শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৫০, রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

রপ্তানি খাত বহুমুখী করতে হবে

আবদুল্লাহ হিল রাকিব
অনলাইন ভার্সন
রপ্তানি খাত বহুমুখী করতে হবে

রপ্তানি আয় বাড়ানোর জন্য আমরা তৈরি পোশাক খাতের ওপর নির্ভরশীল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পোশাক খাতের ওপর নির্ভরতা আরো বাড়ছে। বর্তমানে এই খাত থেকে মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশ আসে। একটি জাতীয় রপ্তানি কৌশল তৈরি করে সে অনুযায়ী এগোতে হবে, তা না হলে একক পণ্যের ওপর রপ্তাানিনির্ভরতা কাটবে না। অর্থনীতির স্বার্থে রপ্তানি খাত বহুমুখী করাও অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। বৈশ্বিক ইকোনমিক কমপ্লেক্সিটি র‌্যাংকিংয়ের দিক থেকে আমরা এখনো অনেক পিছিয়ে আছি, অর্থাৎ পণ্যে বৈচিত্র্যের সক্ষমতা আমাদের অনেক কম। আমাদের এই সক্ষমতা বাড়াতে সব দিক নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

উদ্যোক্তা তৈরিতে সামাজিক স্বীকৃতি প্রয়োজনআমাদের বেশ কিছু উদীয়মান খাত আছে; যেমন- চামড়াপণ্য, নন-লেদার ফুটওয়্যার, ফার্মাসিউটিক্যালস, আইসিটি, সিরামিকস ইত্যাদি। এগুলোর যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। তবে এর জন্য জ্বালানি, আর্থিক, ব্যাংকিং সহায়তা এবং আমদানি-রপ্তানি ক্ষেত্রে আরো বেশি নীতি সহায়তা প্রয়োজন। ২০২৬-এর পরে কোন বাজারে কোন পণ্য কী ধরনের শুল্ক বাধার সম্মুখীন হবে সে বিষয়টি স্পষ্ট নয়।

চলতি বছর আমরা অনেক ধরনের বাধার সম্মুখীন হয়েছি। আমাদের অভ্যন্তরীণ সংকট, বিশেষ করে গ্যাসসংকট, মুদ্রাস্ফীতি ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, শ্রম খাতে অস্থিরতা, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মতো বিষয় মোকাবেলা করতে হয়েছে। এর পাশপাশি সরবরাহ শৃঙ্খলে সংকট, ব্যাংকিং খাতে বিপর্যয়, বিনিয়োগ মন্থর হওয়া এবং অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক সূচকগুলোতে অস্থিরতা চলছে। সব মিলিয়ে আমরা একটি অনিশ্চিত সময় পার করছি।

চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১১.৭ শতাংশ। তবে ২০২২-২৩ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর কোনো প্রবৃদ্ধি নেই। অর্থাৎ গত তিন বছরের বিচারে পোশাক খাতে প্রবৃদ্ধি শূন্য। আপেক্ষিক মানদণ্ডে প্রবৃদ্ধির পরিমাণ মাপলে হয়তো সঠিক চিত্র দেখা যাবে না। একটি বছরে কোনো কারণে কোনো দেশের রপ্তানি কম হতে পারে। সে ক্ষেত্রে পরের বছর রপ্তানি স্বাভাবিক হয়ে এলে প্রবৃদ্ধি বেশি দেখায়। ঠিক এর উল্টোটিও হতে পারে।

জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর সময়ে আমাদের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫.২৭ শতাংশ। ভারতের ৭.৭৫ শতাংশ, ভিয়েতনামের ৯.৯৫ শতাংশ, পাকিস্তানের ১০.৩২ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ার ২৩.৬৬ শতাংশ। অর্থাৎ এই সময়ের বিচারে আমরা পিছিয়ে আছি। আগে বলেছি, চলতি বছরে আমরা নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছি, বছরের শুরুতেই আমরা ৫৬ শতাংশ মজুরি বাড়ালাম, এরপর ফেব্রুয়ারি মাসেই আমাদের রপ্তানি প্রণোদনা ব্যাপক হারে কমানো হলো, সেই সঙ্গে চলছে গ্যাসসংকট ও বন্দর-কাস্টমসের জটিলতা। তারপর জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান। গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য এই শিল্পের ত্যাগ কম নয়। ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকা, কারখানা বন্ধ, সরবরাহ শৃঙ্খল বিপর্যস্ত হয়ে পড়া- এসব আমরা দেখেছি জুলাই মাসে। এর পর থেকে শ্রম খাতে অস্থিরতা শুরু হয়। সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ থাকলেও তা শুধু আশুলিয়া ও গাজীপুরের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। শ্রমিক আন্দোলন সমগ্র শিল্পকে প্রতিনিধিত্ব করে না; বরং নির্দিষ্ট এলাকা এবং কিছু কারখানা এই অবস্থার শিকার হচ্ছে। শ্রমিকদের কিছু দাবি অযৌক্তিক ছিল। 

