শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:০৪, শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৪ আপডেট: ১৯:৫৮, শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৪

সংস্কারের নামে ভোটে বিলম্ব অযৌক্তিক

বিশেষ সাক্ষাৎকারে ড. আব্দুল মঈন খান
অনলাইন ভার্সন
সংস্কারের নামে ভোটে বিলম্ব অযৌক্তিক

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম কাজ ছিল বিগত সরকারের আমলে প্রশাসনের বিভিন্ন পদে আসীন থেকে যারা নির্বাচনকে কলুষিত করেছে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এটি না করে তাদের শক্ত অবস্থান সম্পর্কে বার্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, প্রথমে সংস্কার, এরপর নির্বাচন অনুষ্ঠানের যে আলোচনা চলছে, এটা কোনো বাস্তবসম্মত কথা নয়। সংস্কারের নামে অনির্দিষ্টকালের জন্য জনগণের ভোটাধিকার লঙ্ঘন করা অযৌক্তিক।

গতকাল গুলশানের নিজ বাসভবনে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শফিকুল ইসলাম সোহাগ ও শরিফুল ইসলাম সীমান্ত

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বর্তমান সরকারের কাছে আপনাদের প্রত্যাশা কী? 

মঈন খান : অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার তথা মৌলিক অধিকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফিরিয়ে দেবে। এর মধ্য দিয়ে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। আমাদের প্রত্যাশা দেশে অবিলম্বে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। 

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বিভিন্ন মহল থেকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি উঠছে, আপনি এটিকে কীভাবে দেখেন?

মঈন খান : আওয়ামী লীগ নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে দাবি করে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের নেতাদের অবদান কতটুকু সেটা প্রশ্নবিদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী ১৯৭২ থেকে ৭৫ সালে আওয়ামী লীগ একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিল। গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছিল। আমাদের এখন প্রশ্ন করতে হবে আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে গণতন্ত্রে আদৌ বিশ্বাস করে কি করে না। বিশ্ব বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন বলেছে আওয়ামী লীগ ২০০৯ থেকে ২০২৪ এই সময় বাকশাল টু কায়েম করেছিল। এই পর্যায়ে আওয়ামী লীগ মুখে বাকশাল বলেনি। কিন্তু বাস্তবে একদলীয় শাসন কায়েম করেছিল, এমন ব্যবস্থা করেছিল যে সবাইকে একই সুরে কথা বলতে হবে। এটা মানুষের বাক স্বাধীনতায় সরাসরি হস্তক্ষেপ। যেখানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই সেখানে গণতন্ত্র নেই। আওয়ামী লীগের রাজনীতি বহাল থাকা কিংবা নির্বাচনে অংশগ্রহণ এসব পারিপার্শ্বিক বিষয়ের উপর নির্ভর করছে। তবে বিগত ১০০ দিনেও তারা তাদের ভুলের চোরাবালি থেকে বের হতে পারেনি। তাদের মধ্যে এখনও কোনো ধরনের অনুশোচনা নেই। আপনি কি একজনও আওয়ামী রাজনৈতিক অথবা তাদের সমর্থক তথাকথিত সুশীল সমাজ অথবা বুদ্ধিজীবীকে আত্মোপলব্ধি করে বলতে শুনেছেন যে তারা চরম অন্যায় করেছে, এজন্যে তারা জনগণের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী?

বাংলাদেশ প্রতিদিন : নির্বাচনি রোডম্যাপ কতোটা জরুরি বলে মনে করেন?

মঈন খান : কবে কখন কিভাবে নির্বাচন হবে সেটা নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার। সে কারণেই আমরা অন্তর্বর্তী সরকারকে বারবার বলেছি অতি দ্রুত নির্বাচনি সংস্কারগুলো সম্পন্ন করুন। আমরা জানি অনেক কিছু সংস্কার করতে হবে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। স্বাধীনতার পর থেকেই আমাদের সংস্কার কার্যক্রম চলছে। নিরবচ্ছিন্ন সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই মানব সভ্যতার অগ্রগতি হয়েছে ও হচ্ছে। সুতরাং আমি আগে সংস্কার করবো এরপর নির্বাচন দিব এটা কোনো বাস্তবসম্মত কথা হতে পারে না। সরকার এখন যেসব সংস্কারের কথা বলছে এগুলো কখনো শেষ হবে না। আজকে যে সংস্কার করা হবে সেটা আগামীকাল পুনরায় সংস্কারের প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই সংস্কার এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া সমানতালে চলতে হবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বিএনপি কোন কোন সংস্কারের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে?

মঈন খান : নির্বাচনি সংস্কার। আওয়ামী লীগের আমলে যেসব নির্বাচন হয়েছে, সেগুলোকে নির্বাচন বলে না। তাই একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যেসব সংস্কার অত্যাবশ্যকীয় সেগুলোর উপর বেশি গুরুত্বারোপ করতে হবে। এ লক্ষ্যে সরকারের প্রথম কাজ ছিল নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করা, যেটি তারা করেছে। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশে নির্বাচন ব্যবস্থা ওয়েস্ট মিনস্টার পদ্ধতির। এ ব্যবস্থায় সারাদেশে একদিনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৩০০ আসনে একদিনে নির্বাচন অনুষ্ঠান বিশাল কর্মযজ্ঞের বিষয়। সেদিন নির্বাচন পরিচালনার জন্য লক্ষ লক্ষ লোকের প্রয়োজন হয়। নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব লক্ষ লক্ষ কর্মী থাকতে পারে না, এটা যুক্তিসম্মত নয়। সরকার তখন সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, পুলিশ, আনসার বাহিনী এমনকি সেনাবাহিনীকে যুক্ত করে কমিশন তৈরি করে নেয়। তাই প্রশাসনে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে সংস্কার আনাটা প্রথম অত্যাবশ্যকীয় সংস্কার। নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা হচ্ছে চারজন। ডিসি, এসপি, টিএনও এবং ওসি। মাঠ পর্যায়ে এই চারজন নির্বাচনের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার এই পদগুলোতে যেভাবে দলীয়করণ করে গিয়েছে তাতে করে এ প্রশাসন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন কখনোই সম্ভব নয়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম কাজ ছিল বিগত সরকারের আমলে এসব পদে থেকে যারা নির্বাচনকে কলুষিত করেছে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া। কিন্তু দুঃখের সাথে বলছি, তারা এ কাজটি সময়মতো করতে পারেনি। আমি আশা করি এই গাফিলতির খেসারত তাদের যেন দিতে না হয়। এখনো সময় রয়েছে। সরকার ধীর গতিতে সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ বাহিনীর সংস্কার প্রয়োজন রয়েছে। সংস্কার করতে হবে আনসার বাহিনীকেও। আজকের নতুন প্রজন্ম এখনো পর্যন্ত ভোট দিতে পারেনি। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব তাদের অবিলম্বে ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা করে দেওয়া। সংস্কারের নামে অনির্দিষ্টকালের জন্য তাদের ভোটাধিকার লঙ্ঘন যুক্তিসঙ্গত হতে পারে না।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : প্রশাসনিক বাহিনীর এসব সংস্কারের ক্ষেত্রে আপনার পরামর্শ কী?

মঈন খান : অন্তর্বর্তী সরকারকে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকারি বাহিনীতে লক্ষ লক্ষ লোক রয়েছে। সবাইকে চাকরিচ্যুত করা সম্ভব নয়। এটি কোনো বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্তও নয়। এরকমটি হলে দেশ চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। ২০ লক্ষ সরকারি কর্মকর্তাকে বরখাস্ত না করে যদি দৃষ্টান্ত হিসেবে ২০ জনকে অথবা ২০০ জন অসৎ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়, তবে সেটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এতে করে বাকিরা সতর্ক হয়ে যাবে। জনগণ বুঝতে পারবে অন্তর্বর্তী সরকার সঠিক পথে এগোচ্ছে। এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিগত ১০০ দিনে দেশবাসীকে এই বার্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : সংবিধান পরিবর্তনের ইস্যু নিয়ে আপনার বক্তব্য কী? 

মঈন খান : সংবিধান দশবার পরিবর্তন কিংবা পুনর্লিখন করা যেতে পারে, বিশবার সংস্কার করা যেতে পারে। এটা মুখ্য বিষয় নয়। যারা দেশ পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন তাদের মন মানসিকতায় পরিবর্তন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ আমাদের ভোট দেয় তাদের শাসন করার জন্য নয়, তাদের প্রতিনিধি হিসেবে দেশ পরিচালনা করার জন্য। এবং এটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য, চিরদিনের জন্য নয়। ঠিক এই জায়গাতে আওয়ামী লীগ ভুল করেছিল। তারা ভেবেছিল তারা চিরদিনের জন্য ক্ষমতায় এসেছে। এই ভুলের মাশুল আজকে আওয়ামী লীগ দিচ্ছে। আমাদের যে কোটি কোটি জনগণ রয়েছে, তাদের মানসিকতায় যদি পরিবর্তন এসে থাকে তাহলে সংবিধান পরিবর্তন হবে নাকি সংস্কার হবে, সেটা আমার কাছে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নয়। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করার বিষয়টি ইতিমধ্যে সংবিধানে লিপিবদ্ধ রয়েছে। আওয়ামী লীগ ১৯৭২ থেকে ’৭৫ এবং ২০০৯ থেকে ২০২৪ এই সময়কালে কাগজে কলমে স্বৈরশাসন কায়েম করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করেছে। এই যদি হয় পরিস্থিতি তাহলে সংবিধান সংস্কার, পরিবর্তন কিংবা পুনর্লিখন কোনো কিছুতেই কোনো ফায়দা হবে না। ক্ষমতা নয়, রাজনীতিকরা সত্যিকার অর্থে দেশ সেবার মনোভাব নিয়ে রাজনীতি করলে এসব তথাকথিত ‘তাত্ত্বিক বিষয়’-এর প্রবক্তারা হালে পানি পাবেন না।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : ছাত্র জনতার আন্দোলনকে আপনি কীভাবে দেখেন? বিএনপির অবদান কতটুকু?

মঈন খান : ছাত্র জনতার আন্দোলনের সফলতাকে সবাই একইভাবে দেখছে। ছাত্র-জনতাকে অভিনন্দন তারা বীরের মতো বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছে। বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি ও তাদের সমমনা ৪৪টি রাজনৈতিক দল একসঙ্গে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করে এসেছে বছরের পর বছর। বিজয় এসেছে ৫ আগস্ট। কিন্তু এটি শেষ কথা নয়। বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো এতকাল ধরে প্রতিবাদ করেছে এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে তাদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। ফুটবল খেলায় গোল করে একজন। কিন্তু তাই বলে বাকি ১০ জনের অবদানকে অস্বীকার করার উপায় নেই। বিগত ১৫ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীরা যে জেল-জুলুম অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেছে, তাকে ভুলে গেলে চলবে না। আমরা যদি শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে এই বিজয়ের দাবিদার হিসেবে চিহ্নিত করি, তবে সেটা সঠিক বিশ্লেষণ হবে না। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী প্রতিটি মানুষ এই বিজয়ের অংশীদার। 

বাংলাদেশ প্রতিদিন : ৫ আগস্টের পর বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দখল-বাণিজ্যের অভিযোগ উঠছে। এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?

মঈন খান : এখানে তিনটি বিষয় রয়েছে। প্রথমত, কিছু অসংগতি হয়েছে এবং বিষয়টি বিএনপি স্বীকার করে নিয়েছে। বিএনপির সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে কিংবা শোকজ করা হয়েছে। কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়, সেজন্য বিএনপি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দ্বিতীয়ত, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও তার কতিপয় নেতা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতা-কর্মী সবাই তো আর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেনি। তারা দেশেই রয়েছে। তারা এখন বিএনপির মধ্যে মিশে গিয়ে অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে আর তার দায় বিএনপির ঘাড়ে বর্তাচ্ছে।

তৃতীয়ত, ৫ আগস্ট ঐতিহাসিক পট পরিবর্তনের পর কিছু ঘটনা ঘটেছে। এগুলো ছিল তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া। অনিবার্য এই ঘটনাগুলো অস্বাভাবিক কিছু ছিল না। বরং বলা যায়, এসব ঘটনা যদি না ঘটতো তবে সেটিই হতো অস্বাভাবিক। এখানে স্পষ্ট করা প্রয়োজন যে বিগত পনেরো বছরে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা যেভাবে জুলম-অত্যাচার ও বিচার ব্যবস্থা কুক্ষিগত করার মাধ্যমে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাড়ি-ঘর, জায়গা-জমি ও ব্যবসা-বাণিজ্য দখল করে নিয়েছিল, সেগুলো উদ্ধারের ঘটনাগুলো আমাদের প্রগতিশীল মিডিয়াগুলো চমৎকার করে বিএনপির দখলবাজির ঘটনা হিসেবে সযত্নে প্রথম পৃষ্ঠায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে পরিবেশন করেছে। আমার এ বিষয়ে বোধহয় আর অধিক না বলাই উত্তম।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো নিয়ে বিএনপির ভাবনা কী?

মঈন খান : ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে অতীতে আমরা যেমন ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করেছি, তেমনি সামনের দিনগুলোতেও গণতন্ত্রকামী দলগুলো নিয়ে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই। 

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বিএনপি নির্বাচনের পর জাতীয় সরকার গঠনের কথা বলছে। এটা কীভাবে করা হবে?

মঈন খান : গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিরোধী দল অত্যাবশ্যকীয়। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে ভয় থাকে যে, সরকার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে পারে। এজন্যই যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে আমরা তাদের সাথে একসঙ্গে কাজ করছি। এর মধ্যেও মতবিরোধ থাকতে পারে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে, পদ্ধতিগত দিক নিয়ে, বাস্তবায়নের কৌশল নিয়ে। কিন্তু সবার আদর্শই এক-তা হলো বাংলাদেশে পুনরায় গণতন্ত্র কায়েম করা। এজন্যই আমরা বলছি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে অবিলম্বে জনগণের মতামত প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে। 

বাংলাদেশ প্রতিদিন : ছাত্রদের নেতৃত্বে রাজনৈতিক দল গঠনে প্রক্রিয়াকে কীভাবে দেখছেন? 

মঈন খান : এটা তাদের রাজনৈতিক অধিকার। তাদের উদ্দেশ্য যদি সৎ হয় তবে তাদের স্বাগত জানাই। তবে তাদের নিয়ে বলা হচ্ছে যে, তারা সরকারে থেকে কিংস পার্টি গঠন করছে। সেটিও মুখ্য বিষয় নয়। তাদের বিএনপির কাছে পরীক্ষা দিতে হবে, এমনটিও নয়। তাদের পরীক্ষা দিতে হবে বাংলাদেশের জনগণের কাছে। রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের গ্রহণ কিংবা প্রত্যাখ্যান সেটির পরীক্ষক দেশের ১২ কোটি ভোটার।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কবে দেশে ফিরবেন? দেশে ফিরতে তার বাধা কোথায়?

মঈন খান : তারেক রহমান সঠিক সময়ে দেশে আসবেন এই নিশ্চয়তা আমি আপনাদের দিতে পারি।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

মঈন খান : আপনাদেরও ধন্যবাদ।

বিডি প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন