এমপি জলাভূমি বাঁচাবেন, ভূমি আইন কার্যকর করে জনগণের মধ্যে হানাহানি-সংঘাতের অবসান ঘটাবেন, বালুচরসহ অন্যান্য চরাঞ্চলে শান্তি নেমে আসবে। আমরা এমন এমপি চাই যিনি এলাকাকে ডাকাতির হাত থেকে বাঁচাবেন আর আমাদের বাঁচাবেন লজ্জার হাত থেকে। নদীগুলো খনন করাবেন, অবৈধ মাটিকাটা থেকে নদীকে বাঁচিয়ে মুন্সীগঞ্জ-১-কে ভয়াবহ অবস্থা থেকে টেনে তুলে আনবেন। 

আমরা কেমন এমপি চাই? আমরা এমন এমপি চাই যিনি আমাদের প্রবাসীদের দিকে নজর দেবেন। অনেক মানুষ দীর্ঘদিন প্রবাসে কাজ করে দেশে ফিরে আসেন, তাঁদের জন্য বিশেষ ব্যাংক লোনের মাধ্যমে কৃষি খামার ও ক্ষুদ্র ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পে তাঁদের প্রবাসের জ্ঞান কাজে লাগানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। 

আমরা এমন এমপি চাই, যিনি কথা ফুলঝুরি না, সস্তা রাজনীতি না, যিনি হবেন মাটি ও মানুষের নেতা, মানুষকে যিনি ভালোবাসবেন, মানুষের জন্য যিনি জীবন উৎসর্গ করবেন, যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নাই, যার বিরুদ্ধে হানাহানিতে উসকানির অভিযোগ নেই, যার বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক ওয়াদার অভিযোগ নেই, যার বিরুদ্ধে কমিটি বাণিজ্যের সস্তা অভিযোগ নেই, যিনি অর্থের কাছে বিক্রি হন না, যিনি ভাই লীগ নয়; জননেত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের কমিটি করেন। ত্যাগীদের মূল্যায়ন করেন, যিনি সৎ, যিনি সত্যবাদী, যিনি মুরব্বিদের শ্রদ্ধা করেন, তাঁদের ওপর হাত ওঠান না, যিনি সমবয়সীদের সম্মান করেন, ছোটদের স্নেহ করেন, যিনি তার এলাকার আপামর মানুষের, দল-মত-নির্বিশেষে সবার এমপি হবেন আমরা সেরকম এমপি চাই। আমরা চাই এবার আমাদের এমপি নৌকার হোক, যিনি আবার সমগ্র মুন্সীগঞ্জ-১-এর আওয়ামী রাজনীতিকে এক সুতায় বাঁধবেন, যিনি আওয়ামী লীগ পরিবারের নেতৃত্ব ও কর্মীদের মূল্যায়ন করে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কাজের সঙ্গে সমগ্র এলাকার মানুষকে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধবেন, যিনি ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপদ আশ্রয় হবেন, যিনি সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করবেন। 
আমি এই এলাকার অন্তত ৫ হাজার মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি, সবাই একটি কথাই বলেছেন, আমাদের প্রিয় আপা, আমাদের আশার দিশারী, আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনা যাকেই প্রার্থী দিন, একজন নৌকার মাঝিকে যেন দেন! বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বহুদিন আওয়ামী লীগের এমপি বিহীন এই এলাকায় তৃণমূলে আওয়ামী শক্তিশালী থাকলেও সবাইকে এক সুতায় গেঁথে আগামী ৫০ বছরের জন্য মুন্সীগঞ্জ-১ আসনকে আওয়ামী লীগের প্রমাণিত ঘাঁটি করা খুবই সম্ভব এবং সেটা এখন সবার দাবি। 

মাটি ও মানুষের একজন, সবাইকে ভালোবাসার একজন, দূরদর্শী পরিকল্পনার আধুনিক সক্ষম একজন আওয়ামী লীগ প্রার্থীর জন্য মুন্সীগঞ্জ-১ এর সবাই মুখিয়ে আছেন। সবাই তাকিয়ে আছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনার দিক-নির্দেশনার দিকে। আমাদের এমন একজন এমপি হবেন, যার সঙ্গে তার এলাকার আর এলাকার মানুষের থাকবে উন্নয়নের সম্পর্ক, শ্রদ্ধা ও সম্মানবোধের সম্পর্ক, থাকবে ভরসা আর সাহসিকতার সম্পর্ক। 

 

বিডি প্রতিদিন/নাজমুল

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়