তবু সব কিছু বিবেচনা করে শিল্প ও শ্রমিকের স্বার্থে ১৮ দফা চুক্তি স্বাক্ষর করেছি, যার মাধ্যমে শিল্পে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে বলে আমাদের প্রত্যাশা। এই চুক্তির অংশ হিসেবে সরকার শ্রমিকদের বার্ষিক মজুরি বৃদ্ধিকে ৫ থেকে ৯ শতাংশ করেছে, যা বাজার ও মুদ্রাস্ফীতির কথা বিবেচনা করে শ্রমিকের স্বার্থে আমরা মেনে নিয়েছি। যদিও আমাদের শিল্প বর্তমানে অর্ডার সংকট, মূল্যপতন, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও ব্যাংকিং সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে এবং উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কারখানা বন্ধও হয়ে গেছে, তার পরও যখন আমরা ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির মাত্র ১১ মাসের মধ্যে পুনরায় বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত মেনে নিলাম, তখন এই ধরনের পরিস্থিতি শিল্প, শ্রমিক বা অর্থনীতির জন্য কোনো স্বস্তির বার্তা বহন করে না। ত্রিপক্ষীয় আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারিত বৃদ্ধির ঘোষণা সত্ত্বেও শ্রমিকরা আবারও অযৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন করছে, এবং এটি বিশেষ করে আশুলিয়া ও সাভারে দেখা যাচ্ছে, যা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত। ঠিক এই সময়ে প্রতিযোগী দেশগুলো তাদের সেক্টরকে আরো শক্তিশালী করতে কাজ করছে। ইউরোপের সঙ্গে এফটিএ করেছে ভিয়েতনাম। সেখানে আমরা এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রভাব মোকাবেলার প্রস্তুতি নেওয়ার সময়ে একটি নজিরবিহীন সংকট পার করছি। আমাদের শিল্পের প্রণোদনা কমানো হচ্ছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত। এখন মোকাবেলা করছি ব্যাংকিং সংকট। সব মিলিয়ে প্রবৃদ্ধি সহায়ক কোনো পরিবেশ এ বছর আমরা পাইনি। শিল্পের নিরাপত্তা, গ্যাস সরবরাহ অবিচ্ছিন্ন রাখা, ব্যাংকিং খাতের সহায়তাসহ বেশ কিছু বিষয়ে আমাদের খুব দ্রুত উন্নতি দরকার।

আমরা আশা করি, এমন পরিস্থিতিতে শ্রমিক ও ফেডারেশন নেতারা তাঁদের নেতৃত্বের পরিচয় দেবেন এবং শ্রমিকদের মধ্যে যে আস্থার সংকট আছে তা দূর করতে সবাইকে কাজ করতে হবে। শিল্প বন্ধ হলে সেটি কারো জন্যই মঙ্গলজনক হবে না, এটি বোঝাতে হবে। সরল শ্রমিকদের ঘিরে কেউ পরিস্থিতি অশান্ত করছে কি না সে বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে নজরদারি চালাতে হবে। পোশাকশিল্পে সামাজিক সংলাপের গুরুত্ব রয়েছে। প্রতিটি উদ্যোক্তাকে তাঁর কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, যাতে কোনো পরিস্থিতিতে কেউ শিল্পের বিরুদ্ধে অবস্থান না নেয়।

রপ্তানি বাড়াতে বৈচিত্র্য জরুরি

বৈশ্বিক পোশাক বাজার অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় হয়ে উঠছে, যেখানে শুধু ফ্যাশন বা ট্রেন্ড নয়, বরং পণ্য, কার্যকারিতা, টেকসইতা, ফাইবার এবং সম্প্রতি টেকসই ও পুনর্ব্যবহারযোগ্যতার মতো বিষয়গুলো ফ্যাশন বাজারে বৈচিত্র্য আনছে। আমরা এখন পর্যন্ত পিরামিডের নিচের ধাপেই রয়েছি, অর্থাৎ বেসিক কটন নির্ভর শিল্প এবং টি-শার্ট, ট্রাউজার, সোয়েটার ও ওভেন শার্টে আটকে আছি। তবে গত দশকে আউটার ওয়্যার, ফরমাল ওয়্যার, অ্যাকটিভ ওয়্যার, স্যুট এবং লঁজেরির পণ্যে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ এসেছে এবং এসব খাতে রপ্তানি বাড়ছে, নন-কটন পণ্যের অংশ আমাদের মোট রপ্তানি আয়ের ২৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে, যা কয়েক বছর আগেও ২৫ শতাংশ ছিল। আমি মনে করি, উৎকর্ষের এই দিকগুলোতে সরকারের নীতি সহায়তা পেলে আরো বেশি উদ্যোক্তা এগিয়ে আসবেন। সেই সঙ্গে বন্দর ও কাস্টমস সম্পর্কিত জটিলতাগুলো কমানো গেলে এবং গ্যাস সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন করা গেলে এ ধরনের বৈচিত্র্যময় পণ্য তৈরিতে আমরা আরো এগিয়ে যেতে পারব। পাশাপাশি প্রযুক্তি ও দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতির বিষয়গুলোতে আমাদের শিল্পের আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। বাংলাদেশ সব সময় তার সক্ষমতা ও সম্ভাবনা কাজে লাগানোর অদম্য শক্তি প্রদর্শন করেছে। তবে সব কিছু বিনিয়োগ পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল। অবশ্য পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটছে, সেপ্টেম্বর-নভেম্বর সময়ে প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক পর্যায় এসেছে। আশা করছি, সরকারের নেওয়া সব পদক্ষেপের সুফল পেতে শুরু করলে আমরা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারব।

লেখক : সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি, বিজিএমইএ ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টিম গ্রুপ।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন