শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৩৮, শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৪

‘ধৈর্য ধরো, তিষ্ঠ ক্ষণকাল’

মোফাজ্জল করিম
অনলাইন ভার্সন
‘ধৈর্য ধরো, তিষ্ঠ ক্ষণকাল’

আমার এক পাড়াতুতো ভাতিজার বয়স তিরিশ ছুঁই ছুঁই। ছোটবেলা থেকেই গুডবয় হিসেবে পাড়ায় তার সুনাম আছে। সেই প্রাইমারি স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সব ক্লাসেই ফার্স্ট-সেকেন্ড হয়ে পাশ করে বছর কয়েক আগে মাশাল্লাহ একটা হৃষ্টপুষ্ট ভদ্রসম্মত চাকরিও পেয়েছে নামকরা এক কম্পানিতে। কিছুদিন আগে বিয়ে করে ঘরে এনেছে লক্ষ্মীমন্ত বৌ।

সেদিন রাস্তায় তার সঙ্গে দেখা হতে কুশল বিনিময়ের পর ভাতিজা বেমক্কা জানতে চাইল, ‘চাচা, এবার কি ভোট হইব? ভোট দিবার পারুম? আমার ভোট দেওয়ার বয়স হওনের পর তিন-চারটা ভোট হইল, কিন্তু একবারও তো ভোট দিতে পারি নাই। পয়লাবার মহল্লার মাস্তানরা কইল ভোট দিতে যাওন লাগব না, হেরাই ভোটের বেবস্তা করব। এরপরের বার ভোট দিতে গিয়া দেহি আমার ভোট কেডা জানি দিয়া গেছে। তারপরের বার...।’ 

আমি ওকে থামিয়ে দিয়ে বললাম, ‘এইবার ইনশাল্লাহ ওই রকম কিছু অইব না। তুমি আর বৌমা তোমার আব্বা-আম্মারে সঙ্গে কইরা গিয়া নিশ্চিন্ত মনে ভোট দিয়া আসবা।’...

সেদিন ভাতিজাকে তো খুব আশার বাণী শুনালাম কিন্তু বাসায় ফিরে আমার ময়ূরসিংহাসন ইজিচেয়ারে গা এলিয়ে দিতেই নানা রকম দুশ্চিন্তা মাথায় কিলবিল করে উঠল। বাপের তালুকদারি ছেড়ে ফুড়ুৎ করে উড়ে গিয়ে এক অঘটনঘটনপটীয়সী মহীয়সী নারী রিমোট কন্ট্রোলে নাকি নানা রকম ঘোঁট পাকানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।

আর তাঁর মুরুব্বি তাঁকে শুধু ‘তু ক্যাম্চু’ (গুজরাতি ভাষায় ‘তুমি কেমন আছ?’) বলে রাতদিন ২৪ ঘণ্টা তাঁর খোঁজ-খবরই নিচ্ছেন না, ‘র’-ল-ব-শ ইত্যাদি যত সেবাইত আছে সবাইকে নাকি তাঁর ফুট-ফরমাশ খাটতে লাগিয়ে দিয়েছেন। আর তারা তিলকে তাল, তালকে কাঁঠাল বানিয়ে বাংলাদেশে যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ সংখ্যাগরিষ্ঠদের হাতে কচুকাটা হচ্ছে সেইসব কাল্পনিক কাহিনি ওই দেশের কিছু কিছু মতলবাজ গণমাধ্যমের সাহায্যে বিশ্ববাসীকে পরিবেশন করছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, আমাদের বন্ধুর পোষ্য পত্র-পত্রিকা ছাড়া জাতীয় বা আন্তর্জাতিক আর কোনো গণমাধ্যমে এত বড় সংখ্যালঘু-নিধনের কোনো খবরই নেই। এমন কি বাংলাদেশের যেসব নেতৃস্থানীয় পত্র-পত্রিকা তাদের নিরপেক্ষতার জন্য সুপরিচিত তারাও এত বড় ঘটনার ব্যাপারে একেবারে ‘স্পিকটি নট্’। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে, বিশেষ করে বাংলাদেশের বর্তমান অরাজনৈতিক, নিরপেক্ষ, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে হেয় প্রতিপন্ন করার এই হীন প্রচেষ্টা কেবলমাত্র বোনকে তার হূত সাম্রাজ্য ফিরে পাওয়ার ব্যাপারে ভাইয়ের নানাবিধ অপকৌশলের একটি মাত্র।

আরেকটি বিষয় ভুললে চলবে না। শে. হা. সরকারের সময়ে দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে যেসব আমলা-কামলা মালাই-মাখন খেয়ে খেয়ে নিজেদের নধরকান্তির শ্রীবৃদ্ধি করেছেন, যেসব রাজনৈতিক লুটেরা জনগণের রক্ত চুষে চুষে পান করে আঙুল ফুলে কলাগাছ-বটগাছ হয়েছেন, তাদের প্রায় সবাই এখনো কেরানীগঞ্জ-গাজীপুরের রাষ্ট্রীয় মেহমানখানার বাইরে রয়ে গেছেন। এদের অনেকেই লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে অহর্নিশ

হূতরাজ্য ফিরে পাওয়ার নানাবিধ ষড়যন্ত্রে ব্যস্ত। এরা হাজার কোটি টাকা খরচ করে রাতারাতি ভোল পাল্টে বৈষম্যবিরোধী বা ইউনূসপন্থীও হয়ে যেতে পারেন। আর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসে থেকে বড় রকমের ‘স্যাবোটাজ’ও করতে পারেন এরা।

জ্বী হ্যাঁ, এদেশে সবই সম্ভব। কাজেই এদের ব্যাপারে অনুরোধ-উপরোধ নয়, রীতিমত ১০ নম্বর বিপদসংকেত জানাচ্ছি : সাধু সাবধান! অপ্রিয় হলেও সত্য, ইন বাংলাদেশ অলমোস্ট এভরিথিং অ্যান্ড এভরিওয়ান হ্যাজ আ প্রাইস্। আমার চাকরিজীবনে আমি যখন বাংলাদেশ জুটমিলস্ কর্পোরেশনে (বিজেএমসি) বেশ কিছুদিন পাটজাত দ্রব্য বিপণনের দায়িত্বে ছিলাম, তখন আমার এক অনুজপ্রতিম চৌকশ সহকর্মীর কাছে মাড়োয়ারী ব্যবসায়ীদের সম্বন্ধে শুনেছিলাম, তারা নাকি তাদের ব্যবসার মূলনীতি হিসেবে ‘ফেলো কড়ি, মাখো তেল’ নীতি মেনে চলত একেবারে ধর্মীয় অনুশাসনের মতো। কোনো লোক ঘুষ খায় না শুনলে তারা নাকি বলত : ক্যায়া? পয়সা নাহি লেতা? কেতনা তক নাহি লেতা? (কী? পয়সা নেয় না? কতটুকু পর্যন্ত নেয় না?) অর্থাৎ, ঘুষ খায় না? কত টাকা পর্যন্ত খায় না? টাকার অঙ্ক বাড়াতে থাকো, এক পর্যায়ে নিশ্চয়ই ঘুষ খাওয়ার জন্য মুখ হা করবে।

জানি, এতক্ষণ কালোয়াতি শুনে শুনে আপনারা হাই তুলছিলেন। এবার তাহলে আসি আসল কথায়। আসল কথা আর কিছু না, সূচনা পর্বে উল্লিখিত আমার সেই পাড়াতুতো ভাতিজার ভোট দেওয়ার খায়েশের কথা। হ্যাঁ, এবার নিশ্চয়ই তার আশা পূর্ণ হবে। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টাকে তো আমরা সেই ষাটের দশক-সত্তরের দশক থেকে দেখে আসছি। তাঁর ভেতর কোনো দুই নম্বরি-আড়াই নম্বরি কিছু আমরা, বা যাঁরা তাঁকে নোবেল প্রাইজ দিয়ে বিশ্ববরেণ্য করেছেন তাঁরা, কখনো দেখিনি। রক্তরঞ্জিত জুলাই ৩৬-এর উৎসর্গীকৃতপ্রাণ দেশপ্রেমিক শিক্ষার্থীরা ১৭ কোটির মধ্য থেকে যোগ্যতম ব্যক্তিটিকেই বেছে নিয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। দেশে-বিদেশে এক নামে বাংলাদেশের কোনো জীবিত ব্যক্তিকে যদি লোকে চেনে তবে তিনি প্রফেসর ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস। আমি লন্ডনে বাংলাদেশের হাই কমিশনারের দায়িত্বে থাকার সময় রাজা চার্লস (ওই সময়ে প্রিন্স চার্লস) ২০০৪ সালে আমার সঙ্গে প্রথম পরিচয়েই করমর্দন করতে করতে বলেন, ‘ও, ইউ আর ফ্রম বাংলাদেশ?’ তারপরের বাক্যই ‘হাউ ইজ মাই গুড ফ্রেন্ড প্রফেসর ইউনূস?’ তারপর আরো বার তিনেক আমার দেখা হয়েছে তাঁর সঙ্গে। প্রত্যেকবারই কুশল বিনিময়ের পর এসেছে প্রফেসর ইউসূস প্রসঙ্গ।

আমাদের পরম সৌভাগ্য যে এমন একজনকে দেশের এই ক্রান্তিকালে আমরা সরকার প্রধান হিসেবে পেয়েছি। তিনি গত তিন মাসে বারবার এটা স্পষ্ট করেছেন বাংলাদেশ নামক লাইনচ্যুত রেলগাড়িটিকে যথাসম্ভব দ্রুত লাইনে তুলে দিয়ে তিনি তাঁর দলবল নিয়ে খোদা হাফেয জানাবেন। দেশবাসীও তাই মনে করে। তবে হ্যাঁ, গাড়িটি যাতে আবার বেলাইন না হয় সে ব্যবস্থা তিনি করে যাবেন বলেছেন। ভালো কথা। কিন্তু আমাদের তো আবার কোনো ব্যাপারেই তর সয় না। তা ছাড়া বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণ করার জন্য যারা আদাজল খেয়ে তলে তলে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা তো নানা প্রকার অকথা-কুকথা বলে বলে পাবলিককে খেপিয়ে তোলার ধান্ধায় থাকবে। তাই আমরা মনে করি, একেবারে আশু প্রয়োজনীয় বিষয়াদি—যা একটি সুষ্ঠু সুন্দর ও অংশগ্রহণমূলক জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য অপরিহার্য—ব্যতীত অন্যসব সংস্কারের কাজে কালক্ষেপণ করা ঠিক হবে না। তা ছাড়া সংস্কার তো একটি চলমান প্রক্রিয়া। পরবর্তী নির্বাচিত সরকার বা ভবিষ্যতের সরকাররা নিশ্চয়ই জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন এসব ব্যাপারে।

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা সম্প্রতি (১৭ নভেম্বর) জাতির উদ্দেশে তাঁর ভাষণে সরকারের ১০০ দিনের শাসনামলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। সেখানে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে হবে তা স্পষ্ট করে বলেননি। তবে নির্বাচনের আগে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যেসব সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে সেগুলো সম্বন্ধে বলেছেন। তার মধ্যে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্বাচনও এসে যায়। এতেই অনেক বিদূষক দু’য়ে দু’য়ে চার মিলিয়ে ধরে নিয়েছেন এই সরকার শিগগির যাচ্ছে না। (ওই দিন রাতেই এক টিভি চ্যানেলে আমার এক সহ-আলোচক প্রবীণ সাংবাদিক বন্ধু রবীন্দ্রনাথকে উদ্ধৃত করে বলেই বসলেন : ‘অনেক কথা যাও যে বলে কোনো কথা না বলি/তোমার ভাষা বোঝার আশা দিয়েছি জলাঞ্জলি’। জবাবে আমি বোধ হয় ‘ধৈর্য ধরো, তিষ্ঠ ক্ষণকাল’ জাতীয় কিছু বলেছিলাম।)

এখনো বলি, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে একটি সুষ্ঠু সুন্দর অংশগ্রহণমূলক ও দেশে-বিদেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় ও যৌক্তিক সময় দিতে হবে। অবশ্য যৌক্তিক বলতে নিশ্চয়ই অনির্দিষ্টকাল বোঝায় না। সেই কারণে বিভিন্ন মহল থেকে একটি রোডম্যাপ বা আগামী দিনের কর্মপন্থা (আজকাল রোডম্যাপ বা পথনকশা কথাটাই বেশি চাউর) ঘোষণার যে অনুচ্চকণ্ঠে উচ্চারিত দাবি উঠেছে তা আমলে নিয়ে সরকারের উচিত একটা সুস্পষ্ট ধারণা জাতিকে দেওয়া—কবে নাগাদ তারা নির্বাচন করবেন। এটা না করলে বর্তমানের ধূমায়িত অসন্তোষ তাদের জন্য অদূর ভবিষ্যতে একটা বাজে ধরনের শিরঃপীড়ার কারণ হতে পারে।

তবে সব কথার শেষ কথা, ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব আত্মত্যাগের ফলে বাংলাদেশ যে রাহুমুক্ত হয়েছে তার ফসল ঘরে তোলার কিন্তু একটা সুবর্ণ সুযোগ আমরা পেয়েছি, যা হেলায় হারানো হবে একটা জাতীয় বোকামি। এখন সর্বাগ্রে যা দরকার তা হলো জাতীয় ঐক্য। আর সেই ঐক্য অর্জনের জন্য ১৭ কোটির কিন্তু বিশাল কোনো চাহিদা নেই। তাদের দুই বেলা পেট পুরে দুটো খাবার ব্যবস্থা করে দিন, আর শান্তিতে ঘুমুতে দিন, দেখবেন তারা এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অন্তর থেকে ভালবাসছে, দু’আ করছে।

কিন্তু, কিছু মনে করবেন না, এই দুই ‘পেপারেই’—মূল্যস্ফীতি আর আইনশৃঙ্খলা—পরীক্ষক সাধারণ মানুষ সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আপনাদের পাশ মার্ক দিতে পারছে না। সদাশয় কর্তৃপক্ষ, জরুরি ভিত্তিতে এই দুই ‘পেপারের’ জন্য কিছু একটা করুন। নইলে—।

 
লেখক : সাবক সচিব, কবি

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন